বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

এফডিসিতে কোরবানি নিয়ে যা বললেন পরীমনি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
এফডিসিতে কোরবানি নিয়ে যা বললেন পরীমনি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি দীর্ঘদিন ধরেই এফডিসির অসচ্ছল সহশিল্পীদের জন্য কোরবানির আয়োজন করে আসছিলেন। তবে গত কয়েক বছর ধরে সেই আয়োজন থেকে দূরে রয়েছেন তিনি। এবারও এফডিসিতে কোরবানি দিচ্ছেন না এই অভিনেত্রী।
তবে নিজের অনুপস্থিতিতেও এফডিসির সহশিল্পীদের ঈদ আনন্দমুখর হোক এমন প্রত্যাশার কথাই জানিয়েছেন পরীমনি।

তিনি বলেন, আমি চাই এফডিসিতেও কোরবানিটা হোক। ২০১৬ সাল থেকে সবসময় কোরবানিটা এফডিসির সঙ্গে করেছি। এবার নিয়ে হয়তো চার বছর হয়ে গেল আমি এফডিসিতে কোরবানি দিচ্ছি না। এর নানা কারণ আছে, সেগুলো এখন পরিষ্কার। তবে আমি চাই আমার সহশিল্পীরা, যাদের অনেকেই দরিদ্র হিসেবে পরিচিত, তারাও যেন উৎসবমুখরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারেন। আমি থাকি আর না থাকি, তাদের আনন্দটা যেন থাকে।

দীর্ঘদিন পর এবার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবেন এই অভিনেত্রী। এ সিদ্ধান্তের পেছনে প্রয়াত নানার ইচ্ছার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

পরীমনি বলেন, আমার নানু ভাই সবসময় চাইতেন আমি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদ করি। নিজের হাতে কোরবানির মাংস সবাইকে বিলিয়ে দিই। প্রায় আট-নয় বছর শুধু এফডিসির জন্য বাড়িতে যাওয়া হয়নি।

তিনি আরও জানান, পরে মনে হয়েছে এফডিসির দায়িত্ব অন্য কেউ সামলাচ্ছেন বলেই তিনি দায়িত্বটি হস্তান্তর করতে পেরেছেন। এরপর থেকেই আবার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ঈদ পালন শুরু করেন।

সবশেষে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছার কথাও জানান এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, আমি জানি না কতটুকু কীভাবে করতে পারছি, তবে চেষ্টা করছি ঈদটাকে উৎসবমুখর করতে। ঈদ আনন্দ আর খুশির বার্তা নিয়ে আসে। আমি চাই সবার মুখে হাসি থাকুক, সবার অন্তরে আনন্দ থাকুক। আর কিছু চাওয়া নেই।

Ads small one

দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলার সুশীলগাতী এলাকায় সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শেখ এমরানুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলফেরদাউস আলফা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, চিকিৎসক ডা. আরিফ হোসাইন এবং সমাজসেবক চিকিৎসক রবিউল ইসলাম।

এ সময় সংগঠনের সেক্রেটারি ফয়সাল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের, সাংস্কৃতিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ডা. আরিফ হোসাইনের নেতৃত্বে চিকিৎসক দল এলাকার অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধও বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
সবশেষে সংগঠনের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করতে উপস্থিতদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

এ সময় অতিথিরা ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের এমন মানবিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমাজসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংগঠনটির পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তারা।

মামলার হুমকি এলো এমবাপ্পের বিরুদ্ধে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
মামলার হুমকি এলো এমবাপ্পের বিরুদ্ধে

চলমান বিশ্বকাপ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে কিলিয়ান এমবাপ্পের। যখন কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ঠিক তখন মামলার হুমকিও পাচ্ছেন। তারকা এই স্ট্রাইকারের ওপর চরম ক্ষুব্ধ প্যারাগুয়ের সেনেটর সেলেস্তে আমারিয়া। এমনকি এমবাপ্পের বিরুদ্ধে মামলার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে এমবাপ্পেকে তার মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এমবাপ্পের বিরুদ্ধে লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা ও নারীর প্রতি রাজনৈতিক সহিংসতার অভিযোগে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন আমারিয়া। কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ‘উপনিবেশ ক্যামেরুনের একজন’ ও ‘বর্বর’ বলে বর্ণবাদী আক্রমণ করেছিলেন প্যারাগুয়ের সেনেটর সেলেস্তে আমারিয়া।

এরপর তাকে তীব্র ভাষায় পাল্টা জবাব দেন ফরাসি ফুটবল অধিনায়ক এমবাপ্পে। আমারিয়াকে ‘ঘৃণ্য নারী’ উল্লেখ করে, এমবাপ্পে বলেন, ওই পদে থাকার অযোগ্য তিনি। এরপরই চরম ক্ষুব্ধ হয়ে এমবাপ্পের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দিলেন আমারিয়া।

এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে আমারিয়া লেখেন, আমাকে ঘৃণ্য এবং অযোগ্য নারী বলার আপনি কে, যখন আপনি আমাকে এমনকি ঠিকমতো জানেনও না?

এটি নির্জলা এবং সোজাসাপ্টা লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা! একজন নারীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সহিংসতা। এমন একজন নারী যিনি জনগণের ভোটে এই পদমর্যাদায় আছে।

আপনি আমাকে অবজ্ঞা করেছেন বিশেষ করে আমার লিঙ্গের কারণে। আপনি আমাকে তুচ্ছজ্ঞান করেছেন বিশেষত আমি একজন নারী বলে। আপনার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিন। আপনার ফরাসি নাগরিকত্বকে সম্মান করুন এবং ক্ষমা চান। নাহলে আমি লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতার জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে পারি।

এক্সে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে আমারিয়া এও লেখেন যে, তার বিরোধ এমবাপ্পের সঙ্গে, ফ্রান্সের সঙ্গে নয়। তিনি জানান, এমবাপ্পে হয়তো জানেন না তিনি কে। তিনি শৈশব থেকে ফরাসি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন এবং ফ্রান্সের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ফুটবল বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে খেলার আগে ও খেলা চলাকালে এমবাপ্পে উদ্ধত আচরণ করেছেন এবং প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়দের অবজ্ঞা করেছেন।

তা ছাড়া ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষককেও এমবাপ্পে সম্মান দেখাননি বলেও অভিযোগ করেন আমারিয়া। তার ভাষ্য, প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান দেখানো খেলার অন্যতম মৌলিক মূল্যবোধ। তবে আমারিয়া স্বীকার করেছেন যে, আবেগের বশে দেওয়া আগের পোস্টটি তিনি পরে মুছে ফেলেছেন। তিনি বলেন, নিজের ভাষা নিয়ে অনুতপ্ত হওয়ায় সেটি সরিয়ে দেন।

এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। যদিওবা বর্তমানে ৮ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বোচ্চ ১৩ গোলের রেকর্ডটি রয়েছে ফরাসি কিংবদন্তি জ্যাঁ ফন্তেইনের দখলে। সেই রেকর্ড ছুঁতে হলে মেসিকে আরও ৫টি গোল করতে হবে।

চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৫ শতাংশ: এডিবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৫ শতাংশ: এডিবি

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে। সেই সঙ্গে এসময়ে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮.৮ শতাংশের মতো উচ্চ পর্যায়ে থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক তাদের সাম্প্রতিক ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (জুলাই ২০২৬)’ প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস দিয়েছে।
প্রতিবেদনে এডিবি বলেছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল রপ্তানি, বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা, জ্বালানি সংকট এবং প্রতিকূল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবেশের কারণে গেলো অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। তবে চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমা, ব্যবসা পরিচালনার নিয়মকানুন সহজ করা, সুশাসনের উন্নতি, কর প্রশাসনে সংস্কার এবং প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এডিবি সতর্ক করে বলেছে, প্রবৃদ্ধির গতি খুব দ্রুত বাড়বে না। কারণ ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, জ্বালানি সরবরাহের সীমাবদ্ধতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ঘাটতি এখনও বড় বাধা হয়ে রয়েছে।

হালনাগাদ প্রতিবেদনে এডিবি আগামী অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪.৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখলেও মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। এপ্রিলে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের মূল্যস্ফীতি ৮.৫ শতাংশ হবে বলে ধারণা করা হলেও, সর্বশেষ প্রতিবেদনে তা বাড়িয়ে ৮.৮ শতাংশ করা হয়েছে।

এডিবির মতে, জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাব, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, বিনিময় হারজনিত চাপ এবং খাদ্য ও সেবা খাতে মূল্যস্ফীতি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার তুলনায় ধীরে কমবে।

এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আকিরা মাতসুবাগা বলেন, কঠিন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির মধ্যেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সেবা খাতের স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, আর্থিক খাতের সুশাসন এবং জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে সংস্কার জরুরি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও তীব্র হলে জ্বালানির দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যেতে পারে, যা মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক লেনদেনের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করবে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন শুল্ক বা বিধিনিষেধ, প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোর অর্থনৈতিক ধীরগতি, বৈদেশিক অর্থায়নের কঠোর পরিবেশ এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকিও বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকতে পারে।