বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে এ অবস্থান ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, তার সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশন দেখেন। গণমাধ্যমে দেশের যে চিত্র উঠে আসে, সে বিষয়ে তিনি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য সহকারে নোয়াব সদস্যদের বক্তব্য শোনেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে এ ধরনের মতবিনিময়ের আয়োজন করা হবে বলেও জানান।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৈঠকের শুরুতে নোয়াবের সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তিনি সংবাদপত্র শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরে সেগুলোর সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

নোয়াব সদস্যরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তারা ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময় সংবাদপত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। বর্তমানে এটি রুগ্ন শিল্পে পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করে নোয়াব।

বিগত সরকারগুলোর আমলের বিপুল সরকারি বিজ্ঞাপন বিল বকেয়া রয়েছে উল্লেখ করে এ বিষয়ে নোয়াব নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন।

পাশাপাশি সরকারের সঙ্গে সংবাদপত্র মালিকদের নিয়মিত বৈঠকের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিন মাস পরপর এই ধরনের বৈঠক হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং গ্রেফতারকৃত সাংবাদিকদের জামিনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে তাঁর সহযোগিতা চান নোয়াব সদস্যরা।

দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বৈঠকটি শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৩টায়। প্রধানমন্ত্রী নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। পরে তাদের সঙ্গে গ্রুপ ছবি তোলেন তিনি। বিএনপি সরকার গঠনের পর নোয়াবের সঙ্গে এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন নোয়াবের সহ-সভাপতি এএসএম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ আলতামাশ কবির, সদস্য এ কে আজাদ, দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস প্রকাশক নাসিম মনজুর।

Ads small one

শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা

স্পোর্টস ডেস্ক: তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে সমতায় নেমে এসেছে বাংলাদেশ নারী দল। রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে পরাজিত হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ফলে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচ।

 

১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। ওপেনার হাসিনি পেরেরা ৫ রান করে বিদায় নেন। ইমেশা দুলানি করেন ৮ রান। তবে ওপেনার ও অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন। ৩৯ বলে ৮টি চারে ৪০ রান করেন তিনি।

 

ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় চতুর্থ উইকেটে হারশিথা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুনারত্নের ৭৭ রানের জুটিতে। করুনারত্নে ৪০ ও সামারাবিক্রমা ৫০ রান করে আউট হলেও জয়ের ভিত গড়ে দেন তারা। কৌশানি ৪ রান করে ফেরেন। পরে কাভিশা ও নীলাক্ষী দলকে জয় এনে দিয়ে মাঠ ছাড়েন।

বাংলাদেশের হয়ে নাহিদা আক্তার সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া সুলতানা খাতুন ও রিতু মনি একটি করে উইকেট শিকার করেন।

 

এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। কিন্তু শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে দল। মাত্র ৪ রানে জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (২) ও শারমিন আক্তার (০) আউট হয়ে যান।

 

একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেন অধিনায়ক জ্যোতি। ১০১ বলে ৪টি চারে ৫৮ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। শারমিন সুলতানা ২৫, স্বর্ণা আক্তার ১৬, রিতু মনি ১৭, নাহিদা আক্তার ২০ ও রাবেয়া খান ১৫ রান করে কিছুটা অবদান রাখেন। এছাড়া সোবহানা মোস্তারি ৫, মারুফা আক্তার ১ ও সুলতানা খাতুন ১ রান করেন।

 

শেষ পর্যন্ত ১৬৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার পক্ষে অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া আরও তিন বোলার দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

 

এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, শুরু ২ জুলাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, শুরু ২ জুলাই

অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা শেষ হবে ৮ আগস্ট।

বুধবার (২২ এপ্রিল) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দীন হায়দারের সইয়ে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়। বিশেষ প্রয়োজনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে বলে রুটিনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, প্রথমদিনে বাংলা প্রথমপ্রত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৮ আগস্ট শেষ দিন ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা হবে। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে।

আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল, রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

গুণী চিত্রশিল্পীদের স্মরণে বিশেষ দিন পালন করলো খুলনা আর্ট একাডেমি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
গুণী চিত্রশিল্পীদের স্মরণে বিশেষ দিন পালন করলো খুলনা আর্ট একাডেমি

গুণী চিত্রশিল্পীদের স্মরণে খুলনা আর্ট একাডেমিতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ২১শে এপ্রিল বিশেষ দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ২১টি মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শিল্পীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাঁদের সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করা হয়।

 

খুলনা মহানগরীর ৩৬, আয়েশা কটেজ, ইকবাল নগরে অবস্থিত খুলনা আর্ট একাডেমিতে ২০১৫ সালে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত প্রতিথযশা ও স্বনামধন্য শিল্পীরা পরিদর্শনে আসেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শিল্পী রফিকুন নবী, সমীর দত্ত, মোস্তাফিজুল হক, শামসুদ্দোহা, নিসার হোসেন, শেখ আফজাল হোসেন, শিশির ভট্টাচার্য, সিলভিয়া নাজনীন, বিমানেশ চন্দ্র এবং তরিকত ইসলাম।

 

সেই স্মরণীয় ঘটনাকে কেন্দ্র করেই প্রতিবছর ২১শে এপ্রিল দিনটি বিশেষভাবে পালন করে আসছে একাডেমি।এ বছরের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল থেকে আগত রতন বেপারী ও সুলতা হালদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, একাডেমির সদস্য সৌহার্দ্য বিশ্বাস ও সম্প্রীতি বিশ্বাস।

 

এ সময় চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস জানান, তিনি যতদিন এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবেন, ততদিন শিল্পগুরুদের স্মরণে এই বিশেষ দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করে যাবেন। তিনি আরও বলেন, শিল্পগুরুদের ছবি সামনে রেখে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি যে জ্ঞান শিল্পগুরুদের কাছ থেকে অর্জন করেছেন, তা নবীন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

 

তিনি উল্লেখ করেন, খুলনা আর্ট একাডেমির চারুকলা ভর্তি কোচিং থেকে ইতোমধ্যে ২৩০ জন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে এবং অসংখ্য শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ড্রইং শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত হয়েছেন। এটিকেই তিনি তাঁর জীবনের পরম প্রাপ্তি বলে মনে করেন এবং এই সাফল্যের পেছনে শিল্পগুরুদের আশীর্বাদকেই মূল শক্তি হিসেবে দেখেন।

 

তিনি আরও বলেন, আর্ট কলেজ থেকে যে শিল্পীর আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে তাঁর শিল্পজীবনের যাত্রা শুরু, তিনি হলেন ভাস্কর শেখ সাদী ভূঁঞা। যিনি ২০২৪ সালে পরলোকগমন করেন। তাঁর আদর্শ ধারণ করেই তিনি শিল্পচর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং যতদিন শিল্পচর্চা করবেন, ততদিন এই গুণীজনদের স্মরণে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবেন। তার সঞ্চিত শিক্ষা বিনা অর্থে খুলনার সিইউসি স্কুলের  সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের সপ্তাহে একদিন ছবি আঁকার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন এতে মনে করেন তার শিল্প সাধনার সার্থকতা খুঁজে পায়।

সর্বশেষে, তিনি তাঁর পিতা-মাতা ও সকল শিল্পগুরুকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে সকলের কাছে  আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন যেন তিনি তাঁর শিল্প সাধনার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চির অমর হয়ে থাকতে পারেন। সকলের জন্য সুস্থতা প্রার্থনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি