বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

মনিরামপুরে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৬ গ্রাম প্লাবিত, ভবদহে দুর্ভোগ চরমে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
মনিরামপুরে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৬ গ্রাম প্লাবিত, ভবদহে দুর্ভোগ চরমে

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মনিরামপুরে মুক্তেশ্বরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে নতুন করে ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে ভবদহ অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা আগে থেকেই পানির নিচে ছিল। এর মধ্যে বাঁধ ভেঙে নতুন করে লোকালয়ে পানি ঢোকায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
উপজেলার লখাইডাঙ্গা গ্রামের কাছে মুক্তেশ্বরী নদী ও বিল কেদারিয়ার ৩ নম্বর বেড়িবাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে পাঁচাকড়ি, বালিদাহ, নেহালপুর, লখাইডাঙ্গা, দিঘলিয়া ও পোড়াডাঙ্গা গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবদহ স্লুইসগেট দিয়ে পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হচ্ছে। ভবদহসংলগ্ন অর্ধশতাধিক গ্রামের সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয় পানিতে ডুবে গেছে। শত শত মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পানিবন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন প্রায় এক লাখ মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খালের ৮১.৫ কিলোমিটার খননকাজ চলমান রয়েছে। গত বছরের অক্টোবর থেকে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হরিহর, হরি, তেলেগাতী, আপার ভদ্রা, টেকা ও শ্রী নদী খনন শুরু হয়। ইতোমধ্যে হরি ও তেলেগাতী নদীর ২০ কিলোমিটার এবং টেকা নদীর ৭ কিলোমিটার খনন সম্পন্ন হয়েছে। তবে নতুন করে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় প্রকল্পের কার্যকরিতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবদহ স্লুইসগেটের কপাটগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে না। চারটে পাম্পের সাহায্যে পানি সেচ দেওয়া হচ্ছে এবং আরও পাঁচটি পাম্প বসানোর কাজ চলছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী জানান, পানি চলাচলের বাধা দূর করতে পলি অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া এলাকায় তেলেগাতী নদীতে বাঁধ দিয়ে খননকাজ চলায় পানির প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং ৫০০-৬০০ মিটার এলাকা জুড়ে পলি জমেছে। এর প্রভাবে মনিরামপুর, অভয়নগর, কেশবপুর ও ডুমুরিয়ার প্রায় ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
ভবদহ পানি সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, খননের পরও পলি জমা প্রমাণ করে যে শুধু নদী খনন করে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। স্থায়ী সমাধানের জন্য অবিলম্বে টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট (টিআরএম) চালু করা প্রয়োজন।

Ads small one

সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী বনদস্যুরা আবারও সক্রিয়? জেলেদের অভিযোগে নতুন আতঙ্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী বনদস্যুরা আবারও সক্রিয়? জেলেদের অভিযোগে নতুন আতঙ্ক

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সুন্দরবনে আত্মসমর্পণকারী কয়েকজন সাবেক বনদস্যু আবারও বিভিন্ন সক্রিয় ডাকাত দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডাকাতি ও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বনদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকার পর সম্প্রতি ফিরে আসা কয়েকজন জেলে এমন অভিযোগ করেছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা বন বিভাগের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার গনি সানার ছেলে ননে সানা, লোকমানের ছেলে বাবু এবং দাতিনাখালী এলাকার মনতেজ সরদারের ছেলে আসাদুল (ননি গোপাল) গত কয়েকদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন ডাকাত দলের সঙ্গে মিশে পুনরায় বনদস্যু কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বনদস্যুদের কাছ থেকে মুক্ত হয়ে ফেরা একাধিক জেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সুন্দরবনের ভেতরে এখনও কয়েকটি সশস্ত্র ডাকাত দল সক্রিয় রয়েছে। তারা জেলেদের নৌকা থামিয়ে জিম্মি করছে এবং মুক্তিপণ আদায় করছে। এসব দলে আত্মসমর্পণকারী কয়েকজন সাবেক বনদস্যুকেও দেখা গেছে বলে তাদের দাবি।

স্থানীয় বনজীবীদের মধ্যে এ ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা সুন্দরবনে নিরাপদে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ নিশ্চিত করতে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সুন্দরবনে বনদস্যুদের পুনরায় সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে এবং সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলেও তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয় নাই।

শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় বুধবার(৫ আগস্ট) বিকালে উপজেলা পরিষদ হল রুমে শ্যামনগর ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের আয়োজনে বেল্ট পরীক্ষার ফলাফল ও বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যসহ উত্তীর্ণদের মাঝে বেল্ট প্রদান করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ রাশেদ হোসাইন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এস এম দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের প্রশিক্ষক জি এম রাজগুল বাহার রাজু। ফলাফল অনুযায়ী সাদা থেকে হলুদ বেল্ট প্রাপ্তদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন রাফিন, মাইনুল বুশরা, ২য় রাহাত, ৩য় তৈয়েব, ৪র্থ আজমাইন ও আফিফ, ৫ম মাইশা, ৬ষ্ঠ মেহেতাজ, ৭ম নিলয় ও ৮ম মাহির। হলুদ বেল্ট থেকে কমলা বেল্ট প্রাপ্তদের মধ্যে ১ম রাফিন ও ইমন,২য় তামিম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক রনজিৎ বর্মন, শিক্ষক কওছারসহ অভিভাবকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে অতিথিবৃন্দকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ভারত পাচারকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে স্বর্ণেবারসহ পাসপোর্টযাত্রী আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
ভারত পাচারকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে স্বর্ণেবারসহ পাসপোর্টযাত্রী আটক

Oplus_0

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে পাচারকালে স্বর্নের চালানসহ পাসপোর্টধারী যাত্রীকে আটক করেছে কাষ্টম। আটক স্বর্ন পাচারকারী মোবারক হোসেন মুনসিগঞ্জ সদর এলাকার তাজুউদ্দীনের ছেলে।

বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা শাখার সহকারি কমিশনার সাজিদ মাহাদুদ কৌশিক জানান, বুধবার (৫ আগস্ট) বিকালে যাত্রী মোবারক হোসেন বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাবার সময় ঐ যাত্রীর আচারন ও চলাফেরা সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা করা হয়। এসময় তার কাছে স্বর্ন থাকার কথা স্বীকার করে।

 

পরে তার প্যান্টের পকেট থেকে ১০০ গ্রাম ওজনের দুটি স্বর্নবার পাওয়া যায়। যার বাজার মুল্য আনুমানিক ২২ লাখ টাকা। পরে তার শরীরের ভেতর আরো স্বর্ন আছে সন্দেহে এক্সরে করে কিন্তু পাওয়া যায়নি। আটক পাসপোর্টধারীর বিরুদ্ধে স্বর্নপাচার আইনে মামলা করা হয়েছে। তাকে পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান ইমিগ্রেশন পুলিশ।