বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

লাবসা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিআইবি-সনাকের অধিপরামর্শ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
লাবসা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিআইবি-সনাকের অধিপরামর্শ

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র অনুপ্রেরণায় সনাক কর্তৃক উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সাথে লাবসা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নয়নকল্প বিষয় নিয়ে একটি অধিপরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে ঔষধের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচ্ছন্নতার উন্নতি এবং চাহিদা অনুযায়ী ভবন সংস্কারের বরাদ্দ প্রাপ্তির বিষয়গুলো ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়াও কেন্দ্রটির সেবার মান আরও উন্নত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেÑসপ্তাহে অন্তত একদিন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, তথ্য বোর্ডে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ রাখা, রোগীদের জন্য জেন্ডার-বান্ধব টয়লেটের ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ খাবার পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা, মেইন গেট নির্মাণ এবং রোগীদের জন্য প্রেসার ও ডায়াবেটিস পরিমাপের যন্ত্র ও সেবা চালু করা। এসব বিষয়ে কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা ও কর্ম-কৌশল নির্ধারণ করা হয়।

সাতক্ষীরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ ফরহাদ জামিল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সনাকের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক ডা. সুশান্ত কুমার ঘোষ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন পরিসংখ্যানবিদ সাব্বির সালেহীন, শেখ মহিবুর রহমান (এম.টি.ই.পি.আই), সনাক স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক ভারতেশ্বরী বিশ্বাস ও কল্যাণ ব্যানার্জি এবং লাবসা এসিজি’র সদস্য ইয়াসমিন নাহার ও সাপিয়া খাতুনসহ অন্যান্যরা।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, বিভিন্ন প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও লাবসা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি কমিউনিটির মানুষের জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি আলোচনায় উত্থাপিত বিষয়গুলো দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

Ads small one

অতিরিক্ত শুল্কারোপে বেনাপোলে মাছ আমদানি কমছে, বাজারে অস্থিরতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
অতিরিক্ত শুল্কারোপে বেনাপোলে মাছ আমদানি কমছে, বাজারে অস্থিরতা

Oplus_0

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ভারত থেকে মাছ আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করায় দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে মাছ আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় আমদানিকারকেরা নতুন কোনো এলসি (ঋণপত্র) দিচ্ছেন না। ফলে দেশের বাজারে রুই-কাতলাসহ বিভিন্ন ভারতীয় মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গত ১১ জুন চলতি অর্থবছরে ভারত থেকে সাদা মাছ আমদানির ওপর মোট শুল্কহার ৪৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ করেছে। এতে কেজিতে শুল্ক বেড়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। বেনাপোল কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, মিঠা পানির মাছের শুল্ক কেজিতে ৮৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৩১ টাকা ৬০ পয়সা এবং সামুদ্রিক ও রুই-কাতলা মাছের শুল্ক ৪৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে ৬৬ টাকা ১০ পয়সা হয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. জিয়াউর রহমান বলেন, নতুন কর আরোপের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে মাছের দাম। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এই শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের মৎস্য পরিদর্শক ও মান নিয়ন্ত্রক আস ওয়াদুল আলম জানান, বাজেট ঘোষণার পর এক সপ্তাহেই মাছ আমদানি প্রায় ৫০ মেট্রিক টন কমে গেছে। গত ৫ থেকে ১১ জুন যেখানে ৩৯৭ টন মাছ এসেছিল, সেখানে ১২ থেকে ১৮ জুন এসেছে ৩৪৭ টন। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, শুল্ক বৃদ্ধির কারণে বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি কমছে। তবে গত ১১ মাসে এই বন্দর দিয়ে ৩৪ হাজার ৪৬৫ দশমিক ৭৭২ মেট্রিক টন মাছ আমদানি হয়েছে।

