শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

ঈশ্বরীপুরে সবুজায়নের উদ্যোগ, বৃক্ষরোপণে এগিয়ে এলো হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
ঈশ্বরীপুরে সবুজায়নের উদ্যোগ, বৃক্ষরোপণে এগিয়ে এলো হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি

 

পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট ২০২৬) ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের শ্রীফলাকাঠি ও বংশীপুর এলাকায় সংগঠনটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় মসজিদ ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি-এর দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান, আশরাফ হোসেনসহ সংগঠনের একাধিক স্বেচ্ছাসেবী উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের অংশগ্রহণে বিভিন্ন স্থানে গাছের চারা রোপণ করা হয়।

কর্মসূচিতে “চলো করি বৃক্ষরোপণ, গড়ে তুলি সবুজ ভূবন” স্লোগানকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা ও পরিবেশ রক্ষায় এর ভূমিকা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন স্থানীয় মসজিদ-মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। বৃক্ষ মানুষের জন্য অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ, মাটির ক্ষয় রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণেও গুরুত্ব দিতে হবে।

তারা আরও বলেন, শুধু চারা রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়; রোপণ করা প্রতিটি চারার নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। একটি চারা বড় হয়ে বৃক্ষে পরিণত হলে সেটিই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই সংগঠনের তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করছেন। সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে এ ধরনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির।

সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা বলেন, আজকের একটি গাছ আগামী দিনের ছায়া, অক্সিজেন ও নিরাপদ পরিবেশের প্রতীক। তাই পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং সেই গাছের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

এলাকাবাসী ও অংশগ্রহণকারীরা হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রমে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সবুজায়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে শ্যামনগরকে আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Ads small one

হরমুজ মাইনমুক্ত ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, ট্রাম্পের দাবি ‘প্রণালি খোলা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
হরমুজ মাইনমুক্ত ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, ট্রাম্পের দাবি ‘প্রণালি খোলা’

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সেই চ্যানেলটি এখন উন্মুক্ত রয়েছে।

ইরানের সাম্প্রতিক প্রতিক্রিয়াকে ‘খুবই মৃদু’ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তারা চায় না আমরা তাদের ওপর আবার হামলা করি। পুরো বিষয়টাই এটাই। বাকি কিছু গুরুত্বপূর্ণ নয়।

এর আগে রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার এক ভিডিও বার্তায় জানান, হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নৌপথগুলো ইরানের সমুদ্র মাইন থেকে মুক্ত রয়েছে। তিনি এটিকে একটি ‘বড় মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অ্যাক্সিওস মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজের তুলনায় বর্তমানে প্রায় অর্ধেক সংখ্যক জাহাজ চলাচল করছে। প্রতি রাতে ২০ থেকে ৩০টি তেলবাহী জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করছে।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, গত এক মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোর প্রায় ২ শতাংশে ইরান হামলা চালিয়েছে। তবে ইরান এখনও জাহাজে হামলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে।

তবে রয়টার্সের প্রাথমিক জাহাজ চলাচলের তথ্য বলছে, গতকাল হরমুজ প্রণালি দিয়ে সাতটি পণ্যবাহী জাহাজ গেছে। এর আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ১৭টি। গত ১০ দিনের দৈনিক গড় ১৫টির তুলনায়ও গতকালের সংখ্যা কম।

রয়টার্স জানিয়েছে, এই পরিসংখ্যান পরিবর্তিত হতে পারে। কারণ, যাত্রাপথে কিছু জাহাজ তাদের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দেয়।

সূত্র: অ্যাক্সিওস

ভালোবাসার গল্পে জীবন রক্ষার বার্তা, এলো ‘মিতু জিতুর গল্প’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
ভালোবাসার গল্পে জীবন রক্ষার বার্তা, এলো ‘মিতু জিতুর গল্প’

ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রকাশিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী মিউজিক ভিডিও মিতু জিতুর গল্প। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বেলাল খান-এর কণ্ঠে গাওয়া এই গানটির কথা লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী চিকিৎসক কাজী সালেহীন। গানটির সুরসংগীত পরিচালনামিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টমিক্সিংমাস্টারিং এবং সার্বিক তত্ত্বাবধান করেছেন এস কে সমীর। গানটি প্রকাশিত হয়েছে ডক্টর কাজী প্লানেটের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল থেকে।

এটি শুধুমাত্র একটি রোমান্টিক গান নয়, বরং ভালোবাসার গল্পের মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধসময়মতো স্ক্রিনিং এবং জনসচেতনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।

গানটির ভিডিও পরিচালনা ও চিত্রগ্রহণ করেছেন মাহদী আল মুজাহিদ। অভিনয়ে রয়েছেন শেখ রাতুল রহমান ও অহি ইসলাম অথৈ। বিশেষ উপস্থিতিতে রয়েছেন রুনা হক। গানের গুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলোকে আরও আবেগঘন করে তুলতে বিশেষ অংশে ভয়েস ওভার দিয়েছেন হাসান মাহাদী

