শেষ ওয়ানডে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ
তৃতীয় ওয়ানডের সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড ৪৪.৫ ওভারে ২১০/১০ (লিস্টার ২*; নিকোলস ৪, ইয়াং ১৯, ল্যাথাম ৫, কেলি ৫৯, আব্বাস ২৫, ক্লার্কসন ৬, স্মিথ ২, লেনক্স ২, ও’রুর্ক ১, ফক্সক্রফট ৭৫)
ফল: বাংলাদেশ ৫৫ রানে জয়ী
বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ২৬৫/৮ (হৃদয় ৩৩*, মোস্তাফিজ ৩*; সাইফ ০, তানজিদ ১, সৌম্য ১৮, লিটন ৭৬, শান্ত ১০৫, মিরাজ ২২, শরিফুল ১, তানভীর ০)
তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে ৫৫ রানে হারিয়ে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ৪৪.৫ ওভারে নিউজিল্যান্ডকে তারা অলআউট করেছে ২১০ রানে।
অবশ্য ১৬০ রানে ৯ উইকেট পতনের পরও এত দূর যাওয়ার কথা ছিল না সফরকারীদের। শেষ দিকে অবিশ্বাস্য কিছু করার চেষ্টা করেছিলেন ডিন ফক্সক্রফট। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ব্যবধান কমাচ্ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তাকে ৭৫ রানে থামিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ৭২ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি ছক্কা। শেষ দিকে এসেই হাত খেলার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
২৬৬ রানের লক্ষ্যে শুরুটা খারাপ ছিল না নিউজিল্যান্ডের। শেষটাও কোনোভাবে সামলে নিয়েছে তারা। কিন্তু মাঝের পুরো সময়টা জুড়ে চাপ সৃষ্টি করে রাখে বাংলাদেশ।
৩ উইকেট পতনের পর নিক কেলির (৫৯) ব্যাটেই তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। কেলিকে থামান মোস্তাফিজুর রহমান। তার পরই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার মতো অবস্থায় চলে যায় নিউজিল্যান্ড। নামে ছোট ধস। ১২৪ রানে ৫ উইকেট পতনের পর ১৬০ রানে পড়ে নবম উইকেট! তখনই ফক্সক্রফট ৭২ বলে ৭৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে প্রাণ সঞ্চারের চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সঙ্গী ছিল না কেউ। ফলে চাপ সামলানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তার আউটের মধ্য দিয়েই শেষ হয় কিউইদের ইনিংস। শেষ উইকেটে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৩১ বলে ৫০ রান যোগ করেছেন ফক্সক্রফট।
দুই ম্যাচ পর ফেরা মোস্তাফিজুর রহমানই ছিলেন সেরা বোলার। ৪৩ রানে নেন ৫ উইকেট। দুটি করে নেন নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজ। একটি নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম।
মোস্তাফিজের পঞ্চম উইকেট
শুরু থেকে দারুণ বোলিংয়ের ফল পাচ্ছেন মোস্তাফিজ। তার পঞ্চম শিকার হিসেবে বোল্ড হয়েছেন ও’রুর্ক। তাতে নবম উইকেটের পতন হয়েছে নিউজিল্যান্ডের।
মোস্তাফিজের চতুর্থ শিকার লেনক্স
নতুন ব্যাটার জেইডেন লেনক্সকেও থিতু হতে দেননি মোস্তাফিজুর রহমান। তার বলে শট খেলার চেষ্টায় ২ রানে ক্যাচ আউট হয়েছেন কিউই ব্যাটার। নিউজিল্যান্ড অষ্টম উইকেট হারিয়েছে ১৫৪ রানে।
মিরাজের দুর্দন্ত ক্যাচে আউট স্মিথ
৩৫.৫ ওভারে নতুন ব্যাটার স্মিথ শট খেলার চেষ্টা করেছিলেন। বোলার ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার বলে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। স্মিথের (২) বিদায়ে ১৫০ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। স্মিথ ছিলেন মোস্তাফিজের তৃতীয় শিকার।
নাহিদের আঘাতে পড়লো নিউজিল্যান্ডের ষষ্ঠ উইকেট
নাহিদ রানার হাত ধরে ষষ্ঠ উইকেটেরও দেখা পেয়ে গেছে বাংলাদেশ। তার দ্বিতীয় শিকার হয়েছেন জশ ক্লার্কসন। নাহিদের গতিময় বলে কিউই ব্যাটার বোল্ড হয়েছেন ৬ রানে।
শরিফুলের আঘাত, পঞ্চম উইকেট হারালো নিউজিল্যান্ড
কেলির আউটের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন ডিন ফক্সক্রফট ও মোহাম্মদ আব্বাস। ১৬ রান যোগ করেন তারা। ৩০তম ওভারে শরিফুলের গতিতে পরাস্ত হন আব্বাস। শট খেলতে গেলে ব্যাটের কানায় লেগে বোল্ড হয়েছেন তিনি। বিদায় নেওয়ার আগে ৩৬ বলে ২৫ রান করেছেন। তার ইনিংসে ছিল ১টি চার। নিউজিল্যান্ড পঞ্চম উইকেট হারিয়েছে ১২৪ রানে।
কেলিকে থামালেন মোস্তাফিজ
