শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

খুলনায় ধানের শীষে সেজেছে দুর্গা ফুটেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
খুলনায় ধানের শীষে সেজেছে দুর্গা ফুটেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য
পত্রদূত ডেস্ক: খুলনা মহানগরীতে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা এবার সেজেছে ধানের শীষে। ফুটেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য।
ধানের সোনালী শীষে সজ্জিত দুর্গার প্রতিমা শিল্প, সংস্কৃতি ও কৃষিভিত্তিক বাংলার ঐতিহ্যকে এক সুতোয় গেঁথে খুলনায় সৃষ্টি করেছে শারদীয় উৎসবের অন্য রকম আবহ। নগরীর ‘বাগমারা তেঁতুলতলা সর্বজনীন পূজা মন্দিরে’ প্রচলিত সাজসজ্জার বাইরে গিয়ে চিনিগুঁড়া ধানের শীষকে প্রতিমার মূল অলংকরণে ব্যবহার করায় দুর্গোৎসবে যোগ হয়েছে এক অনন্য এক শৈল্পিক কারুকাজ ও ব্যতিক্রমী মাত্রা।
সোনালী ধানের নান্দনিক বিন্যাসে প্রতিমার রূপে ফুটে উঠেছে বাংলার কৃষকের শ্রম, ফসলের সমৃদ্ধি ও গ্রামীণ জীবনের চিরচেনা আবহ, যা দেখার জন্য ইতিমধ্যেই নগর জুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। শহরের সর্বজনীন পুজা উদযাপনের ইতিহাসে এমন উদ্যোগ এটাই প্রথম।
আয়োজকদের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মহানগরীর বাগমারা তেঁতুলতলা সর্বজনীন পুজা মন্দিরটি ১৯৭২ সালে স্থাপিত হয়। এরপর প্রতি বছরই এখানে বিভিন্ন পূজা অর্চনা হয়ে আসছে। তবে ব্যতিক্রম ছিল ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে। ওই সময় বৈদ্যুতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রতিমার মধ্যে সিংহের গর্জন স্থাপন করা হয়। যা ব্যাপক সাড়া পড়ে।
এবারের দুর্গাপূজায় বাগমারা তেঁতুলতলা মন্ডপ হয়ে উঠেছে দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ কেন্দ্র। ৩০ কেজি চিনিগুঁড়া ধান ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিমা তৈরিতে। ৪০ দিন ধরে চারজন শিল্পী নিপুণ হাতে প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পন্ন করেছেন। যাতে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে তৈরি এই দৃষ্টিনন্দন প্রতিমা দর্শনার্থী ও ভক্তদের কাছে এক ভিন্নধর্মী আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। প্রাকৃতিক উপকরণে গড়া এই অনন্য শিল্পকর্ম দেখতে প্রতিদিন উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হচ্ছে আয়োজকদের। বিশেষ করে তরুণ ও যুবসমাজের মধ্যে এই আয়োজন ঘিরে দারুণ উচ্ছ¡াস ও ব্যাপক কৌত‚হল দেখা গেছে। এই নান্দনিক সৃষ্টি দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন দর্শনার্থীরা।
পুজা উদযাপন পরিষদের সদস্যরা জানান, খুলনা শহরে প্রায় ৭০টি পূজার মন্ডপ রয়েছে। যার মধ্যে কেবল বাগমারা তেঁতুলতলা সর্বজনীন পূজা মন্ডপেই সম্পূর্ণ আলাদা ও ব্যতিক্রমীভাবে এই ধানের প্রতিমা নির্মাণ করা হয়েছে।
পূজা পরিচালনা কমিটির এক সদস্য বলেন, ‘আমাদের মন্ডপে এবার চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে দুর্গা প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। খুলনা শহরের প্রায় ৭০টি মন্ডপের মধ্যে আমাদেরটাই একমাত্র ব্যতিক্রমী আয়োজন। আমাদের তরুণ প্রজন্ম, মন্দির কমিটি এবং পূজা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত সবার অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতায় এই রূপ সম্ভব হয়েছে। এই বিশেষ আয়োজনের কারণে এবার আমাদের মন্ডপ আরও অনেক বেশি জমজমাট ও মুখরিত হয়ে উঠেছে। আমরা সবাইকে সপরিবারে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’
মন্দির কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবারই চিরাচরিত প্রতিমা তৈরি করা হলেও এবার দর্শনার্থী ও এলাকাবাসীর চাহিদা মেনে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম কিছু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্য সুব্রত সরকার উচ্ছ¡াসের সঙ্গে বলেন, ‘সবাই বলত, আপনারা এবার একটু ব্যতিক্রম কিছু করেন। সবার মন জয় করার জন্যই আমরা এবার ধানের প্রতিমা তৈরি করেছি। আমাদের সময় লেগেছে প্রায় এক মাস ১০ দিন। ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে এই প্রতিমাটি গড়া হয়েছে। দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি হবে ধরে নিয়েই আমরা সবকিছু ব্যবস্থাপনার চেষ্টা করছি।’
মন্দির পরিচালনা কমিটির প্রবীণ সদস্য পিন্টু কুমার বিশ্বাস এই মন্দিরের ঐতিহ্য ও দর্শকদের সাড়া নিয়ে বলেন, ‘আমাদের এই তেঁতুলতলার প্রাচীন মন্দিরে ১৯৯৮-৯৯ সালে সিংহের গর্জনের প্রতিমা করেছিলাম, আর এবার করলাম ধানের প্রতিমা। এটা দেখে দর্শনার্থী থেকে শুরু করে ছোট-বড় সবাই প্রচন্ড আনন্দিত ও উৎফুল্ল। দর্শকেরা আমাদের যে অভ‚তপূর্ব সাড়া ও উৎসাহ দিচ্ছেন, তাতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও গ্রামীণ জনজীবনে ধানের স্থান শীর্ষে। মাঠে পাকা ধানের শিষ দুলতে শুরু করলে কৃষকের ঘরে ঘরে যেমন নতুন আশার আলো জ্বলে ওঠে, তেমনি মন্ডপে দেবী দুর্গার গায়ে সোনালী ধানের এই অলংকার বাংলার মাটি ও মানুষের আত্মিক সম্পর্ককে গভীরভাবে মনে করিয়ে দিচ্ছে।
আধুনিকতার ছোঁয়ায় কিছুটা দূরে সরে যাওয়া ঐতিহ্যকে মন্ডপে জীবন্ত করে তোলার এই প্রয়াস নতুন প্রজন্মের কাছে কৃষি সংস্কৃতি ও লোকজ শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরার এক অনবদ্য মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব মিলিয়ে, ধানের শিষে সজ্জিত এই সোনালি দুর্গাপ্রতিমা কেবল একটি দৃষ্টিনন্দন শিল্পকর্ম নয়; এটি কৃষি, ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও সৃজনশীলতার এক আনন্দময় উল্লাস।

