মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব বসতি দিবস: সবার জন্য নিরাপদ আবাসনের অঙ্গীকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
বিশ্ব বসতি দিবস: সবার জন্য নিরাপদ আবাসনের অঙ্গীকার

সাকিবুর রহমান বাবলা

একটি নিরাপদ ঘর শুধু ইট-পাথরের কাঠামো নয়; এটি মানুষের নিরাপত্তা, মর্যাদা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক জীবনের ভিত্তি। অথচ আজও বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পর্যাপ্ত আবাসনের বাইরে। এই বাস্তবতায় প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম সোমবার পালিত হয় বিশ্ব বসতি দিবস। ২০২৬ সালে দিবসটি পালিত হচ্ছে ৫ অক্টোবর, এর প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত বাসস্থান’। এ বছরের বৈশ্বিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ওমানের মাস্কাটে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৮৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর ৪০/২০২ রেজুলেশনের মাধ্যমে অক্টোবরের প্রথম সোমবারকে বিশ্ব বসতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৮৬ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে প্রথম দিবসটি পালিত হয়; প্রতিপাদ্য ছিলÑ‘আশ্রয় আমার অধিকার’। দিবসটির উদ্দেশ্য ছিল মানুষের বসবাসের পরিবেশের অবস্থা পর্যালোচনা করা এবং সবার জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়ের মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা।

বর্তমানে আবাসন সংকটের ব্যাপ্তি আরও গভীর। ইউএন হ্যাবিট্যাট ওয়ার্ল্ড সিটিজ রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন মানুষ নিরাপদ ও পর্যাপ্ত আবাসনের কোনো না কোনো ঘাটতিতে রয়েছে। এর মধ্যে এক বিলিয়নের বেশি মানুষ অনানুষ্ঠানিক বসতি ও বস্তিতে বসবাস করছে। ২০২৩ সালে বৈশ্বিক আবাসন ঘাটতি প্রায় ২৮৮ মিলিয়ন ইউনিটে পৌঁছেছে। অপর্যাপ্ত আবাসনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে অনিরাপদ জমির মালিকানা, অতিরিক্ত ভিড়, মৌলিক সেবার ঘাটতি, পরিবেশগত ঝুঁকি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি।

এই সংকটের পেছনে রয়েছে দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ, আয়-বৈষম্য, আবাসন ও জমির উচ্চমূল্য, দারিদ্র্য, যুদ্ধ-সংঘাত, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, খরা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো দুর্যোগ মানুষের ঘরবাড়ি ও জীবিকার ওপর সরাসরি আঘাত করছে। ফলে আবাসন এখন কেবল নগর পরিকল্পনার বিষয় নয়; এটি দারিদ্র্য হ্রাস, জলবায়ু সহনশীলতা, জনস্বাস্থ্য ও মানবাধিকারের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত নগরায়ণ, গ্রাম থেকে শহরে কর্মসংস্থান ও সেবার সন্ধানে মানুষের আগমন এবং জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি শহরাঞ্চলে আবাসনের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। ইউএন হ্যাবিট্যাট-এর বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্যে দীর্ঘদিন ধরেই নগর দরিদ্র ও অনানুষ্ঠানিক বসতিতে বসবাসকারীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসনের ঘাটতিকে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণ এবং বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ আবাসন পরিস্থিতি বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভিত্তি। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের তথ্যেও বস্তি ও ভাসমান পরিবারের উপস্থিতি স্পষ্ট; তাই আবাসন পরিকল্পনায় শুধু বাড়ির সংখ্যা নয়, বাসস্থানের মান, নিরাপত্তা, নাগরিক সুবিধা ও ভাড়ার সক্ষমতাকেও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া সরকারি খাসজমি বন্দোবস্ত দিয়ে কিছুটা হলেও সহায়ক ভূমিকা পালন করা যেতে পারে।

