সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জনগণের শান্তি নষ্ট করে হরতাল করার সুযোগ কাউকে দেবো না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
জনগণের শান্তি নষ্ট করে হরতাল করার সুযোগ কাউকে দেবো না: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের শান্তি নষ্ট করে হরতাল করার সেই সুযোগ আমরা কাউকে দেবো না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদের দোসর বলে, তারাই ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছে। যারা স্বৈরাচারের সঙ্গে ঢাকার বাইরে মিটিং করে তারা জনগণের জন্য কখনও কাজ করে না। যারা ৭১ ও ২০০৮ সালে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে, তারা ২০২৬ সালেও মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে আমাদের। যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছে, তারা এখন বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের দোসর বলে। যারা বক্তব্যে জোরে জোরে কথা বলে তারাই ফ্যাসিবাদের সঙ্গে এখন বিভিন্ন জায়গায় মিটিং করছে। বিএনপির নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা দেশের কিছু মানুষ ও দল বাধাগ্রস্তের চেষ্টা করছে। দেশের মানুষের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেবে না বিএনপি। ১৭৩ দিনের সেই হরতালের সুযোগ কাউকে দেবো না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড হাজার থেকে লাখ লাখ, এরপর লাখ লাখ থেকে কোটিতে পৌঁছাবে। এ ছাড়া বন্ধ অনেক কলকারখানা কয়েক মাসের মধ্যে চালু করবে সরকার।’

 

নারী শিক্ষা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, প্রথমবার করেছেন স্কুল পর্যায়ে, দ্বিতীয়বার করেছেন ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে। খালেদা জিয়ার সেই কর্মসূচির অংশকে আমরা সামনে নিয়ে যেতে চাই। এ জন্য আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে ইনশাআল্লাহ নারীদের শিক্ষার ব্যবস্থা আমরা ডিগ্রি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চতর পর্যন্ত বিনামূল্যে ব্যবস্থা করবো। শুধু মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা আমরা ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করবো তা নয়, একইসঙ্গে আমাদের যে মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করতে পারবে তাদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা করবো, যাতে উচ্চতর শিক্ষা লাভ করতে পারে।’

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দোলোয়ার হোসেন খোকনের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) জয়ন্ত কুমার কুন্ডু প্রমুখ।

Ads small one

সাতক্ষীরায় ১৫ মাসে ২১২০ আবেদন, আদায় প্রায় কোটি টাকা, উপকারভোগী ২১৬৫জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ১৫ মাসে ২১২০ আবেদন, আদায় প্রায় কোটি টাকা, উপকারভোগী ২১৬৫জন

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান দিবস আজ
বদিউজ্জামান: আজ ২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের চিত্র উঠে এসেছে। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ২১২০টি আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৫২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ১৩৩টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) ব্যবস্থার আওতায় ১৬০০টি আবেদন দায়ের করা হয়, যার মধ্যে ১৪৮১টি নিষ্পত্তি হয়েছে—যা দ্রুত ও কার্যকর বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এ সময়কালে ১১০৬ জন নারী ও ৩৭৬ জন পুরুষকে আইনগত পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। মোট উপকারভোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৬৫ জনে। এছাড়া এডিআরের মাধ্যমে আদায় হয়েছে ৯৯ লক্ষ ৭৮হাজার টাকা, যা অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য বড় সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালত হতে ১৭টি, জেলা কারাগার হতে ৬৭টি এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটি হতে ৩০টি আবেদন পাওয়া গেছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে রেফার করা আবেদন এসেছে ১০০টি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জেলা লিগ্যাল এইড অফিস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে এ অর্জনগুলো বিচারপ্রাপ্তির অধিকারকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শ্যামনগরে বাঘ বিধবা, প্রতিবন্ধী ও দলিত নারীদের আর্থিক সহায়তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে বাঘ বিধবা, প্রতিবন্ধী ও দলিত নারীদের আর্থিক সহায়তা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় সোমবার(২৭ এপ্রিল) বিকালে আকাশলীনা ইকোট্যুরিজম সেন্টারে নকশীকাঁথা ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে বাঘের আক্রমনে নিহত ব্যক্তির বিধবা স্ত্রী, প্রতিবন্ধী,আদিবাসী ও দলিত নারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২৫জন এসকল নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষে মাথাপিছু দুইহাজার করে মোট পঞ্চাশ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন নকশীকাঁথার পরিচালক চন্দ্রিকা ব্যানার্জী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নকশীকাঁথার সমন্বয়কারী তপন কর্মকার, কম্পিউটার প্রশিক্ষক আবু হাসান প্রমুখ।

