সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

তালায় ৪টি গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপন উদ্যোগ: জনমনে স্বস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
তালায় ৪টি গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপন উদ্যোগ: জনমনে স্বস্তি

বি. এম. জুলফিকার রায়হান, তালা: সুপেয় পানি সংকটে তালা উপজেলার বিশেষত দলিত ও হতদরিদ্র অধ্যুষিত গ্রামগুলোর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানান ভোগান্তীতে রয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ দরিদ্র মানুষ বছরের পর বছর অগভীর নলকূপের আয়রন যুক্ত পানি পান করছে। কখনও কখনও কোনও কোনও নলকূপে মাত্রার অতিরিক্ত আর্সেনিকও পাওয়া যাচ্ছে। এই আর্সেনিক ও আয়যুক্ত পানি পান করে মানুষ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বছরের পর বছর এমন অবস্থা চলে আসলেও তাদের সুপেয় পানি সরবারহ নিশ্চিত করতে সরকারি ভাবে বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কখনও এগিয়ে আসেননি। এমনকি- ভুক্তভোগী জনগন বারবার গভীর নলকূপ পাওয়ার জন্য আবেদন করলেও উপজেলা প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিরা সে আবেদনে সাড়া দেননি। ফলে, ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী একপ্রকার বাধ্য হয়ে অস্বাস্থ্যকর পানি পান করে আসছে।
তালার দলিত আন্দোলনের নেতা সরস্বতী দাশ, ভবতোষ মন্ডল, ইমদাদুল হক জানান, তালা উপজেলার একাধিক দলিত অধ্যুষিত গ্রামে সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। একারনে গ্রামের মানুষরা আয়রন যুক্ত পানি পান করছে। এছাড়া কিছু কিছু নলকূপে আর্সেনিকের অস্তিত্ব দেখা যায়। এই আয়রন ও আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করে মানুষ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এথেকে পরিত্রাণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের বারবার বললেও তারা কখনও কোনও সহযোগীতা করেনি।
দলিত নেতারা বলেন, দলিত জনবসতী এলাকায় সুপেয় পানি সরবারহ করার লক্ষ্যে অবশেষে ওয়ার্ল্ড কনসার্ন নামের একটি বেসরকারি সংস্থা এগিয়ে এসেছে। গ্রামের দরিদ্র মানুষদের দাবীর প্রেক্ষিতে ওয়ার্ল্ড কনসার্ন এনজিও তাদের নিজস্ব টাকা দিয়ে তালা উপজেলার ৪টি গ্রামে ৮টি গভীর নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এগুলো স্থাপিত হলে হাজারও মানুষ সুপেয় পানি পান ও ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
এবিষয়ে ওয়াার্ল্ড কনসার্ন (বাংলাদেশ) এর প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রদুষ মানকিন জানান, সংস্থার উদ্যোগে তালা উপজেলায় আলো প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের সহায়তায় তালা সদর ইউনিয়নের খানপুর ও আটারই এবং খলিলগর ইউনিয়নের মাছিয়াড়া ও গোনালী গ্রামে ৮টি গভীর নলকূপ স্থাপিত করা হবে। এই নলকূপগুলো স্থাপিত হলে গ্রামের দরিদ্র শ্রেণির শত শত মানুষ সু-পেয় পানি পান এবং ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
এব্যপারে আলো প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার রনজিৎ দাশ বলেন, গ্রামগুলোর দরিদ্র ও দলিত মানুষদের দাবীর প্রেক্ষিতে ৮টি গভীর নলকূপ স্থাপিত হবে। নলকূপ স্থাপনের কাজ স্বচ্ছতা এবং যথাযথভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংস্থার পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেলক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড কনসার্ন সংস্থার অধিনে টেন্ডারের মাধ্যমে গভীর নলকূপ স্থাপনের ঠিকাদার নিয়োগ দিতে ইতোমধ্যে প্রিন্ট ও অনলাইন সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত ঠিকাদারগণ দরপত্র আহবানে অংশগ্রহন করতে পারে। তাছাড়া বহুল প্রচারের মাধ্যমে যোগ্য ঠিকাদার নিয়োগ দিতে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি নোটিশ তালা উপজেলা পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট তালা ও খলিলনগর ইউনিয় পরিষদের নোটিশ বোর্ডে টানানো হয়েছে। আগ্রহী ঠিাকাদারগণ লিংকের মাধ্যমেও দরপত্র জমা দিতে পারবে। এছাড়া দরপত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত ঠিকাদার যাতে সঠিক ও স্বচ্ছতার সাথে গভীর নলকূপ স্থাপন কাজ বাস্তবায়ন করে সেজন্য আলো প্রকল্পের গ্রাম উন্নয়ন কমিটি ও সংস্থার পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হবে। এই নলকূপগুলো স্থাপিত হলে গ্রামগুলোর দরিদ্র ও দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ সু-পেয় পানি পান ও ব্যবহারের সুয়োগ পাবে।

