বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

নায়ক থেকে জননায়ক: নির্বাচনে ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ থালাপতি বিজয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
নায়ক থেকে জননায়ক: নির্বাচনে ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ থালাপতি বিজয়

বিনোদন ডেস্ক: তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয় এখন শুধু রূপালি পর্দার নায়ক নন, বরং তামিলনাড়ু রাজনীতির ভোটের মাঠে এক গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে উঠে এসেছেন।

নিজের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেটরি কাজগাম (টিভিকে) গঠনের পর তিনি সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।

ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে থালাপতি বিজয় নিজের ভোট প্রদান করেন এবং আঙুলে কালি দেখিয়ে গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের বার্তা দেন।

একইসঙ্গে তিনি ভোটারদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু এলাকায় দীর্ঘ লাইন, ভোটগ্রহণে ধীরগতি এবং পরিবহন সমস্যার কারণে ভোটাররা ভোগান্তিতে পড়ছেন। এ বিষয়ে তিনি ভোটের সময় বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং ভোটারদের সহজে কেন্দ্রে পৌঁছাতে অতিরিক্ত পরিবহন ব্যবস্থারও অনুরোধ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলচ্চিত্র জগতে বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে থালাপতি বিজয় এবারের নির্বাচনে একটি ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠেছেন, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমি একজন অভিনেতা—এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু আমি রাজনীতিতে অভিনয় করিনি।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত বোঝাতে চান যে, রাজনীতিতে তিনি কোনো নাটকীয়তা বা অভিনয়ের ভঙ্গিতে নন, বরং বাস্তব ও সিরিয়াসভাবে ভূমিকা রাখতে চান।

অন্যদিকে তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শেষ চলচ্চিত্র ‘জানা নায়াগান’ ঘিরে ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে বিদায়ী আবেগ তৈরি হয়েছে। সিনেমাটি নিয়ে নানা জটিলতা ও বিলম্বের কারণে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা তার রাজনৈতিক ব্যস্ততার সঙ্গেও যুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৪ মে ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেদিনই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে সক্রিয় ভূমিকা, নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ এবং সিনেমা ক্যারিয়ার ঘিরে অনিশ্চয়তা—সবকিছু মিলিয়ে থালাপতি বিজয় এখন “নায়ক থেকে জননায়ক” হয়ে ওঠার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন।

Ads small one

সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

সংবাদদাতা: নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ৩ দিনব্যাপী ‘উদ্যোক্তা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’-এর সাতক্ষীরা প্রকল্প কার্যালয়ে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুন্নাহার। তিনি নারী উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন এবং সমাজ ও অর্থনীতিতে নারীদের অনবদ্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সাথে তিনি অংশগ্রহণকারী নারীদের আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজস্ব উদ্যোগ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী দিনে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের প্রতিনিধি মো. মেহেদী হাসান। তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে মূল ফেসিলিটেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংস্থাটির কমিউনিটি মোবিলাইজার মাসুদ রানা এবং কো-ফেসিলিটেটর হিসেবে ছিলেন শাহনাজ পারভিন।

কর্মশালায় ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সী স্থানীয় ২০ জন নারী অংশ নেন। ঘরোয়া দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে ক্ষুদ্র ব্যবসা বা সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণে নারীদের উৎসাহিত করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

তিন দিনের এই প্রশিক্ষণে হাতে-কলমে ব্যবসায়িক বিষয়াবলী শেখানো হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ব্যবসার উদ্ভাবনী ধারণা নির্বাচন ও নতুন উদ্যোগের পরিকল্পনা, স্থানীয় বাজার বিশ্লেষণ ও বিপণন কৌশল সমস্যা-ভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও সঠিক ব্যবসা পরিকল্পনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং নারী নেতৃত্ব উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ শেষে অনুভূতি প্রকাশ করে অংশগ্রহণকারী নারীরা বলেন, এ আয়োজন থেকে অর্জিত জ্ঞান তাদের নতুন ব্যবসার ধারণা তৈরি ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে দারুণ ভূমিকা রাখবে।

 

ভবিষ্যতে টেকসই উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে পরিবারের পাশাপাশি সমাজের আর্থিক উন্নয়নে তারা অবদান রাখতে চান।

 

পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে পাইকগাছায় পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষ বিতারণ ও রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

“গাছ লাগাই- পরিবেশ বাঁচাই” এই প্রতিপাদ্যে ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার হিতামপুর গ্রামের সড়কের পাশে গাছের চারা লাগিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও ছড়াকার অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কচি।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধুরি রানী সাধু, সাংবাদিক আহম্মেদ আলী বাঁচা, সমাজ সেবক সুকনাথ পাল, কার্তিক বাছাড় প্রমুখ। হিতামপুর গ্রামীন সড়কে ৩০টা নিম, কদম, পেয়ারা ও হিজল গাছের চারা রোপন করা হয়।

বৃক্ষ আমাদের ছায়া, ফল, কাঠ, আক্সিজেন দেয়, কার্বনডাই অক্সাইড শোষন করে ও সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির উদ্যোগে ভাদ্র মাস পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ বিতারণ ও রোপন কর্মসূচি পালন করা হবে।

মিস্টিতে তেলাপোকাসহ নানা অভিযোগ, রাজ-পানসি-সোনারগাঁও রেস্তোরায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
মিস্টিতে তেলাপোকাসহ নানা অভিযোগ, রাজ-পানসি-সোনারগাঁও রেস্তোরায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা শহরের ৩টি রেস্তোরায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়েছে। এসময় ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করা, বাসি খাবার ফ্রিজে রাখা, মিষ্টিতে তেলাপোকা পাওয়া এবং কিডনি ডায়ালাইসিস করার ক্যামিকেল কেওড়া জল খাবারে ব্যবহারের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান ৩টি থেকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় জানায়, শহরের পলাশপোল এলাকায় অবস্থিত পানসী রেস্তোরার ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করাসহ কিছু বাসি খাবার ফ্রিজে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এছাড়া শহরের মুনজিতপুর এলাকায় অবস্থিত হোটেল রাজ এর ফ্রিজে বাসি গ্রিল রাখা, ফ্রিজ অপরিস্কার অপরিচ্ছন্ন থাকা, খাবার ঢেকে না রাখা, মিষ্টিতে ছোট একটি তেলাপোকা পাওয়া, দই-ফিরনিতে লেবেল না দেয়া, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করার অভিযোগে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অপরদিকে শহরের লাবনী মোড় এলাকায় অবস্থিত সোনারগাঁও রেস্তোরায় দই-ফিরনিতে লেবেল না দেয়া, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করা, ঝুল পরিস্কার না করা, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষিদ্ধ কেওড়া জল (যা কিডনি ডায়ালাইসিস করার ক্যামিকেল) খাবারে ব্যবহার করার অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তিনটি রেস্তোরাকে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় আরো জানায়, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ এর একটি চৌকশ টিমের সহায়তায় উক্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান তানভীর উক্ত অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এসময় জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য অফিসার দীপংকর দত্ত এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), সাতক্ষীরা এর নির্বাহী সদস্য জি এম ইশতিয়াক জামিল সহায়তা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালের শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তদারকি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।