বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

চা শ্রমিকের জীবনঘেরা গল্পে বৈশাখে ‘চা গরম’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
চা শ্রমিকের জীবনঘেরা গল্পে বৈশাখে ‘চা গরম’

বিনোদন ডেস্ক: চা বাগান ঘিরে চা শ্রমিকদের জীবন নিয়ে নির্মিত হল অরিজিনাল ফিল্ম ‘চা গরম’। শঙ্খ দাশগুপ্তর নির্মাণে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন সাফা কবির, পার্থ শেখ, রেজওয়ান পারভেজ, সারাহ জাবিন অদিতি।

‘চা গরম নিয়ে শঙ্খ দাশগুপ্ত বলেন, “নির্মাতা হিসেবে আমার কাছে মনে হয়েছে বাংলাদেশে চা বাগান সবসময় ব্যবহার হয়েছে ব্যাকড্রপ হিসেবে। চা বাগান একটা সুন্দর এলাকা যেখানে চরিত্রগুলো থাকবে, ব্যাকড্রপে চা বাগান থাকবে—সেটা দেখতে অনেক সুন্দর হবে। তো আমার কাছে মনে হলো এটা ব্রেক করা দরকার। আমরা চা বাগানের ভেতরটায় ঢুকতে চেয়েছি এবং ঢুকেছি। চা বাগানের জীবনটা দেখার চেষ্টা করেছি। সৌন্দর্যটাই শুধু ক্যাপচার করিনি, এবার আমি চা বাগানের ভেতরে গিয়ে শ্রমিকদের লাইফটা দেখার সুযোগ পেয়েছি।”

চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রিয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী সাফা কবির। তিনি বলেন, ‘চা গরম এর প্রতি আমার আগ্রহের অন্যতম বড় কারণ ছিল পরিচালক শঙ্খ দাশগুপ্ত। তিনি সবসময়ই ভিন্ন ধরনের গল্প বলেন এবং তার কাজের মধ্যে একটা স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। একই সঙ্গে, গল্পটিও আমার কাছে খুব শক্তিশালী লেগেছে। এটি আমাদের সমাজের এমন একটি দিককে তুলে ধরে, যেটা আমরা অনেক সময় দেখি না, কিন্তু খুব কাছেই থাকে। এই বিষয়টাই আমাকে এই কাজটির অংশ হতে অনুপ্রাণিত করেছে।’

চা গরম’ মূলত একটি অনুপ্রেরণার গল্প বলে জানিয়েছেন চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় জীবন থেকে শুরু করে ব্যক্তি জীবনে বৈশাখ আসে নতুনের বার্তা নিয়ে। নতুন করে শুরু করার প্রত্যয় থাকে সবার মাঝে। সেই উদ্দীপনাটাই আমরা কনটেন্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাই। ‘চা গরম”দেখার মাধ্যমে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হোক, সেই প্রত্যাশা, সবাইকে নববর্ষের অগ্রীম শুভেচ্ছা।’

গল্পে আরও আছেন এ কে আজাদ সেতু। ’চা গরম’–এর গল্প ও চিত্রনাট্য করেছেন সাইফুল্লাহ রিয়াদ। ছবিটির মূল ভাবনা, গবেষণা ও প্রকল্প নেতৃত্বে আছেন মো. শরিফুল ইসলাম, যিনি অক্সফ্যামের পক্ষ থেকে পুরো চলচ্চিত্র উদ্যোগটি ধারণা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সমন্বয় করেছেন।

চরকি ও অক্সফ্যাম যৌথ প্রযোজনায় ছবিটি তৈরি করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায়। ছবিটির সাথে যুক্ত হয়েছে রবিও।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।