রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের ঘটনায় দুইজনের কারাদন্ড, বাল্কহেড জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের ঘটনায় দুইজনের কারাদন্ড, বাল্কহেড জব্দ

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দুর্গাবাটি মন্দির সংলগ্ন ঝাপারচর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় একটি বাল্কহেড জব্দ করেছে বিজিবি। এ ঘটনায় দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) ভোর আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে হাবিলদার জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি বিজিবি টহল দল স্পিডবোটযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরত একটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জব্দকৃত বাল্কহেডে আনুমানিক ৫ হাজার ৩০০ ঘনফুট বালু ছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬৭ হাজার ২০০ টাকা। পরে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে বাল্কহেডটি ব্যাটালিয়ন সদর পল্টন ঘাট সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে আসা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসেন এবং বুড়িগোয়ালিনী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তদন্ত শেষে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী মামলা নং-৩২/২৬ দায়ের করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত বাল্কহেডের চালক মোঃ নজরুল ইসলাম (পিতা: মৃত আফসার আলী, গ্রাম: দরগাহপুর, থানা: আশাশুনি, জেলা: সাতক্ষীরা)-কে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ১ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।

এছাড়া সহকারী মোঃ আক্তারুল জামান (৩০) (পিতা: জিল্লুর গাজী, গ্রাম: রাড়ুলী, থানা: পাইকগাছা, জেলা: খুলনা)-কে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়।

এ সময় অবৈধ বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত সাতটি পিভিসি পাইপ অপসারণ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

কার্যক্রম শেষে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে দন্ডপ্রাপ্তদের নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নৌ-পুলিশের কর্মকর্তারা শ্যামনগর থানার উদ্দেশ্যে রওনা হন। জব্দকৃত বাল্কহেডটি বর্তমানে বিজিবির তত্ত্বাবধানে সংরক্ষিত রয়েছে।

স্থানীয়রা সুন্দরবন ও উপকূলীয় নদী-খালে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

Ads small one

গীতিকার ও সুরকার উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
গীতিকার ও সুরকার উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশিষ্ট গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী, কবি, আবৃত্তিকার, সমাজসেবক ও ‘সুশীলন’-এর নির্বাহী প্রধান উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে সংবর্ধনা দিয়েছে সুরশ্রী সঙ্গীত একাডেমি। রবিবার সন্ধ্যায় খুলনার উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি মোস্তফা নূরুজ্জামান ও শিল্পী অনিমেষ বড়াল সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

সুরশ্রী সঙ্গীত একাডেমির সভাপতি এস এম জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে সংবর্ধিত অতিথিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে অতিথিদের বরণ ও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সুরশ্রী সঙ্গীত একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক অনিমেষ বড়াল। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সুশীলনের পরামর্শক শেখ আমিরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসা হেমায়েত আলী, সুশীলনের উপ-পরিচালক ডি এম মনিরুজ্জামান, শিরিনা আক্তার ও শাহিনা পারভীন এবং সুর ঝঙ্কার একাডেমির কার্যকরী সভাপতি রাজ্জাক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জি এম মইনউদ্দিন।

সুরশ্রী সঙ্গীত একাডেমির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট অসীম কুমার বৈদ্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সংবর্ধনা পর্বে উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানকে উত্তরীয়, সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। এ সময় তিনি নিজের লেখা কবিতা আবৃত্তি এবং গান পরিবেশন করেন। পরে বক্তব্যে তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানের সাহিত্য, সঙ্গীত ও সমাজসেবামূলক কর্মকা- নিয়ে আলোচনা করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। তারা উপকূলীেয় অঞ্চলের মানবিক উন্নয়ন ও সংস্কৃতি বিকাশে সংবর্ধিত অতিথির বিশেষ অবদানের তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল অনিমেষ বড়ালের একক সঙ্গীত পরিবেশনা। তিনি উপকূলবন্ধু মোস্তফা নূরুজ্জামানের রচিত জনপ্রিয় গান থেকে বাছাইকৃত একাধিক গান পরিবেশন করে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গ, শিল্পী ও সঙ্গীতপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

শহরের মধ্যকাটিয়ায় রাস্তা যেন নর্দমা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
শহরের মধ্যকাটিয়ায় রাস্তা যেন নর্দমা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মধ্যকাটিয়া এলাকায় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল অবস্থার কারণে কার্যত নর্দমায় পরিণত হয়েছে। নর্দমার ময়লা-আবর্জনা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি উপচে রাস্তায় জমে থাকায় প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কয়েক হাজার মানুষকে।

