মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরা উন্নয়ন সমন্বয় ফোরামের ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন: জেলার উন্নয়নে ১৬ দফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা উন্নয়ন সমন্বয় ফোরামের ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন: জেলার উন্নয়নে ১৬ দফা

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সম্ভাবনাময় জেলা সাতক্ষীরার উন্নয়নকে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা সাতক্ষীরা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে এই জেলাকে দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় রাজধানীর পান্থপথে সাতক্ষীরা জেলা সমিতি, ঢাকার কার্যালয়ে সাতক্ষীরা উন্নয়ন সমন্বয় ফোরামের আয়োজনে “দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন: জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা” শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফোরামের সভাপতি ইকবাল মাসুদ।

সাতক্ষীরা উন্নয়ন সমন্বয় ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা আফসার আলীর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা সমিতি ঢাকার সভাপতি প্রকৌশলী আবুল কাশেম, সাতক্ষীরা উন্নয়ন সমন্বয় ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা বকুলুজ্জামান এবং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স.ম মেহেদী হাসান। এসময় ১৬ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

১. সুন্দরবন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন: বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রতীক সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণে একটি বিশেষায়িত ‘সুন্দরবন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (সুন্দরবন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি) গঠন করা জরুরি।

২. খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপন: সাতক্ষীরার বিখ্যাত হিমসাগর আম, লিচু, কুল, টমেটো, পেয়ারা ও মধুর অপচয় রোধ এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আধুনিক ফুড প্রসেসিং শিল্প স্থাপন প্রয়োজন।

৩. সাতক্ষীরা-শ্যামনগর মহাসড়ক উন্নয়ন: দীর্ঘদিনের অবহেলার শিকার এই মহাসড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করে জনদুর্ভোগ লাঘব করতে হবে।

৪. মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ জোন: ‘সাদা সোনা’ খ্যাত বাগদা চিংড়িসহ রুই, কাতলা, ভেটকি ও পারশে মাছ সংরক্ষণ ও রপ্তানির জন্য একটি আধুনিক ফিশ প্রসেসিং জোন প্রতিষ্ঠা জরুরি।

৫. সীমান্ত সড়ক নির্মাণ: মাদক নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান ও সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা জোরদারে সীমান্ত এলাকায় স্থায়ী সড়ক নির্মাণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

৬. ভোমরা স্থলবন্দরের আধুনিকায়ন: দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভোমরা স্থলবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে দ্রুত ও কম খরচে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে।

৭. রেলপথ সংযোগ স্থাপন: নাভারন থেকে ভোমরা স্থলবন্দর ও সাতক্ষীরা শহরের মধ্যে রেল যোগাযোগ স্থাপন এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।

৮. বাস টার্মিনাল স্থানান্তর: যানজট নিরসন ও পরিবেশ রক্ষায় শহরের কেন্দ্রস্থলের পুরাতন বাস স্ট্যান্ড দ্রুত বাইপাস সংলগ্ন লাভসায় স্থানান্তর করা প্রয়োজন (বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনে প্রক্রিয়াধীন)।

৯. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা: দেবহাটা উপজেলায় একটি আন্তর্জাতিক মানের বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি।

১০. টেকসই মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান): উপকূলীয় জেলা হিসেবে বন্যা ও জলোচ্ছাসের ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন জরুরি।

১১. টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ: প্রতিবছর বাঁধ ভেঙে জনপদ প্লাবিত হওয়ার সমস্যা রোধে স্থায়ী ও শক্তিশালী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে হবে।

১২. বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ: শ্যামনগর, আশাশুনি ও কালিগঞ্জসহ উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততার কারণে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে বড় আকারের ‘রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং’ প্রকল্প এবং ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

১৩. স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন: উপকূলীয় উপজেলার হাসপাতালগুলো সংস্কার, শূন্য পদে জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে হবে।

১৪. সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার স্থাপন: ৫০০ শয্যার হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা, সব বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ এবং ক্যান্সার রোগীদের জন্য একটি বিশেষায়িত রিসার্চ সেন্টার ও উন্নত ডায়াগনস্টিক সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

১৫. নীলডুমুর ও মুন্সিগঞ্জকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে উন্নয়ন: সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার হিসেবে এই এলাকাগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের ইকো-ট্যুরিজম জোন গড়ে তোলা, হোটেল-মোটেল নির্মাণ এবং আকাশপথে যোগাযোগের জন্য হেলিপ্যাড বা শর্ট টেক-অফ রানওয়ে (এসটিওএল) স্থাপন করা যেতে পারে।

১৬. আধুনিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স ও জিমনেসিয়াম স্থাপন: তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে এবং দক্ষ ক্রীড়াবিদ তৈরির লক্ষ্যে একটি মাল্টিপারপাস স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণ করা প্রয়োজন।

বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার এসব যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে শুধু এই জেলার উন্নয়নই নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

গভীর রাতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
গভীর রাতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম

সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার রাত প্রায় ১১টার দিকে কপোতাক্ষ নদ পেরিয়ে ট্রলারে করে তাঁর মরদেহ শ্যামনগরের গাবুরার সরদারপাড়ায় পৌঁছায়।

