সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

কপিলমুনিতে ইয়াবাসহ কিশোর আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে ইয়াবাসহ কিশোর আটক

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনিতে ৯ পিস ইয়াবাসহ লিটন মীর (১৬) নামে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ নাছিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। লিটন মীর রেজাকপুর গ্রামের হাসান মীরের ছেলে। পরে তাকে পাইকগাছা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

Ads small one

হোয়াটসঅ্যাপের ডিলিট মেসেজ ফিরিয়ে আনুন সহজেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
হোয়াটসঅ্যাপের ডিলিট মেসেজ ফিরিয়ে আনুন সহজেই

হোয়াটসঅ্যাপে গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ বা পুরো চ্যাট ভুলবসত ডিলিট করে ফেললে অনেকেই মনে করেন, সেগুলো আর ফিরে পাওয়ার উপায় নেই। তবে কিছু ক্ষেত্রে মুছে যাওয়া চ্যাট পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। চ্যাটটি শুধু আর্কাইভ করা থাকলে সহজেই ফিরিয়ে আনা যায়। আর স্থায়ীভাবে ডিলিট হয়ে গেলে প্রয়োজন হয় আগে থেকে তৈরি করা ব্যাকআপের। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যাকআপ ব্যবহার করে মুছে যাওয়া মেসেজ ফিরিয়ে আনার পদ্ধতিতে রয়েছে কিছুটা ভিন্নতা।

আর্কাইভ করা চ্যাট ফিরিয়ে আনবেন যেভাবে

অনেক সময় চ্যাট মুছে গেছে বলে মনে হলেও সেটি আসলে ভুলক্রমে আর্কাইভড হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে নতুন করে ব্যাকআপ ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন নেই। অ্যান্ড্রয়েডে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে চ্যাট তালিকার ওপরের দিকে আর্কাইভড অপশনে প্রবেশ করুন। যে চ্যাটটি ফেরত আনতে চান, সেটির ওপর কিছুক্ষণ ট্যাপ করে নির্বাচন করুন। এরপর ওপরের দিকে থাকা আনআর্কাইভ আইকনে চাপ দিলে চ্যাটটি মূল তালিকায় ফিরে আসবে।

আইফোনে হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট তালিকায় গিয়ে নিচের দিকে সোয়াইপ করে আর্কাইভড চ্যাটস খুঁজে নিন। এরপর সংশ্লিষ্ট চ্যাটের ওপর বাঁ দিকে সোয়াইপ করে আনআর্কাই নির্বাচন করুন।

অ্যান্ড্রয়েডে ফিরিয়ে আনবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপের ব্যাকআপ গুগল ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকলে সেটি ব্যবহার করে চ্যাট পুনরুদ্ধার করা যায়। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে সেটিংস> চ্যাটস> চ্যাট ব্যাকআপ অপশনে গিয়ে সর্বশেষ ব্যাকআপের তারিখ ও সময় দেখে নিন। এরপর একই ফোন নম্বর ও গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ পুনরায় ইনস্টল করুন। নম্বর যাচাইয়ের পর ব্যাকআপ থেকে চ্যাট ফিরিয়ে আনার অপশন এলে রিস্টোর নির্বাচন করুন।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অভ্যন্তরীণ স্টোরেজেও ব্যাকআপ থাকতে পারে। ফোনের ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে অ্যান্ড্রয়েড> মিডিয়া> সিওএম, হোয়াটসঅ্যাপ> হোয়াটসঅ্যাপ> ডেটাবেসেস ফোল্ডারে এসব ফাইল পাওয়া যাবে। তবে পুরোনো ব্যাকআপ থেকে মেসেজ পুনরুদ্ধার করতে হলে ফাইলের নাম পরিবর্তনসহ কয়েকটি অতিরিক্ত ধাপ অনুসরণ করতে হয়।

আইফোনে চ্যাট পুনরুদ্ধার

আইফোনে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস> চ্যাটস> চ্যাট ব্যাকাপ অপশনে গিয়ে আইক্লাউডে ব্যাকআপ রয়েছে কি না এবং সেটি কখন তৈরি হয়েছে, তা পরীক্ষা করুন। ব্যাকআপ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ মুছে পুনরায় ইনস্টল করে ফোন নম্বর যাচাই করুন। এরপর রিস্টোর চ্যাট হিস্ট্রি অপশন এলে সেটি নির্বাচন করে চ্যাট ফিরিয়ে আনুন। এ পদ্ধতিতে আগে থেকে আইক্লাউড ব্যাকআপ তৈরি করা থাকতে হবে।

তবে মনে রাখতে হবে, ব্যাকআপ তৈরির পর আসা মেসেজ সেই ব্যাকআপে থাকবে না। তাই পুনরুদ্ধারের আগে ব্যাকআপের তারিখ যাচাই করা জরুরি। আগে থেকে কোনও ব্যাকআপ না থাকলে ডিলিট হওয়া মেসেজ ফেরত পাওয়ার সুযোগ সীমিত। ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন হারানো এড়াতে নিয়মিত চ্যাট ব্যাকআপ রাখা ভালো।

রাউটারে ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ড ব্যবহারে ধীরগতির হতে পারে ইন্টারনেটের স্পিড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
রাউটারে ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ড ব্যবহারে ধীরগতির হতে পারে ইন্টারনেটের স্পিড

উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ থাকার পরও অনেক সময় ফোন বা ল্যাপটপে কাঙ্ক্ষিত স্পিড পাওয়া যায় না। যুক্তরাষ্ট্রে গত কয়েক দশকে ইন্টারনেটের গড় গতি বাড়লেও ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ডের ব্যবহারের কারণে ডিভাইসে ভিডিও বাফারিং বা ফাইল ডাউনলোডে ধীরগতি দেখা দিতে পারে। সংকেত বা ওয়াই-ফাই সিগন্যাল শক্তিশালী দেখালেও এই সমস্যা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার মূল কারণ হতে পারে রাউটারের ‘ব্যান্ড স্টিয়ারিং’ ফিচারটি। বর্তমানে বেশিরভাগ রাউটারে ২.৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড থাকে এবং নতুন মডেলগুলোতে ৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ডও রয়েছে। ব্যান্ড স্টিয়ারিংয়ের কাজ হলো একাধিক ব্যান্ডকে একই ওয়াই-ফাই নামে যুক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি পছন্দ করা। তবে এটি প্রায়ই সঠিকভাবে কাজ করে না। ফলে ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও ডিভাইসটি ধীরগতির ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে থাকে।

২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডটি দেয়াল বা অন্যান্য বাধা ভেদ করতে পারদর্শী হলেও এর গতি কম এবং অন্যান্য ডিভাইসের কারণে সিগন্যালে ব্যাঘাত ঘটে। অন্যদিকে, ৫ গিগাহার্টজ বা ৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ড অনেক বেশি গতি দিতে সক্ষম হলেও এর কাভারেজ এলাকা বা রেঞ্জ তুলনামূলক কম।

ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে রাউটারের অ্যাডমিন পেজ গিয়ে ‘ব্যান্ড স্টিয়ারিং’, ‘অটো-ব্যান্ড সিলেকশন’ বা ‘স্মার্ট কানেক্ট’ ফিচারটি বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে ২.৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজের জন্য আলাদা দুটি নাম তৈরি হবে। ফলে ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী স্মার্টফোনে দ্রুতগতির ৫ গিগাহার্টজ এবং স্মার্ট হোম ডিভাইসের জন্য ২.৪ গিগাহার্টজ বেছে নিতে পারবেন।

মাল্টি-লিংক অপারেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে একই সঙ্গে একাধিক ব্যান্ড ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও এর জন্য রাউটার ও ডিভাইস উভয়টিতেই এই প্রযুক্তি সাপোর্টেড থাকতে হয়। এছাড়া পাশের অন্যান্য ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে একই চ্যানেলে সংঘাত এড়াতে ‘ওয়াই-ফাই অ্যানালাইজার’ অ্যাপের মাধ্যমে কম ভিড় থাকা চ্যানেল (যেমন ২.৪ গিগাহার্টজের ক্ষেত্রে ১, ৬ বা ১১ নম্বর চ্যানেল) ম্যানুয়ালি নির্বাচন করেও ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব।

২৩ বছর পর ঘরের মাঠে সাফে ট্রফি জিততে চান তপু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
২৩ বছর পর ঘরের মাঠে সাফে ট্রফি জিততে চান তপু

ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, সামনে শিরোপা জয়ের হাতছানি। দীর্ঘ ২৩ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলকে আবারও দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে দেখতে চান তপু বর্মন। চোটের কারণে ফিফা আসিয়ান কাপে খেলতে না পারলেও এখন পুরোপুরি সুস্থ এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার। জাতীয় দলের রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি সতীর্থদের নিয়ে ঘরের মাঠে ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

সোমবার জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের অনুশীলনের ফাকে সাংবাদিকদের তপু জানান, চোটের কারণে আসিয়ান কাপের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি তার। তবে এখন সুস্থ হয়ে সাফের প্রস্তুতিতে ফিরেছেন তিনি।

তপু বলেছেন, ‘ইনজুরির কারণে আমাদের শেষ যে ট্যুরটা ছিল আসিয়ান কাপ, সেখানে যেতে পারিনি। শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলাম। এখন সবকিছু মিলিয়ে খুবই ভালো আছি, সুস্থ আছি।’

আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। আট বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে ফিরছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের এই প্রতিযোগিতা। নিজেদের দর্শকদের সামনে খেলার সুযোগকে বিশেষ মনে করছেন তপু। তবে শুধু অংশগ্রহণ নয়, লড়াই করে শিরোপা জেতাই তার লক্ষ্য।

তিনি বলেছেন, ‘সাফ আমাদের জন্য অনেক স্পেশাল এবং আমাদের ঘরের মাঠে খেলা। আট বছর পরে আবার আমরা আমাদের মাটিতে খেলছি। এটা ডেফিনেটলি আমাদের জন্য স্পেশাল মোমেন্ট। আমাদের ফাইট করতে হবে। ফাইট করে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য, ট্রফি জেতা- ২৩ বছর পরে আমরা সেটা করতে চাই, পুনরায় আমাদের মাটিতেই। সেভাবেই আমাদের প্রস্তুত হতে হবে এবং প্রস্তুত থাকতে হবে।’

নতুনদের নিয়ে আশাবাদী তপু

জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে এবার যুক্ত হচ্ছেন বেশ কয়েকজন নতুন মুখ। অনূর্ধ্ব-২০ দল থেকে উঠে আসা মাহি খানও প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। নতুনদের আগমনকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন তপু।

তার ভাষায়, ‘মাহি খান একদম নতুন। আমাদের সঙ্গে জাতীয় দলে প্রথম সে যোগ দিয়েছে। সে অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলেছে। দুজন খেলোয়াড় মূল জাতীয় দলে আসছে, দুজনই নম্বর নাইন। এটা আমাদের দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ পজিশন। খুবই এক্সাইটিং।’

রক্ষণ মজবুত করাই বড় চ্যালেঞ্জ

সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশের রক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রথম ম্যাচে তিন গোল এবং শেষ ম্যাচে নয় গোল হজম করেছে দল। এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্স কাটিয়ে উঠতে শুধু ডিফেন্ডার কিংবা গোলকিপার নয়, পুরো দলকে রক্ষণে দায়িত্ব নিতে হবে বলে মনে করেন তপু।

তিনি বলেছেন, ‘যখন গোল হজম করি, গোলকিপার-ডিফেন্ডারকে ফেস করতে হয়। আসলে গোলকিপার-ডিফেন্ডারের দোষ থাকে। তবে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো টিম ডিফেন্ডিং, যেটা বিশ্ব ফুটবলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি দলগতভাবে ডিফেন্ড করতে পারি, ডেফিনেটলি এত গোল হজম করব না।’

নিজের দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন এই ডিফেন্ডার। রক্ষণভাগকে সংগঠিত করা এবং সতীর্থদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

তপুর মতে, ‘তিন গোল আমরা প্রথম ম্যাচে খেয়েছি, শেষ ম্যাচে ৯ গোল খেয়েছি, এটা খুবই হতাশাজনক। আমরা ৯ গোল কবে হজম করেছি, আই ডোন্ট নো। আমার ভূমিকা থাকবে পেছন থেকে নিজের সেরাটা দেওয়া এবং কীভাবে ডিফেন্স লাইনকে শক্ত করা যায়, সেই গাইডেন্স আমি অবশ্যই করব।’

জিদানের সঙ্গে জুটি গড়ার প্রত্যাশা

তরুণ ডিফেন্ডার জিদান ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক করেছেন। তার সঙ্গে বোঝাপড়া বাড়িয়ে রক্ষণে ভালো জুটি গড়তে চান তপু। এশিয়ান কাপে খেলার অভিজ্ঞতা তরুণ এই ফুটবলারের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেও মনে করেন তিনি।

