শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সদরে গবাদিপশু পালন বিষয়ে ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরে গবাদিপশু পালন বিষয়ে ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: যুব সমাজকে দক্ষ, স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা সদর এর উদ্যোগে আয়োজিত গবাদিপশু পালন বিষয়ক ৭ দিনব্যাপী অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রশিক্ষণে প্রান্তিক যুব সংঘের মোট ৩০ জন তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন, যারা বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ সুগম করার সুযোগ পেয়েছেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জীত কুমার দাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস. এম. আজিজুল হকএবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।
সাতদিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা গবাদিপশু পালন, আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা, টিকাদান পদ্ধতি এবং পুষ্টিকর খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণার্থীরা ভবিষ্যতে নিজস্ব খামার গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন। এতে করে তাদের ব্যক্তিগত আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকল প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ ও নির্ধারিত ভাতা প্রদান করা হয়।

Ads small one

ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপেই নবজাতকের জন্ম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপেই নবজাতকের জন্ম

চারদিকে ধ্বংসস্তূপ, স্বজন হারানোর আহাজারি আর উদ্ধারকর্মীদের মরিয়া ছুটে চলা। এমন ভয়াবহ এক দুর্যোগের মধ্যেই জন্ম নিয়েছে এক নবজাতক। শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় শোকের আবহে এই শিশুর জন্ম যেন এক টুকরো আশার আলো।
এদিকে জোড়া ভূমিকম্পের কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও থামেনি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিত মানুষের সন্ধানে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন দেশি-বিদেশি উদ্ধারকর্মীরা। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৯২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিন হাজার ৩৬০ জনেরও বেশি, আর এখনও ১৭২ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট ও রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত একটি এলাকার ধ্বংসস্তূপের পাশে আশ্রয় নেওয়া এক অন্তঃসত্ত্বা নারী একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

উদ্ধারকর্মীরা জানান, চারদিকে যখন ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছিল, ঠিক সেই সময় নবজাতকের প্রথম কান্না উপস্থিত সবার চোখে জল এনে দেয়। অনেকেই শিশুটিকে দুর্যোগের মধ্যেও জীবনের জয়ের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই নবজাতকটিকে ‘আশার প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করছেন। উদ্ধারকর্মীরাও বলেছেন, এমন একটি মুহূর্ত তাদের ক্লান্তি কিছুটা হলেও ভুলিয়ে দিয়েছে।

ভেনেজুয়েলায় কয়েকদিন আগে আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৯২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিন হাজার ৩৬০ জনের বেশি এবং এখনও ১৭২ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, ৫০ হাজারের বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদার করতে ইতোমধ্যে এক হাজার ৬০০ জনের বেশি-বিদেশি উদ্ধারকর্মী ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ১৭টি উদ্ধারকারী ফ্লাইট দেশটিতে অবতরণ করেছে এবং আরও কয়েকটি ফ্লাইট পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাস ও উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চল। বহু বহুতল ভবন, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হাজারো পরিবার রাতারাতি হারিয়েছে তাদের স্বজন, ঘর-বাড়ি এবং জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ।

উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে এলেও তারা আশা ছাড়ছেন না। ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি ইট-পাথর সরিয়ে জীবনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায় কিনা, সেই চেষ্টা চলছে অবিরাম।

একদিকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসছে নিথর দেহ, অন্যদিকে একই ধ্বংসস্তূপের পাশে জন্ম নেওয়া একটি নবজাতক মনে করিয়ে দিচ্ছে—সব হারিয়েও জীবন থেমে থাকে না। ভেনেজুয়েলা এখন শোক, বেদনা ও আশার এক কঠিন অধ্যায় অতিক্রম করছে।

পাটের সোনালি সুদিন ও সম্ভবনার নতুন দিগন্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
পাটের সোনালি সুদিন ও সম্ভবনার নতুন দিগন্ত

এম শফিকুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবেশবান্ধব হিসেবে পাটের চাহিদা পুনরায় সৃষ্টি হওয়ার বাংলাদেশের সোনালি আঁশে দেখা দিয়েছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্ধিত চাহিদার পাশাপাশি বাংলাদেশের তরুণ বিঙ্গানিগন কর্তৃক পাটের ও ছাত্রকের জীবন রহস্য উন্মোচনের ঘটনা দেশে নতুন করে পাট উৎপাদনে বিপ্লবের সূচনা করতে পারে। আর এ উৎপাদন ব্যবস্থার বিপ্লব পাট শিল্পের উৎকর্ষের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাখতে পারে অনন্য অবদান। বর্তমানে দেশে ও বিদেশে বর্ধিত চাহিদার প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যেই বেড়েছে বাংলাদেশের পাট রপ্তানি ও রপ্তানি আয়।

 

বাংলাদেশের সুপিরিয়র পাট সহজলভ্য হওয়ায় বিশ্ববাজারে উচ্চ মূল্য সংযোজন মূল্য প্রতিযোগিতায় ও পাটপণ্য ভালো অবস্থায় রয়েছে। তাই পাট ও পাট পন্যের এ সম্ভাবনার নতুন দিগন্তকে পুঁজি করে দেশের পাটখাতকে আর্থসামাজিক উন্নয়নের শ্রেষ্ঠ উপায় বিবেচনায় সরকারিভাবে এক খাতের উন্নয়নে নেওয়া দরকার নানা পদক্ষেপ। বিজ্ঞানীদের দ্বারা পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কার কেবল সম্ভবনার আর একটি দ্বারই খুলে দেয়নি, তা বাংলাদেশীদের অসাধ্য সাধনের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে।

