রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মাল্টিপ্লেক্সে ঈদের তৃতীয় দিন: কোন চলচ্চিত্র আয় করলো কত?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
মাল্টিপ্লেক্সে ঈদের তৃতীয় দিন: কোন চলচ্চিত্র আয় করলো কত?

বাংলা সিনেমার মেটা ডাটাভিত্তিক ফেসবুক পেজ বিএমআর-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঈদের মুক্তির তৃতীয় দিনেও দেশের মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে শীর্ষ কয়েকটি বাংলা চলচ্চিত্র তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে। শো সংখ্যা, হাউজফুল শো এবং মোট গ্রস আয়ের ভিত্তিতে স্পষ্ট হয়েছে কোন সিনেমা এগিয়ে আছে এবং কোনগুলো ধীরগতিতে এগোচ্ছে।

এদিকে, প্রতিটি চলচ্চিত্র নিয়েই দর্শকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বোঝা যাচ্ছে, দর্শকের রুচি ও পছন্দের ভিন্নতার কারণে একেকটি সিনেমা নিয়ে ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা তৈরি হচ্ছে হলে গিয়ে। তবে এর মাঝেও থেমে নেই ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলোর যাত্রা। উৎসবের আবহে দর্শকরা এখনো হলে গিয়ে সিনেমা উপভোগ করছেন। এখন দেখার বিষয়, মাল্টিপ্লেক্সে দিনশেষে কোন সিনেমা কেমন আয় করছে এবং প্রযোজক ও প্রদর্শকদের হিসাব কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে।

তৃতীয় দিনেও সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে রকস্টার। এদিন শুধু স্টার সিনেপ্লেক্স (৩৭টি শো), লায়ন সিনেমাস (৮টি), গ্র্যান্ড সিলেট মুভি থিয়েটার (৪টি), মম ইন (৪টি), মণিহার সিনেপ্লেক্স (৫টি), মধুবন সিনেপ্লেক্স (৪টি), সিনেস্কোপ (৪টি), শ্যামলী সিনেমা (৪টি), গ্র্যান্ড রিভারভিউ সিনেপ্লেক্স (৩টি), স্বপ্নীল সিনেপ্লেক্স (৪টি) এবং কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স (৪টি) মিলিয়ে মোট ৮১টি শো চলেছে। এর মধ্যে ৩২টি শো হাউজফুল এবং আরও ৫টি প্রায় হাউজফুল ছিল। তিনদিন শেষে সিনেমাটির মাল্টিপ্লেক্স গ্রস দাঁড়িয়েছে ১.৩৪ কোটি টাকা।

রইদ তৃতীয় দিনেও ডাবল ডিজিট কালেকশন ধরে রেখেছে। স্টার সিনেপ্লেক্স (১৯টি শো), লায়ন সিনেমাস (২টি) এবং কে-স্ক্রিন (১টি) মিলিয়ে মোট ২২টি শো চলেছে। এর মধ্যে ৭টি শো হাউজফুল এবং ২টি প্রায় হাউজফুল ছিল। তিনদিন শেষে মোট গ্রস ৩৬.৯২ লাখ টাকা।

বনলতা সেন তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। স্টার সিনেপ্লেক্সে (১০টি শো) এবং লায়ন সিনেমাসে (১টি শো) মোট ১১টি শো চলেছে, যার মধ্যে ৪টি হাউজফুল ছিল। তিনদিন শেষে মোট গ্রস ১৬.৬৫ লাখ টাকা।

মালিক তৃতীয় দিনেও ভালো হোল্ড বজায় রেখেছে। স্টার সিনেপ্লেক্স (১০টি), লায়ন সিনেমাস (৩টি) এবং কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স (৩টি) মিলিয়ে ১৬টি শোতে ২টি হাউজফুল শো ছিল। তিনদিন শেষে মোট আয় ১৫ লাখ টাকা।

মাসুদ রানা তৃতীয় দিনে কিছুটা উন্নতি করলেও কোনো শো হাউজফুল হয়নি। স্টার সিনেপ্লেক্স (৬টি) ও লায়ন সিনেমাস (১টি) মিলিয়ে ৭টি শো চলেছে। তিনদিন শেষে মোট গ্রস ৬.২৩ লাখ টাকা।

পিনিক তুলনামূলকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। স্টার সিনেপ্লেক্স (৪টি) ও লায়ন সিনেমাস (১টি) মিলিয়ে ৫টি শো চললেও কোনো হাউজফুল শো হয়নি। তিনদিন শেষে গ্রস ১.৬৯ লাখ টাকা।

অফিসার সবচেয়ে কম শো পাওয়া ছবিগুলোর একটি। স্টার সিনেপ্লেক্সে একমাত্র শোতে দর্শক উপস্থিতি ছিল ৩০ জন। তিনদিন শেষে মোট গ্রস ৫০.৮ হাজার টাকা।

প্রসঙ্গত, বিএমআর এর এ জরিপ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদের সাথে। তিনি বলেন, “বিএমআর এ ধরণের কাজগুলো করছে বলে শুনেছি। মাল্টিপ্লেক্সগুলোর সবকিছুই খুব ট্রান্সপারেন্ট। কেউ যদি চায়, কত টাকা সেল হল তা তারা অবশ্যই বের করতে পারে। তা সঠিক তথ্যের কাছাকাছি বা সঠিক তথ্য হতে পারে।”

বরাবরই বিএমআরও দাবি জানিয়ে এসেছে, তাদের এ জরিপ অনলাইন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কেবলমাত্র মাল্টিপ্লেক্স এর জন্যই প্রযোজ্য। শুধুমাত্র যমুনা ব্লকবাস্টার এর আওতাভুক্ত নয়।

Ads small one

নগরঘাটায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
নগরঘাটায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 0;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 46;

আল মামুন: সাতক্ষীরার তালার নগরঘাটায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধনী ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে মিঠাবাড়ি ৪ নং ওয়ার্ড। রবিবার (৩১ মে) বিকেলে মিঠাবাড়ি মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা ৬-০ গোলে চকারকান্দা ১ নং ওয়ার্ডকে পরাজিত করে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় আধিপত্য বিস্তার করে মিঠাবাড়ি ৪ নং ওয়ার্ড। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকা দলটি দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৩টি গোল করে বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। পুরো ম্যাচে চকারকান্দা ১ নং ওয়ার্ড তেমন কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি।

উদ্বোধনী ম্যাচে গোল উৎসব উপভোগ করতে মাঠে দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। প্রতিটি গোলের পর সমর্থকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। খেলা শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মাঝে উৎসবের আমেজ দেখা যায়।

মিঠাবাড়ি বহুমুখী সংঘের আয়োজনে এবং হাসিব অটো রাইস মিল, রাকিব অটো রাইস মিল ও রাকিব কোল্ডস্টোরেজের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন রাকিব অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী ও নগরঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব ইবাদুল ইসলাম।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মিঠাবাড়ি বহুমুখী সংঘের সভাপতি এস এম লিয়াকত আলী, সাবেক ওয়ার্ড সদস্য এস এম হায়দার আলী, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম মনি, আবাদেরহাট এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইকরাম আলী, পাটকেলঘাটা থানার এসআই মতিনসহ সঙ্গীয় ফোর্স, প্রভাষক আতাউর রহমান আতা, শিক্ষক আব্দুল মজিদ, ওয়ার্ড সদস্য ডা. আব্দুল গফুর, শিক্ষক মাহবুব মিলন, বিএনপি নেতা ইলিয়াস হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও মাদকমুক্ত রাখতে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ম্যাচগুলোতেও দর্শকদের উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করার আহ্বান জানান তারা।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পপতি আলহাজ্ব ইবাদুল ইসলাম বলেন, যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও উৎসাহিত করতে এই আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জানান, টুর্নামেন্ট শেষে চ্যাম্পিয়ন দলকে পুরস্কার হিসেবে একটি গরু প্রদান করা হবে। এছাড়া অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দলগুলোকেও পুরস্কার হিসেবে ছাগল দেওয়া হবে। এ ঘোষণা উপস্থিত খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।

মাছখোলায় জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ: অবিবাহিতদের জয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
মাছখোলায় জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ: অবিবাহিতদের জয়

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এক বর্ণাঢ্য ও আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘বিবাহিত একাদশ বনাম অবিবাহিত একাদশ’ প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট। রবিবার (৩১ মে) বিকেল ৫টার সময় টানটান উত্তেজনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই ম্যাচটি শুরু হয়।

 

ঈদের ছুটির আমেজে গ্রামের সকল স্তরের মানুষের মাঝে এ খেলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ম্যাচটি দেখতে দুপুরের পর থেকেই স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শকরা মাঠে জড়ো হতে থাকেন। খেলা শুরুর আগেই মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি দর্শকদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

খেলার প্রথমার্ধ থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে। মাঠের চারপাশ থেকে দর্শকদের তুমুল করতালি আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। একদিকে বিবাহিত একাদশের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের চতুর পাসিং, অন্যদিকে অবিবাহিত একাদশের তরুণদের গতিশীল ও দমকা আক্রমণ। সব মিলিয়ে ম্যাচটি রূপ নেয় এক দারুণ লড়াইয়ে।

নিয়মানুযায়ী ফুটবল ম্যাচে যে দল কম গোল হজম করে বা বেশি গোল দেয়, তারাই জয়ী হয়। ম্যাচটিতে অবিবাহিত একাদশ নিজেদের জালে মাত্র ১টি গোল খায়। অপরদিকে, বিবাহিত একাদশ রক্ষণভাগের দুর্বলতার কারণে ২টি গোল খেয়ে বসে। ফলে অবিবাহিত একাদশ ১-২ গোলের ব্যবধানে (১টি গোল কম খেয়ে) ম্যাচটিতে জয়লাভ করে।
খেলা শেষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও টুর্নামেন্ট কমিটির পক্ষ থেকে বিজয়ী এবং রানার্স-আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই ধরণের প্রীতি ম্যাচ গ্রামীণ জনপদে ঈদের আনন্দকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যুবসমাজকে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে এবং সমাজের সকল বয়সের মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরিতে মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

তালার হাজরাকাটি জামতলা মাঠে ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
তালার হাজরাকাটি জামতলা মাঠে ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের হাজরাকাটি জামতলা মাঠে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩১ মে) বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাঠজুড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ও উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাবেক তালা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাংবাদিক এস এম নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনতা ব্যাংক সাতক্ষীরা উপজেলা ক্যাম্পাস শাখার ব্যবস্থাপক মো. শাহিনুর রহমান, বিধানচন্দ্র রায়, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম মলঙ্গী, রবিউল ইসলাম।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক হাসেম সরদারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক জহর হাসান সাগর। সার্বিক আয়োজন করে ভেজাইল্ল পাবলিক ফেসবুক টিম ও স্থানীয় গ্রামবাসী।

ঐতিহ্যবাহী এ হাডুডু খেলায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই অনুষ্ঠিত হয়। রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচে হাজরাকাটি হাডুডু দল দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী আঠারোমাইল হাডুডু দল মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধানে পরাজিত হয়ে রানার-আপ হওয়ার কৃতিত্ব লাভ করে।

 

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার-আপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। এ সময় বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির যুগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা হারিয়ে যেতে বসেছে। নতুন প্রজন্মকে নিজেদের শেকড় ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।