মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সুন্দরবনে ‘বনরক্ষীদের গুলিতে’ জেলের মৃত্যু ঘিরে পাল্টাপাল্টি মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে ‘বনরক্ষীদের গুলিতে’ জেলের মৃত্যু ঘিরে পাল্টাপাল্টি মামলা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলাসংলগ্ন পশ্চিম সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে আমিনুর রহমান (৪৫) নামের এক জেলের গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপকূলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত জেলের পরিবারের অভিযোগ, বন বিভাগের টহল দলের ছোড়া গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে বন বিভাগ বলছে, বনরক্ষীদের সঙ্গে জেলেদের ধস্তাধস্তির সময় ‘মিসফায়ার’ হয়ে গুলি বেরিয়ে যায়।

এ ঘটনায় বন বিভাগের দুই কর্মকর্তাসহ অজ্ঞাতনামা ৯ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছে নিহত জেলের পরিবার। অন্যদিকে বনরক্ষীদের ওপর হামলার অভিযোগে বন বিভাগের পক্ষ থেকেও একটি মামলা করা হয়েছে। তবে আসামিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

নিহত আমিনুর রহমান সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সোরা গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার তাঁর ভাতিজা অলিউল্যাহ বাদী হয়ে কয়রা থানায় মামলাটি করেন। মামলায় বন বিভাগের নলিয়ান ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা মোবারক হোসেন, পশ্চিম বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক শামীম রেজাসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ঘটনাস্থল কয়রা থানা এলাকায় হওয়ায় নিহত জেলের স্বজনেরা কয়রায় এসে মামলা করেছেন। পাশাপাশি বন বিভাগের পক্ষ থেকেও একটি মামলা করা হয়েছে। বন বিভাগের শরবতখালী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তাদির রহমান মামলাটি করেন।

আমিনুর রহমানের ভাতিজার করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আমিনুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে বৈধ পাস নিয়ে সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ও কাঁকড়া ধরেন। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও তাঁদের সহযোগীরা জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করেন। প্রায় ১৫ দিন আগেও আমিনুরের থেকেও টাকা নেওয়া হয়। এ নিয়ে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিত-া হয়। তখন তাঁকে ‘সুযোগ পেলে দেখে নেওয়া হবে’ বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

এজাহারে বলা হয়, ১৩ মে নিজের ভাতিজা অলিউল্যাহসহ কয়েকজনকে নিয়ে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যান আমিনুর। ১৮ মে সকাল সাতটার দিকে কয়রার আওতাধীন সুন্দরবনের পাতকোষ্টা এলাকার বেশো খালে মাছ ধরার সময় বন বিভাগের একটি টহল দল সেখানে পৌঁছায়। বন বিভাগের নলিয়ান ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন আমিনুরের কাছে টাকা চান। কিন্তু তিনি রাজি না হলে তাঁকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের একজন রাইফেল দিয়ে গুলি করেন। গুলিটি তাঁর শরীর ভেদ করে বেরিয়ে যায়। এতে তিনি নৌকার ওপর লুটিয়ে পড়েন এবং কিছুক্ষণ পর মারা যান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বন বিভাগের নলিয়ান ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে তিনি উপস্থিত ছিলেন না এবং তাঁর বিরুদ্ধে গুলি করার অভিযোগও সঠিক নয়। ঘটনাস্থলটি ছিল সুন্দরবনের প্রবেশ নিষিদ্ধ অভয়ারণ্য এলাকা। সেখানে বন বিভাগের স্মার্ট টহল টিম দায়িত্ব পালন করছিল। তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে টহল চালিয়ে ওই এলাকার ১১টি নৌকা জব্দ করা হয়, অধিকাংশই শ্যামনগরের সোরা গ্রামের। তাঁর অভিযোগ, ওই এলাকার কিছু লোক সংঘবদ্ধভাবে নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশ করা এবং বনরক্ষীদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে।

বন বিভাগের নথি অনুযায়ী, ১৫ থেকে ২২ মে পর্যন্ত সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের আওতায় একটি ‘স্মার্ট টহল টিম’ গঠন করা হয়। খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলামের সই করা আদেশে দাকোপ ও কয়রা উপজেলার আওতাধীন বনাঞ্চলে টহলের নির্দেশ দেওয়া হয়। দলের নেতৃত্বে ছিলেন শরবতখালী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোক্তাদির রহমান। সহকারী টিম লিডার ছিলেন কালাবগী ফরেস্ট স্টেশনের ফরেস্টার মো. আতিয়ার রহমান। এ ছাড়া কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের ফরেস্টার মো. আছাদুজ্জামানসহ মোট আটজন সদস্য ওই টহল দলে ছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন বিভাগের এক সদস্য বলেন, প্রবেশ নিষিদ্ধ পাটকোষ্টা এলাকার ঝালিয়া শতমুখী খালে জেলেদের নৌকা দেখতে পেয়ে টহল দল সেখানে যায়। এ সময় জেলেরা দা, কুড়াল ও বৈঠা নিয়ে বনরক্ষীদের দিকে তেড়ে আসেন। ধস্তাধস্তির সময় এক বনরক্ষীর হাতে থাকা রাইফেল ভেঙে যায় এবং আরেকজনের অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়। একপর্যায়ে অনাকাক্সিক্ষতভাবে একটি গুলি বের হয়ে যায়। ওই গুলিই আমিনুর রহমানের শরীরে লাগে।