 

পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং বাংলাদেশ বিশ্বে পাট ও পাটজাত পণ্য সামগ্রী রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ। তথাপি এদেশের পাটের উৎপাদন ব্যবস্থা ও পাট শিল্প আজও নানার সমস্যায় জর্জরিত। এই শিল্পের রুগ্নতা একটি পুরাতন ব্যাধি। পাট খেতে বিদ্যমান প্রধান প্রধান সমস্যাগুলো হচ্ছে পাটকলের পর্যাপ্ত মূলধন সমস্যা, প্লাস্টিক পণ্যের অবাধ ব্যবহার, ভালোমানের পাট বীজের অভাব, পাট শিল্পে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শ্রমিক এর অভাব, পাট ও পাঠ পর্ণের নি¤œমূল্য, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও এর ফলে বিপর্যয়, পাট খাতে প্রযুক্তিগত সুবিধা না থাকা ইত্যাদি।

 

পাট শিল্প সমূহের দুর্বলতার ও সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি পাট উৎপাদন ব্যবস্থাও অনেক সমস্যার সম্কুল অবস্থায় রয়েছে। অতিরিক্ত খরা, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে সেচের সমস্যা, ধান ও অন্যান্য ফসল অধিক উৎপাদনের চাপ, সার ও কীটনাশকের মূল্য বৃদ্ধি, পাটের মূল্য হ্রাস, কৃষকের নায্য মূল্য না পাওয়া, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব একসময়ের সোনালী আঁশ পাটকে আজ কৃষকের গলার ফাঁসে পরিণত করেছে।

 

এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে তন্ত জাতীয় দ্রব্যের যোগান যেমনি বেড়েছে তেমনি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক জটিলতা, উন্নত যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাব প্রভৃতি কারণে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে। এসবের প্রতিকূল প্রভাব পড়েছে উৎপাদন ব্যবস্থার উপর এবং সর্বোপরি এদেশের অর্থনীতির উপর। এসব সমস্যার সাথে যুক্ত হয়েছে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলের অদক্ষতা, পরিচালনাগত অদূরদর্শিতা, অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, দুর্নীতি ইত্যাদি। মোটকথা বাংলাদেশের পাট শিল্প আজ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক সব দিক থেকে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

 

বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলারের জরুরি অর্থায়ন বিশ্বব্যাংকের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলারের জরুরি অর্থায়ন বিশ্বব্যাংকের

আর্থিক সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলারের জরুরি অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। এই অর্থায়ন বাংলাদেশকে কর্মসংস্থান, জীবিকা এবং জরুরি সেবাগুলো সুরক্ষিত রেখে দ্রুত অর্থনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শনিবার (২৭ জুন) রয়টার্স জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে সার, জ্বালানি ও খাদ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতিতে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করতে বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন (১১০ কোটি) মার্কিন ডলারের জরুরি অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।

জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং সরকারি ব্যয়ের ওপর চাপ কমাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ (আইএমএফ) অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত বৈদেশিক অর্থায়নের চেষ্টা করছে।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বৈশ্বিক সংকটের ধাক্কা সামলাতে বিশ্বব্যাংকের এই প্যাকেজের অধীনে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ৩০০ মিলিয়ন ডলার মোট বরাদ্দের মধ্যে ৩০০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করা হবে ‘খাদ্য নিরাপত্তার জন্য জরুরি সহায়তা’ প্রকল্পের আওতায়। এই অর্থ দিয়ে আগামী ধান চাষের মৌসুমের জন্য ছয় লাখ মেট্রিক টন সার আমদানি করা হবে। কারণ, বাংলাদেশ তার চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি সার আমদানি করে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জঁ পেসমে এক বিবৃতিতে বলেন, “মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী মূল্য এবং সীমিত রাজস্ব সক্ষমতা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে, বিশেষ করে ক্ষুদ্র চাষী এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।” এই প্রকল্পটি ১৪ লাখ হেক্টরেরও বেশি (৩.৪৬ মিলিয়ন একর) ফসলি জমিতে ধান চাষে সহায়তা করবে।

জরুরি ব্যয়ে ৭১৩ মিলিয়ন ডলার, বাকি ৭১৩ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন করা হয়েছে ‘কন্টিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের অধীনে। এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং ছোট ব্যবসার জন্য নগদ অর্থ হস্তান্তর এবং জীবিকা সহায়তাসহ জরুরি ব্যয় নির্বাহে ব্যবহৃত হবে।

এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য বিতরণ, বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহের মতো প্রয়োজনীয় সেবাগুলো সচল রাখতে জ্বালানি ও শক্তি আমদানিতেও এই তহবিল সহায়তা করবে।বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এই অর্থায়ন বাংলাদেশকে কর্মসংস্থান, জীবিকা এবং জরুরি সেবাগুলো সুরক্ষিত রেখে দ্রুত অর্থনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।