বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

একটি হুইল চেয়ারের জন্য বৃদ্ধা আফিয়ারা বেগমের আকুল আকুতি!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
একটি হুইল চেয়ারের জন্য বৃদ্ধা আফিয়ারা বেগমের আকুল আকুতি!

বি.এম. জুলফিকার রায়হান, তালা: নিভৃত পল্লীর পথে-প্রান্তরে কত ঘটনাই চোখে পড়ে, তেমনি একদিন একটি মুদি দোকানের সামনে দেখা মিলল শারীরিক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধা আফিয়ারা বেগমের। তিনি তালা উপজেলা তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামের মোঃ নাসির উদ্দীন মল্লিকের স্ত্রী। খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালা উপজেলার নওয়াপাড়া বাজারের একটি মুদি দোকানের সামনে লাঠির ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে ছিলেন ৭৪ বছর বয়সী আফিয়ারা বেগম। হুইল চেয়ার না থাকায় কোমরের উপর ভর করে অনেক কষ্টে চলাচল করেন তিনি। একটি হুইল চেয়ারের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে এই বৃদ্ধা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তালা উপজেলার নওয়াপাড়া বাজারে একটি ক্ষুদ্র মুদি দোকান পরিচালনা করে কোনমতে সংসার চালাচ্ছিলেন মোঃ নাসির উদ্দীন মল্লিক ও তার স্ত্রী আফিয়ারা বেগম। তিন সন্তান নিয়ে কোনরকম সংসার চলছিল তাদের। কয়েক মাস আগে ষ্ট্রোকে আক্রান্ত হয় আফিয়ারা বেগম। দোকানের ভিতরে থাকা একটি চৌকি খাটে রাত-দিন যাপন করেন তারা। বিগত কয়েক বছর ধরে তিনি মেরুদন্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারেন না। খাট থেকে নিচে নামতেই যন্ত্রণায় চিৎকার করেন তিনি। হুইল চেয়ার না থাকায় কোমরের উপর ভর করে অনেক কষ্টে চলাচল করেন তিনি।

চোখমুখে হতাশা নিয়ে বৃদ্ধা আফিয়ারা বেগম বলেন, আমার একটা হুইল চেয়ার দরকার। হুইল চেয়ার হলে কিছুটা স্বাভাবিক চলাচল করতে পারতাম।

প্রতিবেশী সহকারী অধ্যাপক এমএম মুজিবর রহমান বলেন, বৃদ্ধা আফিয়ারা বেগম ও তার স্বামী মোঃ নাসির উদ্দীন মল্লিক নওয়াপাড়া বাজারে একটি ক্ষুদ্র মুদি দোকান করে সংসার চালাতো। বর্তমানে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দোকানের মধ্যে শয্যাশায়ী রয়েছেন আফিয়ারা বেগম। তিনি মেরুদন্ড সোজা করে হাঁটাচলা করতে পারেন না। অর্থের অভাবে ওষুধ কিনতেও পারছে না। ওই বৃদ্ধার দিকে তাকালে খুব কষ্ট লাগে। বর্তমানে তার একটা হুইল চেয়ারসহ কিছু আর্থিক সাহায্যের দরকার।

আফিয়ারা বেগমের স্বামী মোঃ নাসির উদ্দীন মল্লিক বলেন, বাড়ি-ভিটা ছাড়া কোনো জমি নাই আমাদের। ছোট একটি দোকান করে সংসার চালাতাম। কিন্তু স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার ওষুধ কিনতেও পারছিনা, কিভাবে তাকে হুইল চেয়ার কিনে দিবো। এজন্য তিনি বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন। সেজন্য ০১৭৪৫-৬৪৩২৩০ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছেন।

এ বিষয়ে তালার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, উক্ত দম্পত্তি বয়স্ক ভাতা পান। বৃদ্ধা আফিয়ারা বেগম হুইল চেয়ারসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা যাতে পেতে পারে সে বিষয়ে খেয়াল করা হবে।

 

Ads small one

দেবহাটায় গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমম্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমম্বয় সভা অনুষ্ঠিত

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলায় গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) বেলা ২টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কনফারেন্স রুমে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা ।

গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী রেবেকা সুলতানা এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন, দেবহাটা উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ।
গ্রাম আদালতের গুরুত্ব ও বিচারিক সেবার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, গ্রামের ছোটখাটো বিরোধ গ্রাম আদালতে নিস্পত্তি করতে হবে।

 

গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ছোটখাটো ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে স্থানীয় বিরোধ স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তি করে প্রান্তিক সাধারণ মানুষের আইনী সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উচ্চ আদালতের মামলা জট কমাতে নিয়মিত গ্রাম আদালত পরিচালনা করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় তিনি, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত মামলা গ্রহণ, আইন ও বিধি অনুযায়ী গ্রাম আদালত পরিচালনা, উচ্চ আদালতের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং প্রতিবেদন দাখিল, মামলা নিস্পত্তি, এজলাস ব্যবহার এবং মামলার নথি, রেজিস্টার সংরক্ষণ করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসাথে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইউপি সদস্যসহ সবাইকে গুরুত্ব সহকারে কাজ করার জন্য বলেন।

ত্রৈমাসিক সভায় উপজেলা সমন্বয়কারী রেবেকা সুলতানা দেবহাটা উপজেলার ইউনিয়ন ভিত্তিক গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন এবং কার্যক্রম বাস্তবায়নে উপজেলার সকল ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের বার্ষিক বাজেটে গ্রাম আদালত পরিচালনায় ব্যায়ের জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

ত্রৈমাসিক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এস কে সাদেক হোসেন।

বাড়ি বিক্রি করে ছেলেকে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন কলারোয়ার ভ্যান চালক সুরঞ্জন দাস, কে জানতো শুভকে লাশ হয়ে ফরিতে হবে!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
বাড়ি বিক্রি করে ছেলেকে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন কলারোয়ার ভ্যান চালক সুরঞ্জন দাস, কে জানতো শুভকে লাশ হয়ে ফরিতে হবে!

 

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার শ্রীপতিপুর গ্রামের সুরঞ্জন দাস ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিন ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে তার অভাবের সংসার। বড় ছেলে শান্তি দাস বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস করে। মেঝ ছেলে শুভ দাস কয়লা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে ট্রলি চালাতো। একমাত্র মেয়ে সাধনা দাস কলারোয়া সরকারি বাালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীতে পড়াশুনা করে।

 

ছোট ছেলে সুদীপ দাস পড়ে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্ত্রী শিখা দাস একজন গৃহিনী। তাই সংসারের বিরাট খরচ বহন করতে না পেরে মেঝ ছেলে শুভকে তিন বছর আগে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন। সেখানে শুভ মাইফাদুন এলাকায় একটি বাড়ি দেখাশুনা ও বাড়ি সংলগ্ন বাগানে কাজ করতো।

শেষ সম্বল মাত্র এক শতক জমির উপর শেষ আশ্রয়স্থলটি বিক্রি করে আরো চার লাখ টাকা সমিতি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে শুভকে লেবাননে পাঠান সুরঞ্জন দাস। বাড়ি বিক্রির পর একই গ্রামে এক হাজার টাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করেন সুরঞ্জন দাস (৫৫)। প্রতি মাসে শুভ’র পাঠানো ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে ঋণ শোধের পাশাপাশি ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা ও সংসার খরচ চালানো হতো। শেষের দুই মাস টাকা পাঠায়নি শুভ। গত সোমবার রাতে লেবাননের মাইফাদুন এলাকায় সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে চলাচলের সময় ইজরাইলি ড্রোন হামলায় শুভ মারা যায়। একই সময়ে বাংলাদেশের আরো দুইজন মারা যায়।

