মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

‘ই-হেলথ কার্ড’: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন আশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
‘ই-হেলথ কার্ড’: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন আশা

অনলাইন ডেস্ক: দেশের সাধারণ মানুষের জন্য আধুনিক ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ই-হেলথ কার্ড’ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলেই দ্রুত বাস্তবায়ন শুরু হবে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এক বড় পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে ‘ই-হেলথ কার্ড’। সরকারের পরিকল্পনায় থাকা এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসাসেবা হবে আরো সহজ, দ্রুত এবং তথ্যনির্ভর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল একটি কার্ড নয়—বরং একটি সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার সূচনা।

কী এই ‘ই-হেলথ কার্ড’:

‘ই-হেলথ কার্ড’ মূলত একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিচয়পত্র, যার মাধ্যমে একজন নাগরিকের চিকিৎসা-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে। রোগীর পূর্বের চিকিৎসা ইতিহাস, পরীক্ষার রিপোর্ট, প্রেসক্রিপশন—সবকিছুই থাকবে এই সিস্টেমে সংযুক্ত।

এর ফলে হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে গেলে আলাদা করে কাগজপত্র বহনের প্রয়োজন হবে না; কার্ডের মাধ্যমেই চিকিৎসক রোগীর সম্পূর্ণ তথ্য দেখতে পারবেন।

কীভাবে বদলে দেবে স্বাস্থ্যসেবা:

এই উদ্যোগ চালু হলে স্বাস্থ্যসেবায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে:

দ্রুত চিকিৎসা: জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীর তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে।
ভুল চিকিৎসা কমবে: পূর্বের ইতিহাস জানা থাকায় ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি কমবে।
সময় ও খরচ সাশ্রয়: অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও পুনরাবৃত্তি কমবে।
গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় উন্নতি: দূরবর্তী এলাকার রোগীর তথ্যও কেন্দ্রীয়ভাবে পাওয়া যাবে।
প্রাথমিকভাবে কোথায় শুরু হবে:

প্রাথমিকভাবে খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী জেলায় এই কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সফল হলে ধাপে ধাপে সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে।

প্রযুক্তিগত কাঠামো:

‘ই-হেলথ কার্ড’ একটি ইলেকট্রনিক রোগী ব্যবস্থাপনা সিস্টেমের (Electronic Health Record – EHR) সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো একই প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে পারবে।

চ্যালেঞ্জ কোথায়:

যদিও উদ্যোগটি যুগান্তকারী, তবে বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। যেমন-

ডাটা নিরাপত্তা: রোগীর ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা।
প্রযুক্তিগত সক্ষমতা: সব হাসপাতালে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা।
প্রশিক্ষণ: চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল ব্যবস্থায় দক্ষ করে তোলা।
সচেতনতা: সাধারণ মানুষকে কার্ড ব্যবহারে অভ্যস্ত করা।
স্বাস্থ্যনীতি বিশ্লেষকদের মতে, যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে এটি দেশের স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে একটি জাতীয় স্বাস্থ্য ডাটাবেজ তৈরি হবে, যা নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সামনে কী

প্রকল্পটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় এটি একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সুতরাং ‘ই-হেলথ কার্ড’ শুধু একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়; এটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিক, কার্যকর ও জনগণমুখী করার একটি বড় পদক্ষেপ। সফল বাস্তবায়ন হলে এটি দেশের কোটি মানুষের চিকিৎসা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে—যেখানে স্বাস্থ্যসেবা হবে আরও স্মার্ট, দ্রুত এবং সবার জন্য সহজলভ্য।

Ads small one

প্রধানমন্ত্রীর সাথে অ্যাডভোকেট ইফতেখার আলীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪২ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সাথে অ্যাডভোকেট ইফতেখার আলীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে রোববার রাতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী।

শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার কমিটি গঠন ও নির্বাচন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার কমিটি গঠন ও নির্বাচন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বচ্ছ, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরার সামাজিক সংগঠন ‘শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থা’-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ও নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি এবং সংস্থার সাধারণ সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে মো. সিহাব সিদ্দিকী সভাপতি, আজমিরা খাতুন সহ-সভাপতি এবং মো. রিপন হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন-কোষাধক্ষ পাপিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহীদ হোসেন এবং ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. হাফিজ।
নির্বাচনী সভায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস. এম. আজিজুর রহমান উপস্থিত থেকে নির্বাচন পরিচালনা ও সার্বিক কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সংস্থাসংশ্লিষ্ট মোট ৩০জন সদস্যের উপস্থিতিতে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।

ডিবি গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
ডিবি গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডিবি) গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) স্কুলের হলরুমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক প্রতিনিধি মো. হাফিজুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য রবীন্দ্র কর্মকার, সিনিয়র শিক্ষক মো. নজিবুল ইসলাম, গীতা রাণী সাহা, শামীমা আক্তার, অরুন কুমার মন্ডল, দেবব্রত ঘোষ, কনক কুমার ঘোষ, মৃনাল কুমার বিশ্বাস, ভানুবতী সরকার, খালেদা খাতুন, আসমাতারা জাহান, আজহারুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করে সিনিয়র শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলাম।