মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তালায় বসতভিটা দখল করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
তালায় বসতভিটা দখল করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলায় তিন পুরুষের বসতভিটা দখল করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার উত্তর মাছিয়াড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ইউনুচ মোড়ল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন।
ভুক্তভোগী ইউনুচ মোড়ল জানান, পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া প্রায় ৪ শতক জমির ওপর তাঁদের তিনটি প্রজন্মের বসবাস। এই জমি নিয়ে প্রতিবেশী হযরত আলী মোড়লের সঙ্গে প্রায় আট বছর ধরে আদালতে মামলা চলছে। আজ সকালে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে বেলা ১১টার দিকে হযরত আলী ও তাঁর ছেলে রাসেল মোড়ল দলবল নিয়ে হামলা চালান।
ইউনুচের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাঁদের টিন ও টালির ছাউনি দেওয়া চারটি ঘর ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়। এ সময় তাঁর ঘর থেকে নগদ ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ও দেড় ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই আকবার মোড়লের ঘর ভেঙে সেখান থেকে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায় হামলাকারীরা। বাধা দিতে গেলে তাঁদের বৃদ্ধ মা মোমেনা বেগম (৮০)-কে মারধর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তবে লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত রাসেল মোড়ল। তিনি বলেন, “জমিটি আমাদের রেকর্ডভুক্ত। এ নিয়ে গ্রামে একাধিকবার সালিশ হয়েছে এবং রায় আমাদের পক্ষে এসেছে। তাঁরা জমি না ছাড়ায় আমরা ঘর ভেঙে দিয়েছি। তবে টাকা বা স্বর্ণ চুরির অভিযোগ ভিত্তিহীন।”
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ভাঙচুরের বিষয়টি এখনো পুলিশের জানা নেই। তিনি বলেন, “ভুক্তভোগী কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Ads small one

এআই ট্রাফিক জরিমানার নামে সাইবার ফাঁদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
এআই ট্রাফিক জরিমানার নামে সাইবার ফাঁদ

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ক্যামেরা। এসব ক্যামেরার জেরে সড়কে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। স্বয়ংক্রিয় নজরদারি ব্যবস্থার কারণে চালকদের মধ্যে জরিমানা বা মামলার ভয়ও বেড়েছে। আর সেই ভয়কেই এবার অস্ত্র বানিয়েছে সাইবার প্রতারকরা।

ভুয়া জরিমানার এসএমএস পাঠিয়ে সাধারণ গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। সরকারি নোটিশের আদলে পাঠানো এসব মেসেজে থাকে ভুয়া পেমেন্ট লিংক। অনেকেই যাচাই না করে লিংকে ক্লিক করছেন, আর মুহূর্তেই খালি হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতারকরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই প্রতারণা চালাচ্ছে। প্রথমে চালকদের মোবাইলে ট্রাফিক বিভাগের বার্তার মতো দেখতে একটি এসএমএস পাঠানো হয়। সেখানে উল্লেখ থাকে— নির্দিষ্ট কোনও সড়কে গাড়িটি গতিসীমা অতিক্রম করেছে বা ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করেছে। এরপর বলা হয়, এআই ক্যামেরায় ধরা পড়ায় নির্দিষ্ট অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে।

মেসেজের সঙ্গে দেওয়া হয় একটি লিংক, যা দেখতে সরকারি ওয়েবসাইট বা অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মতো। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে সেগুলো ফিশিং বা ক্লোন সাইট। কোথাও .gov.bd-এর মতো ডোমেইন ব্যবহার করা হয়, কোথাও আবার bit.ly বা অন্য সংক্ষিপ্ত লিংকের মাধ্যমে ফাঁদ তৈরি করা হয়।

শুধু তাই নয়, চালকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতেও কৌশল নেয় প্রতারকরা। এসএমএসে বলা হয়— ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে অর্থদণ্ড দ্বিগুণ হবে। এমনকি, লাইসেন্স বাতিল বা আইনি ব্যবস্থারও হুমকি দেওয়া হয়। আতঙ্কে অনেকেই আর বিস্তারিত যাচাই করেন না।

