রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

অসহ্য গরমে কী খাবেন, কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
অসহ্য গরমে কী খাবেন, কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন

দেশজুড়ে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা ও তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। প্রচণ্ড রোদ, অতিরিক্ত ঘাম ও গরমে অনেকেই ক্লান্তি, পানিশূন্যতা এবং নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং কিছু খাবার বেছে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
গরমে সুস্থ থাকতে যা করবেন:

চিকিৎসকদের মতে, এই সময়ে শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। প্রয়োজনে ওরস্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। দীর্ঘ সময় রোদে না থাকা, হালকা পোশাক পরা, ছাতা ও সানগ্লাস ব্যবহার করাও জরুরি। বিশেষ করে দুপুরের প্রখর রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

খাবারে রাখুন হালকা:

গরমে হজমশক্তি কিছুটা কমে যায়। তাই ভারী, অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। বাসায় তৈরি হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়াই উপযোগী। রাস্তার খাবার থেকে বিরত থাকাও নিরাপদ।

কী পান করবেন:

চিনি মেশানো পানীয়ের বদলে স্বাভাবিক পানি পান করাই ভালো। পাশাপাশি লেবু-পুদিনার শরবত, বেলের শরবত, ঘোল বা ডাবের পানি শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে। কাঁচা আমের শরবতও গরমে উপকারী, এটি হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

যেসব সবজি ও ফল উপকারী:

পানিযুক্ত মৌসুমি সবজি যেমন পটল, লাউ, ঝিঙা, চিচিঙ্গা—এসব খাবার শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়ক এবং সহজপাচ্য। তেতো খাবার যেমন করলা বা নিমপাতা সংক্রমণ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে। ফলের মধ্যে তরমুজ, আঙুরের মতো রসালো ফল খাওয়া ভালো।

গরমে উপকারী দুই খাবার:

এই সময়ে পান্তা ভাত শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে এবং পানির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। পাশাপাশি টকদই শরীরকে শীতল রাখার পাশাপাশি শক্তি জোগায়। দুপুরে বা সকালের খাবারে এটি রাখা যেতে পারে।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন:

পুষ্টিকর হলেও অতিরিক্ত ফাইবারযুক্ত কিছু খাবার গরমে হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। যেমন ওটস বা কিনোয়া। এর বদলে ভাত, চিঁড়া বা সাবুর মতো সহজপাচ্য খাবার বেছে নেওয়া ভালো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত পানি গ্রহণই সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

Ads small one

‘রোনালদোর জন্য বিশ্বকাপ জিততে চাই’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
‘রোনালদোর জন্য বিশ্বকাপ জিততে চাই’

 

রেকর্ড সর্বোচ্চ ষষ্ঠবার ফুটবল বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আগামী জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় হতে যাওয়া এই মেগা ইভেন্টটি হতে যাচ্ছে তার শেষ আসর। ব্যক্তিগত ও ক্লাব ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সব–ই জিতেছেন রোনালদো। অপূর্ণতা বলতে জাতীয় দলের হয়ে অধরা ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফি। জাতীয় দলের সতীর্থরা তাই বিদায় বেলায় সিআরসেভেনকে বিশ্বকাপ উপহার দিতে চান।
বিশ্ব ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় অন্যতম ফেভারিট হিসেবে খেলতে নামবে পর্তুগাল। আক্রমণ, মাঝমাঠ ও রক্ষণ মিলিয়ে তাদের স্কোয়াডে বৈচিত্র এবং ভারসাম্য রয়েছে। যাকে কাজে লাগিয়ে মাঠের পারফরম্যান্সে পুরো ফায়দা তুলতে চায় রবার্তো মার্টিনেজের দল। বিশ্ব ফুটবলে রোনালদোর অবদানের প্রতিদান হিসেবে এবারের বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের প্রত্যাশা জানিয়েছেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ।

ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা ওয়েইন রুনির সঙ্গে সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র এক অনুষ্ঠানে যুক্ত হন ফার্নান্দেজ। এ সময় তিনি বলেন, ‘শেষ বিশ্বকাপটা জয়ের মাধ্যমে ক্রিস্টিয়ানো (রোনালদো) ক্যারিয়ারের ইতি টানতে পারলে সেটি অসাধারণ এক ব্যাপার হবে। আমি সত্যিই আশাবাদী যে আমরা তা করতে পারব। এটি কেবল পর্তুগালের জন্য নয়, ফুটবল এবং বিশ্বকে ক্রিশ্চিয়ানো যা দিয়েছে তার জন্যও।’

এখনই ফুটবলবিশ্বের অন্যতম কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছেন রোনালদো। বয়সটা ৪১–এর কোঠা পেরিয়ে এগিয়ে চললেও, নিজের স্বপ্ন পূরণের প্রচেষ্টা থামিয়ে রাখেননি। ছুটে চলেছেন পেশাদার ক্যারিয়ারে ১০০০তম গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার দিকে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৪৩ করা এই তারকা বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপটা পূর্ণ করতে চান আসন্ন ২৩তম আসরে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফরোয়ার্ড পর্তুগালকে ২০১৬ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতিয়েছেন। দু’বার জিতেছেন উয়েফা নেশন্স লিগও। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে রোনালদোর পর্তুগাল পড়েছে ‘কে’ গ্রুপে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো, উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়া। গ্রুপপর্বে যথাক্রমে তিনটি দলের সঙ্গে ১৭, ২৩ ও ২৭ জুন মুখোমুখি হবে পর্তুগিজরা।

বজ্রপাতে সাত জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
বজ্রপাতে সাত জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

 

বজ্রপাতে দেশের সাত জেলায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে দুজন করে এবং পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
গাইবান্ধা

