সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

লেখক, গায়ক ও সুরকার: সংস্কৃতির ত্রয়ী, সমাজের বিবেক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
লেখক, গায়ক ও সুরকার: সংস্কৃতির ত্রয়ী, সমাজের বিবেক

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সভ্যতার ইতিহাসে মানুষ যতই প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অর্জন করুক না কেন, তার আত্মপরিচয় নির্মিত হয় সংস্কৃতির ভিত্তিতে। রাষ্ট্রের অর্থনীতি, রাজনীতি বা প্রশাসনিক কাঠামো একটি জাতিকে টিকিয়ে রাখতে পারে, কিন্তু তার আত্মাকে জীবন্ত রাখে সাহিত্য ও সংগীত। আর এই সাহিত্য ও সংগীতের প্রাণ ভোমরা হলেন লেখক, গায়ক ও সুরকার। এই তিন সৃজনশীল শক্তির সমন্বয়েই একটি গান জন্ম নেয়, একটি কবিতা সমাজকে আন্দোলিত করে, একটি সুর মানুষের হৃদয়ের গভীরে প্রবেশ করে।

 

তাঁরা কেবল শিল্পী নন; তাঁরা সময়ের দালিলিক সাক্ষী, সমাজের নৈতিক দিক নির্দেশক এবং মানবিকতার অনন্ত প্রবাহের বাহক। একজন লেখক শব্দের মাধ্যমে সমাজের প্রতিচ্ছবি আঁকেন। তাঁর কলমে ধরা পড়ে মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ, প্রতিবাদ ও আকাক্সক্ষা। একজন সুরকার সেই শব্দকে সুরের আবরণে নতুন জীবন দেন। তিনি অনুভূতির এমন এক ভাষা তৈরি করেন, যা শব্দ ছাড়িয়ে সরাসরি হৃদয়ে পৌঁছে যায়। আর একজন গায়ক সেই সৃষ্টি কণ্ঠে ধারণ করে কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। এই তিনজনের সম্মিলিত সৃষ্টিই একটি গানকে কেবল বিনোদন নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করে।

 

বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের ইতিহাস এই ত্রয়ীর শক্তির উজ্জ্বল উদাহরণ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান ও কবিতা যেমন মানবিকতার গভীরতা শেখায়, তেমনি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে ওঠে। তাঁদের পরবর্তী যুগেও অসংখ্য লেখক, সুরকার ও গায়ক মানুষের জীবন ও সমাজকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছেন। একসময় গ্রামবাংলার প্রতিটি উৎসব, পারিবারিক আনন্দ-বেদনা এমনকি রাজনৈতিক চেতনার বিকাশেও গান ও সাহিত্য ছিল অবিচ্ছেদ্য অংশ।কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এই ত্রয়ীর ভূমিকা ও অবস্থান অনেকটাই বদলে গেছে। বর্তমানে প্রযুক্তির বিস্তার, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উত্থান এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব সাহিত্য ও সংগীতকে এক নতুন বাস্তবতায় দাঁড় করিয়েছে।

 

এখন একটি গান বা লেখা মুহূর্তেই কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে এক বিশাল সুযোগ। কিন্তু একই সঙ্গে এটি শিল্পের গভীরতা ও মানের জন্য এক ধরনের চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে।আজকের দিনে জনপ্রিয়তা অনেকাংশে নির্ধারিত হচ্ছে ভিউ, লাইক, শেয়ার বা ট্রেন্ডের ওপর। ফলে অনেক সময় গভীর সাহিত্য গুণ সম্পন্ন লেখা বা সুর অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত থেকে যাচ্ছে, আর চটকদার ও দ্রুতগ্রাহ্য কনটেন্ট সহজেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 

