বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

আশাশুনিতে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার বুধহাটা বাহাদুরপুর ভূবন মোহন (বিবিএম) কলেজিয়েট স্কুলের হলরুমে আয়োজিত সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাসের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার দাস, বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই রেজাউল করিম, অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবু জাহিদ সোহাগসহ অন্যরা। বক্তারা শিক্ষার্থীদের এসব সামাজিক অপরাধের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

Ads small one

ইমরানের ‘বর্ষা চোখ’, কেন আলোচনায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
ইমরানের ‘বর্ষা চোখ’, কেন আলোচনায়

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের কণ্ঠে ‘বর্ষা চোখ’ গানটি আবারও আলোচনায় এসেছে। গানটি ইউটিউবে ৫ কোটি ভিউয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। প্রেম, আবেগ আর প্রিয় মানুষকে সব দুঃখ থেকে আগলে রাখার আকুতিতে তৈরি গানটি দীর্ঘদিন ধরেই শ্রোতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

২০১৫ সালে সংগীতা থেকে প্রকাশিত ইমরানের একক অ্যালবাম ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’র সাত নম্বর গান `বর্ষা চোখ’। গানটির কথা লিখেছেন গীতিকার তারেক আনন্দ। সুর, সংগীতায়োজন ও কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান নিজেই।

 

গানটিতে প্রিয় মানুষের চোখে অশ্রু বা বিষাদ দেখতে না চাওয়ার আকুলতা এবং তাকে সবসময় সুখে রাখার প্রতিশ্রুতি ফুটে উঠেছে। নতুন প্রজন্মের কাছেও গানটি বেশ জনপ্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে গানটির সঙ্গে জেন-জি প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের পারফরম্যান্সও চোখে পড়ছে।

গীতিকার তারেক আনন্দ জানান, একদম শেষ মুহূর্তে গানটি লেখার সুযোগ পান তিনি। দ্রুত লেখা শেষ করে ইমরানকে পাঠানোর পরদিনই তৈরি হয় গানটির ট্র্যাক। প্রথমবার শুনেই আবেগাপ্লুত হয়েছিলেন তিনি।

অন্যদিকে ইমরান বলেন, ‘রোমান্টিক কথার সঙ্গে মানানসই সহজ ও সুন্দর সুর করার চেষ্টা করেছিলেন। শ্রোতাদের ভালোবাসাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’

আদালতে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
আদালতে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমণি

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। এসময় তিনি বিরক্তিও প্রকাশ করেন।

এদিকে পরীমণির সঙ্গে আসা তার নিরাপত্তারক্ষীর ধাক্কায় আদালতে আসা এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে গেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসব ঘটনা ঘটে। পরীমণির আদালতে আসাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ছিল বুধবার। তবে পরীমণি আদালতে হাজির হননি। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত কারণে পরীমনি অসুস্থ। এই কারণে তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি।

তবে আসামিপক্ষের আবেদনে আপত্তি জানিয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন বাতিল করে পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

বৃহস্পতিবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরদিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালতে এসে পৌঁছান পরীমণি।

ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে গাড়িতেই বসে ছিলেম পরীমণি। তাকে ঘিরে ছিলেন তার নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। আশপাশ দিয়ে মানুষের চলাচল কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করেন তারা।

কালো পোশাক পরিহিত ১১ নিরাপত্তারক্ষীসহ সাধারণ পোশাকে আরও কয়েকজনকে তাকে ঘিরে রাখতে দেখা যায়।

এদিকে পরীমণি আত্মসমর্পণ করবেন জেনে অনেক সাংবাদিক আদালতপাড়ায় ভীড় জমান।

১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে এজলাসের উদ্দেশে বের হন পরীমণি। তার নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে ঘিরে এজলাসে নিয়ে যান। এসময় সাংবাদিকরা ছবি, ভিডিও করতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করেন তার নিরাপত্তারক্ষীরা।