নিউজিল্যান্ডকে পথ দেখাচ্ছিলেন নিক কেলি। বাংলাদেশের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। ২৫.২ ওভারে অবশেষে তাকে ৫৯ রানে থামিয়ে দ্বিতীয় উইকেট তুলে নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। শরীর থেকে যথেষ্ট বাইরের বল কাট করতে গিয়ে তানজিদ হাসানকে ক্যাচ দিয়েছেন কেলি। নিউজিল্যান্ড চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে ১০৮ রানে।
কেলির ফিফটি, একশ ছাড়ালো নিউজিল্যান্ড
ল্যাথাম দ্রুত ফিরলেও দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন ওপেনার নিক কেলি। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি। সিরিজে এটি তার টানা দ্বিতীয়। আব্বাসকে নিয়ে গড়েছেন জুটি। তাতে দলের শত রানও ছাড়িয়েছে সফরকারীদের।
দ্রুত ল্যাথামকে ফেরালেন মিরাজ
ইয়াংকে ফিরিয়ে জুটি ভেঙেছেন নাহিদ রানা। তার পর নতুন নামা অধিনায়ক ল্যাথামকেও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে দেননি অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তার বলে সুইপ করতে গিয়ে ৫ রানে ক্যাচ আউট হয়েছেন কিউই অধিনায়ক। নিউজিল্যান্ড তৃতীয় উইকেট হারায় ৬১ রানে।
কেলি-ইয়াং জুটি ভাঙলেন নাহিদ
৮ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর জুটি গড়েছিলেন উইল ইয়াং ও নিক কেলি। ধীরে সুস্থেই অগ্রসর হচ্ছিলেণ তারা। দ্বিতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৪৬ রান। ১৩.৩ ওভারে এই জুটি ভেঙে স্বস্তি ফিরিয়েছেন পেসার নাহিদ রানা। তার গতির কাছে পরাস্ত হয়েছেন ইয়াং। কাট করতে গেলেও বল জমা পড়েছে লিটনের গ্লাভসে। নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় উইকেট হারায় ৫৪ রানে। ইয়াং আউট হয়েছেন ১৯ রান করে।
শুরুতে মোস্তাফিজের আঘাত
নিউজিল্যান্ডকে ২৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়ে চতুর্থ ওভারেই সাফল্য পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুই ম্যাচ পর একাদশে ফেরা কাটার মাস্টারের বাউন্সারে পরাস্ত হয়েছেন ওপেনার হেনরি নিকোলস। নিউজিল্যান্ড প্রথম উইকেট হারিয়েছে ৮ রানে।
shanto-litton-banglatribune
১৬০ রানের জুটি গড়েছেন শান্ত-লিটন।
২৬৫ রানে থামলো বাংলাদেশ
চট্টগ্রামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে ২৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত সেঞ্চরি (১০৫) ও লিটন দাসের ফিফটিতে (৭৬) ভর করে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানে থেমেছে বাংলাদেশের ইনিংস।
টস হেরে খেলতে নেমে শুরুর ধাক্কাতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। উইল ও’রুর্কের বোলিংয়ে ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। সেখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। দু’জন মিলে ১৭৮ বলে গড়েন ১৬০ রানের জুটি। এই জুটি স্থিতি এনে দেয় ইনিংসে। এরপর ধীরে ধীরে এগিয়ে নেয় শক্ত অবস্থানে।
চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ইনিংসের ভিত গড়েন শান্ত। অন্যদিকে ৭৬ রানে থামেন লিটন। দুজনের আউটের পর শেষ দিকে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ। যদিও সেভাবে রান পায়নি তারা। বরং দারুণ নিয়ন্ত্রণে বোলিং করেছে নিউজিল্যান্ড। শেষ পাঁচ ওভারে আসে মাত্র ৩৪ রান। দ্রুত পড়েছে স্বাগতিকদের ৩ উইকেট।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩২ রানে ৩টি নেন ও’রুর্ক। দুটি করে নেন বেন লিস্টার ও জেইডেন লেনক্স। একটি নিয়েছেণ ডিন ফক্সক্রফট।
দ্রুত পড়লো ৩ উইকেট
শেষ দিকে এসে রান বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন মিরাজ। ১৮ বলে ২২ রান করেছিলেন। ৪৮তম ওভারে অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। মেরে খেলতে গিয়ে ইয়াংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। মিরাজের বিদায়ে ২৫৬ রানে পড়ে ষষ্ঠ উইকেট। পরের ওভারে এক রান যোগ হতেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শরিফুল ইসলামও। পতন হয় সপ্তম উইকেটের। একই ওভারে অর্থাৎ ৪৯তম ওভারের চতুর্থ বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তানভীল ইসলামও। ।
