বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

দেবহাটায় লটারির মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন ঠিকাদার নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় লটারির মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন ঠিকাদার নির্বাচন

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিতব্য আবাসনের ঠিকাদার নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এই লটারি অনুষ্ঠিত হয়।

 

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৩য় পর্যায়ে অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এই আবাসন প্রকল্পের কাজ বরাদ্দ দিতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করে প্রকাশ্য লটারির আয়োজন করা হয়। লটারিতে প্রথম স্থান অর্জন করে মেসার্স রাকিব এন্টারপ্রাইজ। এছাড়া দ্বিতীয় মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে মেসার্স অহন এন্টারপ্রাইজ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুর রহমান, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা সন্দীপ মন্ডল, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওমর হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্যা ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল ওহাবসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ।

 

 

 

Ads small one

সাংবাদিক আমিরুজ্জামান বাবুর বোনের মৃত্যুতে সাংবাদিক নেটওয়ার্ক সাতক্ষীরার শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক আমিরুজ্জামান বাবুর বোনের মৃত্যুতে সাংবাদিক নেটওয়ার্ক সাতক্ষীরার শোক

দৈনিক সাতক্ষীরা সকালের নির্বাহী সম্পাদক আমিরুজ্জামান বাবুর বোন ও সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোদ্দাসেরুল হক হুদার স্ত্রী লাইলুন নাহার লিপি (৫৭) নিজ বাড়িতে স্ট্রোকজনিত কারণে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুমার মৃত্যুতে সাংবাদিক নেটওয়ার্ক সাতক্ষীরার পক্ষ থেকে গভীর শোক ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন সাংবাদিক নেটওয়ার্ক সাতক্ষীরার সভাপতি ফারুক রহমান ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আনিসুর রহমানসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

এক বছরে পাকিস্তানে ১৫ লাখ শিশু অনলাইন যৌন নিপীড়নের শিকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
এক বছরে পাকিস্তানে ১৫ লাখ শিশু অনলাইন যৌন নিপীড়নের শিকার

মাত্র এক বছরের ব্যবধানে পাকিস্তানের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ১৫ লাখ শিশু প্রযুক্তির মাধ্যমে নানা ধরনের যৌন শোষণ ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। ইউনিসেফ, ইকপ্যাট ইন্টারন্যাশনাল ও ইন্টারপোলের যৌথ এক গবেষণায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সংঘাত এবং জলবায়ু সংকট শিশুদের নতুন ও বহুমুখী ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

ইউরোপজুড়ে সুপারমার্কেটগুলোতে সাইবার হামলা, ফ্রিজিং ব্যবস্থা অচলইউরোপজুড়ে সুপারমার্কেটগুলোতে সাইবার হামলা, ফ্রিজিং ব্যবস্থা অচল
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে সোমবার (১২ অক্টোবর) সাধারণ পরিষদে নিজের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করার সময় জাতিসংঘের শিশুদের প্রতি সহিংসতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি নাজাত মালা মজিদ এ তথ্য জানান। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সংঘাত ছাড়াও জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে প্রায় সাড়ে চার কোটি শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি নিপীড়নের নতুন পথও উন্মুক্ত হচ্ছে বলে সতর্ক করেন মজিদ। তিনি এআই-সমর্থিত যৌন শোষণ, সাইবার বুলিং, ডিপফেক এবং অপরাধমূলক কার্যক্রমে শিশুদের জড়িয়ে পড়ার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত ‘ডিসরাপ্টিং হার্ম ইন পাকিস্তান’ শীর্ষক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রতি ১৬ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী শিশুর মধ্যে অন্তত একজন গত এক বছরে কোনও না কোনও ধরনের প্রযুক্তি-ভিত্তিক যৌন শোষণ বা অপব্যবহারের শিকার হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় যৌন চিত্র বা কথোপকথন, অন্তরঙ্গ ছবির দাবি, সম্মতির বাইরে শিশুর ছবি শেয়ার এবং যৌন হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের মতো ঘটনাগুলোর শিকার হয়েছে শিশুরা।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অনলাইনে যৌন নিপীড়নের বেশিরভাগ ঘটনাই অপরিচিতদের দ্বারা ঘটে না। শিশুদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধী ছিল তাদের পূর্বপরিচিত কেউ। আর এসব ঘটনার ৪৪ শতাংশই ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ভয় ও সামাজিক কলঙ্কের কারণে শিশুরা প্রায়ই সাহায্য চাইতে দ্বিধাবোধ করে। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, প্রযুক্তিভিত্তিক যৌন নিপীড়নের শিকার অর্ধেকের বেশি শিশু বিষয়টি কাউকে জানায়নি। এমনকি জরিপে অংশ নেওয়া কোনও শিশুই হেল্পলাইন, সামাজিককর্মী বা পুলিশের মতো আনুষ্ঠানিক মাধ্যমে তাদের অভিজ্ঞতার কথা জানায়নি।

দারিদ্র্য, বাস্তুচ্যুতি এবং অপরিহার্য সেবার অভাব শিশু সুরক্ষার সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন নাজাত মালা মজিদ।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

সম্পাদকীয়/ এলপিজি গ্যাসের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ এলপিজি গ্যাসের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আধুনিক জনজীবনে রান্নার অপরিহার্য জ্বালানি। কিন্তু দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মতো খুলনার পাইকগাছায় এই জ্বালানির সিলিন্ডার কিনতে গিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের যে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বাজারে চাহিদামতো গ্যাস না থাকা এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করার যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অবিলম্বে দূর করা প্রয়োজন।

পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, চলতি মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি সিলিন্ডার এলপিজিতে চার শতাধিক টাকা পর্যন্ত বেশি আদায় করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও নতুন সিলিন্ডারসহ গ্যাস কিনতে সাধারণ মানুষকে তিন থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। নি¤œ ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর জন্য এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা অত্যন্ত কঠিন। সংসারের অন্যান্য নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে গ্যাসের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে।

সংকট সৃষ্টির পেছনে মূলত সরবরাহ ঘাটতির কথা বলছেন পরিবেশক ও ব্যবসায়ীরা। কোম্পানির পক্ষ থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সরবরাহ ঘাটতির সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লুফে নিচ্ছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। প্রশাসন ও ডিলারদের মধ্যে সভা বা নির্দেশনা জারির খবর মিললেও মাঠপর্যায়ে তার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না। কেবল নির্দেশ দিয়েই দায় সারলে চলবে না; বাজারে তার বাস্তবায়ন কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

এলপিজির বাজার স্থিতিশীল রাখতে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ জরুরি। প্রথমত, কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক করতে হবে এবং নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, পাইকগাছা সহ উপকূলীয় জনপদে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে কি না, তা তদারকি করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে। অসাধু সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট তৈরিকারকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

জ্বালানির মতো একটি জরুরি খাতের নৈরাজ্য কোনোভাবেই চলতে পারে না। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে স্থানীয় প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস প্রাপ্তি এবং এর নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত হয়।