শয্যাশায়ী স্বামীকে নিয়ে দিন কাটছে অসহায় খায়রুন নেছার: আজও মেলিনি বয়স্ক ভাতা
মাছুম বিল্লাহ: “চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত-বেদনা বুঝিতে পারে? কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে, কভু আশীবিষে দংশেনি যারে? “-এই চরণগুলো যেন বাস্তব হয়ে উঠেছে লাবসা ইউনিয়নের দেবনগর গ্রামের সত্তর বছর বয়সী খায়রুন নেছার জীবনে। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি আজ বার্ধক্য, অসুস্থতা, দারিদ্র্য এবং একাকীত্বের নির্মম বাস্তবতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন।
একসময় পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে নিজের কষ্ট ভুলে সন্তানদের দিকে তাকিয়ে হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করেছেন। অথচ আজ সেই মানুষটিই অবহেলা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছেন, চিকিৎসা করানোর সমর্থ তার নাই। অসহায় বৃদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, আমি অসুস্থ হওয়ার আগে কতবার চেয়ারম্যান মেম্বার এর কাছে গিয়েছি কিন্তু আমার কপালে কিছুই জুটলো না।
প্রতিবেশীরা জানান, বড় ছেলে শওকত তাদের দেখেনা। ছোট ছেলে অভাব এর মধ্যে যতদূর পারছেন দেখছেন। বৃদ্ধটি অনেক সময় ঠিকমতো খাবারও পান না। প্রয়োজনীয় ওষুধের অভাবে তাঁর শারীরিক অবস্থারও অবনতি হচ্ছে। মানবিক সহায়তার আশায় তিনি আজ সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।
সমাজসেবা অফিস ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রতি দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে খায়রুন নেছাকে বয়স্ক ভাতার আওতায় আনা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।












