নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় গরু পাচার রোধে নজরদারি বৃদ্ধি
এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার রোধে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ ১৪৯ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। নজরদারির অংশ হিসেবে অতিরিক্ত টহল ও চেকপোস্ট স্থাপন, সন্দেহভাজন চলাচলের ওপর কড়া নজরদারি এবং চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের মাঝে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে তাদের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।
নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ শাহারিয়ার রাজীব জানান,
বিজিবি জানায়, দীর্ঘ সীমান্ত এলাকা নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিজিবি’র একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সহযোগিতা অত্যান্ত জরুরী। বিজিবি আরো জানায়, সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সহযোগিতার অভাবে অনেক সময় বিভিন্ন মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানী মালামাল দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তা আটক হয়।
বিজিবি জানায়, পার্শ্ববর্তী দেশে গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সীমান্তে পুশইন প্রতিরোধে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারীসহ টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ শাহারিয়ার রাজীব জানান, বিজিবি মহাপরিচালক মহোদয়ের ভিশন- ‘বিজিবি হবে সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক’। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রতিটি সদস্য সর্বদা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সীমান্তে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য নিবেদিত। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাসহ চলমান ভোজ্য ও জ্বালানি তেল মজুদ এবং পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজন স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিক, পরিবেশকর্মী এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ। তিনি এলক্ষ্যে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানান।