তালায় শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ
তালায় শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 99.4615; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

মুজিবুর রহমান, পাটকেলঘাটা: শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ধানকাটা ও সংগ্রহের কাজে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন তালা উপজেলার কৃষকরা। এতে সময়মতো ধান কেটে ঘরে তোলা নিয়ে যেমন শঙ্কা বাড়ছে, তেমনি বাড়তি খরচে শ্রমিক সংগ্রহের কারণে আর্থিক সংকটে পড়ছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, স্থানীয় অনেক বোরোচাষি অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছেন। তালা উপজেলার পাটকেলঘাটার দক্ষিন বিল ঘুরে দেখা যায়, প্রায় জমিতেই বাইরের শ্রমিক দিয়ে ধান কাটছেন কৃষকরা। তবে এতে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। ফলে অনেকেই নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধান কাটতে শুরু করেছেন।
কৃষকদের ভাষ্যমতে, শ্রমিক সংকট চরমে সংকটে দিন পার করছে কৃষকেরা। বাড়তি টাকা দিয়েও ধান কাটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে এলাকার বাইরে থেকে অতিরিক্ত মুজুরি দিয়ে শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে হচ্ছে। তাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা গ্রামের কৃষক আজিবার রহমান জানান, প্রতিদিন মাথাপিছু ৬০০টাকা মজুরিতে শ্রমিক পাওয়া গেলেও এবার ৮০০/১০০০ টাকা দিয়েও লোক পাওয়া যাচ্ছে না। চোমরখালী গ্রামের আসাদুল ইসলাম জানান, এবার বোরো মৌসুমে প্রায় ৮বিঘা জমি চাষ করেছেন। শ্রমিক না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চার দিন ধরে ধান কাটছেন। বাকি জমির ধান কাটতে আরও দু’দিন সময় লাগবে। কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক শরিফুল, কুদ্দুস আলীর মতো অনেক কৃষক বলেছেন, অতিরিক্ত টাকা দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহ করে ধানকাটা হচ্ছে। তিনি বলেন ঝড়-বৃষ্টি পুরোদমে শুরু হওয়ার আগে ধান কেটে শেষ করা না গেলে চরম বিপদে পড়বেন তাঁরা। রাত দিন কাজ করে বোরো সংগ্রহের কাজ করে যাচ্ছে কৃষক। তবে অধিকাংশ বিলে নারী শ্রমিকের উপস্থিতি অনেকাংশে চোখে পড়ার মত।
খলিষখালী ইউনিয়নের টিকারামপুর গ্রামের কৃষক ইয়াছিন আলী জানান কয়রা উপজেলা থেকে শ্রমিক সংগ্রহ করে সপ্তাহে (৬ দিন) ৭০০০ হাজার টাকা দিয়ে ধান কাটা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন জানান শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ধান সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কৃষকের। বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাড়াতাড়ি ধান সংগ্রহ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কৃষক। কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান তালা উপজেলায় রেকর্ড পরিমান জমিতে ইরি বোরো চাষাবাদ হওয়ার কারনে কৃষককে এক সাথে ধান সংগ্রহ করতে হিমশিম খেতে খাচ্ছে। যদি আবহাওয়া অনুকুলে থাকে তাহলে কৃষকের তেমন ক্ষতি হবে না।