মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে কবে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে কবে?

ধর্ম ডেস্ক: চলতি বছরে পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনায় ৬ দিনের সরকারি ছুটি অনুমোদন করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রিপরিষদ।
সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আরবি ক্যালেন্ডারের শেষ মাস জিলহজ সম্ভবত আগামী ১৮ মে থেকে শুরু হতে পারে। এই মাসের ১০ তারিখে উদযাপিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা, আর এর আগের দিন পালিত হয় আরাফাতের দিন। ঐ দিনই হজের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, যখন হজযাত্রীরা আরাফাতের প্রান্তরে সমবেত হয়ে অবস্থান করেন।

সে অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২৬ মে (মঙ্গলবার) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরদিন ২৭ মে (বুধবার) পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা।

এ সম্ভাব্য সময়সূচি বিবেচনায় নিয়েই সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রিপরিষদ ছুটির অনুমোদন দিয়েছে। দেশটিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি থাকে ২ দিন— শনিবার ও রোববার, ফলে ৩০ ও ৩১ মে পড়ছে সেই সাপ্তাহিক অবকাশে। হজ পালনের দিন ২৬ মে সরকারি ছুটি হিসেবে নির্ধারিত থাকবে। পাশাপাশি ২৭ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবারের ঈদুল আজহা ঘিরে আগামী ২৬ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মোট ৬ দিন সরকারি ছুটি উপভোগ করবেন দেশটির বাসিন্দারা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মিল রেখে সৌদি, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমান— এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশেই একই তারিখে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশে কবে হতে পারে ঈদুল আজহা?

ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার প্রথা অনুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর ঈদ পালিত হয়। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর, যা জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।

Ads small one

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন। এ ছাড়া ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তিনি ৬৩ বছর বয়সে ওফাত লাভ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমান এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একাত্মবাদের দাওয়াত দিয়ে সত্য-ন্যায়, শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে। মহান আল্লাহ তাঁর ওপর নাজিল করেন পবিত্র কোরআন। মুসলিম উম্মাহ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদ্যাপন করে থাকে। এ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতে মগ্ন থাকেন। অনেকে নফল রোজা রাখেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জশনে জলুস (আনন্দ শোভাযাত্রা), আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নানা ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রধান শহরগুলোয় সুষ্ঠু ও নিরাপদে শোভাযাত্রা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু, শান্তি, সাম্য ও ইনসাফের প্রতীক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত মাহান্বিত দিনÑপবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ই রবিউল আউয়াল শুধু মুসলিম জাহানের জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক অনন্য ও বৈপ্লবিক মাইলফলক। যে সময়ে আরব সমাজ চরম অজ্ঞতা, অরাজকতা, সহিংসতা ও অমানবিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলÑইতিহাসে যা ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিতÑঠিক সেই প্রাক্কালে আল-আমিন বা পরম বিশ্বাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীকে মুক্তির আলো দেখিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজগতের সব জাতি ও মানুষের জন্য সার্বজনীন হেদায়েতের মশাল। তিনি তাঁর আদর্শ ও চরিত্র দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত সমাজকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার। ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কাঠামোর কালজয়ী দলিল।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যখন সারা বিশ্বে হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, যুদ্ধ, অন্যায় এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাকে নতুন করে লালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা বা মিলাদ মাহফিলের মধ্যে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী-এর তাৎপর্যকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আসল উদ্যাপন লুকিয়ে আছে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্নাহ ও নীতি-আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সৎ, আমানতদার ও ইনসাফভিত্তিক আচরণের চর্চা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।
মানবিক সেবা: সমাজে দুস্থ, এতিম, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করা।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। প্রিয় নবী (সা.)-এর মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা দূর করাই হোক আজকের দিনের দৃঢ় অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিময় জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।

 

 

 

 

ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ মোল্লার বাবা শামছুর রহমান মোল্লা (৮৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিডিএফ প্রেসক্লাবের নেতারা।