রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতকে টপকে পাঁচে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: ভারতকে টপকে পাঁচে বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় শুধু র‌্যাংকিংয়েই নয়, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলেও বড় পরিবর্তন এনে দিল বাংলাদেশের জন্য। দুই ম্যাচের সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার পর ২০২৫-২৭ চক্রের ডব্লিউটিসি পয়েন্ট টেবিলে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর আগে মিরপুরে প্রথম টেস্ট জিতেছিল ১০৪ রানে। টানা দুই জয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট শতাংশ বা পিসিটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮.৩৩। চার ম্যাচ শেষে এই পয়েন্ট শতাংশ নিয়েই ভারতকে টপকে পাঁচে উঠেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের উত্থানে এক ধাপ পিছিয়ে ছয়ে নেমে গেছে ভারত। তাদের পিসিটি এখন ৪৮.১৫। অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হারের পর তারা নেমে গেছে আট নম্বরে। পাকিস্তানের পিসিটি মাত্র ৮.৩৩, তাদের নিচে আছে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ডব্লিউটিসি টেবিলের শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের পিসিটি ৮৭.৫০। অস্ট্রেলিয়ার পর দুই ও তিনে আছে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রান। চতুর্থ ইনিংসে লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। পঞ্চম দিনের সকালে পাকিস্তান যোগ করতে পারে ৪২ রান। এরপর ১৩ বলের মধ্যে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা।

বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪.২ ওভারে ১২০ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। শেষ দিনে সাজিদ খানকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। এরপর শরিফুল ইসলাম ফেরান ৯৪ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। শেষ উইকেট হিসেবে খুররম শাহজাদকে আউট করে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন তাইজুল।

রিজওয়ানের বিদায়ের সঙ্গেই পাকিস্তানের শেষ আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। ১৬৬ বলে ১০ চারে ৯৪ রান করে লড়ছিলেন তিনি। সাজিদ খানের সঙ্গে তার জুটি বাংলাদেশকে কিছুটা চাপে ফেলেছিল। তবে তাইজুল সেই জুটি ভেঙে দেন, আর পরের ধাক্কাতেই ম্যাচ বাংলাদেশের হাতে চলে আসে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় টেস্ট সিরিজ হোয়াইটওয়াশ। ২০২৪ সালেও পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার দেশের মাটিতে একই ব্যবধানে সিরিজ জিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়েও নিজেদের শক্ত অবস্থানে তুলে আনল শান্তর দল।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয় শুধু র‌্যাংকিংয়েই নয়, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলেও বড় পরিবর্তন এনে দিল বাংলাদেশের জন্য। দুই ম্যাচের সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করার পর ২০২৫-২৭ চক্রের ডব্লিউটিসি পয়েন্ট টেবিলে পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর আগে মিরপুরে প্রথম টেস্ট জিতেছিল ১০৪ রানে। টানা দুই জয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট শতাংশ বা পিসিটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮.৩৩। চার ম্যাচ শেষে এই পয়েন্ট শতাংশ নিয়েই ভারতকে টপকে পাঁচে উঠেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের উত্থানে এক ধাপ পিছিয়ে ছয়ে নেমে গেছে ভারত। তাদের পিসিটি এখন ৪৮.১৫। অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হারের পর তারা নেমে গেছে আট নম্বরে। পাকিস্তানের পিসিটি মাত্র ৮.৩৩, তাদের নিচে আছে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রান। চতুর্থ ইনিংসে লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। পঞ্চম দিনের সকালে পাকিস্তান যোগ করতে পারে ৪২ রান। এরপর ১৩ বলের মধ্যে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা।

বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪.২ ওভারে ১২০ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। শেষ দিনে সাজিদ খানকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। এরপর শরিফুল ইসলাম ফেরান ৯৪ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। শেষ উইকেট হিসেবে খুররম শাহজাদকে আউট করে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন তাইজুল।

রিজওয়ানের বিদায়ের সঙ্গেই পাকিস্তানের শেষ আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। ১৬৬ বলে ১০ চারে ৯৪ রান করে লড়ছিলেন তিনি। সাজিদ খানের সঙ্গে তার জুটি বাংলাদেশকে কিছুটা চাপে ফেলেছিল। তবে তাইজুল সেই জুটি ভেঙে দেন, আর পরের ধাক্কাতেই ম্যাচ বাংলাদেশের হাতে চলে আসে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় টেস্ট সিরিজ হোয়াইটওয়াশ। ২০২৪ সালেও পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার দেশের মাটিতে একই ব্যবধানে সিরিজ জিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়েও নিজেদের শক্ত অবস্থানে তুলে আনল শান্তর দল।

Ads small one

অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে অপপ্রচার, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা ও কুল্যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল হাসান বাবলু।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিট সোসাইটির বুধহাটা শাখায় তিনি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে তাঁর নিজের নামে ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় আড়াই কোটি টাকা জমা রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

বাবলু অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান এম তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২২ সালে হাইকোর্টে মামলা করা হয়। মামলাটি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি জানান। মামলা নিষ্পত্তি হলে গ্রাহকেরা তাঁদের পাওনা ফেরত পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বাবলু। এ ঘটনায় কিছু গ্রাহককে ভুল বুঝিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারিকাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো, পাকা সেতুর দাবি
শেখ জিল্লু, কলারোয়া: দূর থেকে দেখলে নীল রঙের রেলিং আর কাঠের পাটাতনে তৈরি সাঁকোটি বেশ দৃষ্টিনন্দন। কিন্তু কাছে গেলেই চোখে পড়ে এর নড়বড়ে অবস্থা। বাঁশের খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সাঁকোটি দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বেত্রবতী নদীর ওপর নির্মিত এই কাঠের সাঁকোটি এখন এলাকাবাসীর দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা ও টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কলারোয়া পৌরসভার যুগিবাড়ি মোড় থেকে পূর্ব দিকে প্রায় ২০০ মিটার এগোলেই বেত্রবতী নদীর ওপর সাঁকোটির অবস্থান। দক্ষিণ মুরারিকাটি পূজামণ্ডপ-সংলগ্ন এই সাঁকোর পূর্ব পাশে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এবং পশ্চিম পাশে ৭ নম্বর ওয়ার্ড। দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাঁকোটির কাঠের পাটাতন ও অবকাঠামো নড়বড়ে। ফলে পথচারীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পারাপার হতে হয়। দুই চাকার যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো যান চলাচলের উপযোগী নয় সাঁকোটি। এতে মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াতের পাশাপাশি মালামাল পরিবহনেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সাঁকোটির পূর্ব পাশে রয়েছে যুগিবাড়ি বাজার ও বাসস্টপেজ। পশ্চিম পাশে রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি পূজামণ্ডপ ও একটি কালীমন্দির। দুর্গাপূজা এবং তালের রসের মেলাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ মুরারিকাটি গ্রামে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। এসব উৎসবে দর্শনার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম পথ এই সাঁকো। কিন্তু এর নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত কাঠামোর কারণে ভিড়ের সময় পারাপারে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে দক্ষিণ মুরারিকাটির বাসিন্দা নির্মল মণ্ডল ও অনিমেষ পাল বলেন, প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় তাঁদের মণ্ডপসহ আশপাশের পূজামণ্ডপগুলোতে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসেন। কিন্তু মণ্ডপ-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর সাঁকোটি নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত হওয়ায় দর্শনার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে তাঁরা সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মাহবুবুর রহমান ও আকবর হোসেন বলেন, মুরারিকাটি হাইস্কুল-সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর ওপরের সাঁকোটির স্থলে ইতোমধ্যে পাকা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। একই আদলে দক্ষিণ মুরারিকাটির কাঠের সাঁকোটির স্থলেও পাকা সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। এ জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে এখনো সেই দাবি বাস্তবায়িত হয়নি।
এলাকাবাসীর মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগপথে একটি পাকা সেতু নির্মিত হলে দুই ওয়ার্ডের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে আসা দর্শনার্থীদের দুর্ভোগ কমবে এবং নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
প্রসঙ্গে রোববার বিকেলে কলারোয়া পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী শেখ রুহুল আমিন জানান, কাঠের সাঁকোটির স্থলে একটি সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, বেত্রবতীর দুটি কাঠের সাঁকোই স্থায়ী(কনক্রিট/বেইলি)করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য কাজ চলমান রয়েছে।

দেবহাটায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং কমিউনিটিভিত্তিক বনায়ন ও পুনঃবনায়নে সচেতনতা বাড়াতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সখীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে, ট্রেডক্রাফট এক্সচেঞ্জের কারিগরি সহযোগিতায় এবং বেডসের বাস্তবায়নে স্ববল প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করে দেবহাটা উপজেলা কৃষিপণ্য উৎপাদন সমবায় সমিতি লিমিটেড।

সখীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন বেডসের মাঠ সমন্বয়কারী মুরতাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে দেবহাটা উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. সাজেদুল ইসলাম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইউনূস আলী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষক এবং সমবায় সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেবহাটার ১০টি প্রতিষ্ঠানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের ২৫টি করে চারা বিতরণ করা হয়।