বিশ্ব বসতি দিবসের তাৎপর্য এখানেইÑমানুষকে শুধু একটি ছাদ দেওয়া নয়, বরং নিরাপদ, সাশ্রয়ী, স্বাস্থ্যসম্মত, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করা। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার এসডিজি ১১-এর লক্ষ্যও হলো শহর ও মানববসতিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, সংকটসহনশীল ও টেকসই করে তোলা। ২০২৬ সালের জাতিসংঘের মূল্যায়ন বলছে, এই লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ব এখনও প্রয়োজনীয় গতিতে এগোতে পারেনি।

এ অবস্থায় সরকারের দায়িত্ব হলো সাশ্রয়ী আবাসন, পরিকল্পিত নগরায়ণ, নিরাপদ ভূমি-ব্যবস্থা, পানি ও স্যানিটেশন, পরিবহন এবং দুর্যোগসহনশীল অবকাঠামোকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনা। নি¤œআয়ের মানুষের জন্য আবাসন প্রকল্প, বস্তি উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও জরুরি। একই সঙ্গে ইউএন হ্যাবিট্যাট, স্থানীয় সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ইউএন হ্যাবিট্যাট-ও জাতীয় সরকারকে সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসনের নীতি ও কৌশল প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানায়।

১৯৮৯ সাল থেকে ইউএন হ্যাবিট্যাট স্ক্রোল অব অনার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে আসছে মানব বসতি ও নগরজীবনের মানোন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে। এটিও দেখিয়ে দেয়Ñআবাসন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ।

পরিশেষে বলা যায়, একটি সুন্দর শহর মানেই শুধু উঁচু ভবন, প্রশস্ত সড়ক কিংবা আধুনিক অবকাঠামো নয়; সুন্দর শহর হলো যেখানে প্রত্যেক মানুষের নিরাপদে থাকার জায়গা আছে, যেখানে বস্তি ও প্রান্তিক মানুষ উন্নয়নের বাইরে পড়ে থাকে না এবং যেখানে আবাসন মানুষের মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত থাকে। বিশ্ব বসতি দিবস তাই কেবল একটি দিবসের আনুষ্ঠানিকতা নয়Ñএটি সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করার বৈশ্বিক অঙ্গীকারকে নতুন করে স্মরণ করার দিন।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচি

দেশব্যাপী চলমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পরবর্তী ধাপগুলোর নতুন সময়সূচী প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিস। জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সময়সূচী নি¤œরূপ: প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডার গার্টেন স্কুল, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ৭ ও ৮ অক্টোবর। মাদ্রাসা (এবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল): ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক, সমমান, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর): ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। বিভাগীয় পর্যায়:প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। মাদ্রাসা: ২৫ ও ২৬ অক্টোবর। কলেজ: ২৭ ও ২৮ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয়: পরবর্তীতে সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। জাতীয় পর্যায়:প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ২৭, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর। মাদ্রাসা: ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। কলেজ: ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয়: পরবর্তীতে সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য জেলা তথ্য অফিস, সাতক্ষীরার ওয়েবসাইট (www.info.satkhira.gov.bd) অথবা ফোন নম্বরে (০২৪৭৭৭৪০০৯৩) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

একবার নোবেল পুরস্কার পাওয়াই যেকোনো বিজ্ঞানী, লেখক বা গবেষকের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে গণ্য হয়। তবে মেধার এমন কিছু অনন্য ও বিস্ময়কর ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে একই ব্যক্তি বা সংস্থা একাধিকবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

নোবেল কমিটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি এবং দুটি সংস্থা একাধিকবার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার নজিরবিহীন গৌরব অর্জন করেছেন।

দুইবার নোবেলজয়ী পাঁচ অনন্য বিজ্ঞানী ও ব্যক্তিত্বব্যক্তিগত যোগ্যতায় বিজ্ঞানের ভিন্ন ভিন্ন শাখায় বা একই শাখায় দুইবার নোবেল পেয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন পাঁচ কিংবদন্তি:

মারি ক্যুরি (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন)
ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দুইবার নোবেল জয়ের রেকর্ড গড়েন ফরাসি বিজ্ঞানী মারি ক্যুরি। ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে এবং ১৯১১ সালে বিশুদ্ধ রেডিয়াম পৃথকীকরণের জন্য এককভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। দুটি ভিন্ন বিজ্ঞান শাখায় নোবেল পাওয়ার এই অনন্য রেকর্ড আজ পর্যন্ত কেউ ভাঙতে পারেনি।

লিনাস পলিং (রসায়ন ও শান্তি)
মার্কিন রসায়নবিদ লিনাস পলিং ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দুটি ভিন্ন বিভাগে এককভাবে (কারো সঙ্গে ভাগ না করে) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৫৪ সালে রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃতির ওপর গবেষণার জন্য তিনি রসায়নে নোবেল পান। পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬২ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

জন বারডিন
মার্কিন এই পদার্থবিজ্ঞানী ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি, যিনি একই বিভাগে (পদার্থবিজ্ঞান) দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য এবং ১৯৭২ সালে অতিপরিবাহিতা বা সুপারকন্ডাক্টিভিটির মৌলিক তত্ত্ব প্রমাণের জন্য তিনি দুইবারই পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পান।

ফ্রেডরিক সেঙ্গার
ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদ ফ্রেডরিক সেঙ্গার রসায়ন শাস্ত্রে দুইবার নোবেল জয়ের বিরল কৃতিত্ব দেখান। ১৯৫৮ সালে ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথমবার রসায়নে নোবেল পান। এরপর ১৯৮০ সালে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং বা নিউক্লিক অ্যাসিডের বেস সিকোয়েন্স নির্ধারণের পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য দ্বিতীয়বার রসায়নে নোবেল লাভ করেন।

ব্যারি শার্পলেস
তালিকার সর্বশেষ সংযোজন মার্কিন রসায়নবিদ কে. ব্যারি শার্পলেস। ২০০১ সালে চিরল অনুঘটক জারণ বিক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথম রসায়নে নোবেল পান। এর দীর্ঘ ২১ বছর পর, ২০২২ সালে ‘ক্লিক কেমিস্ট্রি’ এবং বায়োঅর্থোগোনাল রসায়নের অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

ব্যক্তিগত রেকর্ডের বাইরে বৈশ্বিক মানবিক সংকটে অবদানের জন্য দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে:

রেড ক্রস
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি নোবেল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩ বার (১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে) বিশ্ব শান্তিতে অনন্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সেবায় নিয়োজিত থাকার কারণে সংস্থাটিকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার
বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সংস্থাটি দুইবার (১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
সূত্র: বিএসএস

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে ভারতকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে । প্রীতি ম্যাচে আজ তারা গুনে গুনে ৬বার বল জড়িয়েছে ভারতের জালে। শেষ পর্যন্ত লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী দেশটি ৬-১ গোলে হারিয়েছে ভারতকে। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণভাবে লড়াই করেছে স্বাগতিক শিবির। এই সময়ে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জালে একবার বলও পাঠিয়েছে তারা। দুর্দান্ত লড়াই করে ভারত প্রথমার্ধে ২-১ গোলে পিছিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই হাফ-ডজন গোল হজম করে বসে স্বাগতিক শিবির।

পানামা ম্যাচে ড্র এবং ব্রাজিল ম্যাচের লড়াকু ফলাফল ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের উরুগুয়ে ম্যাচে ভালো ফলের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেই স্বপ্ন বাস্তবের রূপ নিল না। বরং বড় হারের লজ্জায় তা রুক্ষ মাটিতে আছড়ে পড়ল।

তবে চেষ্টার কোনও কমতি ছিল না। লড়াই করার মানসিকতাও প্রশংসনীয়। ৯০ মিনিট মাঠে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছেন মনবীর, আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপা। কিন্তু দিনের শেষে দুই দলের মধ্যে দক্ষতার ফারাক যে আকাশ-পাতাল। সেই ফারাক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আজকের যুবভারতী।

ম্যাচের প্রথমার্ধে অনিরুদ্ধ থাপা ইতিহাস গড়ে একটি গোল করলেন বটে। কিন্তু শেষমেশ ৬-১ গোলের বড় পরাজয়ই সঙ্গী হলো স্বাগতিক ভারতের।