মরদেহের সঙ্গে ছিলেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ, মা, দাদি, নানি, ফুপা, ফুপি ও ছোট চাচা মোতাসিম বিল্লাহসহ স্বজনেরা। লাশ পৌঁছানোর পর রাত ১২ টা ৩৫ মিনিটে গাবুরা পশ্চিম পাড়া সরদার বাড়ি জামে মসজিদের পাশে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন স্থানীয় মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা নুরুল হুদা। এ সময় স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা এবং শ্যামনগর থানার এসআই অনিরুদ্ধ রায় ও বদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে স্বজনদের পুরোনো কবরগুলোর পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় মরিয়মকে।

এর আগে সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই মরিয়মকে দাফনের সব প্রস্তুতি শেষ করে রাখা হয়েছিল। পারিবারিক কবরস্থানে প্রস্তুত রাখা হয় নতুন কবর। কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধের কিনারা ঘেঁষে ইটের সড়ক ধরে সরদারপাড়ায় মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় শোকের মাতম। বাড়ির সামনে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রতিবেশীরা।

মরিয়মের চাচা মিলন সরদার প্রবাসে থাকায় বাড়িতে থেকে দাফনের সব প্রস্তুতি সামলান তাঁর স্ত্রী মুন্নী খাতুন। তিনি জানান, মরদেহবাহী গাড়িটি পদ্মা সেতু পার হয়ে খুলনার কয়রা হয়ে সড়কপথে আসে। এরপর কয়রার কাশিরহাটখোলা খেয়াঘাট থেকে ট্রলারে করে গাবুরার বাড়িতে পৌঁছায়। দাফন শেষে ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা মরিয়মের অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁর আত্মার মাগফিরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

মরিয়মের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াসিন সরদার জানান, ২০০৯ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আইলার পর—যখন মরিয়মের বয়স মাত্র দুই-তিন বছর—তখন থেকেই সে পরিবারসহ ঢাকায় থাকত। একই এলাকার ৮২ বছর বয়সী সাবেক গ্রাম পুলিশ গোলাম রহমান বলেন, ‘মেয়েটি ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকত। মাঝে মাঝে শুনতাম সে লেখাপড়া করছে, এসএসসি পরীক্ষাও দিয়েছিল। কিন্তু এত অল্প বয়সে এমন একটি ঘটনা কেন ঘটল, তার কিছুই আমরা বুঝতে পারছি না।’ নাতনির মৃত্যুর খবরে শোকে পাথর হয়ে দাদা ইউনুস সরদার বাড়ির এক কোণে চুপচাপ বসে ছিলেন।

উল্লেখ্য, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গত রোববার সন্ধ্যায় মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর বাবা মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মরিয়মের স্বামী সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে গাজী নজরুল ও মাকসুদাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে এবং অন্য আসামি ওবায়দুর পলাতক রয়েছেন।

মুক্তির আগেই ইতিহাস গড়লো ‘রাকা’, নাম উঠলো গিনেস বুকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মুক্তির আগেই ইতিহাস গড়লো ‘রাকা’, নাম উঠলো গিনেস বুকে

আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘রাকা’ সিনেমার। ছবিটিতে দেখা যাবে দীপিকা পাড়ুকোনকেও। তবে মুক্তির এক বছর আগেই রেকর্ড গড়েছে সিনেমাটি।

‘রাকা’র নাম উঠেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। সর্বভারতীয় এই সিনেমার শুটিংয়ে একসঙ্গে ৩৭ জন শিল্পীর মোশন-ক্যাপচার করা হয়েছে। আর এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

ছবির প্রযোজক সংস্থা সান পিকচার্স সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক্সে এই আপডেটটি শেয়ার করেছে।

ছবিতে পরিচালকের পাশে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সনদ হাতে দেখা যায় আল্লু অর্জুনকে। ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ইতিহাস তৈরি হলো। এক বিশ্বব্যাপী বিজয় যা ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেল!’

অন্যদিকে, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিসিয়াল সাইটে ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘বাস্তব সময়ে সর্বাধিক ৩৭ জন মানুষের গতিবিধি ধারণ করার রেকর্ডটি অর্জন করেছে সান টিভি নেটওয়ার্ক লিমিটেড এবং ভি. অরুণকুমার (ওরফে) অ্যাটলি (উভয়েই ভারত), আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘রাকা’ সিনেমা।’

বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা

বাংলাদেশে সোনার গহনা পরে চলাফেরা নিরাপদ মনে করেন না জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। দেশে অনেক জায়গায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিশা।

তার কথায়, ‘সত্যি কথা বলতে, বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না। আমাদের দেশে অনেক জায়গায় নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে।’

তিশা বলেন, ‘আমরা নিজেরাই অনেক ঝামেলায় পড়ি, যেগুলো আমরা ডিজার্ভ করি না। অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়গুলো অন্যায় মনে হয়, ন্যায়বিচারও পাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। যে কোনও পরিস্থিতিতে নারীদের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো দরকার।’

টিভি নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এর মধ্যে সিনেমাতেও নাম লেখালেন তিনি। শাকিব খানের বিপরীতে দেখা যাবে তাকে। ‘সোলজার’ সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন তারা।