বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

নায়ক থেকে জননায়ক: নির্বাচনে ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ থালাপতি বিজয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
নায়ক থেকে জননায়ক: নির্বাচনে ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ থালাপতি বিজয়

বিনোদন ডেস্ক: তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয় এখন শুধু রূপালি পর্দার নায়ক নন, বরং তামিলনাড়ু রাজনীতির ভোটের মাঠে এক গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে উঠে এসেছেন।

নিজের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেটরি কাজগাম (টিভিকে) গঠনের পর তিনি সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।

ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে থালাপতি বিজয় নিজের ভোট প্রদান করেন এবং আঙুলে কালি দেখিয়ে গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের বার্তা দেন।

একইসঙ্গে তিনি ভোটারদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু এলাকায় দীর্ঘ লাইন, ভোটগ্রহণে ধীরগতি এবং পরিবহন সমস্যার কারণে ভোটাররা ভোগান্তিতে পড়ছেন। এ বিষয়ে তিনি ভোটের সময় বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং ভোটারদের সহজে কেন্দ্রে পৌঁছাতে অতিরিক্ত পরিবহন ব্যবস্থারও অনুরোধ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলচ্চিত্র জগতে বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে থালাপতি বিজয় এবারের নির্বাচনে একটি ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠেছেন, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমি একজন অভিনেতা—এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু আমি রাজনীতিতে অভিনয় করিনি।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত বোঝাতে চান যে, রাজনীতিতে তিনি কোনো নাটকীয়তা বা অভিনয়ের ভঙ্গিতে নন, বরং বাস্তব ও সিরিয়াসভাবে ভূমিকা রাখতে চান।

অন্যদিকে তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শেষ চলচ্চিত্র ‘জানা নায়াগান’ ঘিরে ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে বিদায়ী আবেগ তৈরি হয়েছে। সিনেমাটি নিয়ে নানা জটিলতা ও বিলম্বের কারণে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা তার রাজনৈতিক ব্যস্ততার সঙ্গেও যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৪ মে ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেদিনই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে সক্রিয় ভূমিকা, নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ এবং সিনেমা ক্যারিয়ার ঘিরে অনিশ্চয়তা—সবকিছু মিলিয়ে থালাপতি বিজয় এখন “নায়ক থেকে জননায়ক” হয়ে ওঠার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন।

Ads small one

কালিগঞ্জে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও সুশীলদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও সুশীলদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় 
বিশেষ প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, জনপ্রতিরিধি, রাজনৈতিক নেতা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।
 বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৩টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহার সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারি দায়িত্বে থেকে আমরা জনগনের জন্যে সর্বোচ্চ সেবাটুকু দিতে চাই। সাতাক্ষীরা জেলার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে মাদক, ইভটিজিং, ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভুমিকা রাখবো। সেক্ষেত্রে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতার প্রয়োজন। আমরা দল মত বুঝিনা, সরকার নির্দেশিত যাবতীয় কার্যক্রমে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে চাই। কালিগঞ্জের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা, জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ভুমিসেবাসহ জনকল্যাণমূলক সকল কাজ আমার প্রশাসন ভালোভাবে কাজ করবে। এর ব্যত্যয় হলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার মঈনুল ইসলাম খান, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম,  উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসীম উদ্দীন, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি গাজী মিজানুর রহমান, হাজী তফিল উদ্দীন দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শেখ শফিউল্লাহ, রিপোর্টার্স ক্লাবের নির্বাহী সদস্য রেদওয়ান ফেরদৌস রনি, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক সাইফুল ইসলাম।
মতবিনিময় সভায় উপজেলা প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষকমন্ডলী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সূধীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে কালিগঞ্জ পাইলট বালিকা বিদ্যালয়, মহৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নলতা কাশিবাটি গ্রামে নিহত শিশু ফারজানা খানমের বাড়িতে যান এবং তার পরিবারকে নগদ ১০হাজার টাকা প্রদান করেন।

কালিগঞ্জে শিশু ফারজানা হত্যার ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার, জেলা প্রশাসকের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে শিশু ফারজানা হত্যার ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার, জেলা প্রশাসকের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও কাশিবাটি গ্রামের এনামুল হকের মেয়ে ফারজানা সুলতানা হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের মা নাজমা খাতুন বাদি হয়ে একজনের নাম উল্লেখসহ অপ্সাতনামা তিন জনের বিরুদ্ধে বৃহষ্পতিবার রাতে এ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

 

বৃহষ্পতিবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাওছার আজিজ নিহত ফারজানা সুলতানার বাড়িতে যেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ন্যায় বিচারের আশ^াস দিয়ে তিনি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল্লাহ আল মামুন কালিগঞ্জ উপজেলার কাশিবাটি গ্রামের ও বর্তমানে একই উপজেলার কলুরমেদে গ্রামের শেখ আব্দুল লতিফের ছেলে ও গনপিটুনিতে নিহত সুমাইয়া খাতুনের ভাই।

এদিকে গণপিটুনিতে নিহত সুমাইয়া খাতুনের লাশ বুধবার রাত ১২টার দিকে কলুরমেদে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে পাশর্^বর্তী কবরস্থনে দাফন করা হয়।

মামলা ও ঘটনার বিবরণে জানা যায়. ফারজানা সুলতানা ৬৯ নং কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী। তার রোল নং-১। সম্প্রতি জন্মদিনে তার মা নাজমা খাতুন ২২ হাজার টাকা দিয়ে দুই আনা ওজনের একজোড়া সোনার দুল বানিয়ে দেন। বিদ্যালয়ের সামনে নিজ বাড়ি সংলগ্ন দোকানে ভাজা মুড়ি বিক্রি করতেন আমিনুল ইসলামের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। কয়েকদিন ধরে ফারজানাকে বিনা টাকায় ঝালমুড়ি খাওয়াতো সুমাইয়া। গত সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় শ্রেণীকক্ষের মধ্যে টেবিলের ড্রয়ারের মধ্যে ব্যাগ রেখে বাইরে চলে যায় ফারজানা। সে কোন ক্লাসে হাজির ছিল না। দুপুর একটায় ছুটির পর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে।

 

বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশকে অবহিত করে মাইকিং করা হয়। অন্যত্র অবস্থানকারি আব্দুল্লাহ আল মামুন ও তার বোন সুমাইয়া খাতুনকে মুঠোফোনে বাড়িতে ডেকে আনা হয় বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে। এ সময় পুলিশ তালা খুলে ওয়ালসোকেসের ভিতরে হাত ও পা বাঁধা ফারজানার লাশ উদ্ধার করে। সোয়া ছয়টার দিকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সুমাইয়াকে উঠানে ফেলে ইট দিয়ে থেঁতলে ও পিটিয়ে হত্যা করে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। রাত সাড়ে আটটার দিকে পুলিশ ফারজানা ও সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার কওে পরদিন দুপুরে ময়না তদন্তের জন্য দুটি লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

 

মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে কাশিবাটি টাইগার ক্লাব মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে ফারজানার লাশ দাফন করা হয়। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় বুধবার রাত ১২টার দিকে কুলির মেদে গ্রামের মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে পিতা লতিফ শেখের বাড়ির পাশে সুমাইয়ার লাশ দাফন করা হয়। বুধবার মামলা রেকর্ড হওয়ার পর বৃহষ্পতিবার ভোওে দেবহাটা উপজেলার সুবর্ণাবাদ গ্রামের নানা জেহের আলীর বাড়ির সামনে থেকে গোয়েন্দা পুলিশ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে। তবে মামলায় কি কারণে ফারজানাকে হত্যা করার হলো তা উল্লেখ করা হয়নি।

গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তার ভগ্নিপতি আমিরুল ইসলাম একজন জুয়াড়ি ও মাদকাসক্ত। সম্প্রতি তার বাবার কাছ থেকে এক হাজার টাকা নিয়ে সে গোপালগঞ্জে চলে যায় কাজের জন্য। জুয়া খেলতে ও নেশার টাকা যোগাতে আমিরুল তার বোনকে দিয়ে অনেক টাকা ঋণ করিয়েছে। সোমবার সকালে সে বোন সুমাইয়ার বাড়িতে গিয়েছিল উল্লেখ করে বলেন, ফারজানা নিখোঁজ হওয়ার পর দুপুর সোয়া একটার দিকে একটি অচেনা মোবাইল নম্বার থেকে তার কাছে ফোন আসে। জানতে চাওয়া হয় সুমাইয়া ও ফারজানা তাদের বাড়িতে গেছে কিনা। তার বোনের কাছে কিছু জানার চেষ্টা না করে বা তাকে কিছু বলার সূযোগ না দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করায় অনেক কিছুই অজানা রয়ে গেলো। উপরন্তু তাকেও এ মামলায় জড়ানো হলো। সে তার বোন হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করে বলে, ফারজানা হত্যার আসল ঘটনা চাপা দিতে তার বোনকে নির্মমভাবে ইট দিয়ে থেঁতলে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আব্দুর রহিম জানান, প্রকৃতপক্ষে ফারজানা হত্যার ব্যাপারে তারা এখনো অন্ধকারে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল্লাহ আল মামুনকে জিজ্ঞাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমা- আবেদন জানানো হবে।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল ইসলাম জানান, সুমাইয়া খাতুনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বৃহষ্পতিবার বিকেল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি। তবে ফারজানা হত্যার ঘটনায় তার মা নাজমা খাতুন বাদি হয়ে বুধবার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