Ads small one

সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীর আহ্বান

সাতক্ষীরার মায়ের বাড়ি মন্দিরে আলোচনা সভা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার মায়ের বাড়ি মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে সব ধর্মের মানুষের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি বলেন, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের ধারা বজায় রাখতে সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. শের আলী, সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আব্দুস সামাদ, জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, সাতক্ষীরার জিপি অসীম কুমার ম-ল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টো, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন রাজু, জেলা কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক আহসানুল কাদির স্বপন, জেলা বিএনপির সদস্য প্রভাষক আতাউর রহমান, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু রায়হান ও সাধারণ সম্পাদক দুদায়াভ মাসুদ অর্ঘ্য। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি সোমনাথ ব্যানার্জি।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: জনবসতি ও পৌরসভার অভ্যন্তরে বেআইনি ইটভাটা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: জনবসতি ও পৌরসভার অভ্যন্তরে বেআইনি ইটভাটা

সাতক্ষীরার শ্যামনগর পৌরসভার সোনারমোড় এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমতি ব্যতিরেকেই বহাল তবিয়তে দুটি বৃহৎ ইটভাটা গড়ে তোলার খবর উদ্বেগজনক। ইট প্রস্তুত ও ইটভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ অনুযায়ী, পৌরসভা এলাকা, জনবসতি, কৃষিজমি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি স্থানে ইটভাটা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ সব আইনি বিধিনিষেধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনবসতি, বাজার, মাদ্রাসা ও কলেজের অতি সন্নিকটে এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেদনে স্পষ্ট যে, স্থানীয় অধিবাসীরা অতীতেও এই ইটভাটাগুলোর কারণে শ্বাসকষ্টসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি, কৃষিজমির ক্ষতি এবং পরিবেশদূষণের নির্মম শিকার হয়েছেন। নতুন করে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে এই জিগজ্যাগ ইটভাটা দুটি নির্মাণের প্রক্রিয়া স্থানীয় জনজীবন, কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং আশপাশের পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেবল পৌরসভার একটি ট্রেড লাইসেন্সকে পুঁজি করে কীভাবে ছাড়পত্র ছাড়া এমন পরিবেশবিনাশী কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের অজ্ঞাতে পৌরসভার অভ্যন্তরে এ ধরনের মেগা স্থাপনা তৈরি হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। স্থানীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ইটভাটা দুটিকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ বা ‘অবৈধ’ আখ্যা দিলেও সেগুলোর নির্মাণকাজ সচল থাকা প্রমাণ করে যে তদারকির ক্ষেত্রে বড় ধরনের শৈথিল্য রয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শুধু আইনি পদক্ষেপের বার্তা দেওয়া যথেষ্ট নয়, বরং দৃশ্যমান ও কঠোর উচ্ছেদ অভিযান এখন সময়ের দাবি।

পৌরসভা এলাকা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় যেকোনো মূল্যে এই অবৈধ নির্মাণকাজ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথ অভিযানের মাধ্যমে বেআইনিভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেÑএমনটাই প্রত্যাশা।

কলারোয়ায় পূজাম-পে শাড়ি বিতরণ করলেন জেলা যুবদল নেতা চন্দন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় পূজাম-পে শাড়ি বিতরণ করলেন জেলা যুবদল নেতা চন্দন

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পূজাম-পে নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন।
দুর্গাপূজার সপ্তমীতে উপজেলার তুলসীডাঙ্গা ঘোষপাড়া মাতৃ পূজা মন্দিরে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সহযোগিতায় নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেন তিনি। এ ছাড়া উপজেলার গোপীনাথপুর দক্ষিণ ও মুরারিকাটি দক্ষিণ পূজাম-পেও অনুরূপভাবে শাড়ি বিতরণ করেন মমতাজুল ইসলাম চন্দন। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এ শাড়ি বিতরণকালে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় মমতাজুল ইসলাম চন্দন বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু আনন্দ ও উৎসবের উপলক্ষ নয়, এটি অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তাও বহন করে। তিনি সবাইকে আনন্দ-উৎসাহের মধ্য দিয়ে শারদীয় উৎসব উদযাপনের আহ্বান জানান।
শাড়ি বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কলারোয়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রকাশ চন্দ্র হালদার, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস (দেবু), স্বপন কুমার পাল, নিশীত রায় চৌধুরী, প্রদীপ পাল (ঝুনি), চয়ন কুমার কু-ু, সরজিত, জয়ন্ত, শম্ভু, রঞ্জিত, দীপক ঘোষ, অমিত চৌধুরী ও অসিত ঘোষসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।