শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধাদের সভা থেকে ভবনে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধাদের সভা থেকে ভবনে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা অক্ষুণœ রাখা এবং বর্তমান সরকারের সফলতা কামনা করে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) বেলা ১১টায় শহরের পাকাপুল মোড়ে অবস্থিত জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। এরপর সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে জেলার প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্থতা কামনা করা হয়।

সভায় বক্তারা মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তোলেন। তাঁরা বলেন, সরকারিভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ (২০ হাজার টাকা) দেওয়া হলেও তা প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধারা সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না এবং জরুরি মুহূর্তে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স কিংবা প্রয়োজনীয় ওষুধ মিলছে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, “স্বাধীনতা-বিরোধী চক্রের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও এর স্মৃতিগুলো। সে কারণেই একের পর এক মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ধ্বংস করা হয়েছে।”

দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার। স্বাধীনতা-বিরোধী পরাজিত শক্তি এই সরকারের বিরুদ্ধে নানা গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়ে ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তাঁরা বলেন, বিগত আন্দোলনের সময় সাতক্ষীরা জেলা শহরের তিনটি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। অথচ এই নারকীয় ঘটনার পর এখনো কোনো মামলা হয়নি বা জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়নি। বক্তারা অবিলম্বে এসব কমপ্লেক্স সংস্কার এবং হামলাকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি জানান।

জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তারা আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারগুলো ৩০ লাখ টাকা (যার মধ্যে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র) ও মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতাসহ মোট প্রায় ৩৮ হাজার টাকা পাচ্ছে। অন্যদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার পাচ্ছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। বক্তারা জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি একাত্তরের শহীদদের প্রতিও বিনম্্র শ্রদ্ধা জানান।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক স ম শহিদুল ইসলাম বলেন, গত ২ জুলাই সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম আশ্বাস দিয়েছেন যে, সাতক্ষীরায় কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবেন না। সরকারি হাসপাতালে ওষুধ না থাকলে তা কিনে দেওয়া হবে। তবে এই সুবিধা শুধু মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রী পাবেন।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক আহমেদ মোল্যার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা ইউনিটের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মিজানুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুজ্জামান খোকন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনুদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট নূরুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান বাবু, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম জালালউদ্দিন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার প্রমুখ।

Ads small one

সাতক্ষীরায় মাদক ও ভারতীয় পণ্য আটক, গ্রেপ্তার ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মাদক ও ভারতীয় পণ্য আটক, গ্রেপ্তার ১

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি কাভার্ড ভ্যানে অভিযান চালিয়ে মাদক, ভারতীয় ওষুধ ও বিড়ি জব্দ করেছে র‌্যাব-৬। এ সময় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামনগর উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. আব্দুল মজিদ শেখ (৩৬)। র‌্যাব জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার জায়েন উদ্দিন মোহাম্মদ জিয়াদ বলেন, এ ঘটনায় উদ্ধার করা আলামতসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সাতক্ষীরার গড়েরকান্দা ও ইটাগাছায় মাদক কারবারিদের ৩ দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার আল্টিমেটাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার গড়েরকান্দা ও ইটাগাছায় মাদক কারবারিদের ৩ দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় মাদকের নীল দংশন থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে এবার সশরীরে মাঠে নেমেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মাদক চক্রের দুই হোতাকে তিন দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার চূড়ান্ত সময়সীমা (আল্টিমেটাম) বেঁধে দিয়েছেন তারা।

শুক্রবার (৩ জুলাই ২০২৬) জুমার নামাজ শেষে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গড়েরকান্দা ও ইটাগাছা সম্মিলিত জামে মসজিদের সামনে এই নজিরবিহীন মাদকবিরোধী বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন শত শত সাধারণ মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা দুই নারীর নাম উল্লেখ করে বলেন, ঐ দুই নারী দীর্ঘদিন ধরে গড়েরকান্দা ও ইটাগাছা এলাকায় প্রকাশ্যেই মাদকের রমরমা কারবার চালিয়ে আসছেন। এই মাদক সিন্ডিকেটের কারণে ধ্বংসের মুখে পড়ছে এলাকার যুবসমাজ, বাড়ছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই দুই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে একাধিকবার প্রশাসনের কাছে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানানো হলেও কোনো এক অদৃশ্য ইশারায় তারা বরাবরই পার পেয়ে গেছেন। কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দিতে বাধ্য হয়েছেন এলাকাবাসী। সমাবেশ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, আগামী তিন দিনের মধ্যে সব ধরনের মাদক ব্যবসা বন্ধ করে এলাকা না ছাড়লে আরও কঠোর সামাজিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বলেন, “”মাদকের বিষাক্ত ছোবল আমাদের সন্তানদের শেষ করে দিচ্ছে। প্রশাসন যখন নির্বিকার, তখন সমাজকে রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে।”

এদিকে বিক্ষোভ চলাকালেই এলাকায় মাদক কিনতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক তথাকথিত ‘ভদ্রলোক’। স্থানীয়দের দাবি, সাতক্ষীরা চালতেতলা বাজারের ‘ব্যস্ত ডাক্তার’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি ওই এলাকায় মাদক কিনতে এলে সাধারণ জনতা তাকে হাতেনাতে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতার গণপিটুনির শিকার হন তিনি। পরে তাকে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা বলেন, গড়েরকান্দা ও ইটাগাছাকে যেকোনো মূল্যে মাদক, সন্ত্রাস ও সব ধরনের অপরাধমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে তারা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা ভেঙে অবিলম্বে এই মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর দাবি জানান।

অভিযুক্ত নারীদের বাড়িতে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, স্থানীয়দের এই আল্টিমেটাম এবং মাদক কিনতে এসে মারধরের শিকার হওয়ার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

সোনালী ব্যাংকের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দিল জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
সোনালী ব্যাংকের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দিল জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন

পত্রদূত ডেস্ক: জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (জেবিএবি) সাতক্ষীরা অঞ্চলের উদ্যোগে সোনালী ব্যাংক পিএলসি ২০২৬ সালে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা শহরের তুফান কনভেনশন হল লেক ভিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাতক্ষীরা প্রিন্সিপাল অফিসের ডিজিএম ইনচার্জ এ কে এম ফারুক ফয়সল। সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী ব্যাংকা’রস এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের সভাপতি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি প্রিন্সিপাল অফিস সাতক্ষীরার এজিএম শেখ সালাউদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাতক্ষীরা অফিসের এজিএম মো. রবিউল ইসলাম, এসপিও মো. ফরহাদ হুসাইন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আশুতোষ দাশ, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার আবু সিদ্দিক প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি সাতক্ষীরা কামাননগর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার ও জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন। এসময় জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার’স এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, পদোন্নতি শুধু মর্যাদা নয়, এটি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়। গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সুনাম আরও সমুন্নত রাখতে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে ২০২৬ সালে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।