বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনির ১০৬ দুর্গাপূজা মন্দিরে ৬৩ টন ৬০০ কেজি চালের ডিও প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
আশাশুনির ১০৬ দুর্গাপূজা মন্দিরে ৬৩ টন ৬০০ কেজি চালের ডিও প্রদান

oplus_2

আশাশুনি প্রতিনিধি: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ১০৬টি পূজাম-পে সরকারি অনুদান হিসেবে ৬৩ টন ৬০০ কেজি চালের ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) প্রদান করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে বরাদ্দের ডিও তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্কে আপনাদের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা প্রচার করা হয়ে থাকে, যা সম্পূর্ণ অমূলক। পৃথিবীতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আমরা সবাই মানুষ এবং পরস্পরের ভাই। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন। দেশ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায়ও আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে তাঁর মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন মন্দির ও শ্মশানের উন্নয়নে ৫২ লাখ টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, নায়েবে আমির নুরুল আফছার মুর্তজা, পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি নীলকণ্ঠ সোম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এসকে হাসান, পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের সভাপতি তুষার কান্তি বোস এবং প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথি বিভিন্ন পূজাম-পের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে সরকারি বরাদ্দের চালের ডিও তুলে দেন। একই স্থানে ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অপর একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন। এ সময় আগের অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন অতিথির পাশাপাশি উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবু জাহিদ সোহাগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন দুটি পূজাম-পের কমিটির সভাপতির হাতে চালের ডিও তুলে দেন।

 

Ads small one

এক বছরে পাকিস্তানে ১৫ লাখ শিশু অনলাইন যৌন নিপীড়নের শিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
এক বছরে পাকিস্তানে ১৫ লাখ শিশু অনলাইন যৌন নিপীড়নের শিকার

মাত্র এক বছরের ব্যবধানে পাকিস্তানের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ১৫ লাখ শিশু প্রযুক্তির মাধ্যমে নানা ধরনের যৌন শোষণ ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। ইউনিসেফ, ইকপ্যাট ইন্টারন্যাশনাল ও ইন্টারপোলের যৌথ এক গবেষণায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সংঘাত এবং জলবায়ু সংকট শিশুদের নতুন ও বহুমুখী ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

ইউরোপজুড়ে সুপারমার্কেটগুলোতে সাইবার হামলা, ফ্রিজিং ব্যবস্থা অচলইউরোপজুড়ে সুপারমার্কেটগুলোতে সাইবার হামলা, ফ্রিজিং ব্যবস্থা অচল
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে সোমবার (১২ অক্টোবর) সাধারণ পরিষদে নিজের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করার সময় জাতিসংঘের শিশুদের প্রতি সহিংসতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি নাজাত মালা মজিদ এ তথ্য জানান। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সংঘাত ছাড়াও জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে প্রায় সাড়ে চার কোটি শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি নিপীড়নের নতুন পথও উন্মুক্ত হচ্ছে বলে সতর্ক করেন মজিদ। তিনি এআই-সমর্থিত যৌন শোষণ, সাইবার বুলিং, ডিপফেক এবং অপরাধমূলক কার্যক্রমে শিশুদের জড়িয়ে পড়ার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত ‘ডিসরাপ্টিং হার্ম ইন পাকিস্তান’ শীর্ষক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রতি ১৬ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী শিশুর মধ্যে অন্তত একজন গত এক বছরে কোনও না কোনও ধরনের প্রযুক্তি-ভিত্তিক যৌন শোষণ বা অপব্যবহারের শিকার হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় যৌন চিত্র বা কথোপকথন, অন্তরঙ্গ ছবির দাবি, সম্মতির বাইরে শিশুর ছবি শেয়ার এবং যৌন হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের মতো ঘটনাগুলোর শিকার হয়েছে শিশুরা।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অনলাইনে যৌন নিপীড়নের বেশিরভাগ ঘটনাই অপরিচিতদের দ্বারা ঘটে না। শিশুদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধী ছিল তাদের পূর্বপরিচিত কেউ। আর এসব ঘটনার ৪৪ শতাংশই ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ভয় ও সামাজিক কলঙ্কের কারণে শিশুরা প্রায়ই সাহায্য চাইতে দ্বিধাবোধ করে। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, প্রযুক্তিভিত্তিক যৌন নিপীড়নের শিকার অর্ধেকের বেশি শিশু বিষয়টি কাউকে জানায়নি। এমনকি জরিপে অংশ নেওয়া কোনও শিশুই হেল্পলাইন, সামাজিককর্মী বা পুলিশের মতো আনুষ্ঠানিক মাধ্যমে তাদের অভিজ্ঞতার কথা জানায়নি।

দারিদ্র্য, বাস্তুচ্যুতি এবং অপরিহার্য সেবার অভাব শিশু সুরক্ষার সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন নাজাত মালা মজিদ।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

সম্পাদকীয়/ এলপিজি গ্যাসের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ এলপিজি গ্যাসের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আধুনিক জনজীবনে রান্নার অপরিহার্য জ্বালানি। কিন্তু দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মতো খুলনার পাইকগাছায় এই জ্বালানির সিলিন্ডার কিনতে গিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের যে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বাজারে চাহিদামতো গ্যাস না থাকা এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করার যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অবিলম্বে দূর করা প্রয়োজন।

পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, চলতি মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি সিলিন্ডার এলপিজিতে চার শতাধিক টাকা পর্যন্ত বেশি আদায় করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও নতুন সিলিন্ডারসহ গ্যাস কিনতে সাধারণ মানুষকে তিন থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। নি¤œ ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর জন্য এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা অত্যন্ত কঠিন। সংসারের অন্যান্য নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে গ্যাসের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে।

সংকট সৃষ্টির পেছনে মূলত সরবরাহ ঘাটতির কথা বলছেন পরিবেশক ও ব্যবসায়ীরা। কোম্পানির পক্ষ থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সরবরাহ ঘাটতির সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লুফে নিচ্ছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। প্রশাসন ও ডিলারদের মধ্যে সভা বা নির্দেশনা জারির খবর মিললেও মাঠপর্যায়ে তার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না। কেবল নির্দেশ দিয়েই দায় সারলে চলবে না; বাজারে তার বাস্তবায়ন কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

এলপিজির বাজার স্থিতিশীল রাখতে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ জরুরি। প্রথমত, কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক করতে হবে এবং নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, পাইকগাছা সহ উপকূলীয় জনপদে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে কি না, তা তদারকি করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে। অসাধু সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট তৈরিকারকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

জ্বালানির মতো একটি জরুরি খাতের নৈরাজ্য কোনোভাবেই চলতে পারে না। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে স্থানীয় প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস প্রাপ্তি এবং এর নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত হয়।

সৌদি আরবের ১০০ ফ্লাইট বাতিল, আটকা পড়লেন ১৫৩৯৩ যাত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবের ১০০ ফ্লাইট বাতিল, আটকা পড়লেন ১৫৩৯৩ যাত্রী

হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক আক্রমণের ফলে সৌদি আরবে ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০০ ফ্লাইট বাতিলের তথ্য জানালো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বাতিল করা ফ্লাইটের যাত্রীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৩৯৩ জন।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক কাওছার মাহমুদ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ফ্লাইট বাতিলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি জানান, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ৪১ টি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৭। ইউএস-বাংলার ১০, সৌদিয়ার ৭ ও রিয়াদ এয়ারের ৭টি।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, বাতিল করা ট্রানজিট ফ্লাইটের সংখ্যা ৫৯টি। এর মধ্যে ইন্ডিগোর ২২, সালাম এয়ারের ৭, ইজিপ্ট এয়ারের ১, এমিরেটস এয়ারের ১৪, কাতার এয়ারওয়েজের ৭, ফ্লাই দুবাইয়ের ৬ ও এয়ার ইন্ডিয়ার ২টি ফ্লাইট রয়েছে।