বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

শিক্ষা বাঁচলে দেশ বাঁচবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষা বাঁচলে দেশ বাঁচবে

প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ

শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ড বলা হয়। একটি উন্নত ও স্বনির্ভর জাতি গঠনের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা। কিন্তু বর্তমানে আমাদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থার দিকে তাকালে এক চরম উদ্বেগ ও হতাশার চিত্র ফুটে ওঠে। শ্রেণিভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আজ কোচিং সেন্টারের বাণিজ্যিক দাপটে মারাত্মকভাবে কোণঠাসা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত, যখন শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজের শ্রেণিকক্ষে থাকার কথা, তখন তাদের দেখা যায় বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের গাদাগাদি পরিবেশে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার এই অবক্ষয় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। আধুনিক শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ, ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ এবং বিনা মূল্যে কোটি কোটি পাঠ্যপুস্তক বিতরণের মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। উদ্দেশ্য একটাই—আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন শ্রেণিকক্ষেই সঠিক ও মানসম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। অথচ বাস্তব চিত্র একেবারেই ভিন্ন। সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলের দিকে চোখ বুলালে বিষয়টি শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহলসহ সমগ্র দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। জাতীয় বাজেটের সিংহভাগ শিক্ষা খাতে ব্যয় করার পরও বোর্ড পরীক্ষায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া কিংবা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না পাওয়া একটি কঠোর বার্তা দিচ্ছে। সরকারের এত বড় আর্থিক ব্যয় ও সরকারি অবকাঠামো শেষ পর্যন্ত কতটুকু কাজে আসছে, তা নিয়ে আজ বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই শ্রেণিকক্ষের নিয়মিত পাঠদান এড়িয়ে চলছে। স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়েই তাদের মূল ব্যস্ততা দেখা যায় বিভিন্ন একাডেমিক কোচিং সেন্টারে। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক অনুশাসন নষ্ট হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের সঙ্গে সম্মিলিত আলোচনা, শিক্ষকদের সরাসরি সান্নিধ্য ও পাঠ্যক্রমবহির্ভূত কার্যক্রম থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে।
কোচিং সংস্কৃতির কারণে অভিভাবকদের ওপর বাড়ছে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে তীব্র প্রতিযোগিতা ও মানসিক চাপ। মেধা বিকাশের পরিবর্তে মুখস্থনির্ভরতা এবং নোটের ওপর নির্ভর করে পরীক্ষায় পাস করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

শিক্ষাব্যবস্থাকে রক্ষা করা ও দেশে কার্যকর শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে আমরা নিম্নলিখিত সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি—

১. স্কুল-কলেজ চলাকালীন কোচিং বন্ধে কঠোর আইন: প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সব ধরনের একাডেমিক কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম আইনগতভাবে কঠোর হস্তে বন্ধ ঘোষণা করতে হবে এবং তা নিশ্চিত করতে হবে।

২. শতভাগ উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

৩. বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কঠোর শর্ত: কোনো শিক্ষার্থী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া শ্রেণিকক্ষে প্রয়োজনীয়সংখ্যক দিন উপস্থিত না থাকলে তাকে কোনো অবস্থাতেই বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যাবে না।

৪. কোচিং সেন্টার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তদারকি: প্রতিটি উপজেলার শিক্ষা অফিস এবং সরকার কর্তৃক গঠিত পরিদর্শক দলের মাধ্যমে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় স্থানীয় কোচিং সেন্টারগুলোতে নিয়মিত ও আকস্মিক অভিযান চালাতে হবে। স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়ে কোনো কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম চলমান থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মাসিক তদারকি ও ডিজিটাল নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা চালুর ওপর জোর দিতে হবে।

৫. শ্রেণিকক্ষেই মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা: শিক্ষক সমাজকে আরও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। শ্রেণিকক্ষেই যেন পাঠ্যসূচি সম্পূর্ণরূপে আয়ত্ত করা যায়, সে জন্য যোগ্য ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের মাধ্যমে আকর্ষণীয় পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে।

৬. সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি: অভিভাবক-শিক্ষক সমাবেশ সক্রিয় করে অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে, যেন তাঁরা সন্তানদের স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়ে কোচিংয়ে না পাঠিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শ্রেণিকক্ষে পাঠাতে উৎসাহী হন।

পরিশেষে বলব, শিক্ষা খাত কেবল একটি খাত নয়; এটি দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের প্রধান হাতিয়ার। যদি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তার স্বকীয়তা ও আভিজাত্য হারিয়ে ফেলে, তবে আমাদের উন্নয়ন স্থবির হয়ে পড়বে। কোটি কোটি টাকার সরকারি ব্যয় তখনই সার্থক হবে, যখন একজন শিক্ষার্থী তার নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ থেকেই প্রকৃত শিক্ষা ও মূল্যবোধ লাভ করবে। তাই এখনই সময় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে উদ্ধার করার। অনতিবিলম্বে এ-সংক্রান্ত কঠোর নীতি প্রয়োগ ও কার্যকর তদারকির মাধ্যমে শিক্ষা ও দেশকে রক্ষায় সব পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে।