গাইবান্ধা জেলায় রোববার বিকেলে বজ্রপাতে শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা গ্রামে তিনজন, ফুলছড়ি উপজেলার দেলুয়াবাড়ি গ্রামে একজন ও সাঘাটা উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামের একজন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে ফুয়াদ চৌধুরী (১০), একই গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি চৌধুরী (১৫) ও নবীর হোসেনের ছেলে মিজান মিয়া (২০), ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের দেলুয়াবাড়ি গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে মানিক মিয়া (২৫) ও সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামের নম্বার আলী (৬৫)।

বোনারপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান নাসিরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় মৌসুমের প্রথম ঝড়-বৃষ্টির দিনে বজ্রপাতে দুজন মারা গেছেন। রোববার বিকেলে রায়গঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান গ্রামে এবং তাড়াশ উপজেলার বেত্রাশীন গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে আকাশে মেঘে দেখে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান গ্রামে মাঠে কাটা ধান স্তূপ করে রাখছিলেন একই পরিবারের কয়েকজন। এমন সময় বজ্রপাতে হোসেন আলী সেখ (২৫) গুরুতর আহত হন। স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত ব্যক্তি ওই গ্রামের আবদুল হালিম সেখের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

এদিকে তাড়াশ উপজেলায় বজ্রপাতে মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম আবদুল হামিদ (৫০)। তিনি মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।

তাড়াশ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বলেন, বজ্রপাতে একজন কৃষক মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা রশিদুল ইসলামের স্ত্রী লাবণী আক্তার (৩৫) ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী (৩৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে পীরগঞ্জ উপজেলা ও এর আশপাশে থেমে থেমে বৃষ্টি চলছিল। বেলা পৌনে দুইটার দিকে গরুর ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন লাবণী। তখন আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে কোষাডাঙ্গীপাড়ায় বজ্রপাতের ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, দুপুরে বৈরামপুর এলাকায় জমিতে ফসল দেখতে যান ইলিয়াস। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি ও প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।

পীরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এসব ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

পঞ্চগড়

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় বজ্রপাতে মো. সোহরাওয়ার্দী (২২) নামের এক চা-শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল পৌনে আটটার দিকে উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা এলাকায় একটি চা-বাগানের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মো. মোস্তফা (৪৫) ও জাহেরুল ইসলাম (৪৩) নামের আরও দুই চা-শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে মো. মোস্তফাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত সোহরাওয়ার্দী ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা এলাকার আবদুস সামাদের ছেলে।

ধামোর ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খোরশেদ আলম কুদ্দুস বলেন, সকালে সোনাপাতিলা এলাকায় শের আলী নামের এক চাষির চা-বাগান থেকে চা-পাতা তুলে বাড়ি ফিরছিলেন ওই তিন শ্রমিক। এ সময় হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ বজ্রপাতে চা-বাগানের পাশেই ঘটনাস্থলে সোহরাওয়ার্দী মারা যান। ঘটনার সময় তার সামান্য দূরে থাকা অপর দুই শ্রমিক আহত হন। মারা যাওয়া শ্রমিক সোহরাওয়ার্দী আট দিন আগে বিয়ে করেছেন।

আটোয়ারী থানার ওসি মতিয়ার রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

জামালপুর

জামালপুরে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাঁচটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে বজ্রপাতে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় একজন ও মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী এলাকায় একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ রাজীবের স্ত্রী মর্জিনা বেগম (২২) ও সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকার হাবিব মণ্ডলের ছেলে হাসমত আলী (৪৫)।

আহতরা হলেন মেলান্দহের হাজরাবাড়ী এলাকার হারুন মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (২৫), সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকার নুর আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৪) ও একই এলাকার মোহাম্মদ রুমান মিয়ার ছেলে মো. শাওন মিয়া (২৫) এবং সদর উপজেলার নাওভাঙ্গা এলাকার সুমন মিয়ার মেয়ে সুখী (১৪)। আহত ব্যক্তিদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে হঠাৎ জামালপুরে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হয়। মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ি এলাকায় বাড়ির ওঠানে থাকা রান্নাঘরে কাজ করছিলেন মর্জিনা বেগম। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপর দিকে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় ফসলের মাঠে কাজ করছিলেন হাসমত আলী। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এতে হাসমত আলী, আনোয়ার হোসেন ও মো. শাওন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসমত আলীর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বজ্রপাতে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় একটি ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় চারটি গরুর মৃত্যু হয়েছে।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে সহকারী পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান মৃত্যু ও আহত ব্যক্তিদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় ০৫ মে তারিখ থেকে ০৫ জুন পর্যন্ত আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করে আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার এ ঘোষণা দেন। এসময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ, আম চাষি সমিতির নেতা লিয়াকত আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

ঘোষিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ০৫ মে-২৬ তারিখে গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, গোলাপখাস, বৈশাখী, বোম্বাইসহ স্থানীয় জাতের আম ভাঙা হবে। এরপর ১৫ মে তারিখে হিমসাগর ও খিসরা, ২৭ মে তারিখে ল্যাংড়া ও ০৫ জুন তারিখে আম্্রপালি আম ভাঙার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এবিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম জানান, চাষিদের দাবি অনুযায়ী ল্যাংড়া ও আম্্রপালি আম ভাঙার সময় সামান্য এগিয়ে আনা হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে আমের পরিপক্কতা আসবে। তিনি অপরিপক্ক আম ভাঙা ও বাজারজাতকরণের বিষয়ে প্রশাসনিক নজরদারি থাকবে বলে হুশিয়ারী দেন।