এই প্রবণতা ধীরে ধীরে শিল্পের মানদ-কে পরিবর্তন করছে। শিল্প এখন আর শুধু সৃষ্টিশীলতার প্রতিফলন নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে বাজার প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তনের একটি বড় সমস্যা হলো বাণিজ্যিকীকরণ। সাহিত্য ও সংগীত যখন কেবল বাজারের পণ্য হয়ে ওঠে, তখন তার মূল উদ্দেশ্যÑমানবিকতা, চিন্তার গভীরতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতাÑঅনেক সময় দুর্বল হয়ে পড়ে। একটি গান কত দ্রুত ভাইরাল হলো, একটি বই কত বিক্রি হলোÑএই হিসাবই যেন অনেক ক্ষেত্রে প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ প্রকৃত শিল্পের মূল্য কখনো তাৎক্ষণিক সাফল্যে নির্ধারিত হয় না; বরং সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকার মধ্যেই তার প্রকৃত শক্তি প্রকাশ পায়।

 

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংকট হলো স্বীকৃতির অসমতা। একটি গান জনপ্রিয় হলে সাধারণত গায়কের নামই বেশি আলোচিত হয়, অথচ সেই গানের পেছনে থাকা গীতিকার ও সুরকার অনেক সময় আড়ালেই থেকে যান। এটি শুধু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন নয়, বরং শিল্পের সামগ্রিক মর্যাদার প্রশ্নও বটে। একটি গান কোনো একক ব্যক্তির সৃষ্টি নয়; এটি একাধিক সৃজনশীল মস্তিষ্কের সম্মিলিত ফল। তাই গীতিকার, সুরকার ও গায়কÑতিনজনেরই সমান মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। বর্তমান ডিজিটাল যুগে আরেকটি নতুন বাস্তবতা হলো কপিরাইট লঙ্ঘন।

 

অনেক সময় অনুমতি ছাড়া গান, লেখা বা সুর ব্যবহার করা হয়। এতে প্রকৃত স্রষ্টারা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এটি সৃজনশীলতার জন্য একটি বড় হুমকি। যদি একজন শিল্পী তাঁর সৃষ্টির যথাযথ স্বীকৃতি ও সম্মান না পান, তবে নতুন সৃষ্টির প্রতি তাঁর আগ্রহও কমে যেতে পারে। প্রযুক্তির আরেকটি দিক হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার। এখন গান, সুর এমনকি লেখা পর্যন্ত এআই দিয়ে তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। এটি একদিকে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুললেও অন্যদিকে মৌলিক সৃষ্টির প্রশ্নে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করছে। প্রযুক্তি অবশ্যই সৃজনশীলতার সহায়ক হতে পারে, কিন্তু তা যদি মানুষের মৌলিক সৃষ্টিকে প্রতিস্থাপন করতে শুরু করে, তবে সাংস্কৃতিক জগতের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

 

এই পরিস্থিতিতে লেখক, গায়ক ও সুরকারদের সামাজিক দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে যায়। তাঁদের সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজের বাস্তবতা, অন্যায়, বৈষম্য, ভালোবাসা, মানবিকতা ও প্রতিবাদের ভাষা প্রকাশ পায়। তাঁরা কেবল বিনোদন দেন না; তাঁরা মানুষের চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করেন। একটি ভালো গান বা লেখা মানুষের মনোভাব পরিবর্তন করতে পারে, সমাজে নতুন চেতনার জন্ম দিতে পারে। রাষ্ট্র, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোরও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

 

কপিরাইট আইন কার্যকর করা, নতুন প্রতিভাকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া, মানসম্মত শিল্পচর্চার পরিবেশ তৈরি করা এবং প্রকৃত শিল্পীদের স্বীকৃতি নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি গণমাধ্যমকে কেবল জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে গুণগত মানকেও গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমেও দীর্ঘমেয়াদে সাংস্কৃতিক চর্চা গড়ে তোলা প্রয়োজন। শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস, সংগীত শোনার রুচি এবং সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটাতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কেবল ভোক্তা হবে, স্রষ্টা নয়। সবশেষে বলা যায়, লেখক, গায়ক ও সুরকার কেবল শিল্পের মানুষ নন; তাঁরা সমাজের আত্মা। তাঁদের সৃষ্টির মাধ্যমে একটি জাতি নিজের পরিচয় খুঁজে পায়, নিজের স্বপ্ন দেখে এবং ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ করে।

 

যদি তাঁদের সৃষ্টি মানবিকতা, সত্য ও ন্যায়বোধে সমৃদ্ধ হয়, তবে সমাজও সমৃদ্ধ হবে। আর যদি শিল্প কেবল বাজারের চাপে পরিচালিত হয়, তবে তা ধীরে ধীরে তার আত্মা হারাবে। ইতিহাস শেষ পর্যন্ত কেবল জনপ্রিয়তাকে মনে রাখে না; ইতিহাস মনে রাখে তাঁদেরই, যাঁরা সময়কে ছাড়িয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেন। তাই এই ত্রয়ীর মর্যাদা রক্ষা করা, তাঁদের সৃজনশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং শিল্পকে আবারও মানবিকতার পথে ফিরিয়ে আনা আজকের সময়ের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক দায়িত্ব।

লেখক: সংবাদকর্মী

Ads small one

পাইকগাছায় কুপিয়ে জখম করা ৭০ বছরের বৃদ্ধা অবশেষে মারা গেল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কুপিয়ে জখম করা ৭০ বছরের বৃদ্ধা অবশেষে মারা গেল

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে জখম বৃদ্ধা নারী সুমিত্রা ঘোষ (৭০) মারা গেছে। ১৩ দিন খুলনায় চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফিরে ৬ জুলাই সোমবার বেলা ১১টায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ীতে গরু বিক্রি করার টাকা আছে ভেবে দুর্বৃত্তরা ২৩ জুন মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের সলুয়া গ্রামের মৃত রঞ্জন ঘোষের স্ত্রী বৃদ্ধা সুমিত্রা ঘোষের বাড়ীতে হামলা করে। বাড়ীতে টাকা না পেয়ে তাকে হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। হামলায় তার মাথার খুলি ভেঙ্গে যায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপে রক্তাক্ত জখম হয়। খুলনা থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফিরে ২দিন পর তিনি মারা যান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ রাতে একই পরিবারের বড় ছেলে নারায়ন ঘোষের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ওই সময় বাড়িতে ঢুকে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই পরিবারের এমন ঘটনায় ঘটায় চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে পরিবারটি।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: সোমবার (০৬ জুলাই ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, হিজলদী ও কাকডাঙ্গা বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ০২ জন আসামীসহ ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও বাংলাদেশী ট্রাক, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে বিজিবি চেকপোষ্ট হতে ৬০ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি রেনুপোনা ও বাংলাদেশী ট্রাক আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানাধীন বড়ালি মোড় হতে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি হতে ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শ্রীরামপুর হতে ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৬৬ লাখ ০৬ হাজার ৬০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী মাদক চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ২জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, ২জন গ্রেপ্তার

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ২জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার হাড়দ্দাহ এলাকার মো. মাজেদ মোড়লের ছেলে মো. আসাদুল মোড়ল (৪৫) এবং মৃত ইয়ার আলী মোল্লার ছেলে মো. রুহুল আমিন মোল্লা (৩৯)।

র‌্যাব জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা জেলার সদর থানার হাড়দ্দাহ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৪৫৪ বোতল উইনকেরিক্স এবং ৮৮ বোতল এস্কাফসহ মোট ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জব্দকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ তালিকার মাধ্যমে আইনানুগভাবে জব্দ করা হয়। পরে গ্রেপ্তাারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিলসহ তাদের সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৬ সিপিসি-১, সাতক্ষীরার কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েন উদ্দীন মুহাম্মদ যিয়াদ জানান, অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।