বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় আশাশুনিতে আলোচনা সভা মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় আশাশুনিতে আলোচনা সভা মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের সামাজিক সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক বিশেষ অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে, ২০২৬) বেলা ১১টায় আশাশুনি উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে ‘জলবায়ু পরিবর্তন প্ররোচিত, অভ্যন্তরীণ অভিবাসন ও স্থানচ্যুতি জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা অন্তর্ভুক্ত বৃদ্ধিকরণে অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রতাপনগর ইউনিয়নের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।

 

কারিতাস বাংলাদেশ (খুলনা অঞ্চল) আয়োজিত এই সভায় বক্তারা উপকূলীয় অঞ্চলের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে বলেন, নদী ভাঙন এবং লবণাক্ততার আগ্রাসনে প্রতিবছর অগুণিত মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হচ্ছে, যা তাদের যাযাবর জীবন বেছে নিতে বাধ্য করছে। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন ভুক্তভোগীরা কেবল ত্রাণ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা ও ন্যায্য অধিকার পায়।

 

এই প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠানে জলবায়ু-অভিবাসী পরিবারের তালিকা প্রণয়ন, নিরাপদ আবাসন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার প্রদান, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণসহ ৭টি দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু, বিশেষ অতিথি উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো আমিনুল ইসলাম।

এই কর্মসূচিতে এলাকার বিপুল সংখ্যক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ থেকে মুক্তির প্রত্যাশায় অংশগ্রহণ করেন।

Ads small one

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তি ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তি ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

পত্রদূত রিপোর্ট: ১৯৪৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত সংখালঘু নির্যাতনের ধারাবাহিকতা ও মানবাধিকার লংঘনের প্রেক্ষাপটে “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের আবেদন এবং ৮ দফা দাবি আন্দোলনে মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তির দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে বৃহষ্পতিবার বেলা ১১টায় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বিষ্ণুৃপদ পাল এর কাছে এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপি পেশ করার সময় উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচীব মনোদ্বীপ কুমার ম-ল, যুগ্ম আহবায়ক সুজন কুমার সানা, প্রতিমা রানী হালদার, মিহির কুমার ম-ল, সদস্য সমীর দাস, সমীরণ চক্রবর্তী, মোহন বিশ^াস ও প্রশান্ত কুমার পাল প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানে বিশেষতঃ হিন্দুদের উপর ধারাবাহিক নির্যাতন, সম্পত্তি দখল ও দেশত্যাগের প্রবণতা শুরু হয়। ১৯৬৪ সালের দাঙ্গা ও পরবর্তীতে শত্রু সম্পত্তি আইন সংখ্যালঘুদের ভূমি ও সম্পত্তি হারানোর একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংখ্যালঘু জনগোষ্টি বিশেষভাবে টার্গেটেড নির্যাতনের শিকার হয়। যাহা আন্তজার্তিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি গুরুতর অধ্যায়। স্বাধীনতার পর সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমতার ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও সামাজিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা অব্যহত রয়েছে। এর ফলে ১৯৬৪ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এক কোটিরও বেশি সংখ্যালঘু দেশ ত্যাগ করেছে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ হিন্দু দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

 

বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, বিদ্যমান আইন সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং একটি বিশেষায়িত আইনের অভাব রয়েছে। ফলে সংখ্যালঘুরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সাংগঠণিকভাবে হামলা ও সম্পত্তি দখলের ঘটনা ঘটছে। অনেকক্ষেত্রে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বিদ্যমান থাকায় ভুক্তভোগীরা ন্যয় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে ২০০৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সম্প্রতিকালে গত ১৯ এপ্রিল কক্সবাজারে নয়ন সাধু হত্যা, ২৪ এপ্রিল কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা, ৩ জানুয়ারি খোকন চন্দ্র দাস হত্যা, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিং এর ভালুকায় দীপু চন্দ্র দাসকে নির্যাতনের পর পুড়িয়ে হত্যা, গত ২৭ এপ্রিল সাতক্ষীরায় বীথিকা রানী সাধু হত্যা, গত ২ মে সাতক্ষীরার পশু চিকিৎসক ডাঃ অনিমেষ পরমান্য অপহরণ, ২০১২ সাল থেকে ধারাবাহিক নির্যাতন ও জমি জবরদখল এর পর সর্বশেষ অলিখিত স্টাম্পে সাক্ষর না করায় গত ১৫ এপ্রিল সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের চম্পাফুলে মাধবী ম-ল ও তার ছেলে শঙ্কর ম-লকে প্রতিপক্ষ সামাদ গাজী ও তার ছেলে আলমগীর কবীরের নেতৃত্বে লোহার রড দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন, গত ২৬ এপ্রিল ফরিদপুরে রঞ্জিত সরকার হত্যা, টাঙ্গাইলে এক গর্ভবতী মাকে ধর্ষণের পর হত্যা, কক্সবাজারে গণেশ পাল হত্যা, খুলনায় পুলিশ কর্মকর্তার মা ভারতী রানীকে গলা কেটে হত্যা ছাড়াও প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘুদের বাড়ি দখল, মঠ ও মন্দির ভাংচুর, চাঁদাবাজি, অপহরণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, গুম ও হত্যার কথা তুলে ধরা হয়।

সর্বোপরি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠির সুরক্ষায় একটি পৃথক ও কার্যকর ”সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” দ্রুত প্রণয়ন এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠণের দাবি জানানো হয়।

সাতক্ষীরায় মানবাধিকার আইনজীবী ফোরামের ত্রৈ-মাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মানবাধিকার আইনজীবী ফোরামের ত্রৈ-মাসিক সভা

মানবাধিকার আইনজীবী ফোরাম (এইচআরএলএফ) এর ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ২ টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি ভবণের তৃতীয় তালায় উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র আইনজীবি এড. তোজাম্মেল হোসেন।

 

সভায় আইনজীবী ফোরামের সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত মামলার ফলোআপ ও মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া, মানবাধিকার পরিস্থিতিসহ সাতক্ষীরায় সম্প্রতিঘটে যাওয়া নারী ও শিশু নির্যাতনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সংখ্যালঘু মানুষের উপর নির্যাতন, অপহরন, খুন-ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় ও নারীশিশু আদালতের মামলারজট কমানোর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করা হয়।

 

উক্ত সভায় মানবাধিকার আইনজীবি ফোরামের সদস্যসহ স্বদেশ সংস্থার নাগরিকতা প্রোগ্রামের কর্মকর্তা মো: আজাহারুল ইসলাম ও প্যারালিগ্যাল মো: শরিফুল ইসলাাম উপস্থিত ছিলেন।

স্বদেশ সংস্থার বাস্তবায়নে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর সহায়তায় নাগরিকতা প্রকল্পের অধীনে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

সাতক্ষীরায় কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তালাবদ্ধ করল পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তালাবদ্ধ করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রদর্শক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও কোচিং সেন্টার ঘেরাও করেছেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কোচিং সেন্টারটি তালাবদ্ধ করে দেয়।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনের একপর্যায়ে শহরের সজীব বায়োলজি একাডেমি কোচিং সেন্টারের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন এবং বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সজীব বায়োলজি একাডেমির পরিচালক সজীব সরকারি কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অপমানজনক বক্তব্য দিয়েছেন। মূলত এ ঘটনার প্রতিবাদেই তারা কর্মসূচি পালন করেন।

পরে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারটি ঘেরাও করলে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কোচিং সেন্টারের ভেতরে থাকা কিছু শিক্ষার্থী দরজা বন্ধ করে দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে কলেজ প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা সজীব বায়োলজি একাডেমির পরিচালক সজীবের গ্রেপ্তার এবং কোচিং সেন্টার স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানান। তারা বলেন, শিক্ষকের সম্মানহানির ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাবে তারা।

শিক্ষার্থী রাশিয়া আক্তার বলেন, একজন সরকারি কলেজ শিক্ষকের সঙ্গে এভাবে অসম্মানজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।

আরেক শিক্ষার্থী মাসুদ বলেন, সন্ধ্যার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে আবারও আন্দোলনে নামব। আমরা সজীবের গ্রেপ্তার দাবি করছি।

এদিকে কলেজের আশপাশে গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান অবাধে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাসেম বলেন, আমাদের এক শিক্ষককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে, যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছে। আমরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।

সাতক্ষীরা সদর থানার অপারেশন অফিসার (ওসি) সুশান্ত ঘোষ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে কোচিং সেন্টারটি তালাবদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে উত্তেজনা এড়াতে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয় এবং কোচিং সেন্টারটিতে আপাতত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।