সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

আ.লীগের জায়গা আছে, বিএনপি-জামায়াতের যাওয়ার জায়গা নেই: সংসদে ইজ্জত উল্লাহ এমপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
আ.লীগের জায়গা আছে, বিএনপি-জামায়াতের যাওয়ার জায়গা নেই: সংসদে ইজ্জত উল্লাহ এমপি

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা-১ আসনের জামায়াতের ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেছেন, জনগণ গণঅভ্যুত্থান করে আওয়ামী লীগকে দেশছাড়া করেছে। বিএনপি জামায়াতকে ভাবতে হবে? আমরা যদি সুশাসন দিতে না পারি, আমরা চান্দাবাজি, ধান্দাবাজি, টেন্ডারবাজি করে যদি দেশ চালাতে চাই, আমাদেরও পরিণতি কী হবে, এটা ভেবে দেখা দরকার। তাদের তো যাওয়ার জায়গা আছে, বিএনপি-জামায়াতের যাওয়ার কিন্তু জায়গা নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিন বুধবার (২৪ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, অর্থমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছেন। ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব পাব, এই টার্গেট ধরা হয়েছে। ঘাটতি বাজেট হল ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু আমরা এ কথা সবাই জানি, আমাদের রাজস্ব প্রাপ্তির যে টার্গেট ধরা হয়, সেটা আমরা অর্জন করতে পারি না। বিগত তিন বছর তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। সেই হিসেবে ধরলে আমাদের কাছে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট বললে অত্ত্যুক্তি হবে না।
মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে আমরা ৩ লাখ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছি। এই টাকা পেলে আমরা আগামী এক বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি সুন্দরভাবে করতে পারবো। এ জন্য ঘাটতি বাজেট করা হলো ৩ লাখ কোটি টাকার মতো। এখানে একটা বিষয় আমাদের জানা দরকার বোঝা দরকার যে, খরচের খাতে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সুদ দিতে হবে। কিন্তু ২০০৯ সালে যখন আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতা গ্রহণ করে তখন কিন্তু আভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক ঋণ ছিল মাত্র ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩০ কোটি কোটি টাকা। এখন সেই ঋণ বেড়ে ২০২৬ সালে এসে ৩০ ট্রিলিয়ন অর্থাৎ ৩০ লাখ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। আর এই ৩০ লাখ কোটি টাকার সুদ আমাদের এ বছর দিতে হবে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। এখন ৩ লাখ কোটি টাকা এ বছর আবার ঋণ আমরা নিতে চাচ্ছি। এভাবে যদি আরও কয়েক বছর যায়, তাহলে এক পর্যায়ে এসে সুদ দিতেই তো আমাদের হিমশিম খেতে হবে। আমরা দেশ চালাবো কীভাবে? ঋণের টাকাটা পাবো কোথায়? সে সল্যুশনটা দেওয়া হয়েছে যে, আমরা ১ লাখ ১২০ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নেব।
মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাস শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকে কিন্তু খেলাপি ঋণ ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। তো ব্যাংক আমাদের কীভাবে ঋণ দেবে? তখন দেখা যাবে যে, ব্যাংক যদি ঋণ না দিতে পারে তাহলে কিন্তু আমাদের টাকা ছাপানো ছাড়া আর পথ থাকবে না।
মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, আমার আগে একটু আগেই ব্যারিস্টার নাজিম মোমেন সাহেব তিনি কিন্তু আজকের পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বললেন যে, সরকার টাকা ছাপাচ্ছে। আমিও দুই তিন মাস আগেই এটা দেখছিলাম পত্রিকায়। নিজেই দেখছিলাম যে, সরকার টাকা ব্যাংক থেকে টাকা সরকার টাকা ছেপে এটা ব্যাংকে দিচ্ছে। এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে তো মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাবে। তাহলে দেশটা কীভাবে চলবে? ঋণ করে ঘি ভাত খাওয়ার মতন আমাদের অবস্থা। আমরা ঋণ করে তিন লাখ কোটি টাকা উন্নয়ন বাজেট করছি। তো আমাদের কী অবস্থা সৃষ্টি হবে একটা সময় গিয়ে? আওয়ামী লীগ তো ১৫ বছরের মাথায় এসে তারা ৩০ লাখ কোটিতে নিয়ে গেল। আমাদের তো ১৫ বছরের মাথায় গিয়ে ৬০ লাখ কোটি টাকা হয়ে যাবে। তখনআমাদের অবস্থাটা কী সৃষ্টি হবে, কীভাবে আমাদের দেশটা চলবে?
মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের জনগণ কিন্তু কারো ‘খাড়া’র মাছ না। এই জনগণ তারা গণঅভ্যুত্থান করে আওয়ামী লীগকে দেশ ছাড়া করেছে। বিএনপি জামাতকে ভাবতে হবে? আমরা যদি সুশাসন দিতে না পারি, আমরা চান্দাবাজি, ধান্দাবাজি, টেন্ডবাজি করে যদি দেশ চালাতে চাই, আমাদেরও পরিণতি কী হবে, এটা ভেবে দেখা দরকার। তাদের তো যাওয়ার জায়গা আছে, বিএনপি জামাতের যাওয়ার কিন্তু জায়গা নেই। এইজন্য আমি মনে করি যে, আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সরকারি দল, বিরোধী দল মিলেই একটা সরকার।
মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, আমাদের সরকারি বন্ধুরা অসহিষ্ণু হন, প্রায় প্রায় বলেন যে, বিরোধীদলীয় নেতারা এই কথা বলেন, ওই কথা বলেন। বাজেটের ওপরে আলোচনা চলছে, হবে, তারপর সবাই মিলে আমরা একটা বাজেট করব। সেই বাজেটটা সবাই মিলে এটা বাস্তবায়ন করব, এটাই তো হতে হবে। আমরা যা পেশ করাবে, তাই তার শুধু গুণগান গাব? তাহলে তো হলো না।
বিরোধী দল রাজনীতি তো সরকারের একটা পার্ট উল্লেখ করে মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেন, এই সরকারকে সুন্দরভাবে চলতে হবে। দেশের মানুষের চাহিদা মেটাতে হবে, সুশাসন দিতে হবে, দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে সেই সংগ্রাম আমাদের রাখতে হবে। দেশের মানুষ যেন খেয়ে-পরে বাঁচতে পারে, সে ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে।

