মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

রসালো ও টাটকা লেবু চেনার সহজ উপায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
রসালো ও টাটকা লেবু চেনার সহজ উপায়

বাজারে গিয়ে রসালো ও টাটকা লেবু বাছাই করা অনেকের জন্যই একটু ঝামেলার কাজ। দেখতে সুন্দর হলেই যে লেবু ভালো হবে, এমন কিন্তু নয়। অনেক সময় আমরা তাড়াহুড়ো করে খুব কাঁচা, নয়তো অতিরিক্ত পাকালেবু কিনে ফেলি। ফলে রান্নায় বা পানীয়তে ব্যবহার করতে গিয়ে হতাশ হতে হয়।
কিন্তু কিছু সহজ কৌশল জানলে খুব সহজেই আপনি রসালো ও টাটকা লেবু বেছে নিতে পারবেন।

আসুন জেনে নেওয়া যাক রসালো লেবু কীভাবে বাছাই করবেন-

ওজন দেখে বোঝা
লেবু বাছাই করার সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকর উপায় হলো এর ওজন লক্ষ্য করা। সাধারণত একই আকারের লেবুগুলোর মধ্যে যে লেবুটি বেশি ভারী মনে হবে, সেটিই বেশি রসালো হয়। কারণ এর ভেতরে রসের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই লেবু হাতে নিয়ে একটু তুলনা করে দেখুন-যেটা ভারী, সেটাই নেয়ার চেষ্টা করুন।

আলতো করে চেপে দেখুন
ওজন দেখার পর লেবুটি আলতো করে চেপে দেখুন। যদি লেবুটি সামান্য নরম অনুভূত হয়, তাহলে বুঝবেন এটি পাকা এবং রসালো। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, লেবু কখনোই জোরে চাপবেন না। এতে ফলের ভেতরের অংশ নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা বাইরে থেকে ভালো দেখালেও ভেতরে ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

খোসার দিকে নজর দিন
লেবুর খোসা দেখে অনেকটাই বোঝা যায় সেটি কেমন হবে। যদি খোসা খসখসে বা রুক্ষ মনে হয়, তাহলে বুঝবেন লেবুটি পুরোপুরি পরিপক্ক হয়নি। এ ধরনের লেবুতে সাধারণত রস কম থাকে।

অন্যদিকে, মসৃণ ও টানটান খোসার লেবুগুলো সাধারণত বেশি পাকা ও রসালো হয়। তাই লেবু বাছাই করার সময় খোসার গঠন ভালোভাবে খেয়াল করুন।

রং দেখে
লেবুর রং ও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। উজ্জ্বল হালকা হলুদ রঙের লেবু সাধারণত সবচেয়ে ভালো হয়। এই রং বোঝায় যে লেবুটি ঠিকমতো পেকেছে এবং এর ভেতরে রসও যথেষ্ট আছে।

তবে খুব বেশি গাঢ় হলুদ বা প্রায় কমলা রঙের লেবু এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এগুলো অতিরিক্ত পাকা হতে পারে, যা স্বাদে তেমন ভালো নাও লাগতে পারে।

দাগ দেখলে সতর্ক হোন
লেবুর গায়ে কোনো দাগ বা দাগের মতো চিহ্ন আছে কিনা সেটাও খেয়াল করা জরুরি। যদি বাদামি বা কালচে দাগ দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে লেবুটি নষ্ট হওয়ার পথে। এ ধরনের লেবু দ্রুত পচে যেতে পারে এবং কেটে দেখলে ভালো গন্ধের বদলে অস্বাভাবিক গন্ধও বের হতে পারে।তাই যতটা সম্ভব দাগমুক্ত, পরিষ্কার ও উজ্জ্বল লেবুই বেছে নিন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া , ডেইলি হান্ট

Ads small one

কেশবপুরে দুই সন্তানসহ বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, কন্যা আশঙ্কাজনক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে দুই সন্তানসহ বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, কন্যা আশঙ্কাজনক

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ঘাস মারার বিষপান করে রহিমা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ওই গৃহবধূ কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার শিশু কন্যা নুসরাত (৯) ও ছেলে রহিম (২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে বাবার বাড়ির পাশে স্থানীয় বিদ্যালয়ের পিছনে গত ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় রহিমা খাতুন তার শিশু কন্যা নুসরাত ও ছেলে রহিমকে ঘাস মারার বিষ খাওয়ায়ে নিজেও খান। এলাকার মানুষ টের পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূ রহিমা খাতুন মারা যান। শিশু কন্যা নুসরাত ও ছেলে রহিম বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পার্শ্ববর্তী মণিরামপুর উপজেলার আটঘরা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী রহিমা খাতুন। তার বাবার বাড়ি কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মতলেব।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সমরেশ দত্ত বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ওই গৃহবধূ মারা যান। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য তার স্বজনদেরকে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

শ্যামনগরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৫০ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৫০ জন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে এসএসসি,দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় প্রথমদিনে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৫০ জন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থী ২১৮২ জন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে প্রকাশ, এসএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ১০ জন, দাখিলে দুটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত ৩৭ জন ও কারিগরির দুটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৩ জন। উপস্থিত শিক্ষার্থী এসএসসিতে ১৩৩৯ জন, দাখিলে ৭৩৩ জন ও কারিগরিতে ১১০ জন। এসএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্র হল নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দাখিলের দুটি কেন্দ্র হল শ্যামনগর কেন্দ্রিয় দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ও নওয়াবেঁকী বিড়ালাক্ষা¥ী কাদেরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। কারিগরি পরীক্ষার কেন্দ্র দুটি হল শ্যামনগর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ও নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

তালায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
তালায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলাম-এর বদলিজনিত কারণে এক আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সন্তোষ কুমার মন্ডল।
বিদায়ী বক্তব্যে গাজী সাইফুল ইসলাম তালা উপজেলার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপিইটিসি ইন্সট্রাক্টর মো. ঈমান উদ্দীন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম এবং অন্যান্য সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ।
তালা উপজেলার ২১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিপুল সংখ্যক সহকারী শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বক্তারা বিদায়ী কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠান শেষে তাকে সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।