বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় প্রেসক্লাবের হলরুমে অনুষ্ঠিত নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি সামিউল মনির।

 

সাধারণ সম্পাদক আছাদুজ্জামান লিটনের সঞ্চালনায় সভায় গুণীজন সংবর্ধনা আয়োজনসহ সংবিধানের অস্পষ্টতা দূরীকরণে কমিটি গঠনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। এ ছাড়া সদস্যদের নিজ হাতে নিউজ লেখা, অনিয়মিত সদস্যদের নিয়মিত হওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ ছাড়াই সভায় অনুপস্থিত সদস্যদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাহিদ সুমন, সোহরাব হোসেন, আবু কওছার, আবু সাঈদ, রনজিত বর্মণ, মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ আলী, শেখ আফজালুর রহমান, কামরুজ্জামান, মুরাদ হোসেন, আরিফ হোসেন, মারুফ হোসেন, আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম বকুল, মিজানুর রহমান, সাহেব আলী, রাজিব রায়, টুমু আনাম, আশরাফুল আলম মিন্টু, আব্দুল কাদের, আশিকুর রহমান, মুনসুর আলম, মনজুরুল ইসলাম, আব্দুল আহাদ, মেহেদী হাসান, সামিউল মন্টি, আব্দুল আলিম, মনিরুজ্জামান মিশুক, ফিরোজ হোসেন প্রমুখ।

Ads small one

প্রেম, বিয়ে ও গ্রেফতার: কেন ভেঙেছিল শাকিল-পপি জুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
প্রেম, বিয়ে ও গ্রেফতার: কেন ভেঙেছিল শাকিল-পপি জুটি

নব্বই দশকের শেষের দিকে সিনেমাপ্রেমীদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন শাকিল খান ও পপি। এ জুটির সিনেমা মুক্তি পেলেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। ১৯৯৭ সালে ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ ছবির মাধ্যমে তাদের প্রথম দেখা যায়। এটি পরিচালনা করেন সোহানুর রহমান সোহান।

বলা চলে, শাবনাজ-নাঈম/মৌসুমী-সালমান শাহ জুটির পর শাকিল-পপি নবাগত জুটি হিসেবে ঢালিউডে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।

তবে একসঙ্গে সিনেমা করতে গিয়ে তারা একে অপরের প্রেমেও পড়েন। প্রেম থেকে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় বলে সে সময় গুঞ্জন উঠেছিল। পপি তখন তা অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু শাকিল নাছোড়, তিনি সব জায়গায় বিয়ের কথা বলে বেড়াতে শুরু করেন। এ নিয়ে একাধিক জিডিও হয়।

জানা যায়, ২০০০ সালের ৫ আগস্ট শাকিল খান এ কারণে গ্রেফতারও হয়েছিলেন। এ ঘটনায় পুরো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে হইচই পড়ে যায়। চলতে থাকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

এদিকে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর পপি স্বীকার করলেন তিনি শাকিলের প্রেমে পড়েছিলেন এবং প্রেম কেন ভেঙে গেল তারও বিস্তারিত বিবরণ দেন।

২০১৭ সালে শাহরিয়ার নাজিম জয়ের টকশো সেন্স অব হিউমার-এ হাজির হয়েছিলেন পপি। এ অনুষ্ঠানে স্বীকার করলেন শাকিলের সঙ্গে তার প্রেমের কথা।

তিনি বলেন, কখনও কোনও হিরোর প্রেমে পড়িনি। একবার একজনের সাথে (শাকিল খান) প্রেম করেছিলাম। ওইটা আমার ব্যাড এক্সপেরিয়েন্স ছিল। এটা আমার বলতে সমস্যা নেই। তিনি আমার জন্য সঠিক মানুষ ছিলেন না।’

 

শাকিল-পপির পর্দা জুটি ভেঙে যাওয়ার জন্য শাকিলের পাগলামিকে দায়ী করেন অভিনেত্রী। এ কারণে প্রযোজক-পরিচালকরা তাদের নিয়ে পরে সিনেমা বানাননি।

সিনেমা সংশ্লিষ্টদের মতে, জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত নানা স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে শেষ পর্যন্ত শাকিল-পপি জুটিটি ভেঙে যায়।

এ জুটির উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হলো- ‘এই মন তোমাকে দিলাম, ‘প্রাণের প্রিয়তমা, ‘পাহারাদার, ‘অবুঝ মনের ভালোবাসা, ‘আমার বউ, ‘মা যখন বিচারক’ ও ‘অগ্নিসাক্ষী।