Ads small one

যৌতুক মামলায় আশাশুনির সাবেক এসিল্যান্ড কারাগারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
যৌতুক মামলায় আশাশুনির সাবেক এসিল্যান্ড কারাগারে

 

সংবাদদাতা: ৫০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. নজরুল ইসলাম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিজয় কুমার জোয়ার্দার মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার ছোনগাছা গ্রামের পরিমল জোয়ার্দারের ছেলে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মাগুরা সদরের রক্কুরপাড়া গ্রামের গোপাল সরকারের মেয়ে মুক্তা সরকারের সঙ্গে বিজয় জোয়ার্দারের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে অন্য এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের জেরে মুক্তা সরকারকে বাপের বাড়ি থেকে ৫০ লাখ টাকা যৌতুক এনে দিতে বলা হয়। এতে অপরাগতা প্রকাশ করলে তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় গত ৪ মার্চ আশাশুনি থানায় বিজয় জোয়ার্দারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মুক্তা সরকার।
উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন শেষে সোমবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে উপস্থিত হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন আসামি। তবে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ এনে জামিন বাতিলের আবেদন জানান। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট শেখ আলমগীর আশরাফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বুধহাটায় ফারিয়ার বার্ষিক নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
বুধহাটায় ফারিয়ার বার্ষিক নির্বাচন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ফারিয়ার (ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধি সমিতি) বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার রাত নয়টায় বুধহাটা বাজারে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতির সাতক্ষীরা জেলা আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বুধহাটা কেমিস্টস সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মিজানুর রহমানকে সভাপতি, খায়রুল ইসলাম ও রাজন আলীকে সহসভাপতি, ময়েজউদ্দীন হামেদীকে সাধারণ সম্পাদক, জ্বলেমিন হোসেনকে যুগ্ম সম্পাদক, মোতাছিম বিল্লাহকে সাংগঠনিক সম্পাদক, মাযহারুল ইসলামকে কোষাধ্যক্ষ এবং মামুন খানকে ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শ্যামনগরে ‘বারসিক এনগেজ প্রকল্প’র ক্যাম্পেইন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শ্যামনগরে ‘বারসিক এনগেজ প্রকল্প’র ক্যাম্পেইন

শ্যামনগর প্রতিনিধি: বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২৬ উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উন্নয়ন সংগঠন বারসিক’র এনগেজ প্রকল্প’র উদ্যোগে পরিবেশ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১০টা থেকে দিনব্যাপী উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে উক্ত ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও নেটজ বাংলাদেশের অর্থায়নে দিনব্যাপী আয়োজিত ক্যাম্পেইন কর্মসুচির মধ্যে ছিল প্রদর্শনী, নাটক, র‌্যালী ও আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
ক্যাম্পেইনের শুরুতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত র‌্যালি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এছাড়া বারসিক এনগেজ প্রকল্পের সুশীল সমাজ সংগঠন ও শিক্ষার্থী ফোরামের উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জলবায়ু অভিযোজন এবং পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক বিভিন্ন তথ্যসমৃদ্ধ স্টল প্রদর্শন করা হয়। স্টলগুলো পরিদর্শন করে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থী ও সিএসও সদস্যদের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারসিক এনগেজ প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী কুমারেশ চন্দ্র। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এসএম দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, শ্যামনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সামিউল মনির, শ্যামনগর উপজেলার এনজিও সমন্বয়কারী গাজী আল ইমরান
বক্তারা পরিবেশ দূষণ রোধ, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বৃক্ষরোপণ বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশগত মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এসময় সুশীল সমাজ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী ফোরামের সদস্যবৃন্দ, বারসিক এনগেজ প্রকল্পের রোকসানা পারভীন, সুপর্ণা মিত্র, মাহুয়া পারভীন এবং বারসিকের সকল কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে সুশীল সমাজ সংগঠন ও শিক্ষার্থী ফোরামের উদ্যোগে জলবায়ু অভিযোজন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক একটি সচেতনতামূলক পথনাটক (থিয়েটার) পরিবেশিত হয়। নাটকটির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব চিত্র, পরিবেশ ধ্বংসের কারণ এবং অভিযোজনমূলক উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরা হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের ব্যাপকভাবে মুগ্ধ করে।
সবশেষে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং পরিবেশগত মানবাধিকার রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে উপস্থিত সকল অতিথি, অংশগ্রহণকারী ও প্রতিনিধিরা একটি স্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। ক্যাম্পেইন সঞ্চালনা করেন বারসিক এনগেজ প্রকল্পের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শরিফুল ইসলাম।