সোমবার (১৪ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে কালো ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে রয়েছে। রাস্তার অধিকাংশ অংশ কাদা, আবর্জনা ও প্লাস্টিক বর্জ্যে ঢেকে গেছে। কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, যা নোংরা পানির নিচে থাকায় সহজে বোঝা যায় না। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনগুলো পরিষ্কার না করায় পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হচ্ছে না। ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা উপচে পড়ে রাস্তায় জমে থাকছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। রাস্তাটি ব্যবহার করে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চলাচল করলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই দুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছি। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা নোংরা পানিতে তলিয়ে যায়। ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা উপচে রাস্তায় পড়ে থাকে। প্রতিদিন শিশু, বৃদ্ধ ও নারীদের কাদা-পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দুর্গন্ধে অনেক সময় ঘরের দরজা-জানালা খুলে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে।

আরেক বাসিন্দা কবীর হোসেন বলেন, এলাকার মানুষ নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করলেও নাগরিক সুবিধা পাচ্ছে না। রাস্তার গর্তগুলো পানির নিচে থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। মোটরসাইকেল ও ভ্যান চলাচল করতে গিয়ে উল্টে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

মাহবুব নামের একজন শিক্ষার্থী বলেন, প্রতিদিন স্কুল ও কোচিংয়ে যেতে এই রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে অনেক সময় পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। বৃষ্টির দিনে চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়ে। নোংরা পানি ও কাদায় স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা নোংরা পানির কারণে মশা-মাছির উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।

ভুক্তভোগীরা জানান, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে দিন দিন জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার সংশ্লিষ্ট একজন প্রতিনিধি বলেন, সমস্যার বিষয়টি আমরা অবগত আছি। দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পানি নিষ্কাশন ও রাস্তা সংস্কারের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ড্রেন পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার করা না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে। জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

 

 

 

 

আশাশুনিতে ভারতীয় অবৈধ বাগদার ডিম জব্দ, চালককে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ভারতীয় অবৈধ বাগদার ডিম জব্দ, চালককে জরিমানা

Oplus_16908288

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে অবৈধভাবে নিয়ে আসা আট পলিথিন ভারতীয় বাগদা চিংড়ির ফুটানো ডিম (নকলি) জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত হ্যাচারি মালিককে না পেয়ে বহনকারী প্রাইভেট কারের চালককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে জব্দ করা ডিমগুলো মরিচ্চাপ নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

রোববার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্যামানন্দ কুন্ডু এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। দ-প্রাপ্ত চালকের নাম সাইদুল ইসলাম। তিনি দেবহাটা উপজেলার বালিয়াঘাটা গ্রামের আলম বারীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে একটি প্রাইভেট কারে করে আট পলিথিন বাগদা চিংড়ির ডিম নিয়ে আশাশুনির মানিকখালি বিসমিল্লাহ হ্যাচারির উদ্দেশ্যে আসছিলেন সাইদুল। হ্যাচারির গেটে প্রবেশের মুখে গাড়িটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় জনতা তা আটকে পুলিশে খবর দেয়। গভীর রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালকসহ গাড়ি ও মালামাল থানা হেফাজতে নেয়।

রোববার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর ধারায় চালক সাইদুল ইসলামকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জিজ্ঞাসাবাদে চালক স্বীকার করেছেন, বাগদার ডিমগুলো অবৈধভাবে ভারত থেকে এনে বিসমিল্লাহ হ্যাচারিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য গাড়িটি ভাড়া করা হয়েছিল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু নিশ্চিত করেছেন, অবৈধ আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় এবং হ্যাচারি কর্তৃপক্ষকে ঘটনাস্থলে না পাওয়ায় সাময়িকভাবে চালককে জরিমানা করা হয়েছে। তবে বিসমিল্লাহ হ্যাচারির সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত গভীর সমুদ্র থেকে মা-বাগদাসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। এই সুযোগে অধিক লাভের আশায় কিছু অসাধু হ্যাচারি ব্যবসায়ী ভারত বা থাইল্যান্ড থেকে অবৈধভাবে রাসায়নিক মিশ্রিত নকলি ডিম এনে হ্যাচারিতে ফুটিয়ে বাজারজাত করে। এতে মৎস্য চাষিরা চরম লোকসানের মুখে পড়ছেন বলে স্থানীয় চাষিরা অভিযোগ করেছেন।