লেখক: প্রভাষক, সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা।

Ads small one

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমির

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে দামি টি-টোয়েন্টি লিগ আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে মোহাম্মদ আমিরের। এমন গুঞ্জন ছড়ালেও পাকিস্তানের সাবেক এই বাঁহাতি পেসার জানিয়ে দিয়েছেন, আসন্ন আইপিএল নিলামে নাম লেখানোর কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

ক্রিকবাজকে দেওয়া বার্তায় ৩৩ বছর বয়সী আমির নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুবাই থেকে পাঠানো বার্তায় আইপিএল নিলামে নিবন্ধনের বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘না, আমি নিবন্ধন করছি না।’

আগামী ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম। পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আইপিএলে খেলার অনুমতি না থাকায় দেশটির খেলোয়াড়েরা দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতিযোগিতার বাইরে। তবে সম্প্রতি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ায় আমিরের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।

আইপিএলের উদ্বোধনী আসরের পর থেকে পাকিস্তানের কোনো ক্রিকেটার এই লিগে খেলেননি। তবে ব্রিটিশ পাসপোর্ট থাকায় পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার আজহার মাহমুদ কয়েক মৌসুম আইপিএলে খেলেছিলেন। আমিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ার পর তার ক্ষেত্রেও একই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যদিও নিলামে নাম লেখালেই দল পাওয়ার নিশ্চয়তা ছিল না।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সোমবার জানিয়েছে, আইপিএল নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী বিদেশি ক্রিকেটাররা নিজ নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া। ইংল্যান্ডে এখন স্থানীয় ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় আমির চাইলে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) মাধ্যমে নিলামে নাম লেখাতে পারতেন।

ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ইতোমধ্যে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবেই খেলেছেন আমির। দ্য হান্ড্রেডে নটিংহ্যামভিত্তিক দল ট্রেন্ট রকেটসের হয়ে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

অন্যদিকে সোমবার যুক্তরাজ্যের নাগরিক হিসেবে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) প্লেয়ার্স ড্রাফটে নিবন্ধন করেছেন আমির। অর্থাৎ আইপিএলে আগ্রহ না থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলার সুযোগ খুঁজছেন এই পেসার।

চলতি বছরের পর ইসরায়েলকে আর আর্থিক সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
চলতি বছরের পর ইসরায়েলকে আর আর্থিক সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

চলতি বছর শেষে ইসরায়েলকে দেওয়া বার্ষিক আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এ বিষয়ে ইতোমধ্যে তার একটি সমঝোতা হয়েছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলাকালে ফক্স নিউজ-এর ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে আমি ও বিবি নেতানিয়াহু চুক্তি করেছি যে আমরা তাদের বছরে ৪০০ কোটি ডলার দিই। মাসখানেক আগেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে এটি বন্ধ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আগেই একমত হয়েছি যে এই বছরের শেষ নাগাদ আমরা ইসরায়েলকে আর কোনও অর্থ দেব না। তবে প্রয়োজন হলে আমরা ইসরায়েলকে সহায়তা করব।

ট্রাম্প ঠিক কোন ধরনের সহায়তার কথা বলছেন, তা তাত্ক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

ইসরায়েলকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা এবং মার্কিন রাজনৈতিক প্রচারণায় ইসরায়েল সমর্থকদের অর্থায়ন চলতি বছর ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের জন্যই একটি স্পর্শকাতর বিষয় হয়ে উঠেছে। বছরের পর বছর ধরে চলা দ্বিপক্ষীয় সমর্থনের জায়গা থেকে সরে মার্কিন নেতাদের তরফ থেকে ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা দেখা যাচ্ছে।

গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের জেরে গত জুলাইয়ে মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের একটি সংশোধনী প্রস্তাব পেশ করা হয়। কেন্টাকির রিপাবলিকান প্রতিনিধি থমাস ম্যাসি এই সংশোধনী আনেন। প্রায় অর্ধেক ডেমোক্র্যাট সদস্য এর পক্ষে সমর্থন জানালেও শেষ পর্যন্ত ৩১৪-১০৪ ভোটে প্রস্তাবটি নাকচ হয়ে যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রয়োজনে ওয়াশিংটন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন তিনি।

ভোট গ্রহণ চলাকালে ফক্স নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দেখুন, আমি তো আর অনেক মানুষ মেরে ফেলতে চাচ্ছি না। তবে আমাদের যদি করতেই হয়, তবে আমরা তা করতে বাধ্য হব।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো প্রথাগত যুদ্ধের চেয়ে আলাদা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি পঙ্গু করে দেওয়ার পর তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, আমরা তাদের পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণেই রেখেছি। আমরা চাইলে তাদের একদম নিঃশেষ করে দিতে পারি, অথবা আমরা নমনীয় হয়ে এমন হাজার হাজার মানুষকে বাঁচতে দিতে পারি, যারা এই যুদ্ধে মারা পড়ত।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, গত রাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের সদ্য নির্মিত একটি বিমান বিধ্বংসী স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যার ওপর গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে নজর রাখা হচ্ছিল। এটিকে ‘সামান্য হামলা, কোনও যুদ্ধ নয়’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার ইরানের কেশম দ্বীপে প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি