বুধহাটা মাদ্রাসার মুহতামিমকে ‘হয়রানির’ অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট করতে এবং মুহতামিমকে পদ থেকে সরাতে একটি চক্র অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন ওই মাদ্রাসার মুহতামিম মো. সালিম উদ্দিন।
লিখিত বক্তব্যে সালিম উদ্দিন বলেন, ২০১২ সালে তিনি যখন মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন, তখন প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম ছিল। পরে তিনি মুহতামিমের দায়িত্ব নিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৫০-এ উন্নীত করেছেন। স্থানীয় বিত্তশালীদের সহযোগিতায় একতলা টিনশেড থেকে বর্তমানে এটি একটি সমৃদ্ধ অবকাঠামো ও দুইতলা মসজিদসহ উপজেলার শ্রেষ্ঠ কওমি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
মুহতামিম অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার এই উন্নয়ন ও তাঁর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি স্থানীয় কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করছে। সম্প্রতি জমিদাতা মো. তমেজউদ্দিন গাজী ওই মহলের প্ররোচনায় তাঁকে মাদ্রাসায় যেতে নিষেধ করেন। সালিম উদ্দিন বলেন, “গত ২২ এপ্রিল জমিদাতার নির্দেশে আমি মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করেছি। অথচ ২৯ এপ্রিল কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও ফোন ব্যবহারের ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।”
আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কওমি মাদ্রাসার নিয়ম মেনেই প্রতি মাসে আয়-ব্যয়ের হিসাব করা হয়। মাদ্রাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিয়মিত সেই হিসাব পরীক্ষা করে খাতায় স্বাক্ষর করেছেন। সালিম উদ্দিন দাবি করেন, তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ব্যবহারের বিষয়টিকে বিতর্কিত করা এবং হিসাবের গরমিলের তথ্য ছড়ানো মূলত তাঁর মানহানি ও প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করার চক্রান্তের অংশ।
সংবাদ সম্মেলনে সালিম উদ্দিন প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, একটি মহল ব্যক্তিস্বার্থে প্রতিষ্ঠানটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাইছে। তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।