Ads small one

পিটিআই মাঠের কিনারায় পালপাড়ার শেষ চাকার গল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
পিটিআই মাঠের কিনারায় পালপাড়ার শেষ চাকার গল্প

আখলাকুর রহমান

খুব সকালে যখন সাতক্ষীরা শহরের পিটিআই মাঠের পাশ দিয়ে হুসহুস করে মোটরসাইকেল, সাইকেল কিংবা যাত্রী বোঝাই ভ্যানগুলো ছুটে চলে, তখন ইঞ্জিনের কর্কশ শব্দের আড়ালে একটা অদ্ভুত চাকার ঘূর্ণন শব্দ ঢাকা পড়ে যায়। চলতি পথে তীব্র গতির এই ব্যস্ত পিচঢালা রাস্তার ঠিক ধারেই হঠাৎ চোখ আটকে যায় সারি সারি সাজানো মাটির সানকি, কলস, আর ছোট ছোট লালচে খেলনা হাঁড়ি-পাতিলের ওপর। চারপাশের আধুনিক কোলাহল আর যানবাহনের এই তীব্র গতির মাঝে জায়গাটা যেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কবি’ উপন্যাসের সেই থমকে যাওয়া কোনো এক আদিম জনপদ। এটি আমাদের চেনা শহরের আড়ালের সেই ঐতিহ্যবাহী কুমোর পাড়া বা পালপাড়া।

 

আজ হয়তো মোটরসাইকেল বা ভ্যানের গতি একটু কমিয়ে জানালার বাইরে তাকালে সেখানে হাতেগোনা মাত্র কয়েকটা ঘর চোখে পড়ে, যারা চরম দারিদ্র্য আর প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের দাপটের মাঝেও বুক দিয়ে আঁকড়ে ধরে রেখেছে তাদের বাপ-দাদার এই আদিম পেশাকে। কিন্তু এই জীর্ণতার পেছনে লুকিয়ে আছে এক সমৃদ্ধ ইতিহাস, যার সূত্রপাত হয়েছিল আজ থেকে প্রায় দেড়শ বছর আগে, সাতক্ষীরার প্রাণস্পন্দন ‘প্রাণসায়র’ খালের হাত ধরে।

 

উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যখন জমিদার প্রাণনাথ রায়চৌধুরী এই অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে পলিমাটি কেটে ‘প্রাণসায়র’ খাল খনন করেন, তখন ইছামতি নদী থেকে এই জলপথ ধরে দূর-দূরান্তের বণিকেরা আসত। বিভূতিভূষণের উপন্যাসের কোনো মায়াবী নদীর মতো খালের সেই জোয়ারের জলের টানেই তৎকালীন নদীয়া, চব্বিশ পরগনা এবং খুলনার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দক্ষ মৃৎশিল্পীরা এসে এই খালের কূলে বসতি স্থাপন করেন।

