বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

জাতীয় যুব দিবসে সাতক্ষীরায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
জাতীয় যুব দিবসে সাতক্ষীরায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

সংবাদদাতা: : জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরায় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে স্থানীয় বৈকারী যুব ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে এবং স্মার্ট মেডিকেল সেন্টার ও প্রাণসায়ের যুব একাডেমি, সাতক্ষীরার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দিনব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’।

ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার উপপরিচালক সঞ্জীত কুমার দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, বৈকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল এবং স্মার্ট মেডিকেল সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বৈকারী যুব ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়ন সংঘের সভাপতি আমিরুল ইসলাম।

আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে স্বাস্থ্যসচেতন করার পাশাপাশি রক্তের গ্রুপ জানার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই স্থানীয় তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় সেবা গ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সঞ্জীত কুমার দাস বলেন, সুস্থ ও সচেতন যুবসমাজই বৈষম্যহীন দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তরুণদের এ ধরনের সেবামূলক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তিনি ক্যাম্পেইন আয়োজনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

Ads small one

সুন্দরবনে বনদস্যু আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে বনদস্যু আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করা, বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দস্যুদের সহযোগীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবিতে খুলনার কয়রায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় সুন্দরবনের সাকবাড়িয়া নদীর তীরে কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের সামনে উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের উদ্যোগে এবং কয়রা উপজেলা কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সহযোগিতায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সুন্দরবন ও উপকূল সংরক্ষণ আন্দোলনের সভাপতি তরিকুল ইসলাম। বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা আ ব ম আব্দুল মালেক, নাগরিক সংগঠন সুজনের কয়রা উপজেলা সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, সাবেক সেনা কর্মকর্তা এম আনোয়ার হোসেন, কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক বিদেশ রঞ্জন মৃধা, কয়রা কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর কয়রা উপজেলা শাখার সহসভাপতি জি এম মোনায়েম, কয়রা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ও বনজীবী মুছানুর রহমান।

বক্তারা অভিযোগ করেন, গত দুই বছর ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন বনদস্যু বাহিনী জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এসব কর্মকাণ্ডে বনদস্যুদের পাশাপাশি স্থানীয় কিছু মাছ ব্যবসায়ীও সহযোগিতা করছেন বলে তাঁরা দাবি করেন।

তাঁদের অভিযোগ, বনদস্যুদের সহযোগীদের মাধ্যমে দুই ও পাঁচ টাকার নোটের নম্বরকে টোকেন হিসেবে ব্যবহার করে বনজীবীদের বনে প্রবেশ করতে হচ্ছে। এ জন্য আগাম ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। টোকেন ছাড়া বনে প্রবেশ করলে দস্যুদের হাতে জিম্মি হয়ে জনপ্রতি ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিতে হচ্ছে। ফলে জীবিকার তাগিদে সুন্দরবনে যাওয়া বনজীবীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

মানববন্ধনে তরিকুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা বনদস্যুদের কারণে হুমকির মুখে। সুন্দরবনকে নিরাপদ করতে দস্যুদের পাশাপাশি তাদের স্থানীয় সহযোগীদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান জোরদারের দাবি জানান তিনি।

বক্তারা বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের একক দাবি নয়; এটি উপকূলীয় মানুষের জীবন, জীবিকা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন। বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান, তাদের অস্ত্র-গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহকারীদের শনাক্ত এবং সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা। এ আন্দোলনে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।

মানববন্ধনে সুন্দরবননির্ভর জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সুযোগসন্ধানী নয়, সাংবাদিকের দায়বদ্ধতা জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
সুযোগসন্ধানী নয়, সাংবাদিকের দায়বদ্ধতা জরুরি

প্রকাশ ঘোষ বিধান

সুযোগসন্ধানী মনোভাব পরিহার করে দায়িত্বশীল ও নৈতিক সাংবাদিকতা চর্চা সমাজ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হলুদ সাংবাদিকতা ও ক্লিকবেইট সংস্কৃতির ভিড়ে কোনো সাংবাদিক যখন তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ হাসিলে বেশি মনোযোগী হন, তখন সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যমের মূল ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বজায় রাখা একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য।

সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ এবং রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। এর মূল লক্ষ্য সত্য প্রকাশ ও ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করা। কিন্তু কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যম যখন জনস্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়, তখন সমাজ ভুল বার্তা পায় এবং গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।

সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা, নির্ভরযোগ্যতা ও উৎস যাচাই করা সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান নৈতিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও শাসকগোষ্ঠীর অনিয়ম-দুর্নীতি সাহসের সঙ্গে তুলে ধরাও সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সংবাদ পরিবেশনের মূল ভিত্তি সত্য। তাই সুযোগসন্ধানী মনোভাব পরিহার করে সঠিক তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে জনসমক্ষে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে হবে।

উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ সমাজের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। ব্যক্তিস্বার্থে গুজব ছড়ানো কিংবা কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে। হলুদ সাংবাদিকতা বর্জন করে রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণকে ব্যক্তিস্বার্থ ও বাণিজ্যিক লাভের ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।

সাংবাদিকতার প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব সত্যের পক্ষে থাকা। কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের যথার্থতা যাচাই করতে হবে। ব্যক্তিগত মতামত, প্ররোচনা ও পক্ষপাত থেকে দূরে থেকে নিরপেক্ষভাবে ঘটনা তুলে ধরতে হবে। কারণ সাংবাদিকতার মূল আনুগত্য সাধারণ মানুষ বা নাগরিকদের প্রতি।

অসত্য ও উসকানিমূলক সংবাদ সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে, এমনকি কারও জীবনও বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। তাই সংবাদের গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বিবেচনায় রাখা জরুরি। বিশেষ করে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে ভুয়া খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে। এ কারণে সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে।

সাংবাদিকতা ব্যক্তিগত বা দলীয় লাভের মাধ্যম নয়। এর মূল লক্ষ্য জনস্বার্থ রক্ষা এবং সরকার ও সমাজের অনিয়ম-দুর্নীতি জনগণের সামনে তুলে ধরা। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সাংবাদিকদের এই দায়িত্ব পালনের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান জরুরি।

সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি সামাজিক অঙ্গীকার। সুযোগসন্ধানী মানসিকতা সাময়িক সুবিধা এনে দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে তা সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করে। গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ অটুট রাখতে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠতা, সততা ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

একটি সুস্থ, সচেতন ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। দায়বদ্ধতাহীন সাংবাদিকতা সমাজে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে। তাই ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সত্যনিষ্ঠ ও জনকল্যাণমুখী সাংবাদিকতা চর্চাই হোক প্রতিটি সাংবাদিকের অঙ্গীকার।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে পৌরসভায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দাতা সংস্থা ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নবলোক পরিষদের সহযোগিতায় আয়োজিত সচেতনতামূলক র‍্যালিটি টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে নবপল্লীসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে পাইকগাছা সরকারি কলেজের পশ্চিম পাশে এবং শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে পৌরসভার নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য এলাকাবাসীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ক্যাম্পেইন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও সাবেক প্যানেল মেয়র এস এম ইমদাদুল হক, পৌরসভা জামায়াতের আমির ডা. জি এম আসাদুল হক, সেক্রেটারি মিজানুর রহমান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরদার, ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রতিনিধি সুমন সাহা ও নিপু খানম, প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ সরদার, সেলিনা পারভীন, অ্যাডভোকেট মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, তুষার কান্তি মণ্ডল, সেলিম রেজা লাকি, ইলিয়াস হোসেন, এম আব্দুস সামাদ, মুহাম্মদ শফিয়ার রহমান, আলহাজ মুরশাফুল আলম, মাওলানা আব্দুল কাদীর, গাজী আব্দুস সামাদ, শফিকুল ইসলাম, নবলোক পরিষদের ওমর ফারুক জুয়েল, বিএম নাহিদ হাসান, কাজী ফারহানা আফরোজ ও মুক্তা বিশ্বাস। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পৌরসভার প্রধান সহকারী জিয়াউর রহমান।

বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। তাই পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। তাঁরা আরও জানান, মানববর্জ্য শোধনাগারের পাশাপাশি পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে পৌরসভায় পরিবেশবান্ধব আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে এবং পৌরবাসী পরিচ্ছন্ন পরিবেশ পাবে।