 

দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদকের স্ত্রীর ইন্তেকাল, শুক্রবার জানাজা, বিভিন্ন মহলের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদকের স্ত্রীর ইন্তেকাল, শুক্রবার জানাজা, বিভিন্ন মহলের শোক

পত্রদূত রিপোর্ট: দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক আশেক-ই-এলাহী’র সহধর্মিণী রেহানা খাতুন বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩টা ১৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মে ২০২৬ সকালে নিজ বাড়িতে পা পিছলে পড়ে গুরুতর আহত হন রেহানা খাতুন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা জানান, তার কলার বোন (ক্ল্যাভিকল) ভেঙে গেছে। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

 

এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেও অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩টা ১৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মরহুমার নামাজে জানাজা ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার), বাদ জুমা, সাতক্ষীরা জেলার কুকরালী এলাকায় অবস্থিত তার পৈতৃক নিবাসে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে তার পিতা মরহুম রাহাত উল্লাহ’র কবরের পাশে দাফন করা হবে।

দৈনিক দক্ষিণের মশাল পরিবারের শোক:
দৈনিক দক্ষিণের মশাল পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি জানানো হচ্ছে। মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের শোক
এক বিবৃতিতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি আব্দুস সামাদ (বাংলাদেশের খবর), সাধারণ সম্পাদক আহসানুর রহমান রাজীব (এখন টিভি), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী (ঢাকা টাইমস ও দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস), নির্বাহী সদস্য (অর্থ) এসএম বিপ্লব হোসেন (মানবজমিন), নির্বাহী সদস্য (দপ্তর) এসএম জিন্নাহ (এনটিভি), শামীম পারভেজ (বৈশাখী টিভি), মোশারফ হোসেন (কালের কণ্ঠ), তানজির কচি (বাংলানিউজ), কৃষ্ণ ব্যানার্জি (প্রতিদিনের বাংলাদেশ ও নাগরিক টিভি), আসাদুজ্জামান সরদার (বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউন), রাহাত রাজা (গ্লোবাল টিভি), মোজাহিদুল ইসলাম (যুগান্তর), হাবিবুর রহমান সোহাগ (স্বদেশ প্রতিদিন), রিজাউল করিম (দ্য এডিটরস), শহীদুজ্জামান শিমুল (রানার), নাজমুস সাহাদাৎ জাকির (খবরের কাগজ), ইব্রাহিম খলিল (ঢাকা পোস্ট), মিলন রুদ্র (ভয়েস অব টাইগার), মৃত্যুঞ্জয় রায় অপূর্ব (বার্তা ২৪) এবং আলী মুক্তাদা হৃদয় (হৃদয় বার্তা)।

জেলা নাগরিক কমিটির শোক:
সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিবৃতি প্রদান করেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক এড আজাদ হোসেন বেলাল, সদস্য সচিব এড আবুল কালাম আজাদ, অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, মমতাক আহমেদ বাপ্পী, এম কামরুজ্জামান, কিশোরী মোহন সরকার, মানবাধিকার কর্মী মাদব চন্দ্র দত্ত, অধ্যক্ষ পবিত্র মোহন দাস, এড মনির উদ্দীন, কমরেড আবুল হোসেন, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, জি এম মনিরুজ্জামান, এড, আল মাহামুদ পলাশ, নিত্যা নন্দ সরকার, ফরিদা আক্তার বিউটি, মুশফিকুর রহমান মিলটন, সুরেশ পান্ডে, মুনসুর রহমান, বায়জিদ হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল প্রমুখ।

তালা প্রেসক্লাবের শোক
তাঁর মৃত্যুতে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার ও সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুক এক শোকবার্তায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় আরও শোক প্রকাশ করেন সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান; সহ-সভাপতি কাজী আরিফুল হক ভুলু, আছাদুজ্জামান রাজু ও খলিলুর রহমান লিথু; যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু; সহ-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন ও মো. খলিলুর রহমান; সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম; অর্থ সম্পাদক মো. মুতাহিরুল হক শাহিন; দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি; প্রচার সম্পাদক সেকেন্দার আবু জাফর বাবলু; উপ-প্রচার সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ; সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাস; সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজমল হোসেন জুয়েল; ক্রীড়া সম্পাদক কাজী লিয়াকত হোসেন; তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রিয়াদ হোসেন; নির্বাহী সদস্য প্রণব ঘোষ বাবলু, রোকনুজ্জামান টিপু, কে এম শাহিনুর রহমান, এস এম নাহিদ হাছান, শিরিনা সুলতানা, জয়দেব চক্রবর্তী, আজিজুর রহমান ও মো. ইমরান হোসেনসহ তালা প্রেসক্লাবের সকল সদস্য।