সপ্তাহে ৪০ প্রেমের প্রস্তাব ডি এ তায়েবের, জয়ের কতটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
সপ্তাহে ৪০ প্রেমের প্রস্তাব ডি এ তায়েবের, জয়ের কতটি

সপ্তাহে গড়ে অন্তত ৪০টি প্রেমের প্রস্তাব পান অভিনেতা ডি এ তায়েব। এমনকি অনেকে তাকে ছুঁয়েও দেখতে চান বলে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন তিনি। তার এমন বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে।

এবার সেই প্রসঙ্গ টেনে ফেসবুকে নিজের প্রেমের অভিজ্ঞতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করলেন অভিনেতা ও পরিচালক শাহরিয়ার নাজিম জয়।

ডি এ তায়েবের বক্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে জয় লিখেছেন, ‘তায়েব ভাই সপ্তাহে ৪০টি প্রেমের প্রস্তাব পান। আর আমি গত ৪০ বছরে একটি প্রেমের প্রস্তাবও পাইনি। তবে দিয়েছি অনেক।’

 

এরপর নিজের ভবিষ্যৎ ভাবনা জানিয়ে জয় লেখেন, ‘ভবিষ্যতে আর প্রস্তাব পাবো না কখনোই এটা আমি জানি। মনস্থির করেছি আর প্রস্তাব দেবোও না। অবহেলার এবং অপমানের একটা শেষ তো হওয়া উচিত। ওরা তায়েব ভাইকে নিয়ে খুশি থাকুক।’

জয়ের এই পোস্টে উঠে এসেছে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া, প্রত্যাখ্যান আর অবহেলার প্রসঙ্গ। ডি এ তায়েবের সপ্তাহে ৪০টি প্রেমের প্রস্তাব পাওয়ার বক্তব্যের বিপরীতে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রসিকতা ও অভিমানের মিশেলেই কথাগুলো লিখেছেন এই অভিনেতা।

আপনি অনেক দুষ্টু, বাপ্পারাজকে ওমর সানী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
আপনি অনেক দুষ্টু, বাপ্পারাজকে ওমর সানী

নব্বই দশকের জনপ্রিয় দুই তারকা বাপ্পারাজ ও ওমর সানী। ‘প্রেম গীত’ ও ‘হারানো প্রেম’সহ কয়েকটি সিনেমায় তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। ক্যারিয়ারের সে সময় পর্দার বাইরেও তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এখনও সেটি অটুট।

বুধবার (২১ অক্টোবর) ‘কুলি’-খ্যাত অভিনেতার একটি ফেসবুক পোস্টে তাদের সেই বন্ধুত্বের কথা আবারও উঠে এসেছে।

সেখানে বাপ্পারাজের প্রশংসা করার পাশাপাশি তার দুষ্টুমি, হাসিখুশি স্বভাব ও বিনয়ী আচরণের কথাও তুলে ধরেছেন ওমর সানী। পোস্টে তিনি লেখেন, একজন বাপ্পারাজ একজন ভালো মানুষ, একজন ভালো বন্ধু এবং দুষ্টু বন্ধু, হাসিখুশি বন্ধু।

নায়করাজ রাজ্জাকের সন্তান হওয়ার পরেও তার কোনও অহংকার নেই জানিয়ে সানী বলেন, ‘অনেক ছবি করেছি একসাথে, নেই কোন অহংকার। আমি মাঝে মধ্যে অবাক হতাম উনি নায়ক রাজের সন্তান এবং একজন ভালো আর্টিস্ট। উনি কেন আমাদের সাথে কাজ করবেন? কিন্তু দিনশেষে উনি বলতো কাজটাই হচ্ছে আসল।’

বাপ্পার সঙ্গে দুষ্টুমির কথা উল্লেখ করে সানী লেখেন, ওই আমলে যদি এই মোবাইল থাকতো তাহলে দুষ্টুমির চরম ভাইরাল হতাম আমি।

তারপর সানীর কথায়, বাপ্পারাজ ভাই আপনাকে একটা কারণে স্যালুট, কোনও বদ অভ্যাস আপনার নাই। আপনার কাছে বরং আমরা খারাপ।’

সবশেষে ওমর সানী বলেন, ‘আমার জেনারেশনে আমি বাপ্পারাজকে নিয়ে গর্ব করি, দিনশেষে বলি আপনি অনেক দুষ্টু।’