 

মৃৎশিল্পের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল ভালো মানের আঠালো কাঁদা মাটি এবং তৈরি জিনিসপত্র দূর-দূরান্তে সহজে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সুলভ জলপথ। প্রাণসায়রের তীরের এই ভূখন্ডটি ছিল তাদের জন্য এক স্বর্গভূমি, কারণ খালের তলদেশের উর্বর পলিমাটি দিয়ে তৈরি হতো চমৎকার সব তৈজসপত্র, আর খালের ঘাট থেকেই নৌকায় করে তা চলে যেত দূরবর্তী হাট-বাজারে। দেখতে দেখতে পিটিআই মাঠের এই বিস্তীর্ণ এলাকাটি মুখরিত হয়ে উঠেছিল ‘পাল’ উপাধির শত শত কারিগরের কোলাহলে, যা কালের নিয়মে নাম পায় পালপাড়া।

সময় বদলেছে, জোয়ারের সেই প্রমত্তা প্রাণসায়র খাল আজ বদ্ধ, শীর্ণ এক প্রৌঢ়ার মতো নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। প্রকৃতি নিয়মরক্ষা করে দিনে হয়তো দুবার জোয়ার-ভাটা ঠিকই বয়ে নিয়ে আসে, কিন্তু সেই জলে আর আগের মতো লাবণ্যতা নেই, নেই কোনো প্রাণের স্পন্দন। যে খালের বুক চিরে একসময় বড় বড় মহাজনী নৌকা আর ধোঁয়া ওড়ানো স্টিমার দাপিয়ে বেড়াত, আজ সেখানে শুধুই জমাট বাঁধা কচুরিপানার স্তব্ধতা। কোনো এক রূপকথার অভিশাপে যেন এই নৌপথের সমস্ত বাণিজ্যিকতা আজ একদম বন্ধ হয়ে গেছে।

 

খালের জলের সাথে সাথে যেন পালপাড়ার জৌলুসও শুকিয়ে গেছে, শত পরিবারের সেই বিশাল পাড়াটি আজ সংকুচিত হতে হতে মাত্র কয়েকটি ঘরে এসে ঠেকেছে। নতুন প্রজন্ম আর মাটির চাকার পেছনে সময় নষ্ট করতে চায় না, কিন্তু প্রবীণ যে দু-চারজন কারিগর এখনো টিকে আছেন, তাদের কাছে এটি কেবল জীবিকা নয়। এটি তাদের ধমনীতে বহমান বংশানুক্রমিক রক্ত আর ঐতিহ্য। প্রতিদিন ভোরবেলা তারা যখন কাদা মাখানো চাকাটি ঘোরান, তখন চাকার প্রতিটি ঘূর্ণনে যেন দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্রাণসায়রের পুরনো ইতিহাস।

লেখা : আখলাকুর রহমান, উদ্যোক্তা ও স্বপ্নদ্রষ্টা : আসিফা

 

 

 

 

 

 

 

সাতক্ষীরায় উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা মালিকদের নিকট হস্তান্তর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা মালিকদের নিকট হস্তান্তর

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের তৎপরতায় উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও ভুলবশত অন্য নাম্বারে চলে যাওয়া বিকাশের টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন ২০২৬) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফোন ও টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

 

চলতি জুন মাসে এসব ফোন ও টাকা উদ্ধার হয়। জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের মধ্যে হতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২৩ টি মোবাইল ফোন তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও জুন মাসে বিকাশ, নগদ ও রকেটে ভুলবশত অন্য নাম্বারে চলে যাওয়া ৪৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারে অধিক সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান এবং সাইবার প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

 

 

 

 

দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

সভায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্লা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিফুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা বিজিবির হাবিলদার কামরুজ্জামান, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী উজ্জ্বল এবং মুজাহিদ বিন ফিরোজসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।

সভায় সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়।

সভায় ইউএনও মিলন সাহা উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।