শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় সাত লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় সাত লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শনিবার (১১ জুলাই ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকসহ চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ০১ জন বাংলাদেশী আসামীসহ ভারতীয় মদ, উইনসেরেক্স সিরাপ, এসকুফ সিরাপ, কুফ রিলিফ সিরাপ, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ এবং ঔষধ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরপাড় হতে ৩৫ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আমবাগান হতে ৩ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি ও রাজ্জাকের মোড় নামক স্থান হতে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৪০০ টাকার ভারতীয় মদ, উইনসেরেক্স সিরাপ এবং ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও, চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আমবাগান হতে ৩০ হাজার ৮০০ টাকার ভারতীয় উইনসেরেক্স, এসকুফ সিরাপ, কুফ রিলিফ সিরাপ আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৬ লাখ ৮৯ হাজার ২০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী মাদকসহ অন্যান্য চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

Ads small one

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: সাতক্ষীরার চিরচেনা জলাবদ্ধতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: সাতক্ষীরার চিরচেনা জলাবদ্ধতা

দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার মানুষের কাছে ‘জলাবদ্ধতা’ কোনো নতুন শব্দ নয়, বরং এটি তাদের জীবনের এক বার্ষিক অভিশাপ। সম্প্রতি মাত্র এক রাতের ১৪৬ মিলিমিটার রেকর্ড বৃষ্টিতে সাতক্ষীরা পৌরসভাসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যেভাবে পানিতে তলিয়ে গেছে, তা আবারও প্রমাণ করল যেÑআমাদের নগর পরিকল্পনা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কতটা ভঙ্গুর। সরকারি দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকাগুলোতে হাঁটুসমান পানি জমে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়া এবং মানুষের ঘরে সাপ-খোপ ঢুকে পড়ার মতো পরিস্থিতি কোনো আধুনিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজের চিত্র হতে পারে না।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ অত্যন্ত যৌক্তিক। বিশ বছর ধরে এক অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলছেন তারা। ‘দক্ষিণবঙ্গের অক্সফোর্ড’ খ্যাত সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ রোড, মাছখোলা এলাকা কিংবা কলারোয়ার ঐতিহ্যবাহী বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দক্ষিণ দেবনগর ও শ্রীফলকাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ পানিতে ডুবে থাকার দৃশ্য শুধু শিক্ষার পরিবেশকেই ব্যাহত করছে না, বরং আমাদের কোমলমতি শিশুদের চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। খাবার পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার বিপর্যয় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অন্যদিকে, দিনমজুর ও ভ্যানচালকদের মতো খেটে খাওয়া মানুষ কাজ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা।
মূল সংকট কোথায়? স্থানীয়দের অভিযোগ পরিষ্কারÑঅপরিকল্পিত নগরায়ণ, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব, ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার না করা এবং স্লুইস গেটগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকা।
নতুন সরকারের অধীনে নদী ও খাল খননের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং আশাব্যঞ্জক। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) আশ্বাসের পরিপ্রক্ষিতে বলা যায়, শহরের প্রাণসায়ের খালের সাথে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংযোগ সচল করা এবং স্লুইস গেটগুলো সময়মতো খুলে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তবে এই কাজগুলো শুধু কাগজের পরিকল্পনা বা সাময়িক সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; এর জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা।
আমরা মনে করি, সাতক্ষীরার এই চিরচেনা দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে জেলা প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে একযোগে কাজ করতে হবে। পানি নিষ্কাশনের প্রাকৃতিক পথগুলো সচল করা, অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাল ও জলাশয় উদ্ধার করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মাঠ ভরাট ও উঁচুকরণ এখন সময়ের দাবি। নতুন সরকারের সংস্কারের প্রতিশ্রুতির সুফল যেন সাতক্ষীরার মানুষ বাস্তবে পায়Ñসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আশাশুনি কলেজ কেন্দ্রে চার পরীক্ষার্থী বহিস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
আশাশুনি কলেজ কেন্দ্রে চার পরীক্ষার্থী বহিস্কার

আশাশুনি প্রতিনিধি: চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় আশাশুনি সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ৪ কলেজের ৪জন পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিস্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বিজনেস ইংলিশ সাবজেক্টের পরীক্ষায় তাদেরকে বহিস্কার করা হয়।
কেন্দের হল সুপার প্রভাষক রবিউল ইসলাম জানান, ভিজিলেন্স টিম সদস্য পরীক্ষা চলাকালে কারিগরি শিক্ষা বিভাগের কক্ষে ৪ পরীক্ষার্থীকে অনৈতিক উপায় অবলম্বনের দায়ে খাতা, নকল, মোবাইল উদ্ধার করেন। পরে তাদেরকে (আশাশুনি সরকারি কলেজের একজন-মোবাইল পাওয়ায়, বড়দল আফতাব উদ্দীন কলেজিয়েট স্কুলের একজন-নকল পাওয়ায়, হাজী জালাল উদ্দীন কলেজের একজন-নকল পাওয়ায় ও বুধহাটা সুন্দরবন টেকনিক্যাল কলেজের একজন-নকল পাওয়ায়) বহিস্কার করা হয়।

শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ওসির মতবিনিময়

শ্যামনগর প্রতিনিধি: রাস্ট্র ও সমাজ গঠনে সাংবাদিকদের কলমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একটি অন্ধকার সমাজকে আলোকিত করতে পারে সাংবাদিকরা। বস্তনিষ্ট সংবাদ সমাজকে আলোকিত করে। শনিবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের হলরুমে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে কথাগুলো বলেছেন অফিসার ইনচার্জ শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি আরও বলেন পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে সুসম্পর্ক সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোয় নিয়ে যেতে পারে। কোন নিরিহ মানুষ যাতে হয়রাণী না হয় এবং অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে তিনি খেয়াল রাখবেন বলে আশ্বস্থ করেন। স্কুল, কলেজ সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাল্য বিবাহ, মাদক, ইভটিজিং বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা করবেন বলে জানান।শ্যামনগর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা করার জন্য চেষ্টা করবেন মতবিনিময় সভায় অবহিত করেন। শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক ছামিউল আযম মনিরের সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর থানার উপ-পরিদর্শক বিপ্লব হোসেন।
উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ অন্যান্য বিষয়ে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিক প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম মোস্তফা কামাল, সাংবাদিক শেখ আফজালুর রহমান, রনজিৎ বর্মন, আবু কওছার, এম কামরুজ্জামান, হাজী মুরাদ, হোসাইন বিন আফতাব, মাহমুদুল ফিরোজ বাবুল, গাজী মিশুক প্রমুখ।
উল্লেখ্য, শ্যামনগর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ ২জুলাই যোগদান করেন। তিনি জেলা শহর সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছেন।