শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

পাইকগাছায় গদাইপুর হাটে সুপারি বেচাকেনা জমে উঠেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় গদাইপুর হাটে সুপারি বেচাকেনা জমে উঠেছে

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে সুপারি বেচাকেনা বেশ জমে উঠেছে। উপজেলার গদাইপুর বাজারে সুপারির সব থেকে বড় বসে। সাপ্তাহিক হাটে সুপারির বেচা কেনা জমে উঠেছে। অক্টোবর-নভেম্বর মাস জুড়ে সুপারির ভরা মৌসুম চলে।

উপজেলার গদাইপুর, আগড়ঘাটা, বাকা, নতুন বাজার, কপিলমুনিসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণে সুপারি বিক্রি হচ্ছে। এ বছর সুপারির ফলন খুব বেশি ভাল হয়নি। ব্যবসাহীরা জানান, সুপারি পাকার শুরুতে দাম বেশী ছিলো, এখন দাম কিছুটা কমে গেছে। এখন সুপারির ভরা মৌসুম চলছে। ফলে বাগান মালিক, খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতারা সুপারি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে।

 

গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪শতটি। গাছ প্রতি ২ থেকে ৪ কাধি সুপারির ফলন ধরে। কোন কোন গাছে সর্বনিন্মে ৫০ থেকে ১৫০ আবার কোন কোন গাছে ৫শত থেকে ৬শত সুপারি ফলন হয়। লবণাক্ত এ উপজেলার ভূমির অবস্থান উচু ও বিলান, নিচু ও বিলান জমির পরিমাণ বেশী। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি, রাড়ুলীতে সুপারি গাছের পরিমাণ বেশী। চাঁদখালী ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় সুপারি গাছ রয়েছে। বাকী ইউনিয়নগুলোতে গাছ নেই বললেই চলে।

বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন হাটে সুপারি সরবরাহ করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পাইকারী সুপারি ক্রয় করে এলাকার বাইরে মোকাম গুলোতে বিক্রি করছে। তাছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা সুপারি ক্রয় করে গুদামজাত করছে। যা পরে শুকিয়ে বা পানিতে মজিয়ে পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে।

গদাইপুর গ্রামের সুপারি বাগান মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর সুপারির ফলন খুব ভাল হয়নি সে সাথে বাজার মূল্যও ভাল না। স্থানীয় সুপারি ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর বাজারে সুপারির পরিমাণ কিছুটা কম। সুপারির দাম উঠানামা করেছে, প্রথমে ৪শত থেকে ৫ শত টাকা কুড়ি বিক্রি হলেও এখন ২৫০ থেকে ৩শত টাকা দরে কুড়ি বিক্রি হচ্ছে। সুপারির হিসাব অঞ্চল হিসাবে ভিন্ন। এ এলাকায় এক কুড়ি ৫৫গোন্ডা অর্থাৎ ২২০টি সুপারি। ব্যবসায়ীরা স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারী সুপারি কিনে বড়দল, সোলাদানা, শান্তাসহ পাশ্ববর্তী হাট-বাজারের আড়ৎ গুলোতে সুপারি বিক্রয় করেন।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, সুপারি এ অঞ্চলের একটি অর্থকারী গুরুত্বপূর্ণ ফসল। তাছাড়া এ এলাকার সুপারির মানও ভালো। তবে লম্বা সুপারি গাছ গুলো মরে যাওয়ায় অথবা কেঁটে ফেলায় নতুন করে সুপারির বাগান তেমন একটা গড়ে উঠছে না। তাই কৃষি অফিস থেকে নতুন করে সুপারি বাগান তৈরীর জন্য বাগান মালিক ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

Ads small one

সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীর আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীর আহ্বান

সাতক্ষীরার মায়ের বাড়ি মন্দিরে আলোচনা সভা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার মায়ের বাড়ি মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে সব ধর্মের মানুষের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি বলেন, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের ধারা বজায় রাখতে সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. শের আলী, সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আব্দুস সামাদ, জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, সাতক্ষীরার জিপি অসীম কুমার ম-ল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টো, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন রাজু, জেলা কৃষক দলের সাবেক আহ্বায়ক আহসানুল কাদির স্বপন, জেলা বিএনপির সদস্য প্রভাষক আতাউর রহমান, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু রায়হান ও সাধারণ সম্পাদক দুদায়াভ মাসুদ অর্ঘ্য। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মন্দির সমিতির সভাপতি সোমনাথ ব্যানার্জি।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: জনবসতি ও পৌরসভার অভ্যন্তরে বেআইনি ইটভাটা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: জনবসতি ও পৌরসভার অভ্যন্তরে বেআইনি ইটভাটা

সাতক্ষীরার শ্যামনগর পৌরসভার সোনারমোড় এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের কোনো অনুমতি ব্যতিরেকেই বহাল তবিয়তে দুটি বৃহৎ ইটভাটা গড়ে তোলার খবর উদ্বেগজনক। ইট প্রস্তুত ও ইটভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ অনুযায়ী, পৌরসভা এলাকা, জনবসতি, কৃষিজমি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি স্থানে ইটভাটা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ সব আইনি বিধিনিষেধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনবসতি, বাজার, মাদ্রাসা ও কলেজের অতি সন্নিকটে এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেদনে স্পষ্ট যে, স্থানীয় অধিবাসীরা অতীতেও এই ইটভাটাগুলোর কারণে শ্বাসকষ্টসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি, কৃষিজমির ক্ষতি এবং পরিবেশদূষণের নির্মম শিকার হয়েছেন। নতুন করে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে এই জিগজ্যাগ ইটভাটা দুটি নির্মাণের প্রক্রিয়া স্থানীয় জনজীবন, কোমলমতি শিক্ষার্থী এবং আশপাশের পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেবল পৌরসভার একটি ট্রেড লাইসেন্সকে পুঁজি করে কীভাবে ছাড়পত্র ছাড়া এমন পরিবেশবিনাশী কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের অজ্ঞাতে পৌরসভার অভ্যন্তরে এ ধরনের মেগা স্থাপনা তৈরি হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। স্থানীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ইটভাটা দুটিকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ বা ‘অবৈধ’ আখ্যা দিলেও সেগুলোর নির্মাণকাজ সচল থাকা প্রমাণ করে যে তদারকির ক্ষেত্রে বড় ধরনের শৈথিল্য রয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শুধু আইনি পদক্ষেপের বার্তা দেওয়া যথেষ্ট নয়, বরং দৃশ্যমান ও কঠোর উচ্ছেদ অভিযান এখন সময়ের দাবি।

পৌরসভা এলাকা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় যেকোনো মূল্যে এই অবৈধ নির্মাণকাজ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথ অভিযানের মাধ্যমে বেআইনিভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেÑএমনটাই প্রত্যাশা।

কলারোয়ায় পূজাম-পে শাড়ি বিতরণ করলেন জেলা যুবদল নেতা চন্দন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় পূজাম-পে শাড়ি বিতরণ করলেন জেলা যুবদল নেতা চন্দন

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পূজাম-পে নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন।
দুর্গাপূজার সপ্তমীতে উপজেলার তুলসীডাঙ্গা ঘোষপাড়া মাতৃ পূজা মন্দিরে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সহযোগিতায় নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেন তিনি। এ ছাড়া উপজেলার গোপীনাথপুর দক্ষিণ ও মুরারিকাটি দক্ষিণ পূজাম-পেও অনুরূপভাবে শাড়ি বিতরণ করেন মমতাজুল ইসলাম চন্দন। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে আয়োজিত এ শাড়ি বিতরণকালে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় মমতাজুল ইসলাম চন্দন বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু আনন্দ ও উৎসবের উপলক্ষ নয়, এটি অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তাও বহন করে। তিনি সবাইকে আনন্দ-উৎসাহের মধ্য দিয়ে শারদীয় উৎসব উদযাপনের আহ্বান জানান।
শাড়ি বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কলারোয়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রকাশ চন্দ্র হালদার, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস (দেবু), স্বপন কুমার পাল, নিশীত রায় চৌধুরী, প্রদীপ পাল (ঝুনি), চয়ন কুমার কু-ু, সরজিত, জয়ন্ত, শম্ভু, রঞ্জিত, দীপক ঘোষ, অমিত চৌধুরী ও অসিত ঘোষসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।