শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে এ অবস্থান ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, তার সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশন দেখেন। গণমাধ্যমে দেশের যে চিত্র উঠে আসে, সে বিষয়ে তিনি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য সহকারে নোয়াব সদস্যদের বক্তব্য শোনেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে এ ধরনের মতবিনিময়ের আয়োজন করা হবে বলেও জানান।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৈঠকের শুরুতে নোয়াবের সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তিনি সংবাদপত্র শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরে সেগুলোর সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

নোয়াব সদস্যরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তারা ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময় সংবাদপত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। বর্তমানে এটি রুগ্ন শিল্পে পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করে নোয়াব।

বিগত সরকারগুলোর আমলের বিপুল সরকারি বিজ্ঞাপন বিল বকেয়া রয়েছে উল্লেখ করে এ বিষয়ে নোয়াব নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন।

পাশাপাশি সরকারের সঙ্গে সংবাদপত্র মালিকদের নিয়মিত বৈঠকের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিন মাস পরপর এই ধরনের বৈঠক হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং গ্রেফতারকৃত সাংবাদিকদের জামিনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে তাঁর সহযোগিতা চান নোয়াব সদস্যরা।

দুপুর ২টা ২০ মিনিটে বৈঠকটি শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৩টায়। প্রধানমন্ত্রী নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। পরে তাদের সঙ্গে গ্রুপ ছবি তোলেন তিনি। বিএনপি সরকার গঠনের পর নোয়াবের সঙ্গে এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।

বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন নোয়াবের সহ-সভাপতি এএসএম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ আলতামাশ কবির, সদস্য এ কে আজাদ, দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস প্রকাশক নাসিম মনজুর।

Ads small one

ক্ষুদে দ্বীপদেশের স্বপ্নযাত্রায় মুগ্ধ ফুটবল বিশ্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
ক্ষুদে দ্বীপদেশের স্বপ্নযাত্রায় মুগ্ধ ফুটবল বিশ্ব

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই বড় বড় পরাশক্তির লড়াই। তবে প্রতিটি আসরেই কোনো না কোনো দল নিজেদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে বিশ্বকে চমকে দেয়। এবারের বিশ্বকাপে সেই চমকের নাম কেপ ভার্দে। মাত্র ছয় লাখেরও কম জনসংখ্যার ছোট্ট আফ্রিকান দ্বীপরাষ্ট্রটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও বিভিন্ন ক্রীড়া বিশ্লেষকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেপ ভার্দের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ এবং দলগত সমন্বয় এবারের বিশ্বকাপে তাদের অন্যতম শক্তি হয়ে উঠেছে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দলটি বড় দলগুলোর জন্য কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সীমিত সম্পদ ও ছোট জনসংখ্যা নিয়েও কেপ ভার্দের এই সাফল্য আধুনিক ফুটবলে পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাসের বড় উদাহরণ। ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলা অভিজ্ঞ ফুটবলারদের সমন্বয়ে গড়া দলটি প্রতিটি ম্যাচে সংগঠিত ফুটবল উপহার দিচ্ছে।

বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কেপ ভার্দেকে নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। এক্স (সাবেক টুইটার), ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে অনেকেই দলটিকে এবারের টুর্নামেন্টের ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। অনেক ফুটবল বিশ্লেষক মনে করছেন, নকআউট পর্বে উঠতে পারলে আরও বড় অঘটন ঘটাতে পারে আফ্রিকার এই দলটি।

আল জাজিরার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের লড়াই শুধু একটি ফুটবল দলের সাফল্যের গল্প নয়; এটি ছোট দেশগুলোর সম্ভাবনারও প্রতীক। সীমিত জনসংখ্যা ও অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় সাফল্য অর্জন সম্ভব—কেপ ভার্দে সেটিই প্রমাণ করছে।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে ক্যামেরুন, সেনেগাল, মরক্কো কিংবা ক্রোয়েশিয়ার মতো দলগুলো যেমন একসময় চমক দেখিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়েছিল, তেমনি এবারের আসরে কেপ ভার্দেও সেই তালিকায় নিজের নাম লেখানোর পথে রয়েছে।

বিশ্বকাপে এখনও তাদের যাত্রা শেষ হয়নি। তাই ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ এখন একটাই—ছোট্ট এই দ্বীপরাষ্ট্র কি সত্যিই ইতিহাস গড়ে নকআউট পর্বে আরও বড় চমক দেখাতে পারবে?

‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতিতেই বিদেশে কথা বলেছি: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতিতেই বিদেশে কথা বলেছি: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে জাতীয় সংসদে ফিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদেশ সফরের প্রতিটি পর্যায়ে তিনি দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতিকে সামনে রেখেই বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেছেন।
শনিবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফরের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ার পর তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ সরকারকে তাদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব দিয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা তিনি করেছেন। সফরে অর্জিত যেকোনো সাফল্য ব্যক্তিগত নয়, তা বাংলাদেশের এবং দেশের মানুষের অর্জন।

এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের জন্য সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানান। পরে কণ্ঠভোটে এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। তিনি সংসদের পক্ষ থেকে সরকারপ্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এ সফর দেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করেছে।

সংসদে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলসহ সব সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের কল্যাণে কাজ করার ক্ষেত্রে সংসদের এই সমর্থন তাকে আরও উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। গত ২১ জুন তিনি মালয়েশিয়া সফরে যান এবং পরদিন চীন সফর শুরু করেন। সফরকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, শিল্পায়ন, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।

সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক এবং মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি সহযোগিতা দলিল বিনিময় হয়। সরকারের আশা, এসব সমঝোতার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতি পাবে।

লেবানন চুক্তিতে নিজেদের জয় দেখছেন নেতানিয়াহু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
লেবানন চুক্তিতে নিজেদের জয় দেখছেন নেতানিয়াহু

লেবাননের সঙ্গে হওয়া নতুন কাঠামোগত চুক্তিকে নিজেদের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেন, আলোচনায় ইসরায়েলের প্রধান সব শর্তই এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

ইসরায়েলের দৃষ্টিতে চুক্তির অন্যতম অর্জন হলো, লেবাননের তথাকথিত নিরাপত্তা অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। দেশটির প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এলাকা নিয়ে গঠিত এই অঞ্চল থেকে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হলেও এর জন্য কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বা শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়নি।

এ ছাড়া প্রয়োজন হলে সামরিক অভিযান চালানোর স্বাধীনতা এবং অবাধ চলাচলের সুযোগও বজায় থাকছে বলে মনে করছে ইসরায়েল।

এসব কারণে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চুক্তি নিয়ে সন্তুষ্ট। ইসরায়েলের সরকারেও এ নিয়ে উদ্যাপনের আবহ তৈরি হয়েছে।

ইসরায়েল-লেবানন ১৪ দফা চুক্তিতে যা থাকছেইসরায়েল-লেবানন ১৪ দফা চুক্তিতে যা থাকছে
এদিকে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে সামগ্রিকভাবে এ চুক্তিকে খারাপ সমঝোতা হিসেবে তুলে ধরা তাদের জন্য কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের দৃষ্টিতে চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি লেবানন সরকার ও হিজবুল্লাহকে মুখোমুখি অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যদি লেবানন সরকারকে শক্তি প্রয়োগ করে হিজবুল্লাহর মোকাবিলা করতে হয়, তাহলে সেই দায়িত্ব ইসরায়েলের কাঁধে থাকবে না। এভাবে নিজেদের লক্ষ্য পূরণ হলে লেবাননে গৃহযুদ্ধ শুরু হলেও সেটিকে ইসরায়েল সমস্যা হিসেবে দেখছে না।