গানটির মূল গল্পে দেখানো হয়েছে, ভালোবাসায় পূর্ণ দুটি মানুষের জীবন কীভাবে হঠাৎ কোলন ক্যান্সারের কারণে বদলে যেতে পারে। একই সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা, সঠিক সময়ে ক্যান্সার স্ক্রিনিং করলে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যান্সার প্রতিরোধ বা প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা সম্ভব।

গানের উল্লেখযোগ্য বার্তাগুলোর মধ্যে রয়েছে—

আপনজনকে ধরে থাকতে হলে ক্যান্সার স্ক্রিনিং খুব জরুরি।

ভালোবাসাকে ধরে রাখতে হলে ক্যান্সার স্ক্রিনিং খুব জরুরি।

এছাড়াও গানটিতে সচেতনতামূলকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—

  • কোলন ক্যান্সার স্ক্রিনিং : ৪৫ বছর বয়স থেকে।
  • স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং : ৪০ বছর বয়স থেকে নারীদের জন্য।
  • প্রস্টেট ক্যান্সার স্ক্রিনিং : ৫০ বছর বয়স থেকে পুরুষদের জন্য।
  • সার্ভিক্যাল ক্যান্সার স্ক্রিনিং : ২১ বছর বয়স থেকে নারীদের জন্য।

পাশাপাশি স্ক্রিনিংয়ের আগে ও পরে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে।

কণ্ঠশিল্পী বেলাল খান বলেন

“গান মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনও আনতে পারে। ‘মিতু জিতুর গল্প’ এমনই একটি ব্যতিক্রমী কাজ, যেখানে গান ও সচেতনতার সুন্দর সমন্বয় হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই গানটি শুধু শ্রোতাদের ভালো লাগবে না, বরং অনেক মানুষকে ক্যান্সার স্ক্রিনিং সম্পর্কে সচেতন হতেও উদ্বুদ্ধ করবে। এমন একটি অর্থবহ কাজের সঙ্গে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।”

গীতিকার  প্রযোজক কাজী সালেহীন  বলেন

“আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিনই ক্যান্সারের কারণে অসংখ্য পরিবারের কষ্টের গল্প দেখি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ‘মিতু জিতুর গল্প’ লেখার অনুপ্রেরণা পাই। আমাদের উদ্দেশ্য মানুষকে ভয় দেখানো নয়, বরং জানানো যে সময়মতো স্ক্রিনিং করলে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যান্সার প্রতিরোধ বা প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা সম্ভব। যদি এই গানটি একজন মানুষকেও সময়মতো স্ক্রিনিং করাতে উদ্বুদ্ধ করতে পারে, তাহলেই আমাদের এই প্রচেষ্টা সফল হবে।”

ভিডিও পরিচালক মাহদী আল

ফকিরহাটে এলাকাবাসীর ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে এলাকাবাসীর ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভুয়া মামলা, ভূমিদস্যুতা এবং হয়রানির অভিযোগে টিকটকার নাজমা বেগম ও তার স্বামী মো. কুদ্দুসের বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝাড়ু মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ৩টায় উপজেলার নলধা মৌভোগ ইউনিয়নের কামটা গ্রামে ভুক্তভোগী ও সাধারণ এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

​মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত নাজমা বেগম ও তার স্বামী ‘মাতাল’ কুদ্দুস দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানাবিধ অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। নির্দোষ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপবাদ ছড়িয়ে তারা মানুষকে বিপদে ফেলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। পাশাপাশি জোরপূর্বক সাধারণ মানুষের জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে এই দম্পতির বিরুদ্ধে।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তফা শেখ বলেন, নাজমা বেগম ও কুদ্দুস এলাকার প্রায় সব মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিপদে ফেলার চেষ্টা করেন। তারা নিয়মিত অর্থ আত্মসাৎ ও মানুষের জমি দখল করে চলছেন। আমরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এর সঠিক বিচার দাবি করছি।

​ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তাঁর ও তাঁর স্বামীর নামে মাতাল কুদ্দুস এবং নাজমা বেগম একাধিকবার মিথ্যা মামলা দিয়ে মারাত্মক হয়রানি করেছে। বিভিন্ন মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে অর্থ আদায় করাই এখন তাদের মূল পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

​আরেক ভুক্তভোগী আওয়াল শেখ বলেন, নাজমা আমার নামেও একটি মিথ্যা মামলা দিয়েছিল। সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া এবং পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে তা আপস-মীমাংসা করাই এদের মূল কাজ। আমরা এলাকাবাসী একত্রিত হয়েছি যাতে এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

​নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক নারী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের জমি নাজমা বেগম ও মাতাল কুদ্দুস জোর করে দখল করে ভোগ করছে। আমরা আমাদের জমি ফেরত চাইতে গেলে তারা আমাদের ওপর উল্টো মিথ্যা মামলার ভয়ভীতি দেখায়। এমনকি নাজমা নিজের আপন ভাইয়ের নামেও একটি মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়েছে, যা এলাকার সবাই জানে। আমরা এই জুলুম থেকে নিস্তার চাই এবং এদের উপযুক্ত বিচার চাই।

​মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিবাদী ঝাড়ু মিছিল কামটা গ্রামের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। কর্মসূচি থেকে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার শত শত নারী-পুরুষ অংশ নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।