শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ব্রহ্মরাজপুর বাজারে জুয়েলার্সের তালা ভেঙে চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুর বাজারে জুয়েলার্সের তালা ভেঙে চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারে শ্রী দুর্গা জুয়েলার্স নামের একটি স্বর্ণের দোকানের তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দোকানমালিক।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে চুরির ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। দোকানমালিক রাজকুমার মণ্ডল জানান, সকালে পাশের দোকানের ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান তাঁকে দোকানের তালা ভাঙা অবস্থায় থাকার খবর দেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত দোকানে গিয়ে সাটারের তালা লাগানোর অ্যাঙ্গেল, গহনা রাখার শোকেস ও কাজের টেবিলের তালা ভাঙা দেখতে পান।

রাজকুমার মণ্ডল আরও জানান, দুর্বৃত্তরা দোকান থেকে আনুমানিক দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় বাজার কমিটিকে অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রাজকুমার মণ্ডল জানিয়েছেন, তিনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন।

Ads small one

পিঁপড়ার কাছে হাতির পরাজয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
পিঁপড়ার কাছে হাতির পরাজয়

মোঃ সৈয়দুল ইসলাম
এক বনে মস্ত বড়ো এক হাতি ছিলো। হাতিটি ছিলো অহংকারী। একদিন এক ছোট্ট পিঁপড়ার সাথে হাতির দেখা হলো। হাতি উচ্ছস্বরে পিঁপড়াকে বললো- কিরে পিঁপড়া, এতো ছোট্ট দেহ নিয়ে কোথায় যাচ্ছিস? বনের মধ্যে চলাফেরা করতে তোর কী ভয় করেনা? পিঁপড়া ভয়ে ভয়ে বললো- খাবারের সন্ধানে বনের উত্তর পাশে যাচ্ছি। হাতি এই কথা শুনে রেগেমেগে আগুন। পিঁপড়াকে সতর্ক করে বললো- বনের উত্তর পাশে আমার সীমানা। তোদের জন্য ঠিকমতো বনে চলাফেরাও করতে পারিনা। বাঁচতে চাইলে বাসায় ফিরে যা। পিঁপড়া ভাবলো হাতির যে দেহ , বড় বড় যে পা বাড়াবাড়ি করলে এখান থেকে বেঁচে ফেরা মুশকিল। কোন কথা না বলেই পিঁপড়া বাসায় ফিরে গেলো এবং রাজা পিঁপড়াসহ বসতির সকল পিঁপড়াকে বিষয়টি জানালো। একেক পিঁপড়া একেক ভাবে মন্তব্য করতে লাগলো। কোন কোন পিঁপড়া বলতে লাগলো, আমরা আকারে ছোট হতে পারি কিন্ত পৃথিবীর কোন প্রাণীকে পরোয়া করিনা। রাজা পিঁপড়া সবাইকে থামিয়ে দিলো এবং বললো, আমরা বনের অন্যান্য প্রাণীদের বিষয়টি জানাবো। দেখবো তারা বিষয়টির কী সমাধান করে। এই কথা শুনে উপস্থিত পিঁপড়েরা সম্মতি পোষণ করলো।

পরের দিন সকালে রাজা পিঁপড়া বসতির এক সৈন্য পিঁপড়াকে সিংহের কাছে পাঠালো বিষয়টি জানানোর জন্য। সিংহ, হাতি ও পিঁপড়ার মধ্যকার বিষয়টি শোনার পর কষ্ট পেল এবং বলতে লাগলো ছোট হই বড় হই আমরা সবাই প্রাণী। বনের মধ্যে আমাদের সবাইকে মিলেমিশে থাকতে হবে। সিংহ সৈন্য পিঁপড়াকে বললো- তুমি বাসায় ফিরে গিয়ে রাজা পিঁপড়াকে বলো, বিষয়টি আমি দেখছি। পরের দিন, দুপুরে সিংহ বনের সব পশুদের এক জায়গায় সমবেত করলো এবং হাতি আর পিঁপড়ার বিষয়টি খুলে বললো। বিষয়টি সবাই শুনে হাতিকে ছিঃ ছিঃ বলে ধিক্কার দিলো। হাতি অপমানিত হয়ে রাগে ক্ষোভে সিংহের ডাকা মজলিস থেকে চলে গেলো। হঠাৎ করে বিকালে গোটা কয়েক পিঁপড়ার সাথে হাতির দেখা হয়ে গেলো এবং দুই চারটা পিঁপড়াকে হাতি মেরে ফেললো। এদিকে বাকি পিঁপড়েরা জান নিয়ে কোনমতে বাসায় ফিরে গেলো এবং রাজা পিঁপড়াকে ঘটনাটি সম্পর্কে বললো। সাথে সাথে রাজা পিঁপড়া বসতির সব পিঁপড়াকে ডাকলো এবং বিকালে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনাটি খুলে বললো। ঘটনাটি শোনার পর বসতির পিপড়েরা বলতে শুর“ করলো আমরা সহজে হার মানবো না। যতো বড় প্রাণীই হোক না কেন আমরা লড়াই করে যাবো। রাজা পিঁপড়া হাতিকে গায়েল করার জন্য বসতির পিঁপড়াদের নিয়ে একটি ছক আঁকলো। রাজা পিঁপড়া বসতির সকল পিঁপড়াকে বললো- শনিবার সকালে আমরা দলবেঁধে হাতিকে আক্রমণ করবো। যেই কথা সেই কাজ। শনিবার সকাল দশ ঘটিকার সময় বনের উত্তর পাশে হাতির সীমানায় গিয়ে দলবেঁধে সকল পিঁপড়েরা হাতিকে সামনে পেয়ে চোখে মুখে কামড়াতে লাগলো। হাতি নিরূপায় হয়ে এলোপাথাড়ি বনের মধ্যে দৌড়াতে লাগলো এবং বন ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হলো।

