মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

এলপিজির মূল্য তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক, নির্দেশ অমান্য করলে শাস্তির হুঁশিয়ারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
এলপিজির মূল্য তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক, নির্দেশ অমান্য করলে শাস্তির হুঁশিয়ারি

 

পত্রদূত ডেস্ক: খুলনা জেলায় ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি গ্যাসের নির্ধারিত দাম নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এখন থেকে প্রতিটি এলপিজি ফিলিং স্টেশন ও ডিলার পয়েন্টের প্রবেশমুখে বা দৃশ্যমান স্থানে বিইআরসি নির্ধারিত হালনাগাদ মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে হবে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে বা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা আদায় করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা থেকে স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে দিলেও অনেক ডিলার ও ফিলিং স্টেশন তা প্রদর্শন করছে না। কোথাও কোথাও ভোক্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এটি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৮ ধারার স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
ডিলার ও ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছেÑ প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখসহ গ্রাহকের সহজে নজরে আসে এমন স্থানে মূল্য তালিকা টানিয়ে রাখতে হবে। তালিকায় প্রতিটি সিলিন্ডারের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী নির্ধারিত দাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না।
পোষণ করা হয়েছে যে, বাজার তদারকি বা সরাসরি অভিযোগের ভিত্তিতে যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা বা বেশি দাম নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও অন্যান্য প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থ রক্ষা ও বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ী ও ডিলারদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় ১০ অসচ্ছল পরিবার পেল বিনামূল্যে ছাগল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ১০ অসচ্ছল পরিবার পেল বিনামূল্যে ছাগল

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের (বিএনএফ) আর্থিক সহযোগিতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধূলিহর ইউনিয়নের পূর্ব দামারপোতা গ্রামের ১০টি সুবিধাবঞ্চিত ও অসচ্ছল পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। ‘নব জীবন’ নামের একটি বেসরকারি সংস্থার আয়োজনে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। মঙ্গলবার আয়োজিত এ কর্মসূচির আওতায় বাছাইকৃত ১০টি পরিবারের প্রতিটিকে দুটি করে মোট ২০টি ছাগল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান। তিনি জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আত্মনির্ভরশীলতাই গ্রামীণ অর্থনীতির মূল শক্তি। দরিদ্র পরিবারের হাতে আয়ের মাধ্যম হিসেবে ছাগল তুলে দেওয়া তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির সূচনা করবে। বিতরণকৃত ছাগলগুলোর চিকিৎসাসেবা, টিকাদান ও কৃমিনাশক প্রয়োগসহ সব ধরনের কারিগরি সহায়তায় প্রাণিসম্পদ দপ্তর পাশে থাকবে। নব জীবনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি মো. শামসুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তারেকুজ্জামান খান।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নব জীবনের পরিচালক খান ফাহিম আল ফুয়াদ। অনুষ্ঠানে সংস্থার প্রকল্প ব্যবস্থাপক অছিউল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাটকেলঘাটা ফুটবল মাঠ পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা ফুটবল মাঠ পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলামের ৩০ আগস্ট আগমন উপলক্ষে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার ঐতিহাসিক ফুটবল মাঠ পরিদর্শন করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি মাঠের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে পাটকেলঘাটা ও তালা উপজেলার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা পরিষদের প্রশাসক মাঠে থাকা তরুণ খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং ছবি তোলেন। এ সময় তিনি খেলোয়াড়দের খেলার প্রতি আরও আন্তরিক ও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আগামী ৩০ আগস্ট প্রতিমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্থানীয়দের উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান।

বুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে জেলা প্রশাসকের কাছে আমানতকারীদের আবেদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
বুশরা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি ঠেকাতে জেলা প্রশাসকের কাছে আমানতকারীদের আবেদন

 

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বুশরা গ্রুপের প্রায় ১০ হাজার আমানতকারীর পাওনা অর্থ ফেরত দিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠানটির কালিগঞ্জ শাখা অফিস সিলগালা করে সম্পত্তি বিক্রি বন্ধের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী আমানতকারীরা।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহার মাধ্যমে এ আবেদন করা হয়। আবেদনে বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল ইসলাম এবং নির্বাহী পরিচালক ইকবাল কবির পলাশকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বুশরা গ্রুপের বুশরা কেন্দ্রীয় সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড এবং বুশরা ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের অধীনে আমানতকারীরা দীর্ঘদিন ধরে অর্থ জমা রেখে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রচলিত নিয়ম ও শর্তের প্রতি আস্থা রেখে তারা কষ্টার্জিত অর্থ জমা রাখেন।
অভিযোগে আরও জানানো হয়, প্রয়োজনের সময় আমানত উত্তোলনের প্রতিশ্রুতি থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে অনেক আমানতকারী জমাকৃত অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না। কেউ এক বছর, কেউ দুই বছর কিংবা তারও বেশি সময় আগে মূল আমানত উত্তোলনের জন্য আবেদন করলেও তা পরিশোধ করা হয়নি।
আমানতকারীদের মধ্যে মো. হাসানুজ্জামান, মো. আব্দুল মান্নান, এস এম রেদওয়ানুল ফেরদাউস রনি, মমতাজ বেগমসহ কয়েক শ গ্রাহকের অভিযোগ, টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়ে যোগাযোগ করতে গেলে নানা হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রতার শিকার হতে হচ্ছে। এতে অনেক আমানতকারী ও তাঁদের পরিবার চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।
আবেদনকারীদের আশঙ্কা, বুশরা গ্রুপের কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গেলে ভবিষ্যতে পাওনা অর্থ আদায় আরও জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।
এ কারণে আমানতকারীরা জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিষয়টির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তি বিক্রি, হস্তান্তর বা অন্য কোনোভাবে লেনদেন না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনের সঙ্গে কালিগঞ্জ শাখা অফিসের সম্পত্তির বিবরণও সংযুক্ত করা হয়। সেখানে দলিল নম্বর ১৯৯৬/২০২০, মৌজা বাজারগ্রাম, সিএস খতিয়ান ০৫, এসএ খতিয়ান ১১ এবং দাগ নম্বর ৩৪০/৩৪২ উল্লেখ করা হয়। জমির পরিমাণ প্রায় ০.২৯৭২ একর।
আবেদনের অনুলিপি কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কালিগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি), কালিগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার ও কালিগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
স্মারকিলিপি দেওয়ার সময় সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাম্মদ রবিউল বাশারের কাছেও অভিযোগ করেন আমানতকারীরা। এ সময় তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।