এবার ৯ বোর্ডে একক ও অভিন্ন প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
এবার ৯ বোর্ডে একক ও অভিন্ন প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: যুগোপযোগী ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার থেকে দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একক ও অভিন্ন প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বছর থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডেও একক প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার খুলনায় বিভাগীয় কমিশনারের অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম মু. আব্দুস ছালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হকসহ বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “নকলের কবর আগেই রচনা করেছি। ফেসবুকে প্রশ্ন ফাঁসের কোনো পোস্ট দেওয়া হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।” শিক্ষকদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ডিজিটাল নকল বা আগে থেকে হলের ভেতর বইপত্র লুকিয়ে রাখার প্রমাণ মিললে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবার খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া যাচাই করতে ‘র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং’ পদ্ধতিতে বোর্ড থেকে খাতা নিয়ে পুনঃপরীক্ষা করা হবে।

শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিগত ২০ বছর ধরে যেসব শিক্ষক প্রভাব খাটিয়ে গ্রামের স্কুল ছেড়ে শহরে বাস করছেন, তাঁদের আবার গ্রামে ফিরে যেতে হবে। এ ছাড়া দেশের প্রতিটি স্কুলে ‘মিড-ডে-মিল’ চালু এবং শিক্ষার কোনো পর্যায়েই সেশনজট না রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

মোবাইলে অব্যবহৃত ডাটার মেয়াদ ও বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
মোবাইলে অব্যবহৃত ডাটার মেয়াদ ও বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

মোবাইল ইন্টারনেটের মেয়াদ শেষ হলে অব্যবহৃত ডাটা কেটে নেওয়া এবং সপ্তাহের শেষ দিকে বিমানের টিকিটের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ পর্যায়ে সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

পয়েন্ট অব অর্ডারে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘গতকাল ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যে আমরা জেনেছি, চারটি টেলিফোন কোম্পানির কাছে সরকারের ১৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। একটি উন্নয়নশীল দেশে এটি বিশাল অঙ্কের রাজস্ব। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটকের কাছে এই টাকা পাওনা।’

জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আরও একটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সাধারণ মানুষ এক মাসের জন্য হয়তো ১০০০ টাকার ইন্টারনেট কিনলাম। কিন্তু মাস শেষে দেখা গেল ৪০০ বা ৫০০ টাকার ইন্টারনেট অব্যবহৃত রয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হলে সেই টাকা বা ডাটা অটোমেটিক্যালি কোম্পানিগুলোর পকেটে চলে যায়। এটা জনগণের সঙ্গে এক ধরনের অন্যায়। এই টাকা কেন তারা নিয়ে যাবে?’

বিমানের টিকিটের দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফারুক বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার যারা যাতায়াত করেন, তাদের পকেট কাটা হচ্ছে। অন্য দিন যে টিকিটের দাম ২৮০০ বা ৩০০০ টাকা, বৃহস্পতিবার সেটি হয়ে যায় ১০ হাজার টাকা। এই বিষয়গুলো দেখা দরকার।’

জয়নুল আবদিন ফারুকের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বিমানের টিকিটের ওপর যে জুলুম চলছে, সে বিষয়ে আমি আগেও নোটিশ দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও সমাধান হয়নি। এটি আলোচনার যোগ্য একটি বিষয়। মানুষের ওপর এই জুলুম বন্ধ হওয়া উচিত।’

মুজিবুর রহমান আরও বলেন, ‘শুধু টেলিফোন কোম্পানি নয়, সাবেক অনেক সংসদ সদস্যের কাছেও টেলিফোন বিল ও বাড়ি ভাড়া বাবদ অনেক টাকা পাওনা রয়েছে। এই জাতীয় সম্পদগুলো উদ্ধারে সংসদকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। কেউ মারা যাওয়ার আগে যেন এই ঋণের বোঝা নিয়ে না যান, সে ব্যবস্থা করা উচিত।’

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আপনারা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে বিষয়গুলো তুললেন, সেগুলোর জন্য যথাযথ বিধি মেনে নোটিশ দিন। নোটিশ দিলে আমরা অবশ্যই সংসদে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ দেবো।’