লিফটে ওঠার সময় ভিডিও করতে গেলে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মোবাইল কেড়ে নেন পরীমণি। পরে রবিউল হোসাইন আবার টান মেরে মোবাইল ফিরিয়ে নেন।

ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাহফুজুর রহমানের আদালতে যান পরীমণি। পরে শুনানি শুরু হয়। আদালতের বেঞ্চে বসে থাকা পরীমণি আসামির কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি নিয়ে আদালত ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিনের আদেশ দেয়।

জামিন নিয়ে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় পরীমণিকে ঘিরে রাখেন তার নিরাপত্তারক্ষীরা। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে, ভিডিও করতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করেন পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীরা। তাদের ধাক্কায় আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা সুজন চন্দ্র মনি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফেটে যায়। সেখান থেকে রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায়।

এবিষয়ে সুজন চন্দ্র মনি দাসের ভাই বলেন, ‘আমরা আদালতে এসেছিলাম। এখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। নায়িকা পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীরা ধাক্কা দিয়ে আমার ভাইয়ের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।’

এদিকে নিচে এসে গাড়িতে ওঠার আগে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যান পরীমণি। এসময় সাংবাদিকদের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। পরে আদালতপ্রাঙ্গন ছাড়েন তিনি।

পরীমণির নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কায় অনেক সাংবাদিক হেনস্তা হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এমনভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে আদালতে আসা নিয়ে পরীমণি প্রতি অনেক আইনজীবী ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৬ জুলাই আদালতে মামলাটি করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন। আদালত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেয়।

২০২৩ সালের ১৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পরিদর্শক মনির হোসেন আদালতে পরীমণি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেন। তাদের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ওই বছরের ১৮ এপ্রিল আদালত দুই আসামিকে ২৫ জুন আদালতে হাজির হতে সমন জারি করে। ওই দিন আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তারা।

গত বছরের গত ২৬ জানুয়ারি পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার তৎকালীন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. জুনাইদ।

সেদিন পরীমণি আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে পরোয়ানা জারির পর দিনই আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।

এরপর ২৭ মার্চ এ মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রিভিশন দায়ের করেছিলেন এ চিত্রনায়িকা। গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার নবম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাজ্জাদুর রহমান খান খারিজ করে দিয়ে মামলা চলতে কোনও বাধা নেই মর্মে আদেশ দেন।

তুই আমার গায়ে হাত দিছোস কেন…সাংবাদিককে পরীমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
তুই আমার গায়ে হাত দিছোস কেন…সাংবাদিককে পরীমণি

মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা এক মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালত পাঁচ শত টাকায় মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন

পরীমণির পক্ষের আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে জামিন পাওয়ার পর আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিক ও উৎসুক জনতা ঘিরে ধরায় ভিড়ে মধ্যে যাওয়ার সময় উত্তেজিত হয়ে পড়েন পরীমণি। এ সময় এক সাংবাদিকের সঙ্গে সঙ্গে বাগবিতণ্ডায়ও জড়ান।

ওই সাংবাদিক পরীমণির সামনে দিয়ে ভিডিও করতে যাওয়ার সময় উত্তেজিত হয়ে নায়িকা বলেন, ‘তুই আমার গায়ে হাত দিছোস কেন … (গালি)।’

তখন ওই সাংবাদিক বলেন, ‘আমি আপনার গায়ে হাত দি নাই।’ তখন পরীমণি আবারও উত্তপ্ত বাক্যে বলেন, ‘এই তুই আমার গায়ে হাত দিয়েছিস কেন?’ এ ওই সাংবাদিক আবারও ‘দেননি’ বলেন। তখন পরীমণির সঙ্গে থাকা ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনি গায়ে হাত দিয়েছেন।’

গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে পরীমণি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তার পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে জামিন বাতিল এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

২০২২ সালের ৬ জুলাই ঢাকার আদালতে মামলাটি করেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ।