বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

প্লাস্টিক দূষণের বৈশ্বিক সংকট ও বাংলাদেশের করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
প্লাস্টিক দূষণের বৈশ্বিক সংকট ও বাংলাদেশের করণীয়

আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতিবছর ৩ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করাই এ দিবসের লক্ষ্য। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর ক্রমবর্ধমান হুমকির প্রেক্ষাপটে দিবসটির গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।
প্লাস্টিক আধুনিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও এর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত সংকট সৃষ্টি করছে। ২০০৮ সালে স্পেনভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন ‘রেজেরো’ প্রথম এ দিবস পালন শুরু করে। পরে ‘ব্যাগ ফ্রি ওয়ার্ল্ড’ ও ‘ব্রেক ফ্রি ফ্রম প্লাস্টিক’ আন্দোলনের মাধ্যমে এটি আন্তর্জাতিক সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে পরিণত হয়।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৪০০ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক উৎপাদিত হয়, যার প্রায় অর্ধেকই একবার ব্যবহারযোগ্য। বছরে ৫ ট্রিলিয়নেরও বেশি প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহৃত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি প্লাস্টিক ব্যাগ সম্পূর্ণভাবে পচতে শত শত বছর সময় লাগে, এ সময়ে তা ভেঙে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়, যা এখন সমুদ্র, নদী, মাটি, এমনকি মানুষের রক্ত, ফুসফুস ও মাতৃদুগ্ধেও পাওয়া যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা এটিকে মানবস্বাস্থ্যের জন্য নতুন বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছেন।

প্লাস্টিক দূষণের সবচেয়ে বড় শিকার সামুদ্রিক পরিবেশ। প্রতিবছর আনুমানিক ৮ থেকে ১১ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে প্রবেশ করে। এর ফলে মাছ, কচ্ছপ, ডলফিন, তিমি ও সামুদ্রিক পাখিসহ অসংখ্য প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ সামুদ্রিক পাখি এবং এক লক্ষের বেশি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী প্লাস্টিক দূষণের কারণে মারা যায়। ফলে সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খল ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এছাড়া বর্জ্যের একটি বড় অংশ ভূমিতে জমা হয়ে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। মানবস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব উদ্বেগজনক। খাদ্য, পানি ও বাতাসের মাধ্যমে মাইক্রোপ্লাস্টিক মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে। গবেষণায় এর সঙ্গে হৃদরোগ, শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা, হরমোনজনিত সমস্যা, প্রজনন সমস্যা এবং ক্যানসারের ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশে প্লাস্টিক দূষণের প্রভাব আরও স্পষ্ট। জনসংখ্যার ঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সচেতনতার অভাবে প্লাস্টিক বর্জ্য দ্রুত পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে। ড্রেন, খাল ও নদীতে জমে থাকা প্লাস্টিক নগর জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। একই সঙ্গে নদীনির্ভর জীববৈচিত্র্য, কৃষি ও মৎস্যসম্পদও ক্ষতির মুখে পড়ছে। প্লাস্টিক পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট বায়ুদূষণ মানুষের শ্বাসতন্ত্রের রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আইন প্রনয়ন করে পাতলা পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করে, আইনে পলিথিন উৎপাদনের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদ- বা ২ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দ-ের বিধান রয়েছে। এছাড়া, পলিথিন বিক্রি, প্রদর্শন ও বিতরণের জন্য সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদ- বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা রাখা হয়েছে। তবে আইন থাকা সত্ত্বেও এর কার্যকর বাস্তবায়নে এখনও ঘাটতি। তাই আইন প্রয়োগের পাশাপাশি কাপড়, পাট ও অন্যান্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহার বাড়ানো এবং জনসচেতনতা জোরদার করা জরুরি।

 

আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস আমাদের মনে রাখতে হবে যে পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি প্রতিটি নাগরিকেরও কর্তব্য। একটি প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তই হতে পারে পরিবেশ রক্ষার বড় পদক্ষেপ। সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং পরিবেশবান্ধব অভ্যাসের মাধ্যমেই আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তুলতে পারি।

Ads small one

কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার ও রেকর্ড সংশোধনের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার ও রেকর্ড সংশোধনের দাবি

সংবাদদাতা: কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।

আবেদনপত্র সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক জমি ২ নম্বর খতিয়ানে এবং ১৫ শতক জমি ২/১ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয়, যা বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নম্বর খতিয়ানের ৯৬৫ নম্বর দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক জমি ভুলবশত ‘পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দান’-এর নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী এই জমির প্রকৃত মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই রেকর্ড সংশোধন বিধিসম্মতভাবে করার দাবি জানানো হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, বিদ্যালয় চত্বরের প্রায় মাঝখানে ঈদগাহ ময়দান থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই জমি পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন।

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রটি পর্যালোচনা করে জমি উদ্ধারের পক্ষে সুপারিশ করেছেন।

 

কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু: ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু: ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এক মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
নিহত কিশোরীর নাম ফারিয়া ইয়াসমিন তিশা (১৬)। সে উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের বাগদহা গ্রামের ঠিকাদার মো. আলমগীর হোসেনের ছোট মেয়ে এবং ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১ জুলাই (বুধবার) তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একই গ্রামের মো. আহাদ আলীর ছেলে রাজিদুর রহমান নিশানের (২১) সঙ্গে ওই কিশোরীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের দাবি, রাজিদুর কৌশলে কিশোরীর কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে এবং পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে। এই মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরেই তিশা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করছে তার পরিবার।
আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ময়নাতদন্তের (পোস্টমর্টেম) প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। প্রতিবেদন পেতে আনুমানিক ৩০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে। তবে পুলিশ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন আলোচনার বিষয়ে এসআই শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, অনেক সময় না জেনে অপতথ্য ছড়ানো হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার আগে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ জানান।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা, যাতে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

 

পত্রদূতে সংবাদ প্রকাশের জের: শ্যামসুন্দর মঠ সংস্কারে নামছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
পত্রদূতে সংবাদ প্রকাশের জের: শ্যামসুন্দর মঠ সংস্কারে নামছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর

মিলন বিশ্বাস: দৈনিক ‘পত্রদূত’ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে টনক নড়েছে প্রশাসনের। অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের মুখে পড়া সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া গ্রামের ঐতিহাসিক ‘শ্যামসুন্দর মঠ-মন্দির’ রক্ষায় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে খুলনা প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর।
গত ১৯ জুন অনলাইন ও ২২ জুন প্রিন্ট ভার্সনে দৈনিক পত্রদূতে “দাঁড়িয়ে আছে একাকী, ভাঙা দেয়ালে কান পাতলে আজও মেলে ৪০০ বছরের ইতিহাস” শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই অনন্য পুরাকীর্তির জরাজীর্ণ দশা, মাদকসেবীদের উপদ্রব এবং প্রতœতত্ত্ব বিভাগের দীর্ঘদিনের উদাসীনতার চিত্র সবিস্তারে তুলে ধরা হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর পরই সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রাথমিকভাবে মন্দির প্রাঙ্গণ ও মূল ভবনে সংস্কার কাজের সূচনা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় মন্দির জুড়ে জন্ম নেওয়া পরগাছা, আগাছা নির্মূল এবং চারপাশের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ পুরোদমে চালানো হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, পত্রদূতের খবরের পর এমন দ্রুত পদক্ষেপ তারা আগে কখনো দেখেননি।
খুলনা প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক মো. মহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, পত্রদূতের প্রতিবেদনটি তাদের বিশেষ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। শত বছরের এই প্রাচীন ঐতিহ্যকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে তারা আর সময় নষ্ট করতে চান না।
তিনি আরও জানান, “আমরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। আজ থেকে মঠটির সুরক্ষায় প্রাথমিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও আগাছা পরিষ্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। এছাড়া মূল অবকাঠামোর সংস্কার কাজের রূপরেখা তৈরি ও বাস্তব অবস্থা সশরীরে খতিয়ে দেখতে আগামী সপ্তাহেই প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসছে।”
জরুরি ভিত্তিতে এই কাজ শুরু হওয়ায় সোনাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা, দর্শনার্থী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের হাওয়া বয়ে যাচ্ছে।
মন্দিরের সভাপতি দেবপ্রিয় চৌধুরী এবং সেবাইত সুবপ্রসাদ চৌধুরী পত্রদূত-কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “পত্রদূত পত্রিকায় আমাদের আকুতি আর মন্দিরের বাস্তব চিত্রটি সঠিকভাবে ফুটে ওঠায় আজ প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। আজ থেকে আগাছা ও ময়লা পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে, যা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। আমরা চাই আগামী সপ্তাহের পরিদর্শনের পর দ্রুত মূল ভবনের স্থায়ী সংস্কার কাজও শুরু হোক।”