স্মার্ট টহল টিমের নেতা মোক্তাদির রহমান বলেন, বনরক্ষীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে আসামিদের পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

এদিকে জেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গত সোমবার সাতক্ষীরা রেঞ্জ কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্যামনগরের গাবুরা এলাকার ডুমুরিয়া, দৃষ্টিনন্দন ও চাঁদনীমুখা পয়েন্টে লোকজন জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ১০ থেকে ১২টি ট্রলারে করে পাঁচ শতাধিক গ্রামবাসী ওই জেলের লাশ নিয়ে নীলডুমুর খেয়াঘাটে পৌঁছান। এ সময় দাতিনাখালী ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকা থেকে আরও কয়েক শ লোক তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন।

একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন সাতক্ষীরা রেঞ্জ কার্যালয়ের সামনে লাশ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে রেঞ্জ কার্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন। হামলাকারীরা সিসিটিভি ক্যামেরা, জানালা, গ্রিল, ফটকসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করেন। বন বিভাগের দাবি, হামলাকারীরা রান্নাঘরে ঢুকে প্লেট, পিরিচ, গামলাসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুরের পাশাপাশি চাল, ডালসহ কিছু খাদ্যসামগ্রীও নিয়ে যান।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান বলেন, হামলাকারীরা যাকে সামনে পেয়েছে, তাকেই মারধর করেছে। এতে তাঁদের পাঁচজন কর্মচারী আহত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, জেলের মৃত্যুর ঘটনাটি খুলনা রেঞ্জ এলাকায় হলেও হামলা চালানো হয়েছে সাতক্ষীরা রেঞ্জ কার্যালয়ে। তাঁর ভাষ্য, পুরো ঘটনার পেছনে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, বনরক্ষীদের সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা রেঞ্জ কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জেলের মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্তে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি কমিটিতে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ও অন্যটিতে খুলনা জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা আছেন।

উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, উপকূলে জীবিকার সংকট ও সুন্দরবনের নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশকে কেন্দ্র করে বন বিভাগ ও জেলেদের মধ্যে তৈরি হওয়া অবিশ্বাসের সম্পর্ক পরিস্থিতিকে দিন দিন জটিল করে তুলেছে। জেলে নিহতের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাণহানির ঘটনা আর না ঘটে।

Ads small one

আশাশুনিতে অহিদুল মোল্লার বিএনপিতে অনুপ্রেবেশের অভিযোগে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে অহিদুল মোল্লার বিএনপিতে অনুপ্রেবেশের অভিযোগে মানববন্ধন

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা আশাশুনিতে অহিদুল মোল্লার বিএনপিতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাজরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে কাপসন্ডা বাজারে উক্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

খাজরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ বোরহান উদ্দিন বুলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. ইউনুছ আলীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিম মোল্লা, খাজরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর সাত্তার গাজী, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ জামাল, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইবাদুল গাজী ও ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শামসুর রহমান প্রমুখ। কর্মসূচিতে এসময় বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর আশাশুনি উপজেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অহিদুল মোল্লা অংশগ্রহণ করেন। তারা দাবী করেন, উক্ত অহিদুল মোল্লা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একাধিক মামলার আসামী।

 

বক্তারা আরো বলেন, বিএনপির কিছু সুবিধাবাদী নেতা তার কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে তাকে দলে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দলের দুঃসময়ে ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন করে এভাবে চিহ্নিত কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপির মঞ্চে গ্রহণ করাকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা কিছুতেই মেনে নেবে না। বক্তারা এসময় বিতর্কিত এই আওয়ামী লীগ নেতা অহিদুল মোল্লার গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান। একই সাথে তিনি যাতে কোনোভাবেই বিএনপিতে অনুপ্রবেশ করতে না পারেন, সে বিষয়ে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মণিরামপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা 
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: সাক্ষরতা অর্জন করি, উন্নত জীবন গড়ি”—এমন প্রত্যয়কে সামনে রেখে যশোরের মণিরামপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিটি উপজেলা পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে  আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরতার আওতায় এনে দক্ষ ও সচেতন মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্রাট হোসেন, উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ফজলুল হক, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান, বিএনপি নেতা সন্তোষস্বর সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সাক্ষরতার গুরুত্ব, শিক্ষার প্রসার এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে সবাইকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

সাতক্ষীরায় অ্যাডভান্স ও ভেটেরিনারি সার্টিফিকেট কোর্সের পরীক্ষা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অ্যাডভান্স ও ভেটেরিনারি সার্টিফিকেট কোর্সের পরীক্ষা শুরু

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ বছর মেয়াদী অ্যাডভান্স সার্টিফিকেট ইন ফাইন আর্টস, কম্পিউটার টেকনোলজি ও ফিজিক্যাল এডুকেশন কোর্সের জানুয়ারি-ডিসেম্বর ২০২৬ সেশনের প্রথম পর্ব ও ভেটেরিনারি জুলায়-জুন ২০২৫-২০২৬ সেশনে দ্বিতীয় পর্বের সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষাটি শুরু হয়। এ কেন্দ্রে মোট ৩৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে।

কেন্দ্র সচিব ফেরদাউস আরেফিন জানান, সকাল থেকেই সুন্দর ও শান্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষার সকল কার্যক্রম বোর্ডের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা ক্রিয়েটিভ ট্রেনিং এন্ড ভেটেরিনারি ইন্সটিটিউটের পরিচালক ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, আমার সব শিক্ষার্থী যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। আশা করছি তারা ভালো ফলাফল করবে।