বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

বিদায়ী সংবর্ধনায় কৃতজ্ঞতা জানালেন রুবেল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
বিদায়ী সংবর্ধনায় কৃতজ্ঞতা জানালেন রুবেল

সর্বশেষ ২০২১ সালের এপ্রিলে জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন রুবেল হোসেন। এরপর দীর্ঘ চার বছর আর দলে সুযোগ পাননি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানিয়েছেন তারকা এই পেসার। সোমবার মিরপুরে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডে শুরুর আগে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
এ সময় ৩৬ বছর বয়সী রুবেল হোসেনের সঙ্গে তার পরিবারও উপস্থিত ছিল। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালসহ বোর্ডের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রুবেলকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানার মুহূর্তে এমন সম্মাননা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রুবেল। তিনি বিসিবি ও বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবালের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর তামিম ইকবাল আমাকে ফোন দেয়। সে বলে, রুবেল তোকে আমরা সম্মানিত করতে চাই। বিষয়টি আমার জন্য খুব গর্বের ও আনন্দের ছিল। আজ এত সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে আমাকে সম্মানিত করার জন্য বোর্ড ও বোর্ড প্রেসিডেন্ট তামিম ইকবালকে ধন্যবাদ জানাই।

বিদায়বেলায় তিনজনকে বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন এই গতিতারকা। তাদের মধ্যে দুজন তার বাবা-মা, আর অন্যজন প্রখ্যাত কোচ সারোয়ার ইমরান। পেসার হান্ট থেকে রুবেলকে তুলে আনার নেপথ্য কারিগর এই কোচকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘একটা মানুষের কথা না বললেই নয়, যে মানুষের অবদান এই রুবেল হোসেন হওয়ার পেছনে অন্যরকম। পেসার হান্ট থেকে নিয়ে এসে আমাকে ওপরে ওঠার সিঁড়ি ধরিয়ে দিয়েছেন প্রিয় কোচ শ্রদ্ধেয় সারোয়ার ইমরান স্যার। তার প্রতি সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকব। তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’

পাশাপাশি ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে পাশে থাকা স্কুল থেকে শুরু করে জাতীয় দলের সব কোচ, ফিজিও এবং গ্রাউন্ডসম্যানদেরও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিজের আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে বাবা-মায়ের অবদানের কথা স্মরণ করে রুবেল বলেন, আজ এখানে দাঁড়াতে পেরেছি আমার বাবা-মায়ের জন্য। আমি তাদের আজ খুব মিস করছি।

খারাপ সময়ে পাশে থাকা বন্ধুবান্ধব, উৎসাহ জোগানো গণমাধ্যমকর্মী এবং অগণিত ভক্ত-সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি তিনি। ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপনারা এভাবে পাশে থাকবেন, এটাই আমার অনুরোধ।

Ads small one

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে পৃথক চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় সাড়ে ১৬ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (১৭ জুন) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপি ও বিশেষ ক্যাম্পের টহলদল এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণুপোনা, ওষুধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩৩ বিজিবির অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, সুলতানপুর, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের পৃথক আভিযানিক দলগুলো নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিযানে নামে।


ভোমরা বিওপির একটি বিশেষ দল সীমান্ত পিলার ২/৬-এস থেকে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানার আনসারের মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণুপোনা জব্দ করে।
কাকডাঙ্গা বিওপির দুটি পৃথক দল কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি এলাকা থেকে ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ জব্দ করে।
মাদরা বিওপির দল উত্তর ভাদিয়ালি থেকে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং হিজলদী বিওপির দল বড়ালি এলাকা থেকে ১ লক্ষ ১২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল পার্টস উদ্ধার করে।
সুলতানপুর বিওপির সদস্যরা কলারোয়া থানার বর্মিতলা থেকে ৭০ হাজার টাকার ওষুধ এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের একটি দল সাতক্ষীরা সদরের কামারবাইশা এলাকা থেকে ৩ লক্ষ ৯০০ টাকা মূল্যের মোবাইল পার্টস জব্দ করতে সক্ষম হয়।


সব মিলিয়ে অভিযানে সর্বমোট ১৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ১০০ টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালামাল আটক করা হয়েছে বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান (ওএসপি, পিএসসি) জানান, চোরাকারবারিরা শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে এসব মালামাল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। এসময় বিজিবি সদস্যরা এসব মালামাল জব্দ করে।

শ্যামনগরে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ফ্যামিলি কিটবক্স বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ফ্যামিলি কিটবক্স বিতরণ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বুধবার (১৭ জুন)উপজেলার সুবিধা বঞ্চিত ও কেস ম্যানেজমেন্টকৃত শিশু ও তার পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে চাইল্ড সেনসিটিভ সোসাইল প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ ফেইজ-২ এর সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের একশত শিশু ও তার পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দোলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন সমাজে পিছিয়ে পড়া ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা শিশুদের সুরক্ষা,শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো কাজ করছে। ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণের মাধ্যমে এসব পরিবারে প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

সংবাদদাতা: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, অংশগ্রহণমূলক ও জনবান্ধব করতে সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লেকভিউ রিসোর্টে উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে বুধবার সকালে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ২৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল পৌরসভার প্রতিনিধিদের রূপকল্প প্রণয়ন, পরিকল্পনা ও বাজেট প্রক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা, যাতে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ, টেকসই ও জনগণমুখী হয়ে ওঠে। কর্মশালায় পৌরসভার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রক্রিয়া, স্থানীয় সরকার আইন ও বিধিমালার বাধ্যবাধকতা এবং বাস্তবায়ন কৌশল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি পরিস্থিতি বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থানীয় চাহিদা নিরূপণ এবং তা উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট রঞ্জন কুমার ঘোষ এবং স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট এক্সপার্ট সাঈদ মাহাদি। তারা অংশগ্রহণকারীদের স্থানীয় সরকার কাঠামোর গুরুত্ব, আইনগত বিষয়াবলি, উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কৌশল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
কর্মশালার সার্বিক সমন্বয় ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন রূপান্তরের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কোঅর্ডিনেটর মোছা. জোহুরা খাতুন মীরা। দলীয় আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি প্রাণবন্ত ও কার্যকর শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম. এম. নুর আহমদ, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানসহ পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিবৃন্দ। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের প্রশাসনিক ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রূপকল্প প্রণয়নের প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও বাস্তবমুখী করা সম্ভব হবে।