বুধবার সকালে শ্রীপতিপুর গ্রামে গেলে দেখা গেছে শুভ’র বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের সদস্যরা লাশ ফিরে পাওয়ার জন্য প্রহর গুনছেন। সাধনা দাস জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে মুঠোফোনে তার দাদার মৃত্যুর খবর পান তারা। রবিবার রাতে তাদের সঙ্গে দাদার শেষ কথা হয়। দুই মাস টাকা পাঠাতে না পারার জন্য কষ্ট পাচ্ছিল সে। আয়ক্ষম দাদার অকাল মৃত্যুতে তাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। হয়তো তার ও ছোট ভাইয়ের আর পড়াশুনা করা সম্ভব হবে না। এ ছাড়া বাবা বকেয়া ঋণের টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা বেড়ে গেছে।

শিখা রানী দাস জানান, সংসারের হাল ফেরাতে যেয়ে বিয়ে না করেই লেবাননে যায় শুভ। ভেবেছিলেন আরো কিছু দিন লেবাননে থাকার পর দেশে নিয়ে এসে শুভকে বিয়ে দেবেন। ভগবান বুঝি তাদের সুখ সহ্য করতে পারলেন না। তাই এভাবেই কেড়ে নিলেন তার ছেলে শুভকে। তার ছেলের লাশ যাতে দ্রুত ফিরে পান সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবেন।

শুভ’র বাবা সুরঞ্জন দাস বলেন, ঈশ^র যেন তাকে ছেলের শোক সহ্য করার ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেন। নইলে অন্যের বাড়িতে ভাড়া থেকে সংসার চালাবেন কিভাবে?

শ্রীপতিপুর গ্রামের সুমন দাস বলেন, শুভ খুব ভাল চেলে ছিলো। কারো সাথে বিরোধ করতো না। ঈশ^র যেন তাকে স্বর্গবাসি করে।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, শুভ’র পরিবার যাতে দ্রুত লাশ ফিরে পেতে পারে সেজন্য তারা সার্বিক চেষ্টা চালাবেন। একইসাথে সরকারি সব ধরণের সহায়তা পাওয়ার জন্য তারা উদ্যোগ নেবেন।
প্রসঙ্গত, এ নিয়ে রবিবার ও সোমবার লেবাননে কর্মরত সাতক্ষীরা জেলার তিনজন রেমিটেন্স যোদ্ধার ইজরাইলি ড্রোন হামলায় মৃত্যু হলো।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল জানান, শুভসহ তিনজনের লাশ লেবানন থেকে ফেরানোর জন্য চেষ্টা চলছে।

 

তালায় সাস’র সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচির উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
তালায় সাস’র সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচির উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

তালা সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার তালায় সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (সাস)-এর চলমান কার্যক্রম অবহিতকরণ ও সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচির উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১২টায় সাস’র নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা “সাস”-এর পরিচালক শেখ ইমান আলী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাবিবুর রহমান।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। তিনি বলেন, এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাতক্ষীরা জেলাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ জেলায় পরিণত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সাস’র চলমান কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম (মুকুল), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মামুন হাসান এবং তালা থানার এসআই মো. হেমায়েত উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহামুদুল হক, জেলা সহ-সেক্রেটারি গাজী সুজায়েত আলী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আফতাব উদ্দিন, সাবেক অধ্যক্ষ আ. রহমান, অধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম সেলিম, সাস’র সহকারী পরিচালক সাধন কুমার দাশ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক, অধ্যাপক হাফেজ আজিজুর রহমান, সেতু (এনজিও)-এর পরিচালক এসএম আবুল হোসেন, অধ্যাপক আবু হাসান, তালা সদর প্যানেল চেয়ারম্যান আ. রাজ্জাক, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এসএম মতাহিরুল হক শাহিনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবং সাস’র প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

সভায় সাস’র চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি ও সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সাস’র ভূমিকার প্রশংসা করেন।
এর আগে সকালে তালা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ।

তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সৌরভ দেবনাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহমুদুল হক।

এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আফতাব উদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. ইদ্রিস আলী, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পিয়াজু কান্তি পাল, আজমিরা পারভীনসহ অন্যান্য কৃষি কর্মকর্তারা।