এই প্রতারণার শিকার হয়ে শুধু জরিমানার টাকা নয়, অনেক ক্ষেত্রে পুরো ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রতারণার শিকার হওয়া মোটরসাইকেল চালক আসাদুল ইসলাম বলেন, “গত সপ্তাহে আমার মোবাইলে একটা মেসেজ আসে। সেখানে বলা হয়, প্রগতি সরণিতে আমার বাইক স্পিড লিমিট অতিক্রম করেছে। জরিমানা দেওয়ার জন্য একটি লিংক ছিল। আমি বিকাশ দিয়ে টাকা দিতে যাই। কিছুক্ষণ পর দেখি অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ হাজার টাকা উধাও।”

আবদুর রাকিব নামে এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ভিডিও বার্তায় জানান, তিনি বাইক না চালিয়েই এ ধরনের প্রচারণামূলক মেসেজ পেয়েছিলেন। প্রথমে তার কাছেও বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দিলে ডিসকাউন্টের কথাও বলা হয়। পরে বুঝতে পারেন এটা প্রতারকদের কাজ।

সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত ওটিপি ও পিন সংগ্রহ করাই প্রতারকদের প্রধান লক্ষ্য। ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর ব্যবহারকারীদের বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দিতে বলা হয়। এরপর ওটিপি বা পিন ইনপুট করার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্টে প্রবেশাধিকার পেয়ে যায় প্রতারক চক্র।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসল ও ভুয়া ট্রাফিক নোটিশের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সরকারি নোটিশ সাধারণত নির্ভরযোগ্য ডোমেইন থেকে আসে এবং সেখানে সরাসরি পিন বা ওটিপি চাওয়া হয় না। অন্যদিকে, প্রতারণামূলক লিংকে প্রায়ই বানান ভুল, অস্বাভাবিক ওয়েব ঠিকানা বা অতিরিক্ত ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিষয় দেখা যায়।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের কর্মকর্তারা চালকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, কোনও জরিমানার মেসেজ পেলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে ট্রাফিক পুলিশের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে গিয়ে গাড়ির নম্বর দিয়ে তথ্য যাচাই করতে হবে। সন্দেহজনক কোনও লিংকে ক্লিক করা বা সেখানে আর্থিক তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন, কোনও অবস্থাতেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিন, কার্ডের সিভিভি নম্বর বা ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। প্রতারণামূলক কোনও মেসেজ পেলে সেটির স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করে নিকটস্থ থানা বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ মে এ ধরনের প্রতারণা নিয়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি ট্রাফিক জরিমানার নামে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে নগরবাসীর কাছে ভুয়া বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এসব এসএমএস সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অসত্য।

ডিএমপির ভাষ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ লঙ্ঘনের ঘটনায় এআই বা ভিডিও মামলার ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কোনও যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হলে সংশ্লিষ্ট মালিকের ঠিকানায় ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়। এছাড়া প্রয়োজনে শুধুমাত্র ০১৩২০-০৪২২০৭ এবং ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হয়ে থাকে বলেও জানানো হয়েছে।

ডিএমপি আরও জানায়, ট্রাফিক জরিমানার অর্থ কেবল অনুমোদিত অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম— উপায় ও সিবিবিএলের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। কোনও অবস্থাতেই ট্রাফিক বিভাগ মোবাইল ব্যাংকিং পিন, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি জানতে চায় না।

ট্রাফিক এআই বা ভিডিও মামলা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানতে ডেল্টা-৩ শাখা, ০১৩২০-০৪২২০৭, ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে ডিএমপি।

ঈদ উপলক্ষে প্রান্তিক যুব সংঘের মেহেদি উৎসব অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
ঈদ উপলক্ষে প্রান্তিক যুব সংঘের মেহেদি উৎসব অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ শিশুদের আনন্দঘন মুহূর্ত উপহার দিতে সাতক্ষীরার ইটাগাছা বাঙালের মোড়ে প্রান্তিক যুব সংঘের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী “মেহেদি উৎসব”।

মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) বিকাল ৪টায় আয়োজিত এ উৎসবে শিশুদের হাতে রঙিন মেহেদি পরিয়ে তাদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

“ছোট্ট হাতে মেহেদির ছোঁয়া, ঈদের আনন্দ হোক সবার চাওয়া” – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত উৎসবে অংশ নেয় এলাকার বেশ কয়েকজন বিশেষ ও সুবিধাবঞ্চিত শিশু। পুরো আয়োজনজুড়ে শিশুদের হাসি, আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।

আয়োজকরা জানান, সমাজের প্রান্তিক শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের ঈদ আনন্দকে আরও রঙিন করে তুলতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের হাতে মেহেদি পরানো ও আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রান্তিক যুব সংঘের সভাপতি হৃদয় মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক নুরজাহান খাতুন ময়না, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শ্রেয়া সরদার। এছাড়াও সংগঠনের সদস্য অরনা জামান, জারিন তাসনিম সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে শিশুদের হাসিমাখা মুখ ও আনন্দঘন পরিবেশ উপস্থিত সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। আয়োজকদের মতে, সমাজের প্রতিটি শিশুর মুখে হাসি ফোটানোই তাদের মূল লক্ষ্য। তারা মনে করেন, ছোট ছোট মানবিক উদ্যোগ সমাজে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

প্রান্তিক যুব সংঘ ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও মানুষের কল্যাণে এ ধরনের সৃজনশীল ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

সম্পর্কের গল্পে দীঘি ও আবুল হায়াত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
সম্পর্কের গল্পে দীঘি ও আবুল হায়াত

শিশুশিল্পী হিসেবে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। সময়ের সঙ্গে সেই ছোট্ট দীঘি এখন বড় পর্দার নায়িকা। একের পর এক সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি এবার দীর্ঘদিন পর নতুন বিজ্ঞাপনচিত্রে দেখা গেল তাকে।

মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন-এর জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনে ‘বাবা জানো, আমাদের একটা ময়না পাখি আছে না…’ সংলাপের মাধ্যমে দর্শকের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন দীঘি। সেই স্মৃতি এখনও অনেকের মনে গেঁথে আছে। এবার নায়িকা হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নতুন একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করলেন তিনি।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত এই বিজ্ঞাপনচিত্রটি তৈরি করেছে বিডি ইন্টেরিয়র। নির্মাণ করেছেন হিরু খান। বিজ্ঞাপনটির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে ছিলেন কিউ জামান।

বিজ্ঞাপনটিতে দীঘির সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন কিংবদন্তি অভিনেতা আবুল হায়াত। এর আগে শিশু শিল্পী থাকাকালে তার সঙ্গে কাজ করেছিলেন দীঘি। প্রায় ১৬ বছর পর আবারও একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন তারা।

নির্মাতা হিরু খান বলেন, “আবুল হায়াত ভাইয়ের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয়। কাজের বোঝাপড়াও দারুণ। আর দীঘি আমার অনেক কাছের। দুজনকে নিয়েই কাজটা খুব সুন্দরভাবে হয়েছে। মা-বাবা ও মেয়ের সম্পর্কের আবেগঘন গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর কিউ জামান জানান, গল্প লেখার সময় থেকেই আবুল হায়াত ও দীঘিকে মাথায় রেখেই পুরো ভাবনাটি তৈরি করা হয়েছিল। তার আশা, ঈদের আবহে বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের কাছে নতুন অনুভূতি এনে দেবে।

কাজটি নিয়ে দীঘি বলেন, “এই বিজ্ঞাপনে মূলত সম্পর্কের গল্প বলা হয়েছে। আর সহশিল্পী হিসেবে আবুল হায়াত আঙ্কেলকে পাওয়া আমার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা। তার সঙ্গে ১৬ বছর পর আবার কাজ করলাম। শিশু শিল্পী হিসেবে আগেও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি, তবে নায়িকা হওয়ার পর এটাই প্রথম। তার মতো একজন কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করলে অনেক কিছু শেখা যায়।”

সোমবার থেকে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু হয়েছে বিজ্ঞাপনচিত্রটির।