বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

শখ থেকে স্বপ্নপূরণ: কলারোয়ায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
শখ থেকে স্বপ্নপূরণ: কলারোয়ায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

শেখ জিল্লু, কলারোয়া: কলারোয়ায় শখের বশে শুরু হওয়া আঙুর চাষ এখন রীতিমতো আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে করা এই চাষেই বাগানে ঝুলছে থোকা থোকা আঙুর। স্থানীয়দের বিস্মিত করে আঙুর চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন জাহিদ হোসেন নামের এক উদ্যোক্তা কৃষক। কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের ধানঘরা গ্রামে জাহিদ হোসেনের এই আঙুর বাগান দেখতে প্রতিদিনই কৌতূহলী মানুষের আগমন ঘটছে। গত মঙ্গলবার সরেজমিনে আঙুর বাগান ঘুরে কেরালকাতা গ্রামের জাহিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তিনি পৈত্রিকভাবে পাওয়া দুই বিঘা জমি চাষাবাদ করে কোনো রকমে সংসার নির্বাহ করছিলেন। সচ্ছলতা ফেরাতে এর আগে কুল ও ড্রাগন চাষ করেছেন। গত বছর ইউটিউবে আঙুর চাষের ভিডিও দেখে তিনি এই চাষে উদ্বুদ্ধ হন। গত বছরের জুনে আড়াই বিঘার মতো জমি লিজ নিয়ে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে আঙুর চাষ শুরু করেন। কারো কোনো পরামর্শ ছাড়া সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে আঙুর গাছের চারা নিয়ে এসে রোপণ করেন। এরপর জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ, নিয়মিত পানি দেওয়াসহ নেট, বেষ্টনী ও রশির মাচা বানিয়ে চারাগুলো গত ১১ মাস নিবিড় পরিচর্যা করেন। এরপর চলতি মাসে প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় আঙুর ধরেছে। এই বাগানের আঙুরগুলো স্বাদেও অনন্য। সবুজ ও বেগুনি রঙের এই আঙুরগুলো যেনো নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে। আধুনিক কৃষির প্রতি আগ্রহ থেকে স্বল্প পরিসরে আঙুরের চারা রোপণ করেন জাহিদ হোসেন। পরিপাটি এই বাগান ঘুরে দেখা যায়, সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলছে নজরকাড়া থোকা থোকা আঙুর। প্রতিদিন বাগান দেখতে ভিড় করছেন মানুষ। অনেকেই বলছেন, এই অঞ্চলের মাটিতে আঙুর চাষ সম্ভব-এ ধারণা আগে তাদের ছিল না। জাহিদ হোসেন জানান, প্রথমবার করা এই বাগানে লিজসহ ত ৮ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। তিনি বলেল, এখানে বাগান করার বিষয়টি উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর অবগত ছিলো না। পরে জানতে পেরে তারা সবধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার জিয়াউল হক জানান, খুলনা বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা এই আঙুর বাগান পরিদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম ইতোমধ্যে এই বাগানটি পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে বাগান উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম ধানঘরা প্রাইমারি স্কুল থেকে বাগান অভিমুখী রাস্তাটি কাঁচা হওয়ায় তা পাকাকরণের দাবি জানান। এছাড়া এখানে বিদ্যুৎ না থাকায় তিনি বিদ্যুতায়নেরও দাবি জানান। বাজারে বিদেশি আঙুরের চাহিদা থাকায় দেশীয়ভাবে উৎপাদিত আঙুরেরও ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখকনকার সুস্বাদু এই আঙুর আমদানিকৃত আঙুরের তুলনায় মানগত দিক থেকে যথেষ্ট উৎকৃষ্ট। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও পরামর্শ পেলে আরও বড় পরিসরে আঙুর চাষ সম্প্রসারণের আশা করছেন জাহিদ হোসেন। শখের বসে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন এলাকার কৃষিতে নতুন স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় দশ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় দশ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ঘোনা, কুশখালি, কালিয়ানী বিওপি ও বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, উইনসেরেক্স কাশির সিরাপ এবং ইয়াবা আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, ঘোনা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদরের দাঁতভাঙ্গা হতে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করে। কুশখালি বিওপির আভিযানে মক্তোব মোড় হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কালিয়ানী বিওপির আভিযানে এই এলাকাহতে ৮ হাজার টাকার ভারতীয় উইনসেরেক্স কাশির সিরাপ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে বাঁশতলা হতে ২ লাখ ১৬ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৯ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।
বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়।

 

এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

দেবহাটা থানা পুলিশে অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
দেবহাটা থানা পুলিশে অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, (৩ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার অনুমানিক সকাল ১০ টায় দেবহাটা থানার এসআই আল-আমিন সংগীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে দেবহাটা থানাধীন পলগাদা এলাকা হতে ধর্ষণ মামলা আসামী হাড়দ্দা গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে সজিব হোসেন গ্রেপ্তার করেন।

এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামীকে ৩ সেপ্টেম্বর যথাযথ পুলিশ প্রহরার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরে শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করে জায়গাটি দখলমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। দুপুর ২টায় শ্যামনগর থানা গেটের সামনে পরিচালিত এ উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান। এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পত্তি পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি শ্যামনগরের নীলডুমুর ডাকবাংলো, চন্ডিপুর ২২ বিঘা পুকুর, আকাশনীলা ইকোপার্কসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা পরিষদের সম্পত্তির অবস্থা সরেজমিনে দেখেন। এসব সম্পত্তি কীভাবে অবৈধ দখলমুক্ত করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “শ্যামনগর উপজেলায় জেলা পরিষদের যেসব সম্পত্তি বিভিন্ন সময়ে দখল হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এসব সম্পত্তি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উদ্ধার অভিযান ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশেক এলাহী মুন্না, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল-আমিন, শ্যামনগর থানার ওসি, সাংবাদিক মারুফ হুসাইন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।