কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি
উপকূলীয় অঞ্চল শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরায় খোলপেটুয়া নদীর চরে অবস্থিত সরকারি ‘দৃষ্টিনন্দন’ স্থাপনাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ২০০৩ সালে খাবার পানির সংকট নিরসন ও সবুজ বনায়ন সৃষ্টির লক্ষ্যে ইকোপার্কের আদলে নির্মিত এই প্রকল্প সময়ের ব্যবধানে একটি পরিচিত দর্শনীয় স্থান এবং দুর্যোগকালীন ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর দুই দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় তদারকি ও সংস্কার না হওয়ায় আজ এর পুকুর, চারপাশের সরকারি খাল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সবুজ গাছপালা নদীভাঙন এবং লবণাক্ত পানির আগ্রাসনে বিলীন হওয়ার পথে।
উপকূলীয় জনপদ গাবুরায় সুপেয় পানির সংকট এক ভয়াবহ বাস্তবতার নাম। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডর ও ২০০৯ সালের আইলার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সমগ্র এলাকার খাবার পানির প্রধান উৎস হয়ে উঠেছিল দৃষ্টিনন্দন স্থাপনার এই পুকুরটি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে যখন পুরো অঞ্চল জুড়েই লবণাক্ততার তীব্রতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন কয়েক হাজার মানুষের নিরাপদ পানির অন্যতম প্রধান উৎস রক্ষায় এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। বর্তমানে চারপাশের মাটির বাঁধ ক্ষয় হয়ে যাওয়া এবং পুকুরের পাড় ভেঙে বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের লবণাক্ত পানি প্রবেশের ঝুঁকিতে এই শেষ সম্বলটুকুও নষ্ট হতে বসেছে।
গাবুরার বিভিন্ন এলাকায় মেগা প্রকল্পের আওতায় যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন হলেও এই গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল চরাঞ্চলীয় স্থাপনাটি কেন এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মাটির বাঁধ ও পুকুরের পাড় উঁচুকরণ, লবণাক্ত পানি প্রতিরোধে স্লুইসগেট বা শক্ত সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ, সরকারি খাল পুনঃখনন এবং স্থাপনাসংলগ্ন পরিবেশ রক্ষায় অবহেলা অব্যাহত থাকলে জলবায়ু উদ্বাস্তু ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে থাকা মানুষের জীবনযাত্রা আরও দুঃসহ হয়ে উঠবে।
উপকূলীয় মানুষের সুপেয় পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিছক কোনো স্থানীয় দাবি নয়, এটি জীবন ও জীবিকা রক্ষার মৌলিক শর্ত। তাই অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনাটির চারপাশের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ ও পুকুরের পাড় টেকসইভাবে সংস্কার করতে হবে। পাশাপাশি এই স্থাপনা ও সংলগ্ন সুপেয় পানির আধারটিকে স্থায়ী দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
সংবাদদাতা: জাতীয় ছাত্রশক্তির সাতক্ষীরা জেলা শাখার আওতাধীন শ্যামনগর উপজেলা শাখার আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ছয় মাসের জন্য অনুমোদিত এ কমিটিকে ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) জেলা শাখার অনুমোদনপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কমিটিতে মো. তৌহিদুর রহমানকে আহ্বায়ক, সোহেল হাসানকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং শাওন হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. মারুফ বিল্লাহ ও মো. আফজাল হোসেনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।
সাইফুজ্জামানকে সদস্যসচিব, মো. ইসমাইল হোসাইনকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব এবং মো. ফয়ছাল আহমেদ, মো. আরিফুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও মো. মাহফুজ হোসেনকে যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া মো. আবু সাঈদকে প্রধান সংগঠক এবং মো. মাসুদ রানা, মো. নাঈম হোসেন, ফাহিম ও রাকিবুলকে সংগঠক করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. হুমায়ুন কবির, মো. আজমির হোসেন ও মো. মুজাহিদ হোসেন।
জাতীয় ছাত্রশক্তি সাতক্ষীরা জেলা শাখার প্রধান সংগঠক মুজাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রে কমিটির মেয়াদ ছয় মাস উল্লেখ করা হয়েছে। জেলা শাখার আহ্বায়ক হাসিবুল হাসান রুমন ও সদস্যসচিব বখতিয়ার হোসেন কমিটিটি অনুমোদন করেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল ও সার্থক করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার কুশোডাঙ্গায় পোস্টারিং কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে দলের বার্তা পৌঁছে দিতে ১০ নম্বর কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কাজিরহাট বাজারে এ পোস্টারিং কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা ও সদস্যসচিব মাহমুদুল হাসান সুজন। এ সময় যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আশানুর রহমান, ৯ নম্বর হেলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম, কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের ১ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাঈদ হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পোস্টারিং শেষে নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের কাছে যুবদলের আদর্শ তুলে ধরেন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান।