বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ থেকে ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ থেকে ১০ মে ২০২৬ খুলনা ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স ও রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে ২৫ বৈশাখ (৮ মে) বিকেল তিনটায় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগার, সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী, সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুঃ বিল্লাল হোসেন খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করবেন খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। স্মারক বক্তৃতা করবেন শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান।

২৬ বৈশাখ (৯ মে) বিকেল সাড়ে তিনটায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন।

২৭ বৈশাখ (১০ মে) বিকেল সাড়ে তিনটায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগার।

প্রতিদিন বিকাল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে।

এছাড়া রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় অনুরূপ তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
২৫ বৈশাখ (৮ মে) রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় বিকেল তিনটায় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মিজ সিফাত মেহনাজ।

 

২৬ বৈশাখ (৯ মে) বিকেল সাড়ে তিনটায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী এবং ২৭ বৈশাখ (১০ মে) বিকেল সাড়ে তিনটায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।

প্রতিদিন বিকাল চারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে। তথ্যবিবরণী

 

Ads small one

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তি ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তি ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

পত্রদূত রিপোর্ট: ১৯৪৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত সংখালঘু নির্যাতনের ধারাবাহিকতা ও মানবাধিকার লংঘনের প্রেক্ষাপটে “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের আবেদন এবং ৮ দফা দাবি আন্দোলনে মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তির দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে বৃহষ্পতিবার বেলা ১১টায় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বিষ্ণুৃপদ পাল এর কাছে এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপি পেশ করার সময় উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচীব মনোদ্বীপ কুমার ম-ল, যুগ্ম আহবায়ক সুজন কুমার সানা, প্রতিমা রানী হালদার, মিহির কুমার ম-ল, সদস্য সমীর দাস, সমীরণ চক্রবর্তী, মোহন বিশ^াস ও প্রশান্ত কুমার পাল প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানে বিশেষতঃ হিন্দুদের উপর ধারাবাহিক নির্যাতন, সম্পত্তি দখল ও দেশত্যাগের প্রবণতা শুরু হয়। ১৯৬৪ সালের দাঙ্গা ও পরবর্তীতে শত্রু সম্পত্তি আইন সংখ্যালঘুদের ভূমি ও সম্পত্তি হারানোর একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংখ্যালঘু জনগোষ্টি বিশেষভাবে টার্গেটেড নির্যাতনের শিকার হয়। যাহা আন্তজার্তিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি গুরুতর অধ্যায়। স্বাধীনতার পর সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমতার ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও সামাজিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা অব্যহত রয়েছে। এর ফলে ১৯৬৪ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এক কোটিরও বেশি সংখ্যালঘু দেশ ত্যাগ করেছে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ হিন্দু দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

 

বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, বিদ্যমান আইন সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং একটি বিশেষায়িত আইনের অভাব রয়েছে। ফলে সংখ্যালঘুরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সাংগঠণিকভাবে হামলা ও সম্পত্তি দখলের ঘটনা ঘটছে। অনেকক্ষেত্রে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বিদ্যমান থাকায় ভুক্তভোগীরা ন্যয় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে ২০০৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সম্প্রতিকালে গত ১৯ এপ্রিল কক্সবাজারে নয়ন সাধু হত্যা, ২৪ এপ্রিল কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা, ৩ জানুয়ারি খোকন চন্দ্র দাস হত্যা, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিং এর ভালুকায় দীপু চন্দ্র দাসকে নির্যাতনের পর পুড়িয়ে হত্যা, গত ২৭ এপ্রিল সাতক্ষীরায় বীথিকা রানী সাধু হত্যা, গত ২ মে সাতক্ষীরার পশু চিকিৎসক ডাঃ অনিমেষ পরমান্য অপহরণ, ২০১২ সাল থেকে ধারাবাহিক নির্যাতন ও জমি জবরদখল এর পর সর্বশেষ অলিখিত স্টাম্পে সাক্ষর না করায় গত ১৫ এপ্রিল সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের চম্পাফুলে মাধবী ম-ল ও তার ছেলে শঙ্কর ম-লকে প্রতিপক্ষ সামাদ গাজী ও তার ছেলে আলমগীর কবীরের নেতৃত্বে লোহার রড দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন, গত ২৬ এপ্রিল ফরিদপুরে রঞ্জিত সরকার হত্যা, টাঙ্গাইলে এক গর্ভবতী মাকে ধর্ষণের পর হত্যা, কক্সবাজারে গণেশ পাল হত্যা, খুলনায় পুলিশ কর্মকর্তার মা ভারতী রানীকে গলা কেটে হত্যা ছাড়াও প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘুদের বাড়ি দখল, মঠ ও মন্দির ভাংচুর, চাঁদাবাজি, অপহরণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, গুম ও হত্যার কথা তুলে ধরা হয়।

সর্বোপরি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠির সুরক্ষায় একটি পৃথক ও কার্যকর ”সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” দ্রুত প্রণয়ন এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠণের দাবি জানানো হয়।

সাতক্ষীরায় কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তালাবদ্ধ করল পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তালাবদ্ধ করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রদর্শক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও কোচিং সেন্টার ঘেরাও করেছেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কোচিং সেন্টারটি তালাবদ্ধ করে দেয়।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনের একপর্যায়ে শহরের সজীব বায়োলজি একাডেমি কোচিং সেন্টারের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন এবং বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সজীব বায়োলজি একাডেমির পরিচালক সজীব সরকারি কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অপমানজনক বক্তব্য দিয়েছেন। মূলত এ ঘটনার প্রতিবাদেই তারা কর্মসূচি পালন করেন।

পরে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারটি ঘেরাও করলে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কোচিং সেন্টারের ভেতরে থাকা কিছু শিক্ষার্থী দরজা বন্ধ করে দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে কলেজ প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা সজীব বায়োলজি একাডেমির পরিচালক সজীবের গ্রেপ্তার এবং কোচিং সেন্টার স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানান। তারা বলেন, শিক্ষকের সম্মানহানির ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাবে তারা।

শিক্ষার্থী রাশিয়া আক্তার বলেন, একজন সরকারি কলেজ শিক্ষকের সঙ্গে এভাবে অসম্মানজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।

আরেক শিক্ষার্থী মাসুদ বলেন, সন্ধ্যার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে আবারও আন্দোলনে নামব। আমরা সজীবের গ্রেপ্তার দাবি করছি।

এদিকে কলেজের আশপাশে গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান অবাধে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাসেম বলেন, আমাদের এক শিক্ষককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে, যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছে। আমরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।

সাতক্ষীরা সদর থানার অপারেশন অফিসার (ওসি) সুশান্ত ঘোষ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে কোচিং সেন্টারটি তালাবদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে উত্তেজনা এড়াতে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয় এবং কোচিং সেন্টারটিতে আপাতত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পাইকগাছায় গদাইপুর ফুটবল খেলার মাঠে পশু হাট বসানো বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় গদাইপুর ফুটবল খেলার মাঠে পশু হাট বসানো বন্ধের দাবিতে স্মারকলিপি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় গদাইপুর ফুটবল খেলার মাঠে পশু হাট বসানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় খেলোয়ার, পরিবেশকর্মী, ক্রীড়ামোদী ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে পরস্পর বিরোধী চাপা উত্তেজনাও বিরাজ করছে। এ ঘটনায় গদাইপুর ফুটবল খেলার মাঠে পশু হাট বসানোর চেষ্টা বন্ধ করতে মর্নিংসান স্পোর্টিং ক্লাব ও এলাকাবাসী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

স্মারকলিপিতে জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়ানের প্রাণকেন্দ্রে ঐতিহ্যবাহী গদাইপুর ফুটবল মাঠটি অবস্থিত। মাঠের পাশ দিয়ে মেইন সড়ক ও তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মাঠটি এলাকার শিশু-কিশোর, যুবসমাজের খেলাধুলা, শরীরচর্চা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনার একমাত্র স্থান। প্রতি বছর মাঠে অন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এটি শুধু একটি মাঠ নয় বরং এলাকার তরুণ প্রজন্মের সুস্থ বিকাশ, সামাজিক বন্ধন এবং অপরাধমুক্ত পরিবেশ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

 

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে য়ে, বর্তমানে কিছু লোক ব্যক্তি ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে পবিত্র ঈধ-উল আযহা উপলক্ষে উক্ত খেলার মাঠে পশুর হাট বসানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অতিতে কখনোই খেলার মাঠে কোরবানির পশুর হাট বসানো হয়নি। প্রতি বছর গদাইপুর বাজারে সুন্দর পরিবেশে কোরবানীর পশু হাট বসে।

উক্ত খেলার মাঠে পশুর হাট বসানো হলে মাঠটি পশুর বর্জ্য, মল-মূত্র ও ময়লা আবর্জনায় দুষিত হয়ে পড়বে। দীর্ঘসময়ের জন্য মাঠটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে। শিশু- কিশোররা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়বে, যা শারিরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

দূর্গন্ধ ও অস্বাস্থকর পরিবেশ সৃস্টি হয়ে পাশের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হবে। মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী হিসাবে সংরক্ষণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এলাকাবাসীকে এ অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।