অবশেষে, ছোট ছোট পিঁপড়াদের একতার কাছে মস্ত বড় অহংকারী হাতিও পরাজয় বরণ করলো।

অনুভবের ঝর্ণাধারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
অনুভবের ঝর্ণাধারা

বাপী নাগ
কাউকে স্মরণে রাখাও এক দুর্নিবার অনুভূতি,
ভুলে যাওয়ার বাসনা জাগেনিÑএই হৃদয়ের আর্তি।
আজীবন তুমিই রবে মনে’র গহিন কোণে,
এক অনন্ত আকুলতা বাজবে নিভৃত ক্ষণে।
মায়া তো জন্ম নেয় নীরবে, অজান্তে অবচেতনে,
ক্ষণিকের রঙিন আবেশ রয়ে যায় হৃদয়ের গোপনে।
দিনান্তে সেই বন্ধন থাকে অনুচ্ছারিত ভাষায়,
বুকের বাঁ-পাশে সুর তোলে নিঃশব্দ আশায়।
নির্জন আঁধার রাতে, একাকী মনের ভাঁজে,
অদ্ভুত সেই মায়া আজও নীরবে বেদনা বাজে।
স্মৃতির মলিন পৃষ্ঠায় তোমারই প্রতিচ্ছবি আঁকা,
নীরব হৃদয়জুড়ে আজও তোমার মায়ায় থাকা।
বিস্মৃতির অতল গহ্বরে হারায় না তোমার ছায়া,
নিভৃত হৃদয়তলে বেঁচে থাকে অনির্বচনীয় মায়া।
সময়ের স্রোত মুছে না এই অন্তহীন অনুভব,
তুমি রবে হৃদয়জুড়েÑযতদিন থাকবে শ্বাসের কলরব।

মেলানিয়ার একক মধ্যস্থতায় এক শহরে যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া-ইউক্রেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
মেলানিয়ার একক মধ্যস্থতায় এক শহরে যুদ্ধবিরতিতে রাজি রাশিয়া-ইউক্রেন

খাদ্য সংকটে থাকা ইউক্রেনের রুশ-নিয়ন্ত্রিত শহর ওলেশকিতে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউস। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের একক মধ্যস্থতায় এই চুক্তিটি অর্জিত হয়েছে।

রুশ ডিজেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে তেলবাহী জাহাজরুশ ডিজেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে তেলবাহী জাহাজ
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রুশ বাহিনীর দখলে থাকা দক্ষিণাঞ্চলীয় এই শহরের বাসিন্দারা চরম খাদ্য সংকট মোকাবিলা করছেন। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে জানানো হয়, মানবিক ত্রাণ প্রবেশ নিশ্চিত করতে এবং নির্দিষ্ট নিরাপদ করিডোর দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে উভয় দেশ ওলেশকিতে সব সামরিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছে।

ইউক্রেনের শীর্ষ আলোচক ডেভিড আরাখামিয়া টেলিগ্রামে জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেই মানবিক কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি বলেন, মেলানিয়া ট্রাম্প এবং পোপ লিও-র দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফলে এই চুক্তিটি সম্ভব হয়েছে।

অন্যদিকে ক্রেমলিন এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে কয়েক দিন সময় লাগবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিস্তারিত বিষয়ে আলোচনা করেছেন জানিয়ে এতে মেলানিয়া ট্রাম্পের ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

এক বিবৃতিতে মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন, ওলেশকির পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। যুদ্ধক্ষেত্রের সীমান্তবর্তী এই শহরটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এখানে যেসব মানুষ রয়ে গেছেন তাদের অধিকাংশই বয়স্ক, যাদের জরুরি চিকিৎসা, ওষুধ, খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, যুদ্ধবিরতির ফলে উভয় দেশের বেসামরিক প্রতিনিধিদল ঘরে ঘরে গিয়ে চিকিৎসা ও যাতায়াত সমন্বয় করতে পারবে এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্স একচেটিয়াভাবে পুরো বিষয়টি প্রচারের অনুমতি পাবে। সরিয়ে নেওয়া বাসিন্দারা নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী রাশিয়া কিংবা ইউক্রেনে যেতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, কখোভকা বাঁধ ধ্বংসের পর ৯০ শতাংশ প্লাবিত হওয়া এই শহরে বর্তমানে ১ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার প্রবীণ নাগরিক ও প্রায় ৫০ জন শিশু বসবাস করছে; যা যুদ্ধপূর্ব ২৪ হাজার জনসংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত কম।