মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

বাংলাদেশকে ইনিংসে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশকে ইনিংসে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের ইতিহাস

তিনদিনের মধ্যে হারারের একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৮৫ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে জিম্বাবুয়ে। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো টানা দুই ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের কীর্তি গড়েছে তারা। গত বছরের অক্টোবরে আফগানিস্তানকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর পর এবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলো স্বাগতিক দল। তাদের টেস্ট ইতিহাসে বড় জয়ের নজিরও এটি। এছাড়া বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের মাটিতে ইনিংস ব‍্যবধানে হার দেখেছে ২৫ বছর পর। সর্বশেষ এমন স্বাদ পেয়েছিল সেই ২০০১ সালে!

ম্যাচের প্রথম দিনেই জয়ের ভিত গড়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। তাদের পেসারদের দাপটে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়ার ব্যাটে সেই রান দ্রুতই পুষিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা।

শুরুটা ভালো করার পর ব্যক্তিগত ১৪০ রান করেন কাইয়া। ম্যাচসেরাও তিনি। এছাড়া ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্রেইগ আরভিন ও ব্রায়ান বেনেটের অর্ধশতকে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চেয়ে ২৭০ রানের বড় লিড পায় জিম্বাবুয়ে। প্রথম ইনিংসে করে ৪১০ রান। সেটাই হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য যথেষ্ট!

বিশাল লিডের পর ব্লেসিং মুজারাবানি ও বাকিদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। অলআউট হয় ১৮৫ রানে। উল্লেখযোগ্য বলতে মুশফিকুর রহিমের ৩৪ রানই ছিল এই ইনিংসে সর্বোচ্চ। ৩০ রান করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৫ রান করেছেন অভিষিক্ত অমিত হাসান।

মুজারাবানি ৬৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ৩২ রানে ৩টি নিয়েছেন রিচার্ড এনগারাভা। দুটি নিয়েছেন নিউম্যান নিয়ামহুরি।

Ads small one

পর্যটন ভিসা চালুর সুসংবাদ: প্রাণচাঞ্চল্য ফিরছে ভোমরায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
পর্যটন ভিসা চালুর সুসংবাদ: প্রাণচাঞ্চল্য ফিরছে ভোমরায়

এম শফিকুল ইসলাম

বহু জল্পনা-কল্পনা আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে কাটল ভারতের ভ্রমণ (ট্যুরিস্ট) ভিসার জটিলতা। দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক টানাপোড়েন একপাশে সরিয়ে রেখে আবারও শুরু হয়েছে ভ্রমণ ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া। পরিবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যে গত রবিবার (২২ জুন) থেকে বাংলাদেশিদের জন্য এই ভিসা কার্যক্রম উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদি পর্যটন ভিসা চালুর এই ঘোষণা দেন। আর এই ঘোষণার পর থেকেই দুই দেশের পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে আনন্দের হাওয়া বইছে। প্রায় দুই বছর ভ্রমণ ভিসা বন্ধ থাকায় যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গিয়ে এখন তৈরি হয়েছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।

ভিসা চালুর খবরে সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর এলাকাসহ জেলা ও উপজেলার বন্ধ থাকা ভিসা আবেদন সহযোগী এজেন্সিগুলো একে একে খুলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ স্থবিরতা কাটিয়ে অফিসগুলোতে ফিরে এসেছে কর্মচঞ্চলতা। অনলাইন আবেদন করতে গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ছুটে আসছেন ভ্রমণপ্রত্যাশীরা।

ভোমরা বন্দরের ভারতীয় ভিসা আবেদন এজেন্সির ব্যবসায়ী মো. সুমন জানান, হাইকমিশনের ঘোষণার পর থেকেই ভিসা আবেদনের ধুম পড়েছে। দ্রুত সেবা দিতে দিনরাত কাজ করছেন তারা। জেলার একাধিক ভিসা আবেদন এজেন্সির মালিকেরা জানান, গত ৫ আগস্টের পর সাতক্ষীরায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রটি (আইভ্যাক) বন্ধ রয়েছে। তাই আপাতত ভ্রমণপ্রত্যাশীদের অনলাইনে আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঢাকাস্থ হাইকমিশন কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে দেশের সবকটি ভিসা আবেদন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তে পর্যটক না থাকায় গত দুই বছর ধরে চরম আর্থিক অনটনে দিন কাটছিল স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকদের। ভোমরা বন্দরের সিএনজিচালক আব্দুস সবুজ বলেন, “আমাদের সিএনজি, মাহিন্দ্র ও লেগুনা সার্ভিস পুরোপুরি পাসপোর্টধারী যাত্রী ও বিদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল। ভ্রমণ ভিসা বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন কোনো পর্যটক ছিল না। স্থানীয় যাত্রী টেনে কোনো রকমে বেঁচে ছিলাম। এখন ভিসা চালু হলে আমাদের সুদিন ফিরবে।”

ভ্রমণ ভিসা চালুর ঢেউ লেগেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরেও। সেখানকার ব্যবসায়ী, দোকানদার ও পর্যটক সেবা দেওয়া অফিসগুলোতে উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে।

ভারত থেকে চিকিৎসা শেষে ফিরে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রী রবিন মন্ডলসহ কয়েকজন জানান, পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতার ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বাংলাদেশি পর্যটকদের স্বাগত জানাতে ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কলকাতার বড় বড় মার্কেটগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কলকাতার ‘মিনি বাংলাদেশ’ খ্যাত নিউ মার্কেট এলাকা ও আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছিল। এখন সুসংবাদ পেয়ে অনেক ব্যবসায়ী মিষ্টি বিতরণ করে উল্লাস প্রকাশ করেছেন।

ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ভ্রমণ ভিসা চালু হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। এই কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হলে প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ দেশি-বিদেশি পর্যটক যাতায়াত করবেন। পর্যটকদের দ্রুত সেবা দিতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ সব সময়ই প্রস্তুত।

ভোমরা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মোস্তফা কামাল বলেন, দীর্ঘদিন ভ্রমণ ভিসা বন্ধ থাকায় শুধু মেডিকেল ভিসার যাত্রীরা যাতায়াত করতেন। কিন্তু ক্যান্সারে আক্রান্ত বা প্রতিবন্ধী মেডিকেল যাত্রীরা ভ্রমণ করের (রাজস্ব) আওতামুক্ত থাকায় এই খাত থেকে রাজস্ব অর্জনে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এখন ভ্রমণ ভিসা পুরোদমে চালু হলে সরকারের কোটি কোটি টাকার ভ্রমণ কর অর্জিত হবে।

লেখক: নাট্যকর্মী

 

 

 

 

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ১

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে আড়াই লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও ৩১ পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ২৯ ও ৩০ জুন সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ বৈকারী, মাদরা, ভোমরা ও কালিয়ানী বিওপির টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ভোমরা বিওপির টহল দল সীমান্ত মেইন পিলার-৩ থেকে ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভোমরা ফলমোড় এলাকায় তল্লাশি চালায়। এ সময় বিজিবির ডগ স্কোয়াডের ‘লিজা’ নামের কুকুরের সহায়তায় সন্দেহভাজন সুজন গাজী (২১) নামের এক যুবকের শরীর তল্লাশি করে ৩১ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আটক সুজন সাতক্ষীরা সদর থানার চৌবাড়িয়া গ্রামের মিলন গাজীর ছেলে।

এছাড়া পৃথক অভিযানে বৈকারী সীমান্ত থেকে ৭০ হাজার টাকার, মাদরা সীমান্ত থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকার এবং কালিয়ানী সীমান্ত থেকে ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও চোরাচালান পণ্যের মোট মূল্য ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩০০ টাকা। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব মালামাল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল।

 

 

 

 

আশাশুনিতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে এ্যাসিসটিভ ডিভাইস (সহায়ক উপকরণ) বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে এই উপকরণ বিতরণ করা হয়।

পিইডিপি-৪ (চঊউচ-৪) প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিশুদের হাতে উপকরণ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। অনুষ্ঠানে ৫ জন শিক্ষার্থীকে হুইল চেয়ার, ২ জনকে ক্রাচ, ৩ জনকে চশমা এবং ৩ জনকে শ্রবণযন্ত্র প্রদান করা হয়।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ, ঝংকার ঢালী, আশেকুজ্জামান, নয়ন কুমার সাহা ও সোহাগ আলমসহ শিক্ষা অফিসের কর্মচারীবৃন্দ।