শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরার গড়েরকান্দা ও ইটাগাছায় মাদক কারবারিদের ৩ দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার আল্টিমেটাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার গড়েরকান্দা ও ইটাগাছায় মাদক কারবারিদের ৩ দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় মাদকের নীল দংশন থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে এবার সশরীরে মাঠে নেমেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মাদক চক্রের দুই হোতাকে তিন দিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার চূড়ান্ত সময়সীমা (আল্টিমেটাম) বেঁধে দিয়েছেন তারা।

শুক্রবার (৩ জুলাই ২০২৬) জুমার নামাজ শেষে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গড়েরকান্দা ও ইটাগাছা সম্মিলিত জামে মসজিদের সামনে এই নজিরবিহীন মাদকবিরোধী বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন শত শত সাধারণ মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা দুই নারীর নাম উল্লেখ করে বলেন, ঐ দুই নারী দীর্ঘদিন ধরে গড়েরকান্দা ও ইটাগাছা এলাকায় প্রকাশ্যেই মাদকের রমরমা কারবার চালিয়ে আসছেন। এই মাদক সিন্ডিকেটের কারণে ধ্বংসের মুখে পড়ছে এলাকার যুবসমাজ, বাড়ছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই দুই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে একাধিকবার প্রশাসনের কাছে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানানো হলেও কোনো এক অদৃশ্য ইশারায় তারা বরাবরই পার পেয়ে গেছেন। কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দিতে বাধ্য হয়েছেন এলাকাবাসী। সমাবেশ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, আগামী তিন দিনের মধ্যে সব ধরনের মাদক ব্যবসা বন্ধ করে এলাকা না ছাড়লে আরও কঠোর সামাজিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বলেন, “”মাদকের বিষাক্ত ছোবল আমাদের সন্তানদের শেষ করে দিচ্ছে। প্রশাসন যখন নির্বিকার, তখন সমাজকে রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে।”

এদিকে বিক্ষোভ চলাকালেই এলাকায় মাদক কিনতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক তথাকথিত ‘ভদ্রলোক’। স্থানীয়দের দাবি, সাতক্ষীরা চালতেতলা বাজারের ‘ব্যস্ত ডাক্তার’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি ওই এলাকায় মাদক কিনতে এলে সাধারণ জনতা তাকে হাতেনাতে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতার গণপিটুনির শিকার হন তিনি। পরে তাকে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা বলেন, গড়েরকান্দা ও ইটাগাছাকে যেকোনো মূল্যে মাদক, সন্ত্রাস ও সব ধরনের অপরাধমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে তারা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা ভেঙে অবিলম্বে এই মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর দাবি জানান।

অভিযুক্ত নারীদের বাড়িতে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, স্থানীয়দের এই আল্টিমেটাম এবং মাদক কিনতে এসে মারধরের শিকার হওয়ার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় মাদক ও ভারতীয় পণ্য আটক, গ্রেপ্তার ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মাদক ও ভারতীয় পণ্য আটক, গ্রেপ্তার ১

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি কাভার্ড ভ্যানে অভিযান চালিয়ে মাদক, ভারতীয় ওষুধ ও বিড়ি জব্দ করেছে র‌্যাব-৬। এ সময় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামনগর উপজেলার মথুরাপুর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. আব্দুল মজিদ শেখ (৩৬)। র‌্যাব জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার জায়েন উদ্দিন মোহাম্মদ জিয়াদ বলেন, এ ঘটনায় উদ্ধার করা আলামতসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সোনালী ব্যাংকের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দিল জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
সোনালী ব্যাংকের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দিল জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন

পত্রদূত ডেস্ক: জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (জেবিএবি) সাতক্ষীরা অঞ্চলের উদ্যোগে সোনালী ব্যাংক পিএলসি ২০২৬ সালে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা শহরের তুফান কনভেনশন হল লেক ভিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাতক্ষীরা প্রিন্সিপাল অফিসের ডিজিএম ইনচার্জ এ কে এম ফারুক ফয়সল। সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী ব্যাংকা’রস এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের সভাপতি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি প্রিন্সিপাল অফিস সাতক্ষীরার এজিএম শেখ সালাউদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাতক্ষীরা অফিসের এজিএম মো. রবিউল ইসলাম, এসপিও মো. ফরহাদ হুসাইন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আশুতোষ দাশ, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার আবু সিদ্দিক প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি সাতক্ষীরা কামাননগর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার ও জাতীয়তাবাদী ব্যাংকারস এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন। এসময় জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার’স এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা অঞ্চলের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, পদোন্নতি শুধু মর্যাদা নয়, এটি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়। গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সুনাম আরও সমুন্নত রাখতে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে ২০২৬ সালে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।

 

 

 

‎দেশভাগের বিভাজিত মনস্তত্ত্ব ও ইতিহাসের দায়/ ‎তারিক ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
‎দেশভাগের বিভাজিত মনস্তত্ত্ব ও ইতিহাসের দায়/ ‎তারিক ইসলাম