সেঞ্চুরির পরই আউট শান্ত
চতুর্থ সেঞ্চুরির পর অবশ্য বেশিক্ষণ আর স্থায়ী হয়নি শান্তর ইনিংস। তীব্র গরমে লম্বা সময় ধরে খেলায় তার অস্বস্তি বোঝা যাচ্ছিলো। শেষ পর্যন্ত ৪৩তম ওভারে লেনক্সের ঘূর্ণিতে থামে তার ইনিংস। ১১৯ বলে ১০৫ রানে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন শান্ত। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ২টি ছক্কা।
চতুর্থ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন শান্ত
শুরু থেকে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। লিটনের সঙ্গে জুটি গড়েও খেলেছেন। এই সময় টানা দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন তিনি। পরে ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন। শান্ত চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ১১৪ বলে।
লিটনের বিদায়ে ভাঙলো ১৬০ রানের জুটি
শুরুর ধাক্কার পর চতুর্থ উইকেটে ১৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। শেষ দিকে এসে হাত খুলে মারছিলেন লিটন। তার মাশুলও দিয়েছেন। বামহাতি স্পিনার লেনক্সের বলে উইকেট ছেড়ে খেলার চেষ্টায় ছিলেন। কিন্তু ঘূর্ণিতে পরাস্ত হওয়ায় বোল্ড হয়েছেন ৭৬ রানে। লিটনের ৯১ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ১টি ছয়। লিটন ওয়ানডেতে ফিফটি পেয়েছেন ১৯ ইনিংস পর!
ফিফটির দেখা পেয়েছেন লিটনও
চতুর্থ উইকেটে জুটি গড়ে দলকে দিশা দেখাচ্ছেন লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। শান্তর পর ফিফটি তুলে নিয়েছেন লিটনও। লিটন ১৩তম ওয়ানডে ফিফটির দেখা পেয়েছেন ৭১ বলে। তাদের পার্টনারশিপ একশও ছাড়িয়েছে।
শান্তর টানা দ্বিতীয় ফিফটি
৩২ রানে তিন উইকেট পড়ার পর জুটি গড়ে দলকে স্থিতি এনে দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। জুটি গড়েছেন তারা। শান্ত সিরিজে টানা দ্বিতীয় ফিফটির দেখাও পেয়েছেন। তার পঞ্চাশ পূরণ হয়েছে ৭০ বলে। এটা তার ক্যারিয়ারের ১২তম ফিফটি।
ও’রুর্কের তৃতীয় শিকার সৌম্য
৯ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। বড় ইনিংসের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন সৌম্য। কিন্তু নবম ওভারে সেই ও’রুর্কের গতি আর বাউন্সের কাছে পরাস্ত হয়েছেন। বল স্টাম্পে টেনে এনে বোল্ড হয়েছেন ১৮ রানে। তাতে ৩২ রানে পতন হয়েছে তৃতীয় উইকেটের।
ও’রুর্কের আঘাতে সাজঘরে সাইফ-তানজিদ
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ৩ ওভারের মধ্যে ফিরেছেন দুই ওপেনার। উইল ও’রুর্কের করা প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সাইফ হাসান (০)। এক ওভার বিরতি দিয়ে আবারও আঘাত হানেন ও’রুর্ক। তার বাউন্সি বলে ইনসাইড এজে বোল্ড হয়েছেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসানও (১)।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে মোস্তাফিজ
শেষ ওয়ানডেতেও বাংলাদেশের টস ভাগ্য সহায় হয়নি। টানা তিন ম্যাচেই টস জিতলো নিউজিল্যান্ড। চট্টগ্রামে এবার অবশ্য টস জিতে শুরুতে বোলিং নিয়েছে সফরকারী দল। বাংলাদেশ এবার প্রথমে ব্যাট করবে।
চট্টগ্রামের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লা. লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু হবে সকাল ১১টায়। ওয়ানডে সিরিজে এখন ১-১ সমতা। তাই তৃতীয় ওয়ানডেটা সিরিজ নির্ধারণী।
একাদশে কারা
শেষ ম্যাচের একাদশে পরিবর্তন এনেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। বাদ পড়েছেন রিশাদ হোসেন ও তাসকিন আহমেদ। ফিরেছেন মোস্তাফিজুর রহমান ও স্পিনার তানভীর ইসলাম। নিউজিল্যান্ড একাদশে পরিবর্তন একটি। বাদ পড়েছেন ব্লেয়ার টিকনার, তার জায়গায় এসেছেন বেন লিস্টার।
বাংলাদেশ একাদশ: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, সৌম্য সরকার, তানভীর ইসলাম ও নাহিদ রানা।
নিউজিল্যান্ড একাদশ: হেনরি নিকোলস, নিক কেলি, উইল ইয়াং, টম ল্যাথাম (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), মুহাম্মদ আব্বাস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, জেডেন লেনক্স, উইলিয়াম ও’রুর্ক ও বেন লিস্টার।