তপুর মূল্যায়ন, ‘সে অনেক কম বয়সী। এশিয়ান কাপে সে তিনটি ম্যাচই খেলেছে- দুটিতে একাদশে ছিল, প্রথম ম্যাচে ৪৫ মিনিট পরে নেমেছে। এই পর্যায়ে খেলার জন্য কী ধরনের মানসিকতা লাগে, শারীরিকভাবে কীভাবে অ্যাপিয়ার করতে হয়, পারফরম্যান্স- সবকিছু মিলিয়ে তার ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছে।’

রিদওয়ানের সঙ্গে আগেও অনুশীলনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তপুর। সাফের ম্যাচের আগে প্রায় নয় দিন সময় পাওয়ায় নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া আরও ভালো হবে বলে আশাবাদী তিনি, ‘আজ থেকে আমাদের পরের ম্যাচ ৫ নভেম্বর। আমরা নয় দিন সময় পাব। ডেফিনেটলি এই নয় দিনে আমাদের ভালো আন্ডারস্ট্যান্ডিং হবে। আগেও লাস্ট ক্যাম্পে তার সঙ্গে ট্রেনিং করেছি। সবকিছু মিলিয়ে একটা ভালো কম্বিনেশন হবে বলে মনে করি। ম্যাচ বাই ম্যাচ আমরা সেটাকে আরও বেশি ইমপ্রুভ করব।’

প্রতিপক্ষ যে-ই হোক, লক্ষ্য শিরোপা

ঘরের মাঠে দর্শকদের সমর্থন বাংলাদেশের জন্য বাড়তি প্রেরণা হবে বলে মনে করেন তপু। তার প্রত্যাশা, জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি থাকবে কানায় কানায় পূর্ণ।

তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশে খেলা এবং আমরা সমগ্র বাংলাদেশের সাপোর্ট পাব। স্টেডিয়াম পুরো প্যাক থাকবে। একটা ডিফরেন্ট লেভেলের অনুভূতি থাকবে।’

তবে শিরোপা জিততে হলে প্রতিপক্ষকে বেছে নেওয়ার সুযোগ নেই। ভারত, নেপাল কিংবা অন্য যে দলই সামনে আসুক, সবাইকে হারানোর মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে বলে মনে করেন এই ডিফেন্ডার।

তপুর স্পষ্ট কথা, ‘আপনি যখন চ্যাম্পিয়ন হতে যাবেন, ডেফিনেটলি আপনার রাইভাল টিমকে, অপজিশনের টিমকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হতে হবে। এটা যেকোনো দল হতে পারে- ভুটান, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ। সবাইকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হতে হবে। এই মেন্টালিটি নিয়েই আমাদের মাঠে নামতে হবে।’

হামজা না থাকলেও জয়ের আশা

ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলীকে পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন তপু। হামজা বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তার অনুপস্থিতি দলকে ভোগাবে, তবে দলগত পারফরম্যান্স দিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন তপু।

তিনি বলেছেন, ‘সমগ্র টিম থাকবে। হয়তো যত দূর জানি, ফারহান আলী এবং হামজা প্রথম ম্যাচে আসতে পারবে না। ডেফিনেটলি হামজা আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সে যদি আমাদের সঙ্গে না আসতে পারে, বিশেষ করে প্রথম ম্যাচে, তাহলে তাকে মিস করব।’

তবে হামজার অনুপস্থিতিকে অজুহাত বানাতে চান না তপু। তার মতে, টুর্নামেন্টে ভালো শুরু করতে হলে প্রথম ম্যাচ জেতা জরুরি, ‘আমরা যদি দলগতভাবে খেলতে পারি, ডেফিনেটলি তার অনুপস্থিতি অনুভব করব, বাট ভালোভাবে খেলতে পারলে এটা শুধরাতে পারব। প্রথম ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি টিকে থাকতে চান, ডেফিনেটলি প্রথম ম্যাচ জিততে হবে। তার মানে আপনি একটা ভালো শুরু করলেন।’
শৃঙ্খলায় ছাড় নয়

জাতীয় দলের ম্যানেজারের পক্ষ থেকে শৃঙ্খলার বিষয়ে ‘কোনো ছাড় দেওয়া হবে না’- এমন বার্তাকেও ইতিবাচকভাবে দেখছেন তপু। তার মতে, জাতীয় দলের জার্সি গায়ে খেলতে হলে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আচরণ ও শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীল হতে হবে।