তারিক ইসলাম

‎দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্র বদলে দেওয়া ১৯৪৭ সালের দেশভাগ কেবল একটি রাজনৈতিক ঘটনা ছিল না, এটি ছিল এই অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষের মনস্তত্ত্ব, ভূগোল এবং ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার এক মহাকাব্যিক ট্র্যাজেডি। সাড়ে সাত দশক পেরিয়ে এসেও আজ যখন আমরা ভারত, পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশের দিকে তাকাই, তখন দেখতে পাই-ধর্ম, রাজনীতি আর জাতীয়তাবাদের সেই পুরনো ক্ষতগুলো আজও নিরাময় হয়নি। কেন এই অঞ্চলের রাজনীতি আজীবন এক মেরুকরণের বৃত্তে বন্দি হয়ে রইল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে সেই সময়ে, যখন দেশভাগের রূপরেখা তৈরি হচ্ছিল।

‎সম্প্রতি গবেষক ও লেখক আলতাফ পারভেজের ‘পাকিস্তান আন্দোলন: জিন্নাহ মওদুদী মাদানীদের ভূমিকা-পার্টিশন-বিতর্কের পুনঃপাঠ’ বইটি আমাদের সেই ইতিহাসের এক জটিল ও নির্মোহ আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। আমাদের প্রচলিত ইতিহাসে দেশভাগকে খুব সরলীকরণ করে দেখা হয়-হয় জিন্নাহর একগুঁয়েমি, না হয় কংগ্রেসের চাতুর্য। কিন্তু লেখক এই বইয়ে দেখিয়েছেন, রাজনীতিটা আসলে কতটা বহুমাত্রিক এবং আদর্শিক দ্বন্দ্বে ঠাসা ছিল। তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের মুসলিম সমাজের তিনটি প্রধান ধারা এবং তাদের শীর্ষ তিন নেতার চিন্তাদর্শকে কেন্দ্র করে এই বইয়ের ক্যানভাস তৈরি হয়েছে।

‎বইটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি কোনো পক্ষ নেয়নি। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ-যিনি ব্যক্তিগত জীবনে আধুনিক ও ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার মানুষ ছিলেন, তিনি কীভাবে সমসাময়িক রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবং কংগ্রেসের একক আধিপত্যের আশঙ্কায় ‘মুসলিম জাতীয়তাবাদ’ ও ‘দ্বি-জাতি তত্ত্ব’কে নিজের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার বানালেন, তার নিখুঁত ব্যবচ্ছেদ রয়েছে এখানে। জিন্নাহর এই ‘ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক কার্ড’ তাত্ত্বিকভাবে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তা আজ পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে স্পষ্ট বোঝা যায়।

‎আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তৎকালীন আলেম ও ইসলামপন্থীদের ভূমিকা। জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদী এবং দেওবন্দী ধারার শীর্ষ আলেম মওলানা হুসাইন আহমদ মাদানীর অবস্থান ছিল জিন্নাহর ঠিক বিপরীত মেরুতে। মওদুদী সাহেব জিন্নাহর পাকিস্তান আন্দোলনকে বলতেন ‘মুসলিমদের জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র’, যা তাঁর চোখে খাঁটি ইসলামী রাষ্ট্র ছিল না। অন্যদিকে, মওলানা মাদানী ‘মুত্তাহিদা কওমিয়্যাত’ বা যৌথ জাতীয়তাবাদের তত্ত্ব দিয়ে অখণ্ড ভারতের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, যেখানে ধর্ম নির্বিশেষে সকলের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছিল।

‎আজকের বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে এই ঐতিহাসিক বিতর্কগুলোর পুনঃপাঠ কেন জরুরি? কারণ, আমরা যে সময়ে বাস করছি, সেখানে ইতিহাসকে প্রায়শই রাজনৈতিক স্বার্থে বিকৃত বা কাটছাঁট করা হয়। জিন্নাহকে কেউ দেবদূত বানাতে চান, কেউবা খলনায়ক। আলেমদের ভূমিকাকে একরৈখিকভাবে বিচার করা হয়। কিন্তু আলতাফ পারভেজ তৎকালীন চিঠি, বক্তৃতা ও দলিলপত্র ঘেঁটে দেখিয়েছেন যে, প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক ভয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং কৌশল কাজ করছিল।

‎বইটি পড়তে পড়তে পাঠক হিসেবে উপলব্ধি করা যায়, সাতচল্লিশের সেই বিভাজনের রাজনীতি আজও শেষ হয়ে যায়নি। আজ ভারতে যে হিন্দুত্ববাদের উত্থান কিংবা পাকিস্তানে যে ধর্মীয় উগ্রবাদের সংকট, তার বীজ বপন করা হয়েছিল ওই সময়কার রাজনৈতিক অপকৌশল ও জেদের ভেতরই।

‎‎জাতীয় ইতিহাসের মোড় ঘোরানো ঘটনাগুলোকে যারা সস্তা আবেগ বা একপেশে প্রোপাগান্ডার বাইরে গিয়ে নির্মোহভাবে বুঝতে চান, তাদের জন্য এই পুনঃপাঠ অত্যন্ত জরুরি। আলতাফ পারভেজের এই গ্রন্থটি আমাদের শেখায়-অতীতকে আড়াল করে বা আংশিক সত্য দিয়ে বর্তমানের সংকট দূর করা সম্ভব নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় যদি সত্যিই টেকসই শান্তি ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে হয়, তবে সাতচল্লিশের সেই ট্র্যাজেডির মনস্তাত্ত্বিক ও আদর্শিক ভুলগুলোকে স্বীকার করে নেওয়ার সাহস আমাদের দেখাতে হবে।

‎লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।